ইন্ডিয়াতে সামান্য ১%ও আদর্শ ভক্ত নেই। কাজকর্ম নেই, তার উপরে অশিক্ষা, যাবে কোথায়! তাই বিজেপি নেতাদের ভক্তগিরি করে।
তৃণমূল চোর, কিন্তু তারা নিজেরাও সেটা জানে ও মানে। পেটের দায়ে, অনায়াস নিশ্চিত ও হারামের রোজগার এর জন্য তৃণমূল দল করে।
পার্থ চ্যাটার্জি বলেছিল মাস্টারদের মাইনে আমি দিই। মমতা ও তার চামচারা বলছে সরকারী টাকা নিলে ছবি টাঙ্গাতে হবে মণ্ডপে। ভাতা নেওয়া ইমামের বাড়িতেও মমতার ছবি টাঙাতে হবে দাবীও সঠিক। তাই প্রতিটা দাবীর সাথে পূর্ণ সহমত পোষণ করি।
সহমত পোষণের মধ্যেই ইমানের পরিচয়।
যেমন, বাংলাদেশীরা রীতিমতো বিশ্বাস করে- তারাই বিশ্বের একমাত্র শ্রেষ্ঠ। স্বভাবতই, তাদের ক্রিকেট বিশ্বসেরা, ইন্ডিয়ার চোর্টামির কারনে তারা অবহেলিত।
আজ তাদের এক বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রে প্রকাশ হয়েছে- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমেরিকার চেয়েও উন্নত। তাদের সমস্ত কিছু বিশ্বমানের কিন্তু বাকি দুনিয়া চক্রান্ত করে সেই শ্রেষ্ঠত্বকে দাবায়ে রাখে।
এটা কোন মজাকি নয়, একটা বিরাট সংখ্যক বাংলাদেশী এটা অন্তর থেকে বিশ্বাস করে। তাই তো তাদের রাষ্ট্রপ্রধান, সংবাদমাধ্যম এগুলো বলে ও প্রচার করে।
নতুবা যক্ষা রোগী, সস্তার যাত্রাশিল্পী 'টাইগার রবি'র অন্যতম স্পনসর, বাংলাদেশের প্রবাদপ্রতিম মহানায়ক মুশফিকুর "নাগিন" রহিম না হয়ে যায়? মিলতেই হবে, মিলতেই হবে।
যেমন, শূন্য পেলেও একদল রাজনৈতিক কর্মী নিজেদের সবচেয়ে বুদ্ধিমান এবং মান মর্যাদা যুক্ত ভাবে। এটাও কিন্তু গভীর বিশ্বাসের ব্যাপার।
সবই বিশ্বাস। আর বিশ্বাসে মিলায় বস্তু।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন