বাঁঁদরের বাঁদরামি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বাঁঁদরের বাঁদরামি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

নাগপুর ও শিক্ষা দূুর্নীতি


পেপার লিক বা প্রশ্নপত্র ফাঁস কোন বিচ্ছিন্ন দুর্নীতি নয়।  এটা একটা পরিকল্পিত অর্থনৈতিক মডেল যেটা সরাসরি নাগপুর থেকে পরিচালিত হয়। এটার পেছনে একটা পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক কাঠামো কাজ করে, যা কোনো আকস্মিক সিদ্ধান্তের ফলাফল নয়।

পেপার লিক দুর্নীতির ক্ষেত্রে একটা বড় অংশ ইচ্ছাকৃত আঁধারে রেখে দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থাগুলো, যে বিষয়ে আলোকপাত হওয়া অত্যন্ত জরুরী। গদি মিডিয়া এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন করবে না এটা স্বাভাবিক কিন্তু তথাকথিত নিরপেক্ষ youtube সাংবাদিক কুলও নিম্নলিখিত বিষয়ের উপর কোনো ধরনের আলোকপাত করতে সক্ষম হয়নি। স্বভাবতই রাহুল গান্ধী থেকে দীপকে অব্দি কারও মুখে কোনো রা নেই।

বর্তমানে যে পেপার লিক বিষয়টা নিয়ে এত আন্দোলন, সেটার হুইসেল ব্লোয়ার হিসাবে রাজস্থানের সিকর জেলার রসায়নের শিক্ষক শশীকান্ত সুতার প্রথম বিষয়টি সামনে আনেন। সেখানেই প্রথম FIR হয়। তদন্তে দেখা যায় কয়েকজন বিহারের বাসিন্দা যারা দিল্লি লাগোয়া হরিয়ানার গুরগাঁও থেকে গোটা বিষয়টা অপারেট করত। প্রশ্নপত্র ছাপা হতো রাজস্থানের প্রেসে, সেখান থেকে দিল্লির বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে অবিশ্বাস্য মোটা দামে বিক্রি করা হতো। এই অব্দি দেখে মনে হবে- মোটামুটি সবকিছুই একটা দুষ্ট দুর্নীতি চক্র জড়িত - যেমনটা প্রতিটি দুর্নীতিতে হয়ে থাকে। 

কিন্তু এই প্রশ্ন ফাঁস করেছিল কারা? যারা করেছিল তারা প্রত্যেকে মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা, পেশায় অধ্যাপক। লাতুরের অধ্যাপক পি. ভি. কুলকার্নি ও প্রফেসর শিবরাজ রঘুনাথ মোটেগাঁওকর, পুনের মনীষা গুরুনাথ মান্ধারে এবং মনীষা হাভালদার, মনীষা বাঘমারে, নাসিকের শুভম খায়রনার ও ধনঞ্জয় লোখান্ডে। এরা প্রত্যেকে মহারাষ্ট্রের। এদের আরো বড় পরিচয় হচ্ছে এরা প্রত্যেকে হয়- অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘ (ABRSM), কিম্বা ভারতীয় শিক্ষণ মণ্ডল (BSM) অথবা    বিদ্যা ভারতী (Vidya Bharati) সংগঠনের সাথে যুক্ত। এই তিনটে সংগঠনই নাগপুরের গোয়াল ঘরের নিজস্ব সংস্থা।

অর্থাৎ প্রশ্নপত্র ফাঁস দুর্নীতিতে যুক্ত প্রত্যেকে আরএসএস এর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।  এমনকি রাজস্থানের ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কে যেসব ছাত্র এবং কাউন্সিলর নামের দালালেরা এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তারাও অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP) এর সাথে সম্পৃক্ত। 

প্রতিটা সাংবিধানিক পদ সেটা বিচারব্যবস্থা হোক কিংবা নির্বাচন কমিশন, প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য পদে সরাসরি RSS এর প্রচারকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।  সুতরাং যারা প্রশ্নপত্র তৈরি দায়িত্বে ছিল, তারা সেই দায়িত্ব পেতই না- যদি না তারা সরাসরি নাগপুরের আস্থাভাজন হতো। ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বলি দেওয়ার আড়ালে মহারাষ্ট্র সরকার আর আরএসএস নিজেদের লুকিয়ে ফেলতে চাইছে।

এই পেপার লিক থেকে প্রাপ্ত দুর্নীতির আর্থিক লাভের একটা বড় অংশ সরাসরি আরএসএস এর হেডকোয়ার্টারে পৌঁছে যেত বা যায়। বরং বলা ভালো নাগপুর থেকে সরাসরি এই দুর্নীতিটাকে সঞ্চালন করা হতো। যে কারণে এই কেলেঙ্কারিতে ধরা খাওয়া প্রতিটা 'কিংপিন' মহারাষ্ট্রের। অথচ মহারাষ্ট্রের শিক্ষামন্ত্রী, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাড়নবীসের নাম একবারও শুনেছেন এ বিষয়ে? শোনেননি,  কারণ ব্যথা জায়গায় হাত পড়লেই সেই হাত সরাসরি নাগপুরের গোয়াল ঘরে পৌঁছে যাবে। এই কারণেই পেপার লিক হওয়ার পর দেবেন্দ্র ফড়নবীসকে রাজস্থানে ডেকে পাঠিয়েছিল। তাকে ধমকাতে কিংবা তদন্তে সহযোগিতা করতে নয়, কেন ফাঁস হলো সম্ভবত এই বিষয়ে জানার জন্য। 

ধর্মেন্দ্র প্রধান বলি গেছে, সেটা যাওয়ারই ছিল অপদার্থ শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে। কিন্তু মূল মাস্টারমাইন্ড মহারাষ্ট্র সরকার এবং আরএসএস সরাসরি এই দুর্নীতিতে জড়িত। নতুবা এটা কখনও সম্ভব হতো না। একটা ধর্মেন্দ্র গিয়ে আরেকটা নতুন চোর চলে আসবে,  কিন্তু নাগপুরের গোয়াল ঘরের যারা মাস্টারমাইন্ড তারা বহাল তবিয়তে রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। যতক্ষণ না এদের কান ধরে আইনের সামনে দাঁড় করানো হবে ততদিন এরকম প্রশ্নপত্র ফাঁস চলতেই থাকবে। 

২০১৫ সালের 'ব্যাপম' কেলেঙ্কারিতে ৪০ জনের রহস্য মৃত্যু আমরা কেউ ভুলিনি, কে জানে এবারে কতজন সাক্ষী এবং অপরাধী রহস্য মৃত্যুর শিকার হয়। ব্যাপম কেলেঙ্কারির নায়ক  শিবরাজ সিং চৌহানের সাজা হওয়া তো দূরস্থান, ন্যূনতম তদন্ত টুকু হয়নি। মহারাষ্ট্র সরকার এবং সেই সরকারের মাথা এবং দেবেন্দ্র ফড়নবীশকেও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে মনে হয় না। যে সমস্ত কিংপিন ধরা পড়েছে, সেই অপরাধীরা যে সংগঠনের সঙ্গে জড়িত, সেই RSS এর শিক্ষক সংগঠনগুলোকে কেন তদন্তের আওতায় আনা হবে না? 

মোহন ভাগবত এমনি এমনি জেন-জি কে সার্টিফিকেট বিলি করতে বসে যায়নি কিংবা মাঝরাতে হ্যালো ফ্রেন্ডস বলে বিশ্বভাঁড় মিছিমিছি ভাঁড়ামি করতে আসেনি instagram এ, RSS কে আড়াল করতে যাবতীয় এইসব ফন্দিফিকির।

রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬

হঠাৎ কেন বন্দেমাতরম?



যাদবপুর, এই বিষয়টা ১০ কোটি পশ্চিমবঙ্গবাসীর মধ্যে- ৯ কোটি ৯৯ লক্ষ ৯০ হাজার জন ব্যাক্তি ব্যক্তিগতভাবে কোনোভাবেই 'নূন্যতম' জড়িত নয়।

বন্দেমাতরম, দেশের ১ জন জনগনের রুটি-রুজি জন্যও জরুরী কি? দেশের ইন্ট্রিগ্রিটি, বর্হিশত্রুর আক্রমণ ঠেকাতে জড়িত? এটা গাইলে কী দেশে মেধা, শিল্প, আর্থিক শ্রীবৃদ্ধির বন্যা না হোক, চোরা স্রোতও কি বইবে? যদি সেটা না ই হয়, তাহলে এটাই কেন দেশের একমাত্র প্রাইম ঈশ্যু? দেশদ্রোহী চোর ধর্ষক বিজেপি/RSS এর জন্য এটা একান্ত জরুরী, কারন প্রতারিত 'হিন্দু' জনগনের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে প্যান্টে হেগেমুতে ফেলছে তাই ধামাচাপা দিতে এটা তাদের জন্য জরুরী। যে হিন্দু জনগণ এদের পরিত্রাতা ভেবেছিল, আজ তারা দেখছে তাদের পরনের কাপড় টুকুও নেই- বিজেপি বেচে দিয়েছে।

আম নাহয় কাটার বাচ্চা, যেকোনো সময় কোনো দেশপ্রেমিক বাঁদর বা বলদের বাচ্চা আমাকে পাকিস্তান পাঠিয়ে দেবে- কিন্তু রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে অষ্টপ্রহর অবিচ্ছিন্ন বন্দেমাতরম গাইলে কী "হিন্দু অস্মিতার" নিশান রামমন্দির বা বৈষ্ণদেবী মন্দিরের চুরি যাওয়া অর্থ ফেরৎ আসবে? বাকি কোনো সামাজিক জলন্ত ঈশ্যুকে নাহয় সামনে আনলামই না।

আমাকে বলুক আমার ব্যবসার শ্রীবৃদ্ধির জন্য আমাকে সরকারী তহবিল থেকে অতি সামান্য আর্থিক সুবিধা দেবে- যেমনটা আম্বানি আদানি পেয়েছে, তার ভগ্নাংশের ভগ্নাংশ মাত্র; আমি রাস্তার মোড়ে চেঁচিয়ে রোজ ৩ বেলা বন্দেমাতরম গাইবো। 

ভাত দেওয়ার ভাতার নয়, তুমি মরালিটি চোদাবার গোঁসাই। 

শমীক ভট্টাচার্য খুব সচেতন ভাবেই নিজেকে 'কমিক' ভট্টাচার্যে ট্রান্সফর্ম করে- যাত্রাদলের বিবেকের ভূমিকাতে শান্তিগোপাল হয়ে যায়- আপনাকে চুতিয়া বানাতে। RSS/BJP যখন সে ঈশ্যু গুলোকে মুখ্য বানায়, জানতে হবে তারা প্যান্টে হেগে বসে আছে- কিম্বা কোনো বড় চুরির ফাঁদ পেতেছে। তাই আলবাল ঈশ্যু তুলে আপনাকে মানে দেশের ৭০% হিন্দুকে মাতিয়ে রেখে, কিছু লুকাতে চাইছে। দেশ বেচে দিচ্ছে।

গ্যাস, চিনি, বাইকের জ্বালানি, সরসের তেল থেকে প্রতিটা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম রোজ বাড়ছে- বাড়েনি আপনার রোজগার। "ভারত মাতা কি জয়" স্লোগান ওই "জয় শ্রী রাম" স্লোগানের মতই আগামীতে বিজেপির রাজনৈতিক স্লোগান হিসাবে চিহ্নিত হবে। কুলদীপ সেঙ্গার, প্রজ্জ্বল রোভান্না, ব্রিজ ভূষণ সিং, চিন্ময়ানন্দ, আশারাম বাপু বা বাবা রামরহিমও "ভারত মাতা কি জয়" স্লোগানের আড়ালে ধর্ষন করেছে। রামমন্দিরের চাঁদা চোরটাও "জয় শ্রীরাম" বলেই বামাল নিয়ে পালিয়েছে নাগপুরে। এরা সকলে কি বন্দেমাতরম জানত? ধরে নিচ্ছি নিশ্চই জানতো, যেহেতু বিজেপি করতো। সুতরাং, বন্দেমাতরম বললে কোনো কিছুরই সমাধান হবেনা।

ভোটের আগে এই বেজন্মারাই রোহিঙ্গা রোহিঙ্গা করে মুখ পোঁদ সকল ফুটো দিয়ে আওয়াজ বের করত, আজ সেই সব ফুটোতে- হয় বাপের ফাটা কন্ডোম কিম্বা মায়ের মাসিকের ন্যাকড়া গুঁজে রেখেছে। আর রোহিঙ্গা শব্দ কেউ শুনতে পান কেউ? এই শুয়োরের বাচ্চাদের কাজই হচ্ছে আম মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অপ্রাপ্তি থেকে আসা প্রশ্ন গুলো থেকে ক্ষোভকে অন্য পথে চালনা করতে এই সব আলবাল ঈশ্যুকে এমন ভাবে সামনে আনে, যেন এটা ছাড়া জীবন অচল। 

একই পথে কোরবানি বন্ধ করতে গিয়ে গোপালক সম্প্রদায়ের পেটে পা দিয়ে দিয়েছে। আজ রাস্তায় নামাজ বন্ধ, আজান বন্ধ, ঝটকা মাংস- এই সব করে একটা শতাংশ উন্মাদের মানসিক অর্গাজম হচ্ছে- তাতে পেট ভরছে কি? সেই তো মেয়ে বৌকে ন্যাংটা করে র‍্যান্ডি নাচ নাচিয়ে টাকা কামাতে হচ্ছে।

পাঁঠা চোদাগুলো বন্দেমাতরম নিয়ে গাঁড় পেঁয়াজির নতুন নক্সা এনেছে। বন্দেমাতরম অদৌ গাইবো কিম্বা কতটা গাইবো- সেটা তো যারা দেশ স্বাধীন করেছিলো তারাই ঠিক করেই দিয়ে গিয়েছে। আজ যখন সমগ্র বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলো ড্রোন টেকনোলজি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, কোয়ান্টাম ফিজিক্স নিয়ে এগোচ্ছে চুতিয়ার বাচ্চারা বন্দেমাতরম নিয়ে হুপ হুপ শুরু করে দিয়েছে। IIT/IIM এ কখনও ক্যালা কাত্তিক মহারাজ তো কখনও শ্রীশ্রী রবিশঙ্করকে ডেকে এনে বক্তিতা দেওয়াচ্ছে- IT সেক্টারে আমাদের দেশের যে উৎকর্ষ ছিলো সেটারও মা-চুদে দেওয়ার পরিকল্পনা একদম খাপে খাপ। ওদিকে ট্রাম্প থেকে পুতিন, যে যখন পারছে বিশ্বগুরুর মায়ের ১০৮ করে দিচ্ছে। 

যেদিন RSS নিজেদের সরকারের খাতায় রেজিস্ট্রেশন করে তাদের সমস্ত সম্পদ ও অর্থের হিসাব দেবে, যেদিন RSS লিখিতভাবে ভারতীয় সংবিধানকে তাদের সংবিধান মানবে, যেদিন "নমস্তে সদা বৎসলে" এর পরিবর্তে সঙ্ঘে বন্দেমাতরম এর পূর্ণ গীত গাওয়া হবে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসাবে- সেদিন তারা ১৫০ কোটি ভারতবাসীকে বাধ্য করুক।

আর তা না করলে, এদের কাঁচা খিস্তিখেউড় করাটা নাগরিক কর্তব্য। যে এদের খিস্তিখেউড় করবেনা, কিন্বা মনে করে এদের খিস্তি দেওয়াটা অন্যায়- তার বাপের DNA এর সাথে নিজের DNA চেক করা দরকার, কে জানে পাড়ার কাকুদের দল দুপুর ঠাকুরপোর ভূমিকাতে আপনার মাতৃদেবীর পোয়াতির কারন হয়েছিলেন কিনা- যেমন আদানি আম্বানি বাবা মিলে "বিজেপির ভারত মাতা"কে পোয়াতি করে দিয়েছে।

শালারা বন্দেমাতরম আর যাদবপুর চোদাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬

নপুংসক মরদ


মাননীয় শুক্রবারী Suvendu Adhikari মহাশয়, বিষয় হলো- আপনার মস্তিষ্কপ্রসূত গরু আন্দোলন বাজারে খায়নি, সরকারি নোটিফিকেশন ছাড়াই আজান বন্ধের মুখেও থুতু দিয়ে দিয়েছে। এখন 'ল্যান্ড জিহাদের' প্রোজেক্ট এনেছেন। এরপর সিভিল কোড লাগু ব্লা ব্লা ব্লা..., মুসলমান টাইট দিলে কি হিন্দুর ঘরের গ্যাসের দাম কমবে? প্রসঙ্গত, আপনি তো আধাবেলার যোগী, আপনার পিতা মানে মোদী ও নাগপুর সম্মিলিত ভাবে মুসলমানের কিচ্ছুটি ছিঁড়তে পারেনি লিঞ্চিং ছাড়া, আপনার মুরোদ তো তার চেয়েও কম। আপনি বড়জোর একটা রাজনৈতিক ছাপড়ি মাত্র, যার অউকাত ওই হাত-পা ছোড়া অবধিই।

মমতার আমলে চুরিটা 'চুরি' হিসাবেই ছিলো। আপনার আমলে সবটাই ধর্মীয় মোড়কে, দেশপ্রেম, হিন্দুত্ব আর মুসলমানকে টাইট দিতে এই চুরি। নিচে জয়ন্তীর ভিডিওটা একটা অতিক্ষুদ্র উদাহরন মাত্র। ভাইপো বিদেশ যায় জেলের বদলে, কারন ভাইপোকে জেলে পাঠালে আপনি শুভেন্দু অধিকারী নিজেও জেলের স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে যাবেন। ভাইপো কোনো নতুন কিছু করেনি যে পাপ আপনার ছিলোনা তোলমূলে থাকা অবধি। একই চোর কোম্পানির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ছিলেন ২০২০ অবধি। সুতরাং আপনার অউকাত নেই তোলামুলের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার, তাই রোজ মুসলমান টাইট দেওয়ার গল্পে RSS এর উন্মাদ গুলোকে অর্গাজম দিতে হবেই আপনাকে। ওদিকে অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে মুখ বন্ধ, জানিনা পোঁদ ওনার জন্য ওপেন কিনা।

আগে নীলসাদা তোলামূল ছিলো, এখন গেরুয়া তোলামূল। নবান্নে কয়েকপিস নমুনা ছাড়া নিচের তলায় কিচ্ছু পরিবর্তন হয়নি একপ্রকারে। সেই এক আমলাতন্ত্র আর একই চুরির ইনফ্রাস্ট্রাকচার। বস্তুত ২০১১ থেকে এই চুরির পাইপলাইন তো আপনারই বিছানো। তাই নাটক কম করো পিয়ো, 

আপনি গে, নপুংশক বা হিজরে যেটা খুশি হতেই পারেন, পুরুষ যে নন এটা ৩ মাসে প্রমান করেছেন, তবে স্বীকৃত চোর বটে। নারদায় প্রকাশ্য ভিডিও না থাকলেও সকলে এটা জানে। রাজ্যের চোরেরা নতুন নেতৃত্ব পেয়েছে, আগে দিদির অধীনে চুরি করত, এখন দাদার অধীনে।  আগে অম্বা রম্বা হাম্বা শুনতো, এখন ভুলিনি ভুলিনি ভুলিনি শুনছে। ১ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে হাম হাম গুড়ি গুড়ি নেত্ত্যও দেখবে। কারন একজন ব্যার্থ মানুষ(!) যার প্রতিটা প্রতিশ্রুতি ধাপ্পাবাজি, আর সেই ধাপ্পা থেকে বাঁচতে মুসলমান টাইটের হরেক ফিকির এনেও প্রতিবার নিজের থুতু চাঁটা বুঁকে হাঁটা কেউ- সার্কাসের ভাঁড়ের চেয়ে উন্নত কিছু হতে পারবেনা।

এগুলো লেখার জন্য এ্যারেস্ট করবেন? অবশ্য মিথ্যা মামলাতে ফাঁসিয়ে জেলে ভরা তো আপনার স্পেশালিটি। ২০১১ থেকে পুলিশকে সাথে নিয়ে কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ- সিপিএম আর কংগ্রেসকে পুলিশের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে যেকোনো মূল্যে রাজ্যকে বিরোধী শূন্য বানিয়েছিলেন। আজ গেরুয়া পরলেই সাধু হয়ে যাবেন! অবশ্য, এর বাইরে আপনার অউকাতই বা কি!

মজা কি জানেন, দিল্লিতে জোড়া পাঁঠা বলির প্রতিক্ষায়। দিল্লির ঘটি উল্টালে, পরবর্তী ১ ঘন্টায় রাস্তায় উলঙ্গ করে বাংলার মা-বোনেরা আপনাকে দৌড় করিয়ে ঝাঁটা দিয়ে ক্ষ্যাপা কুকুরকে যেমন পেটায়, আপনার অবস্থা তার চেয়েও অধম করে দেবে।

জয় শ্রী রাম।

নাগপুর ও শিক্ষা দূুর্নীতি

পেপার লিক বা প্রশ্নপত্র ফাঁস কোন বিচ্ছিন্ন দুর্নীতি নয়।  এটা একটা পরিকল্পিত অর্থনৈতিক মডেল যেটা সরাসরি নাগপুর থেকে পরিচালিত হয়। এটার পেছনে...