Kunal Ghosh বাবু, গ্রাম বাংলাতে নেটো নামের এক ধরনের যাত্রাপালা হয়, যেখানে অশালীন ভাষা , পোশাক ও অঙ্গভঙ্গী ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। এখানে নায়কের বন্ধুকে ছিনাল নামে ডাকা হয়, যেটা আপনার সাথে এক্কেবারে খাপে খাপ মিলে যায়।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
Kunal Ghosh সমীপেষু
আপনি সেই নেটোর ছিনাল এর ভূমিকাতে অবতীর্ণ চোরের স্যাঙাৎ হিসাবে। নিজের লাজলজ্জা সম্ভ্রম কোনো কিছুই অবশিষ্ট রাখেননি, সেটা আপনার নিজশ্ব চয়েস। ১ ফোনে এক লাখ- সারদা , নারদা ইত্যাদির হারাম মালগুলো হজম করতে গেলে চটি চাঁটা ছাড়া উপায় নেই। অবশ্য তৃণমূল দল করলে, চোখের চামড়া থাকতে নেই। শিক্ষা জেলে, খাদ্য জেলে- স্বাস্থ্য ও প্রশাসন.... লোডিং।
ডিভাইড এন্ড রুলস- ইংরেজ আমল থেকেই বাঙালী সুপরিচিত। তাই আপনার এই "ভয়েস কল রেকর্ডিং" এর গল্প দিয়ে মানুষকে চদু বানাবার ভাবনা ভুলে যান। এটা তৃণমূলের পার্টি অফিস নয়, যে সকলকে গান্ডু ভাববেন, আর সকলে অশিক্ষিত চোর ছ্যাচোঁর।
প্রশাসন তো আপনাদেরই হাতে, রেকর্ডিং যখন এসেছে, কোন কোন নাম্বার থেকে সেই কথোপকথন হয়েছে, কী তাদের টাওয়ার লোকেশন- এ সব বের করতে আমাদের মত ২ পয়সার নন-ট্যেকনিক্যাল প্রান্তিক মানুষেরাও পারে। সেখানে রাজ্য গোয়েন্দা দপ্তরের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা ২ মিনিটে বেড় করে দেবে এটা কাদের কীর্তি।
তা না করে, ফালতু বালবাজারি ভাঁট আলবাল বকে হাওয়া গরম করতে এসেছেন। সত্যি কিছু হলে আপনার দাবী মত সেই অতিবাম নেতা বা বিজেপির যুবনেতাদের এ্যারেষ্ট করে কোর্টে তুলতেন।২০১১ এর আগে যেমন আপনাদের মিথ্যুক নেত্রীর রোজ জীবন সংশয় হতো- এসব অতি পুরাতন নাটক, মমতা ব্যানার্জী এবং তার চামচাদের।
নাই, নেটোর ছিনাল সেজে মুখ দিয়ে না পেঁদে, পারলে অপরাধীদের এ্যারেষ্ট করে কোর্টে তুলে মুরোদ দেখাও চাঁদু। কোর্টে প্রমান করুন সে অপরাধী। অবশ্য সবাই জানে, এটা তিনু আঁটিসেলের অতি অতি দুর্বল চিত্রনাট্য।
না'ঙ করে পেট ভরবেনা বাছা, অন্য পথ খোঁজো।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
ঘৃণার যাত্রাপথঃ স্টেট স্পনসর্ড টেরোরিজম ও RSS
ধর্মীয় শোভাযাত্রা এখন দাঙ্গা বাঁধানোর মূল অস্ত্র, নাগপুরের হিন্দুত্ব আধিপত্যবাদীরা ভারতের আত্মাকে ছিন্নভিন্ন করছে দিয়েছে; যার মেরামতিতে কয়...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
(১) মহারাষ্ট্রের ৩০টা জেলার ৯০টা তালুক ভয়াবহ ভাবে বন্যা কবলিত হয়েছে শেষ ২ মাসে, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ বিদর্ভ অঞ্চল। মারাঠওয়াড়ায় বন্য...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন