বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

অকপট ভ্রমণ

 


সকালে পাঁচশো গ্রাম মত চিংড়ি পাওয়া গেছে। নারকেল-পোস্ত দিয়ে মালাইকারি হতে পারে, দোপেঁয়াজা, ডাব চিংড়ি, রসা, ভাপা, সরষে চিংড়ি, পোস্ত চিংড়ি সহ কত কিই না করা যেতে পারে- আমি সেইটা ভাবছি।
Subrata দা বলছিল, যার যাকেই ট্যাগ করোনা কেন Kushal, Satyaki বা Shabnam কে যেন ট্যাগ কোরোনা- বেশ তাচ্ছিল্যের বাঁকা হাসি হেসে বললো- ওরা কি জানিবে চিংড়ির স্বাদ! ইন্দ্রনীল, Nayan বা Sourav যদি চিংড়ি নিয়ে কিছু মতামত দেয় সেটা আলাদা ব্যাপার।
ঠিক এই কারনেই Jayanta কেও ডাকনি, কারন Suparna এ বিষয়ে.... ( বাকিটা বলতে আমার আর সাহস নেই, মাথার চুল না থাকলেও দাড়ি আছে। উঁপড়ালে রক্ষে নেই)
"কিংশুক দা বললেন- চিংড়ি নিয়ে নো চ্যাঙরামো। দরকারে আরো একটা ওয়াটারলু লড়ব। কটা চুনোমাছখেকো কি বলবে চিংড়ি নিয়ে! ওরা কি ভাবে জানবে ওই লালচে কুড়কুড়ে শরীরের ভিতরে আধা ভাপা সাদা শরীরে আলতো করে ছুঁয়ে যাওয়া মসলার চুমু- আহা... পেঁয়াজ, লঙ্কার কুচো সাথে নারকেলের স্বাদ, উফ- সাক্ষাৎ অমৃত। চিংড়ির ওই ছোট কোমল পেলব ত্বকে জিভের ছোঁয়া লাগলে কি যে শিহরণ খেলে যায় গোটা শরীর ও মন জুড়ে তার খবর ঘটি ছাড়া কে রাখে! কাঁসার জামবাটিতে থকথকে গ্রেভিতে গলদা সাম্রাজ্ঞী যখন হাজির হয়, তার রূপের ছটা- মুখীকচুর লতি খোরেরা কী জানবে?
যারা কোনোদিন চিংড়ির দাঁড়া ছোঁয়নি তাদের বারফট্টাই ওই কচুঘেঁচুতেই আঁটকে। চিংড়ি হলো সাক্ষাৎ মহাযোগী, অমন শুভ্র টঙ্কার সম শরীরে দাড়ি গোঁফের জটা- আহা, যেন গোটা ইন্দ্রপুরী ধরা দেয় মানসচক্ষে। রাজপাচকের পাকশালের উমদা চিংড়ির কৌলিন্যে কত বেহেমিয়ানই যে বর্তে গেলো তার হিসাব কি ওরা জানে? জিঁড়ের ফোড়ন দিয়ে সারাজীবন 'শুঁটকি' খেকো বাঙাল গুলো এ স্বাদের ছোঁয়া পাবে কীভাবে!"
যা বুঝলাম, আগামী #অকপটভ্রমণ জুড়ে দার্জিলিং জমজমাট।
বাকিটা অকপটের জন্য ছেড়ে দিলাম

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...