কিছুনা, আসলেই কিছুনা।
করোনা পিরিয়ডে, মানে ভ্যাকসিন নেওয়ার আগে রোড এক্সিডেন্টে মরলেও সরকারি
নথিতে করোনাতেই মরেছে লেখা হয়েছে- এর
জন্য আবার লিঙ্ক চাইবেনা যেন।
অবশ্য মিডিয়ার দেখানো ভয় বাজি, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলগুলোর টাকা সাইফনিং আর
সরকারি বিজ্ঞাপনের দৌলতে একবার ভ্যাকসিন নেবার পর মরলে - আপনি হার্ট ফেল, কিডনি সহ মাল্টি অর্গান ফেলিওর
হয়ে মরুন- করোনা আপনার কখনই হবেনা। মানে যারা এইভাবে মরেছে তাদের কারোরই করোনা
হয়নি। কিন্তু সেই ডেটা আছেটা কার কাছে? কতজন সত্যকারের ভ্যাক্সিন নিয়েছে, সেই ডেটা প্রতিটি ভ্যাক্সিন কোম্পানির কাছেই আছে, কারন প্রতিটি ভ্যাক্সিনের
নির্দিষ্ট নাম্বার ছিলো।
প্রতিটি ভ্যাক্সিন কোম্পানি জানে তাদের
"ট্রায়ালে" মর্টালিটি রেট কত। কিন্তু সেটা জনগণকে জানাবেনা। সরকার বা আদালত যারা চালায় তাদের মাঝেই
তো "বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করে গরু অক্সিজেন দেয়" শীর্ষক রায় দেন। সুতরাং
কোভিড সংক্রান্ত আসল তথ্য এ পোড়ার দেশের জনগন কখনই জানবেনা।
হ্যাঁ, এখনও ট্রায়ালই চলছে- আজও সেল্ফ ডিক্লিয়ারেশন দিতেই
হয়। মানে আপনার পটল তোলার দায় একান্তই আপনার নিজের- সরকার বা ভ্যাক্সিন কোম্পানির
কোনো দায় নেই। বুঝতেই পারছেন, কেন আমাদের দেশের কোনো ভ্যাক্সিনই পরিপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়নি।
তার মাঝে একটিকে তো কেউই মান্যতা দেয়নি।
অনেকেই বলবেন, কোটি কোটি মানুষ ভ্যাক্সিন নিয়েছে, কতজন আর মরেছে! জ্বী, নুন-জলে কী আর মানুষ মরে!
শুরুতেই বলেছি ট্রায়াল চলছে, তবেই না একটা এ্যাম্পুল থেকে ৫-৭ জনের মাঝে কাউন্টার বিলি করা যায়। যারা
একটু কেউকেটা, তারা
বাঁচার তাগিদে 'আসল' ভ্যাক্সিন নিয়েছিল- ফলাফল
দেখুন- রেল লেগে গেছে সেলিব্রিটি মৃত্যুর। সেই তুলনাতে আপনার পাশের বস্তি বা
গ্রামাঞ্চলে করোনা আছে?
জানি আপনি তর্ক করবেন, কারন ভ্যাক্সিন নিয়েছেন, তাই স্বপক্ষে আপনি বলতে
দায়বদ্ধ- লেজকাটা শেয়ালের মত।
প্রশ্নই আগেও ছিল- করোনা অদৌ কোনো প্যাথোলজিক্যাল
রোগ নাকি এটা একটা ক্যাপিটালিজম রোগ। ভ্যাক্সিনে করোনা না সারলেও যারা ভ্যাক্সিন
কোম্পানি খুলেছিলো তাদের পৌষমাস- আঙুল ফুলে
বাওবাব গাছ।
ভেবে লাভ নেই, আপনি সেই নির্বোধের মতই নেচে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাক্সিন নেবেন, আর সপক্ষে এঁড়ে তর্ক করবেন যুক্তি
ছাড়া।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন