মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

প্রতিকুকুরের হিল্লে



প্রশ্ন এটা নয় যে - প্রতিকুকুর কোর্ট রুমে কি করছে, হাইকোর্ট চত্বরে ব্যাগ-ফাইল বয়ে আর্দালি বা দিনমজুরের কাজ করে দিতে পারলে অন্তত পেটটা চলে যাবে, সেখানে গায়ে কালো কোট- একে তাকে টুপি দিয়ে গাড়ির তেলের টাকা হয়ত বা তুলে নেবে। 

একটা ধান্দাবাজ নিকৃষ্ট বিশ্বাসঘাতক, যে চোরের স্যাঙাৎ, সুযোগের অভাবে চুরি করতে পারেনি, সে বেশ্যাপাড়ায় গিয়ে দালালের কাজ করবে, নাকি মদের দোকানে গ্লাস মাজবে,  কিম্বা জুয়ার ঠেকে বুক মেকার হবে, সেটা তার চয়েস। তোমার কি বিশ্বাসঘাতকতা করে- দীর্ঘদিন ধরে সেটা অন্তরে লালন করার পর তবে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। প্রতিকুকুরেরা আগামীতে যা করবে, দুর্নীতির জন্যই করবে। তাই এর মত বাজারি মালেদের নিয়ে সময়ের বাজে খর্চা বাড়িয়ে লাভ নেই।

প্রশ্ন হচ্ছে সব্যসাচী বাবুর এতো উথলে পরা পিরিত বা দরদ কেন? চুলকানি ততক্ষণ ভালো যতক্ষণ না ঘা হয়ে যাচ্ছে। প্রতিকুকুর যদি সব্যসাচীর বিরোধী কলিগ হয় সেটা আলাদা কথা, কিন্তু যদি সাথী/সহকারী হয়, বুঝতে হবে পার্টির থেকে বন্ধু বড়- 

অতএব, আগামীতে কেন কেউ সব্যসাচী বাবুদের মত কমরেডদের ২ পয়সা দিয়ে ভরষা বা বিশ্বাস করবে, যারা প্রতিকুকুরের প্রতি এমন উদার ও গদগদ!!

প্রশ্নটা করে রাখলাম সব্যসাচী বাবু.....

জবাব আপনাকে সময় দিয়ে দেবে, উপযুক্ত ফি'জ সহ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নাগপুর ও শিক্ষা দূুর্নীতি

পেপার লিক বা প্রশ্নপত্র ফাঁস কোন বিচ্ছিন্ন দুর্নীতি নয়।  এটা একটা পরিকল্পিত অর্থনৈতিক মডেল যেটা সরাসরি নাগপুর থেকে পরিচালিত হয়। এটার পেছনে...