রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০

মরলে চাষা খাবি কি


#Say_No_to_farm_bill

হাথারাস গণধর্ষণ কিম্বা বাবরির ‘আত্মনির্ভর আত্মহত্যার’ রায়- পরিকল্পিত এই দুটো ঘটনা দিয়ে কৃষক বিদ্রোহের আঁচে অনেকটাই জল ঢেলে দেওয়া গেছে আপাতত। কিন্তু এটা জনগণের পাপী পেটের প্রশ্ন, তাই #মরলে_চাষা_খাবি_কি স্লোগান চালাতেই হবে অন্তিম শ্বাস পর্যন্ত।

গত কয়েক বছরে দেশে কৃষকবিদ্রোহ ৭০০% বেড়েছে, স্বভাবতই মিডিয়া জুড়ে কৃষক আর কৃষকের পক্ষে মোদীসেনারা স্তুতি করবে, এটাই ছিল তাদের স্ট্রাটেজি। সেটা ফেল মেরে যেতেই হাথারাসের মেয়েটিকে জ্যান্ত পুড়িয়ে খুন করে দেশের মানুষের নজর ঘুরিয়ে দেওয়া হলো।

জীবনে যারা লাঙ্গল দেখেনি, বৃষ্টি ভেজা আলে হাঁটেনি, সেচের স জানেনা, ফসল কখন কীভাবে কাটে জানেনা, বাজারে গিয়ে সবজি বিক্রির গুঁতো বোঝেনি- তারা এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে এখানে কৃষি বিল ও কৃষকের উন্নয়নের কথা বোঝাতে আসরে নেমেছে। স্নো-প্পাউডার-লিপস্টিক মেখে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো তৃতীয় শ্রেণীর ফিল্মি নায়িকা, জীবনের দ্বিতীয় পেশায় এসে এখন রাস্তায় নেমে ‘চাষির কিসে ভালো’ তা বোঝাতে নেমেছে। আমাদের সমাজও এমনই উচ্ছন্নে গেছে যে এদের বলার এক্তিয়ার দিচ্ছে অনেকে। যাদের জন্য এত ভালো ভালো সিদ্ধান্ত, তারা ছাড়াই যে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় সেটা পৃথিবী দেখেছিল কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা রদের সময়, এখন চাষিরা দেখছে।

মোদী সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপের প্রতিটিই ডাহা ভুল নয়, যা করেছে জ্ঞানত করেছে ও আম্বাদানির জন্য করেছে। খুব স্বাভাবিকভাবে প্রত্যেকটি সিদ্ধান্ত জনহিতের বিপক্ষে গেছে। মোদী মন্ত্রী ও RSS এর ভক্তদের দাবী মতো-

1. নোট বন্দিঃ জনগণ ভুল বুঝেছে
2. জিএসটিঃ জনগণ ভুল বুঝেছে
3. অর্থনীতিঃ সারা বিশ্বের তাবড় পন্ডিতরা ভুল বুঝেছে
4. বেকারিঃ ৪৭ বছরে সর্বাধিক এটাও জনগণকে ভুল বোঝানো হয়েছে।
5. করোনাঃ _____________________________ চলছে-
6. পরিযায়ীঃ শ্রমিকদের ভুল বুঝিয়ে হাজার মাইল হাঁটানো হয়েছে।
7. কৃষক বিলেও স্বাভাবিক ভাবেই চাষিকে ভুল বোঝানো হচ্ছে।

সারা দেশের সবাই ভুল, শুধু মোদী ও তার ভক্তেরাই একমাত্র ঠিক। বর্তমান বিশ্বে যে কয়েকটি মহামূর্খ নিকৃষ্ট শাসকবর্গ রয়েছে- ইনি তাদের মধ্যে এক্কেবারে শিরোমণি লেভেলের। ভোটের আগে বলেছিল, ক্ষমতায় এলে ১০০ দিনের মধ্যে জিনিসপত্রের দাম কমিয়ে দেবে, ৫ ট্রিলিয়ন অর্থনীতি স্বপ্ন দেখিয়ে দেশের GDP ডুব সাঁতার দিচ্ছে, রাজকোষ ঘাটতি ১০৯%। ধার করে দেশ চলছে, বাজারে গেলে ভক্ত চাড্ডীদেরও পাছা ফাটে মাল পত্র কিনতে, কিন্তু মুখে ‘মোদী মহান’ কারণ হিন্দু খতরেমে হ্যাঁয়। LIC, রেল, এয়ারপোর্ট সহ দেশের সবই প্রায় বিক্রির দ্বারপ্রান্তে রয়েছে, সেই কাজকে সুগম করার জন্যই বাকি যাবতীয় সবকিছু।

মূর্খ, দাম্ভিক, আত্মকেন্দ্রিক, একনায়কতান্ত্রিক মানসিকতার লোকজনেরা ক্ষমতা দখলের স্বার্থে বৈষম্য আর বিভাজনকে প্রশ্রয় দিয়ে, ধর্মীয় আবেগ উন্মাদনা সহযোগে ঘৃণার চাষ করে মুষ্টিমেয় কয়েকটি ঘুনপোকা গোটা দেশকে আম্বাদানির কাছে বেচে দিয়েছে।

সিনেমার ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের মতো কিছু অসফল গায়ক নায়ককে ভাড়ায় খাটিয়ে, মিডিয়াকে অর্থ ও ক্ষমতার দ্বারা দলদাস করে, আইন ব্যবস্থার মাথায় প্রস্রাব করে দিয়ে এমন একটা আবহাওয়া তৈরি করে রেখেছে যে মানুষ আজ দিশেহারা। কানের কাছে সারাক্ষণ সেই সানাইটা বেজে চলেছে যাতে জনগণের ব্যাথার আওয়াজ ঢাকা পরে যায়, মানুষ সেটাই কেবলমাত্র শুনবে যেটা মোদী সরকার শোনাতে চায়। দ্বিতীয় টার্মে এরা এমন সব বিল আনছে, জনগন ভয়েই অতিষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এরা জানে এসবের কি পরিণতি হবে, তাই বোঝানোর জন্য আলাদা কর্মসুচিও রাখছে। আগের ঘা না মিটতেই আবার এত বড় ঘা তৈরি করে দিচ্ছে যে আগের ঘা টাকে তখন কম বলে মনে হচ্ছে।

চাষির কিসে ভালো তা নিয়ে এরাই জ্ঞান দিতে আসবে চাষি সেজে, ঠিক যেভাবে বিদ্যাসাগর কলেজে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার পর রাতারাতি অসংখ্য বিদ্যাসাগর কলেজের ছাত্র ছাত্রী জন্মেছিল সোশ্যাল মিডিয়াতে। এবারে কিন্তু কোদাল চালানো কড়া পরা হাত, আতঙ্কবাদী স্বৈরাচারী সরকারের ভাড়াটে টাট্টুদের পেঁদিয়ে পঞ্চান্ন করে দেবে চাষির দল।

কৃষকদের ভুল বুঝিয়ে, গরীব গ্রাম্য ফোড়ে-দালালদের রুজি কেড়ে, মহাজন ও পুঁজিপতিদের কাছে চাষের মাল বিক্রি করতে বাধ্য করার নামই নতুন কৃষি বিল। এখন পথে নেমে আন্দোলনই কৃষকদের বাঁচার একমাত্র পন্থা। এই সরকার গরীব মারা সরকার, এদের যারা স্যাঙাত আছে তারাও সানাই এর পোঁ। সিঙুরের মানুষ আজ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে মা-মাটি-মানুষের ধাপ্পা ‘জোর কা ঝটকা’ কেমন ‘ধীরে সে লাগা’। আজ পরিষ্কার, কারা ক্ষতিগ্রস্থ আর কারা লাভবান, গোটা বাংলা এর সাক্ষী। না হয়েছে শিল্প, না অন্য কোনো ব্যবসা, না হয়েছে কারোর চাকরী, না হচ্ছে কোনো চাষ- একবার তৃণমূলের ফাঁদে পড়ে প্রতারিত হয়ে ১০ বছর জলাঞ্জলি গেছে, আবার যদি বিজেপির ফাঁদে পড়ে- এবারে নিজের গু নিজেকেই খেতে হবে। আগের বার ঠকেছে, আবারও রাম ঠকান ঠকবে রামের নামেই।

যেসব চাড্ডি ও নাইটি সেলের ভাড়াটে টাট্টু সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে কৃষক মারা বিলের সমর্থনে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে তাদের বলছি বিলটি যদি কর্পোরেটের দালালির বদলে সত্যিই কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য আম্বাদানির চৌকিদার এনেছে- তাহলে বিলে লিখে দিক –

১) সরকারই একমাত্র MSP ঠিক করবে।
২) সরকার যেরকম হারে আজকের দিনে ফসল প্রোকিওর করে ও নিজস্ব ক্যাপাসিটিতে মজুত করে সেরকমই করবে আগামীতে । FCI কখনও উঠবেনা।
৩) ছোট হোক বা বড়, কোনো সংস্থাই MSP এর চেয়ে কমদামে ফসল কিনতে পারবে না।
৪) কৃষি ব্যবসার সাথে যুক্ত প্রতিটি কোম্পানিকে তবেই লাইসেন্স দেওয়া হবে যে, ‘কোনো পরিস্থিতিতেই MSP এর চেয়ে কম দামে কিনবেনা’। এই মর্মে মুচলেকা দিক কোম্পানি গুলো, এবং দুর্নীতি প্রমাণে ফৌজদারি মামলার রাস্তা খোলা থাকুক।
৫) চুক্তি চাষে কর্পোরেটের তরফে প্রতারণা করলে চাষি আইন-আদালতের সহায়তা পাবে।
৬) আগামী দিনে কোনো পরিস্থিতিতেই রাষ্ট্রীয় খাদ্য সুরক্ষা ব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন হবেনা। দেশের প্রতিটি পেট যেন দুমুঠো ভাত/রুটির নিশ্চয়তা পায় রাষ্ট্রের তরফে।

আমাদের দেশের মিডিয়া বিকৃত ও বিক্রিত না হলে তারা যে প্রশ্ন গুলো হয়তো করতো-

১) বেসরকারি সংস্থা কেন খাদ্য মজুত করবে?
২) আগামীতে ফসলে কালোবাজারি হবে না তার গ্যারান্টি কে নেবে?
৩) কালোবাজারি থেকে চাষি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে বাঁচানোর জন্য বিকল্প ভাবনা কি রয়েছে?
৪) ফসলের কৃত্রিম শূন্যতা সৃষ্টি করে জনগণের পকেট কাটবেনা তার নজরদারি কে করবে ও কোন দপ্তর?
৫) রাজ্যে রাজ্যে FSD দপ্তর গুলোর ভবিষ্যৎ কি?
৬) এসেনসিয়াল কমোডিটির সংজ্ঞা কি?
৭) সরকার কার স্বার্থে কাজ করছে, জনগণ না আম্বাদানি?
৮) কৃষিক্ষেত্রের উৎপাদনে প্রত্যক্ষ করের বিষয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি কি?

আজকাল আর কিছু বলতে সাংবাদিক সম্মেলন করতে হয়না, টুইটারেই দু’লাইনে মিটে যায়। তার পরেও মোদী ৬ বছরের রাজত্বকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের সামনা করার মুরোদ জন্মা দিতে পারেনি। দেশজোড়া বিরোধের মুখে নাগপুরের কয়েকজন বলদপিতা টুইটে বার্তা দিয়ে পরিস্থিতি নরম করার চেষ্টা করেছে, শিরোমণি আকালির হরসিমরত কৌরের প্রি-প্ল্যানড নাটকীয় পদত্যাগের যাত্রাপালা ফাঁস হয়ে যেতে। সুতরাং, এখন কিছুই আর মুখের কথায় হবে না, প্রস্তাবিত বিল ‘রাবার স্ট্যাম্প রাষ্ট্রপতি’র টিপসইও হয়ে গেছে, শুধু গেজেটে প্রকাশ বাকি। দাবী উঠুক, প্রতিটি আপত্তির বিষয়ে স্পষ্ট দিশা নির্দেশ বিলে লিখে দিক এমেন্ডমেন্ড করে, অথবা সম্পূর্ন বিল প্রত্যাহার করুক।

এই মোদীই বলেছিলো- “৫০ দিন সময় দিন, কালো টাকা ফেরত না এলে রাস্তার মোড়ে যেখানে পারবেন ঝুলিয়ে-জ্বালিয়ে দেবেন”। শুধু হিসেব দিক কালো টাকা কত ফেরত এসেছে, ওনাকে জ্বালাবার বা টাঙাবার কারো কোনো শখ নেই। জ্বালানো তার শখ, গোধরা-গুজরাত জ্বালিয়ে এখন প্রতিটি নাগরিকের ঘরে আগুন পৌঁছে দিয়েছেন সযত্নে। অবশ্য প্রতিটি ফ্যাসিবাদিদেরই শেষটা ওই ঝুলিয়ে-জ্বালিয়েই শেষ হয়েছে মুসোলিনির মতো- তাই এনারা নিজেদের ভবিতব্য জেনেই হয়তো এতোটা কনফিডেন্সের সাথে জ্বালিয়ে ঝুলিয়ে দেবার কথা বলতে পারে।

বাতেলাবাজিতে জনগণ আর কেউ আশ্চর্য হয়না, ‘প্রভুজি’ কামকি বাতের বদলে রেডিওর আড়ালে ‘লোমকি বাত’ এর ভাঁড়ামো করে, আগে পাবলিক রাগ করতো, এখন খিস্তিখাস্তা করে অবিরত। ফাঁকা টানেলে হাত নেড়ে, পান্ডববর্জিত স্থানে গাড়ির ভিতরে নিজের মাথায় নিজেই আলো ফেলে নিজেকে কার্টুন নেটওয়ার্কের জনপ্রিয় জোকার চরিত্রে নিজেকে উন্নিত করেছে। সেই নোট বন্দি থেকে শুরু করে, এরাই সম্মিলিতভাবে বুঝিয়েছিল ২০০০ টাকার নোটে ন্যানো চিপ আছে। জিএসটি, ৩৭০ ধারা লোপ, করোনাকালের শুরুতে থালা-ঘন্টা বাজানো, মোমবাতি জ্বালানো, ফুল ছড়ানো ইত্যাদি নিয়ে খেয়ালী আঁতলামো-মাতলামো কম হয়নি। ২১ দিনে করোনা ‘আল-গায়েব’ হওয়ার চার ফেলেছিল, সে চারও ডুবেছে। বৃষরাজ, ভক্তদের মূর্খ বানিয়ে রেখেছে আর মূর্খদের ভক্ত।

কাজের কাজ কি হয়েছে- প্রতিটা মানুষই নিজের জীবনের দুর্বিষহ সময়গুলো দিয়ে রন্ধ্রে রন্ধ্রে সয়ে বুঝেছে। স্বৈরাচারী সরকারের এটাই চরিত্র হয়, তারাই একমাত্র ঠিক আর বাকিরা ভুল- রাজ্যসভাতে মাইক বন্ধ সেটাকেই প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছে। ‘ইন্টারন্যাশানাল এ্যামেনেষ্টি’ সরকারের অত্যাচারে দেশ ছেড়েছে, সুতরাং সরকারের দিশা কোন পথে তা ভক্ত ছাড়া সকলেই হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারছে। এরা আর বুঝতে পারছেনা যে জনগণ আর এদের মানতে চাইছে না, এদের ধাষ্টামো ধরে ফেলেছে। পরিকল্পিত ধর্ষনের পর আমাদের ঘরের মেয়েদের চিতায় তুলে প্রমাণের অবশেষটুকুকে এরা মিটিয়ে দিতে চায়, পুলওয়ামার কণভয়ে হামলা হয় সুরক্ষার অভাবে আর হাথারাসের রাস্তায় হাজার পুলিসের নিশ্ছিদ্র বলয় তৈরি হয় বিরোধী আঁটকাতে- এটাই এরা পারে। তবে এদেরও বোধোদয় হবে, অবশ্য তদ্দিন এদের রাজনৈতিক স্বত্তা ওভাবেই রাতের আঁধারে চিতাতেই যে জ্বলবে তা বলাই বাহুল্য, কারণ এটাই ইতিহাসের শিক্ষা।

অপরিকল্পিতভাবে লকডাউনে অধিকাংশ ব্যক্তিই নিজেকে সুনিশ্চিত ভাবে নিজেকে কর্মহীন করতে পেরেছে, এই সরকারের কাছে লকডাউনের ক্ষয়ক্ষতি তো দুরস্থান- কত MSME কারখানা বন্ধ হয়েছে, কতো পরিযায়ী শ্রমিক মরেছে, দেশে বেকারত্বের হার কতো এ সব বিষয়ে কোনো তথ্যই নেই। তথাপি নির্লজ্জের মতো এগুলো স্বীকার করতেও ইজ্জতে বাঁধেনা এদের। সরকারের উমেদার- গাঁজাখোর সফট পর্ন নায়িকাকে জেড-প্লাস সিকিউরিটি দেওয়া আর সরকারের মানুষ বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে মুখ খোলা ব্যক্তিকে মামলা দিয়ে হ্যারেজমেন্ট করার বাইরে এদের কোন তৃতীয় এজেন্ডা নেই।

‘এ কেমন রাষ্ট্রপিতা’ প্রশ্ন তোলার দিন শেষ, এখন গণবিদ্রোহের মধ্য দিয়ে এদের ক্ষমতাচুত্য করাই হোক এক ও অদ্বিতীয় লক্ষ্য।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...