আন্দোলনরত ডাক্তারদের কাজে ফিরতে ধমকি দেওয়া ছাড়া, আজ সুপ্রিম কোর্ট কোন রায় দিলো?
কাল থেকে যদি ডাক্তারেরা গণ ইস্তফাতে যায়, সেক্ষেত্রে কোর্ট কাদের দিয়ে হাসপাতাল চালাবেন?
শিক্ষকদের জোর করে আইন করে প্রাইভেট টিউশনি বন্ধ রাখতে পারে রাষ্ট্র, ডাক্তারদের প্রাইভেট প্রাক্টিসের জন্য সরকার স্বীকৃত উৎকোচ দেওয়া হয়।
ডাক্তারেরা তো অতি খারাপ সময়েও মাসে লক্ষাধিক টাকা রোজগার করেই নেবেন, ধনী বা যারা বাধ্য, তারা বেসরকারী হাসপাতালে যেতে বাধ্য হবে বা বেছে নেবে।
কেউ কেউ মালদ্বীপ চলে যাবে প্রমোদভ্রমণ এর জন্য থুরি মানসিক চিকিৎসার জন্য (এ্যারেষ্ট করবেননা প্লিজ)।
সরকারি চিকিৎসার জন্য সমাজের যে গরীব গুর্বোগুলো নির্ভরশীল, তারা কোথায় যাবেন?
১ মাস ধরে বিচারের নামে যে প্রহসন চলছে, তার দিশা কে দেখাবে?
এই যে লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষ রাস্তায় আছে, তাদের কাছে বিচার ব্যবস্থা নিয়ে কী বার্তা যাবে? কে এর দায় নেবে?
এদিকে চটির আব্দার- উৎসবে ফিরুন।
ছিঃ, নির্লজ্জ, বেহায়া, দু-কান কাটা।
বিষয়ের বাইরে গিয়ে একটা প্রশ্ন- সুপ্রিম কোর্ট কবে কবে কোন কোন ক্ষেত্রে সুয়োমোটো মামলা নেয়?
না মানে, হরিয়ানাতে ২জন খুন হয়েছে গো-রক্ষক নামের জঙ্গি দলের হাতে, একজন মুসলমান অন্যজন ভুলকরে ব্রাহ্মণ। নাকি এতোবড় একটা রাজ্যে ভোট পুজোতে এটুকু নরবলি সাংবিধানিক ন্যায়ের মধ্যেই পরে। এই খুনি বর্বর জঙ্গিদলটা কেন অন্যান্য মৌলবাদী জঙ্গিসংগঠনের মত নিষিদ্ধ হবেনা?
কোন আদালত এই বিচার করবে?
প্রতিটি প্রশ্ন সঙ্গত, যেগুলো নাগরিক সমাজ তুলছে। কিন্তু শুনছেটা কে?
অধিকাংশ আন্দোলনেই পোষিত চটিচাঁটা ভাড়াটে বিবেকের দল মিছিলের সামনে এসে উদ্দেশ্য ঘুরিয়ে দিচ্ছে। কিছু রাজনৈতিক দল, জনবিচ্ছিন্নিতা থেকে বাঁচার খড়কুটো হিসাবে ও নিজেদের গাঁড়ল ভক্তদের কাছে কোরামিন দিতে, মিছিলের শেষে বা মাঝে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে সেগুলো দিয়ে সমাজমাধ্যমে ছেড়ে, ঘরে বসে গলার শিরা ফোলাচ্ছে।
আসলে সেই স্বঘোষিত গুন্ডা কন্ট্রোলার নিজেই এই গুলো করাচ্ছেন, যাতে তার নিজশ্ব দুটো দপ্তর- স্বাস্থ্য ও পুলিশ- দুটোর পাহাড় প্রমাণ ডাকাতি, দুর্নীতি ও ব্যর্থতা ঢাকতে যত রকমের চক্রান্ত- সবটাই করছে। তাতেও সুবিধা না হতে এখন উৎসবে ফেরাতে চাইছে।
অপদার্থ স্বাস্থ্য মন্ত্রী কেন জবাব দেবেনা?

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন