৯ বছরের বালিকা, চটি সরকার তামান্নার লাশের দাম দিয়েছে ২০ লাখ।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
বুধবার, ২৫ জুন, ২০২৫
তামান্নার লাশ
বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫
ব্রিক্স ও ভারত
ব্রিক্স ও ভারত
ব্রিক্স সম্মেলন শেষ না হতেই নরেন্দ্র মোদী ও তার দলবল জার্মানি চলে গেছেন। ব্রিক্স সম্মেলনে যাবার আগে কানাডা ও আমেরিকা ভারতকে বেশ ঘষে দিয়েছে। এতদিন যে মোদীজী আমেরিকা, ইজরায়েল করে লাফালেন। অস্ত্রশস্ত্র আমদামি করলেন রাশিয়াকে পিছনে ফেলে, কিন্তু তাতে লাভের লাভ কি হল? ফ্রান্সের যে র্যাফায়েল যুদ্ধবিমান নিয়ে এত নাচানাচি, সেই বিমান কিন্তু ইউক্রেনে পাঠায়নি ফ্রান্স।
আমেরিকা ডেনমার্কের মাধ্যমে বুক ফুলিয়ে F-16 বিমান পাঠিয়েছিল, তার অর্ধেক উড়ার আগেই ধ্বংস করে ফেলেছে রাশিয়া। আমেরিকার একশো মিলিয়ান
ডলারের রিপার ড্রোনও কোনো কাজে
আসেনি। প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ৯০% উড়িয়ে দিয়েছে
রাশিয়া। ইজরায়েল এতদিন বরাক টরাক নিয়ে গর্ব করতো, ভারতকে বিক্রিও করেছে বিলিয়ান বিলিয়ান ডলার
নিয়ে, সেসব ধ্বংস করে এখন ইজরায়েলের অস্ত্র ব্যাবসাতে লালবাতি জ্বালিয়ে দিয়েছে ইরান একাই। ফিলিস্তিন নিয়ে ভারতের এত দশকের অবস্থান এর বিপরীত অবস্থান
নিয়ে আমেরিকার পদলেহন করে বাকি বিশ্বে প্রায় একঘরে হয়ে গেছে মোদীর ভারত।
স্বভাবতই ব্রিক্স সম্মেলনে ভারতের গুরুত্ব ভয়ানক হ্রাস পেয়েছে। পাঁচজন
প্রতিষ্ঠাতা দেশের একজন হয়েও ব্রিক্সে মোদীর ভারত তেমন পাত্তা পায়নি এইবারে, যেমন পেয়েছে ইরান বা তুর্কিয়ে। আসলে কাজান ডিক্লেরেশনে
ভারত সই করেছে বটে, কিন্তু মোদীর ভারতের দুই নৌকায় পা দিয়ে চলাটা সবাই লক্ষ্য করেছে। বস্তুত চীন ও রাশিয়া ব্রিক্সের পোল
পজিশনে, ভবিষ্যতে তারাই ব্রিক্সের দিক নির্দেশ করবে।
এদিকে রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ইরান যৌথভাবে নৌ-মহড়া ভারত
মহাসাগরে শুরু করছে, ভারত সেখানে দর্শক।
মূল সমস্যা হল ভারতের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির তুলনামূলক অবনতি, প্রায় প্রত্যেক দেশের সাথেই বানিজ্য ঘাটতি। চীন নিয়ে মোদী
প্রশাসনের এত চেঁচামেচি, সেই চীনের সাথে ভারতের বানিজ্য ভয়ানক লজ্জাজনক। চীন ভারতে রপ্তানী করে ১০০ বিলিয়ান
ডলারের পণ্য আর ভারত সেখানে খুব
বেশ হলে ১০ বিলিয়ান ডলার ছুঁতে পেরেছে। আসলে চীন প্রায়
সর্বক্ষেত্রেই ভারতের থেকে ১৫-২০ বছর এগিয়ে রয়েছে। মোবাইল প্রযুক্তির ৯৫% যন্ত্রাংশ, ওষুধের ৯০% ভাগ কাঁচামাল, কৃষি মেশিনারি, কেমিক্যালস, ব্যাটারি, সব ক্ষেত্রেই চীনের আধিপত্য।
ভারতকে ৯৫% তেল আমদানি করতে হয়, কিন্তু মোদীর সাহস নেই ভেনিজুয়েলা বা ইরান থেকে সস্তায় তেল
আমদানি করার। রাশিয়ার থেকে ডিসকাউন্টে যে তেল কেনে ভারত, তার বেশিটাই রিফাইন হয়ে ইউরোপে যায় বলে
আমেরিকা কিছু বলেনি। অথচ ইরান থেকে স্বল্প খরচে তেল আমদনি করা যেত, যা অতীতে করাও হয়েছে।
ভারতের একমত্র জোরের যাইগা তার আভ্যন্তরীণ বাজার, এবং প্রভুত ক্রয়ক্ষমতাসপন্ন মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়। এদেরই করের টাকা দেশের যত লম্ফঝম্ফ! অথচ ইরান, তুর্কিয়ে চমকে দেবার মত উন্নতি করেছে। অবশ্যই ভারতও
করেছে,
কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য মাত্র।
লক্ষ্য করলে দেখা যাবে চীন শিক্ষা, স্বাস্থ্যে যে পরিমাণ বিনিয়োগ গত পনেরো বছরে করেছে, ভারত তার কুড়িভাগের একভাগও করেনি। এখানেই আসল সমস্যা। এক
সময়ে ভারতীয় রেলের থেকে চীনের রেল খারাপ ছিল। চীন কিন্তু লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা রেলের উন্নয়নে খরচ করেছে, সেকখানে ইন্ডিয়ান রেলের এ্যাচিভমেন্ট
হচ্ছে দৈনিক দুর্ঘটনায় রেকর্ড সৃষ্টি করে। লক্ষ লক্ষ রেলের চাকুরিতে পদ খালি, নতুন লাইনের কখবরই নেই। আজ রেলের গণপরিবহনে চীন পৃথিবীর সেরা।
ভারতকে বিশ্বে সম্মানের সাথে টিকে থাকতে হলে নিজের ঘরের দিকে নজর দিতেই হবে। শিক্ষা, গণস্বাস্থ্য, বাসস্থান ও কর্মসংস্তথান সৃষ্টির ক্ষেত্রে বিপুল বিনিয়োগ করতে হবে।
পাকিস্তান প্রতিপক্ষ নয়, কিন্তু
চিনের সাথে পাল্লা দিতে হলে, অস্ত্র দিয়ে নয়- শিক্ষার উন্নতি দিয়ে করতে হবে, স্বাস্থ্যের
উন্নতি করতে হবে। কয়লা পেট্রোলের বদলে বিকল্প জ্বালানি,
বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু হবে কি? বিজেপি থাকলে আশা কম বা নেই। বিশেষ করে অশিক্ষিত নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায়
থাকলে আগামীতে কোনো সম্ভাবনা নেই ভারতের।
প্রস্তাবিত ব্রিক্স কারেন্সি এখনও চালু হয় নি, অদূর ভবিষ্যতে হতে চলেছে। আসলে ব্রিক্স অর্থব্যবস্থা বিভিন্ন ধাপের অন্তিম ধাপ হল, ব্রিক্স কারেন্সি। তার প্রথম ধাপ হল ব্রিক্স সেটলমেন্ট সিস্টেম, ব্রিক্সপে। এখন দুই দেশের মধ্যে বানিজ্য করতে হলে, তা করতে ডলার বা ইউরোর মাধ্যমে। এসব নিয়ন্ত্র করে SWIFT নামের একটি সংস্থা, যার নিয়ন্ত্রক হল আমেরিকার নেতৃত্বাধীন পশ্চিমী ইউরোপ।
যেমন ধরা যাক ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি করবে। ভারতীয় টাকার সাথে ডলারের
মুল্য স্থির বা ইরানের সাথে
ডলারের মুল্য স্থির করে ওই সুইফট নামক সংস্থা। এর জন্য যা ইচ্ছে ট্রানজাকশন চার্জ
করে সুইফট। সমস্যা শুধু সেখানেই নয়, তার ওপরে আছে নিষেধাজ্ঞা, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক। এই নিষেধাজ্ঞা আগে জারি করত রাস্ট্রপুঞ্জ এবং তা সর্বতমান্য ছিল। এখন শুরু হয়েছে আমেরিকা ও
পশ্চিমী ইয়োরোপের নিষেধাজ্ঞা। অর্থাৎ আমেরিকা গোঁসা করলেই যে কোন দেশের মাথায়
বজ্রাঘাত। আমদানি রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা। এর প্রধান বলি ইরান, রাশিয়া, গণ প্রজাতন্ত্রী কোরিয়া, ভারত, চীন সহ আরও অনেক
দেশ। অর্থাৎ আমেরিকান ডলার শুধু রিজার্ভ কারেন্সিই নয়, এখন তা পশ্চিমাদের রাজনৈতিক অস্ত্র।
এটা যে কোন দেশের সার্বভৌমতা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার অবমনন। এ ছাড়া আরও অস্ত্র প্রয়োগ করা হয়, ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক, ইনটারন্যাশন্যাল মনিটারি ফান্ড, বিশ্ববানিজ্য নিয়ামক সংস্থার মাধ্যমে। আমেরিকা বা ডলারের বিরুদ্ধে লড়াই নয়, মূলত এসব একদেশদর্শী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে, অন্য একটা কার্যকরী অর্থনীতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্যই ব্রিক্সের সৃষ্টি।
অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ইউনিপোলারিটির বিপক্ষে একটি মাল্টিপোলারিটি ব্যবস্থা, যেখানে কোন দেশের আধিপত্য বা নিয়ন্ত্রণ চলবে না। কথায়
কথায় কোন দেশের সম্মপত্তি বাজেয়াপ্ত করা যাবে না। নিষেধাজ্ঞার আড়ালে কোনো দেশে
রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করা যাবেনা। আপাতত পৃথিবীর ন’টি দেশ
এখন ব্রিক্সের সদস্য, প্রাথমিক পাঁচটি
সদস্য দেশ ধরে। ব্রাজিল, রাশিয়া, ইন্ডিয়া, চীন ও সাউথ আফ্রিকা। এ বছর যুক্ত হয়েছে ইরান, ইথিওপিয়া, ইজিপ্ট ও
ইউনাইটেড আরব এমিরেটস। সদস্য হবার পথে তুর্কিয়ে ও সৌই আরব। এ ছাড়া আরও বত্রিশটি
দেশ সদস্যপদের আবেদন জানিয়েছে। এর মধ্যে এক চীন ছাড়া
সকলেই উন্নয়শীল ইকোনমি।
ব্রিক্সপে আর একটা ধাপ হল, ডলারে বদলে
কান্ট্রি টু কান্ট্রি বার্টার। যেমন ধরা যাক ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি করবে, বদলে ভারত
চাল, গম, মুর্গি রপ্তানি করবে। বিনিময়ের অনুপাত বা পরিমাণ একমাত্র দুই দেশই ঠিক
করবে। এখনকার মত লন্ডন গ্রেন এক্সচেঞ্জ বা শিকাগো গ্রেন মার্কেট দাম ঠিক করবে না
বা নিউইয়র্ক তেলের দাম নিয়ন্ত্রণ করবে না। এর মধ্যে দুই দেশের সম্মতি ব্যাতীত
তৃতীয় কোন দেশের খবরদারীও চলবে না।
লক্ষ্য হল, এইসব লেনদেন হবে মূলত ডিজিটাল কারেন্সিতে অর্থাৎ ব্রিক্স কারেন্সিতে। এতো গেলো কান্ট্রি টু
কান্ট্রি ব্যবস্থা। এ ছাড়াও বিজনেস টু বিজনেস এবং বিজনেস টু পিপল ব্যবস্থার প্রশ্নও আছে এতে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এগুলির সমন্বয় করবে
সিবিডিএস বা সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক ডিজিটাল সিস্টেম। দেশের ক্ষেত্রে তা করবে সে দেশের
সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক। যেমন ভারতের ক্ষেত্রে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।
একটা বিকল্প অর্থনৈতি ব্যবস্থা গড়ে উঠতে অনেক সময় লাগে, ব্রিক্সেরও লাগবে। বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি, রাজনৈতিক স্থিতি, এক রকম নয়। যেমন ভারতে ক্ষেত্রে UPI বা চীনের mPay কিংবা রাশিয়ার মীর খুবই বিস্তৃত। কিন্তু বিভিন্ন দেশে তা এখনও গড়ে ওঠে নি, তার জন্য সময় লাগবে, সেটার প্রসেস শুরুও হয়েছে। মনে রাখা দরকার G-7 ভুক্ত দেশের মোট জিডিপি ও জনসংখ্যার থেকে ব্রিক্সের সম্মিলিত জিডিপি বেশি, জনসংখ্যাও অনেক বেশি। তাই খুব অল্পদিনেই দেখব ডলার তার মান হারাবে, একমাত্র বিনিময় মুদ্রা থাকার কারনে ডলারের যে দাদাগিরি ছিল, সেটার অবসয়ান হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র। ব্রিক্সপে এবং ব্রিক্স কারেন্সি এসে গেছে।
মুশকিলটা কী জানেন,
ঠিক এই সময়ে যখন একজন শিক্ষিত প্রধানমন্ত্রীর দরকার ছিল ব্রিক্সের রাশ হাতে নিয়ে বিশ্বগুরু
হয়ে উঠার জন্য, সেখানে অশিক্ষিত মোদীর লাল চোখের সার্কাস- ইন্ডিয়াকে ক্রমশ মূল্যহীন
একঘরে করে দেওয়ার দিকেই নির্দেশ করছে। হাতে পাওয়া সুযোগ ছেড়ে দেবার আরেক নজির আমাদের
চোকখের সামনে ঘটে চলেছে।
বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫
জি সেভেন বৈঠক ও কিছু কথা।
জি সেভেন বৈঠক ও কিছু কথা।
কারা কারা ছিলো এই বৈঠকে? ইতালি, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেন, জাপান আর আমেরিকা। আজকের গুগুল মিট, জুম কল, মাইক্রোসফট টিম এ্যাপসের যামানাতে এমন মুখোমুখি মিটিং বিষয়টারই দাবী ফুরিয়েছে। তারপরেও একসাতথে হওয়ার উদ্দেশ্য, দেখো আমাদের ইউনিটি। আমরা সকলে এক আছি, এমরাই সবচেয়ে শক্তিধর।
জর্জিয়া মেলোনি, মোদি যার সাথে ছবি তুলতে পারলে জীবন সার্থক মনে করেন, তার দেশ ইতালি- বিশ্ব রাজনীতিতে শেষ কবে এই দেশটার কোন নাম শোনা গেছে! একটা সময় ফুটবলের কারণে শোনা যেত এখন সেটাও নেই। শুধু পোপটা মরে গিয়ে রোমের সাথে কয়েকবার ইতালির নামটা উচ্চারিত হয়েছে। আর শেক্সপিয়ার পড়লে ভেনিস চলে আসে, ইতালি নামটা তখন মনে পড়ে। একটা সময় বিজেপি যখন সোনিয়া গান্ধীকে ব্যাওক্তি আক্রমণ করত, ইতালি নামটা শোনা যেতো। নতুবা এরা এখন এদের কোনো গননাতেই ধরা যায় না
ফ্রান্সের নামটা গত সপ্তাহে ফাইরাল হয়েছিল তাদের প্রেসিডেন্ট বউ এর হাতে চড় বা ধাক্কা খেয়ে। তার আগে ফ্রান্সের নাম শোনা গিয়েচছিল ইব্রাহিম ট্রাওরের কারনে। তারও আগে আমাদের দেশে ফ্রান্সের নাম শনা যায় মদিজির দৌলতে, UPA সরকারের দড় করা রাফাল বিমান ৩ গুন বেশি দাম দিয়ে কিনেছে বলে। আত্নর্জাতিক রাজনীতিতে ওঁলাদের তেমন কোনো গুরুত্ব ছিলোনা, ম্যাক্রো তো স্পাইন লেস। ত্যাটোতে আঁছে কিন্তু রাশিয়ার পন্থী একধরনের। শোষন আর লুটঠপাঠ না করতে পারলে তথা আফ্রিকার সাপ্লাইলাইন বন্দধ হয়ে গেলে, ফ্রান্স আর লিথুয়ানিয়ার কোনো ফারাক থাকবে ধারে ভারে।
ব্রিটেন, বুড়ো সিংহ। এককালে অর্ধেক পৃথিবী জুড়ে লুন্টন চালিয়েছে একতরফা। বেকারত্ব চরমে। নেতৃত্ব নেই। পৃতথিবীর অদধিকাংস চোর যারা নিজ দেশের ব্যাঙ্ক লুঠে এসেচছে, তাদের জাইগা দেয়। গোটা ইকোনমিটা চলে কমনওয়েলতথ এর মানুষজন দিয়ে।
নোবেল প্রতি বছর দেয়,
রাশিয়া, চীন, ইরান, উত্তর কোরিয়া কখনও এতে যোগ দেয়না। তাহলে কী তাদের দেশে বিজ্ঞানী
নেই! আসলে ওরা এই পশ্চিমা সিস্টেমকে পাত্তাই দেয়না।
মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০২৫
ফুটেজখোর ট্রাম্প
ট্রাম্প হচ্ছে আমেরিকার রাখী সাওয়ন্ত বা কঙ্গনা রানাওয়াত। ফুটেজ খাওয়ার জন্য যা খুশি আলবাল বলে দেয়। যেকোনো মূল্যে প্রতি ঘন্টার হেডলাইনে যেন তার নাম থাকে। তার যে শত্রু, সেই লোকের ততটা সমস্যা নেই, যতটা বিপদ বন্ধু হলে। কখন যে বন্ধুর ইজ্জতের নিলামি চড়িয়ে দেবে তা ধরতে পারবেননা। গতরাত্রে ইঁমানুয়েল ম্যাঁকো সেটা হাড়ে হাড়ে বুঝেছে।
সোমবার, ১৬ জুন, ২০২৫
গাজায় জেনোসাইড
মানবতার দোহায় দিয়ে গত ৭৭ বছরে লক্ষ লক্ষ মানুষকে নির্বিচারে খুন করেছে হিজরায়েল। ফিলিস্তিনি ভূমি জবরদখল করে সেটলার বসিয়েছে। অমানবিক অত্যাচারকে এন্টারটেইনমেন্ট বানিয়েছে। পোষ্য মিডিয়া দিয়ে মহান সেজেছে।
ফিলিস্তিন, সিরিয়া, লেবানন, ইয়েমেনে অটোমেটিক মেশিনগান থেকে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। এসিড বৃষ্টি করিয়েছে। ক্লাস্টার বোমা ফাটিয়েছে। বেছে বেছে ইস্কুল, হাসপাতাল, পানীয় জলের পরিসেবা, বিদ্যুৎকেন্দ্র জাতীয় জরুরী পরিসেবার স্থানে টার্গেট করে সেগুলোকে ধংস করে সাফল্যের সাথে সেটা বিশ্বকে দেখিয়েছে।
গাজায় জেনোসাইড হলোকাস্ট চালিয়েছে। তাদের সেনারা সেই বধ্য গোরস্থানে উল্লাসের নৃত্য করে সেটাকে গর্বের সাথে টিকটকে ছেড়েছে গোটা দুনিয়াকে দেখাবার জন্য। পশ্চিমা মিডিয়া এখানে কোনো অন্যায় খুঁজে পায়নি।
অনাহার, অপুষ্টিতে ভোগা রোগা দুর্বল শিশুরা ধুঁকে ধুঁকে মরেছে, হারামি বেশ্যার বাচ্চা মধ্যপ্রাচ্যের মোল্লা রাজার দলের সাথে, পশ্চিমারা হলিউডি মুভি সিনের মত, লাইভ ম্যাচ দেখার মত এঞ্জয় করেছে ফিলিস্তিনের উপরে হওয়া অন্যায় অত্যাচার।
ইরাণের এই আত্মরক্ষামূলক আক্রমণ, এই অবৈধ সেটলারেরা অন্তত ৩টে প্রজন্ম ভুলতে পারবেনা, অধিকাংশই ট্রমাগ্রস্থ। তারা আয়েসের বিলাসী জীবন যাপনে অভ্যস্ত। আজ নিজেদের বাচ্চাদের নিয়ে গর্তে বাস করতে করতে অনুভব করছে - এতোদিন এই পাপটাই তারা করে এসেছে।
অনেকের মধ্যে এখন ইসরাইল শিশু হত্যার বিরুদ্ধে ভয়ংকর পরিমাণ মানবিক বোধ জাগ্রত হয়েছে। বুক মুচরে উঠে হাহাকার বের হচ্ছে!
গত ৭৭ বছর ধরে আপনারা যুদ্ধ নয় শান্তি চাই করে গেছেন, তাতে আমেরিকা যুদ্ধ থামিয়েছে? নাকি ইসরাইল তার দখলদারী অগ্রসন থামিয়েছে। আজকে চার রাত ইরান হামলা করায়, সেই চারদিন গাজায় হামলা বন্ধ রয়েছে।
আতঙ্কের ঘরে আতঙ্ক না ঢোকালে শুধুমাত্র শান্তি চাই গান গেয়ে কীর্তন করলে যুদ্ধ থামবে না। যুদ্ধ দিয়েই যুদ্ধ থামাতে হয়। ইরান সেটাই করছে।
ইরাণ এখন যেটা করছে এটা অনিন্দ্য সুন্দর শৈল্পিক কাজ যা সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার কল্পনার বাইরে, তারা হতচকিত বাকরুদ্ধ প্রায়। এটাই ন্যাচারাল জাস্টিস।
আর এসব দেখে যদি "আহারে, নিরীহ নাগরিক মারা যাচ্ছে হিজরায়েলে" জাতীয় শোক উথলে উঠে- আপনিও একটা ফুটফুটে বেজন্মা চুতিয়া।
রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫
পশ্চিমাশক্তি ভরা গ্যাস বেলুন
ওরা ইরাক আক্রমণ করেছিল, নিউক্লিয়ার অস্ত্র আছে এই দাবি করে। সেখানে শিশু, মহিলা, বৃদ্ধবৃদ্ধা কাউকে ছাড়েনি। নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করেছে। এই একই পথে সিরিয়া, লেবানন, ইয়েমেন সর্বত্র মৃত্যুযজ্ঞ চালিয়ে গেছে, শেষ তিন চারটে দশক ধরে।
ইরাণ ইজরায়েল যুদ্ধ
যে কাঁদে কাঁদুক, তবু লিখি ফুটনোট,
ফুল তুই তেল আবিবে বোমা হয়ে ফোট।
–কবি ইমতিয়াজ মাহমুদ
দখলদার হিজরায়েলে ধ্বংসের যা মারাত্মক চিত্র, হিজরায়েল এখন লোটাকম্বল নিয়ে আমেরিকার পা জড়িয়ে বসে পরেছে বাঁচাও। মার্কিন পন্থীরা গত পরশুদিন অবধি যেরকম উল্লাস আনন্দে মেতে উঠেছিল একতরফাভাবে ইরানে আক্রমণ করার পর, গত রাত্রি থেকে ‘কোন ভয় নেই কোন ভয় নেই’ মার্কা বক্তব্য দিচ্ছে।
গতরাতে আক্রমণের ফলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে ন্যাটো একটা বিবৃতি পর্যন্ত দিতে পারেনি। হিজরাইলের পক্ষে বলা এখনও দূর অস্ত। ইব্রাহিম ট্রাওরে একাই আফ্রিকা থেকে যাওয়া ইউরোপের সাপ্লাই লাইনে নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে।
শোনা যাচ্ছে কুত্তানিয়াহু পালিয়ে গেছে, না পালালেও ইঁদুরের মত কোনো বাঙ্কারে লুকিয়ে রয়েছে, এমন বীরপুরুষ। আরেক হিজরায়েলী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নাফতলি বেনেট ইরানী জনগণের উদ্দেশ্যে লিখছে- শিজ্ঞিরি তোমরা বিদ্রোহ করে তোমাদের ডিক্টেটর সরকার পতন ঘটাও, ওরা সভ্যতার শত্রু। নিজেরা প্যান্টে হেগেমুতে এখন ইরানি জনগণের পায়ে ধরছে একপ্রকার।
আজ যুদ্ধবাজের ঘরে যুদ্ধ ঢুকেছে, এতোদিন নির্বিচারে যারা নিরীহ মানুষের উপরে হত্যালীলা চালিয়েছে, আজ তারা বিশ্বের দরবারে শিশু ও নারী হত্যার বিচার চাইছে। নিজেদের দেশের নাগরিকদের মানব ঢাল বানিয়ে যুদ্ধবাজ খুনির দল গর্তে লুকিয়েছে।
ইহুদিবাদী মিডিয়ার অধীনে তথাকা উইকিপিডিয়া বা চ্যাটজিপিটিকে প্রশ্ন করে দেকখুন, তারা স্বীকার করেছে গত পাঁচ মাসের মধ্যে ষাট হাজার যায়নবাদী সেটলার তথা হিজরায়েলী দেশ ছেড়ে ইউরোপ-আমেরিকায় পালিয়ে গেছে। পরিস্থিতি এরকম চলতে থাকবে অন্তত দু লক্ষ সেটলার পালিয়ে যাবে, যারা ঠিক এই মুহুর্তে আছে, তারা যে বিভীষিকার মধ্যে রয়েছে, একবার পালাতে পারলে ফেরার সম্ভাবনা নেই। এই পরিস্থিতিতে মৃত্যুহার বেড়ে যাবে আর জন্মহার আরো কমে যাবে। সব মিলিয়ে মাত্র ২ রাত্রে যায়নবাদীদের উলঙ্গ করে দিয়েছে ইরাণ।
আমাদের মতো বোকাচোদা নয় আর ভুঁড়িওয়ালা ও নয় প্রত্যেকটি লোকের দু'বছর পাক্কা মিলিটারি ট্রেনিং আছে
রীতিমতো গৃহযুদ্ধ লেগে গেছে তেল আভিভ সহ নানা এলাকাতে, পুলিশের সাথে খন্ডযুদ্ধ বেঁধে যাচ্ছে। হিজরায়েলের সেটলারেরা আমাদের মত পেট মোটা, ভুঁড়িওয়ালা আমাশার রোগী নয়। প্রত্যেকের অন্তত দু'বছর মিলিটারি ট্রেনিং নেয়া রয়েছে। তারপরও তারা কিন্তু মানুষ, কানের গোড়ায় মিসাইল ফাটলে সকলেরই পেছন ফেটে যায়, আতঙ্ক গ্রাস করে। যদিও এদের প্রতি কোনো সহানুভূতি নেই, গাজাকে শিশুশ্যূন্য করার টিশার্ট পরে এরাই মিছিল করে প্রতিটি বোমাকে উদযাপন করত। সুযোগ পেলে আবার এরা নিরীহদের খুন করবে গাজায়।
আমার অনুমান কুত্তানিয়াহু খুব বেশি দিন গদি আঁকড়ে বসে থাকতে পারবেনা। ওদেশে রাষ্ট্র তথা পুলিশের বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ ঘোষণা হয়েছে সেখানে হিজরাইলের বামপন্থীদের রীতিমতো মদত আছে।
হিজরায়েল দেশটা ঠিক কতবড়? মাত্র ২২ হাজার বর্গকিমি। মানে আমাদের দুটো চব্বিশ পরগনা, হাওড়া , কোলকাতা, হুগলী আর নদীয়া মিলে যতটা এলাকা হয়, ঠিক ততটা সামান্য কমবেশী। বেশী নয়, আর ৪-৫ দিন এই হারে যদি আক্রমণ ইরাণ আক্রমণ চালায়, হিজরায়েলের মার খাওয়ার মত ভূমি অবশিষ্ট থাকবেনা।
পাকিস্তানের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আমরা দেখেছিলাম আমাদের ইন্ডিয়ান প্রপাগান্ডা মেশিনারি ভয়ংকর ভাবে ফেল করেছিল আন্তর্জাতিকভাবে পাকিস্তানি প্রোপ্যাগান্ডা মেসিনারি ও বাংলাদেশী মিতথ্যুকদের কাছে। কুত্তার উপরে হলদে কালো ডোরাকাটা দাগ কেটে বাঘ সাজা ‘মোসাদ’ নামের "ভিরাট ক্ষমতাবান" গোয়েন্দা সংস্থাকে চায়ের দোকান লেভেলে এনে ফেলেছে। তাদের দেশের সদর দপ্তরটিকেই উড়িয়ে দিয়েছে ইরাণ। সমস্ত আন্তর্জাতিক মিডিয়া ইহুদিদের মালিকানাধীন, আমেরিকা এখানে একচ্ছত্র রাজত্ব করে।
ফেসবুক টুইটার ইউটিউব সব তাদের সম্পত্তি। তারপরেও সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে যায়নবাদীদের প্রোপাগান্ডা মেশিনারিকে চেকমেট করে দিয়েছে- গোটা মধ্যপ্রাচ্য, বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফ্রিকার একটা অংশের জনগন তথা নেটিজেন। ইউরো-আমেরিকান প্রোপাগান্ডা মেশিনারিকে নকআউট করে দিতেই সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো ইরানীয়ান অফিসিয়াল বেশ কিছু সোস্যাল্মিডিয়া চ্যানেল ব্যান বা সাসপেন্ড করে দিয়েছে। এই যথেচ্ছ ভাবে একতরফা ব্লক রার মাধ্যমে এদের বুকের ভিতরের কাঁপুনি টের পাওয়া যাচ্ছে, কতটা ভয়ে থাকলে এমনটা করে! এতে লাভের লাভ কিছু হচ্ছে না, হই হই করে নতুন আরেকটা অ্যাকাউন্ট জেগে উঠছে ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে।
যুদ্ধের বাজারে বা সক্ষমতায় আমেরিকা চিরকালীন ফেকলু মাল, সবসময় তারা শুয়োরের মত দলবেঁধে আক্রমণ করে। ইতিহাস বলছে আজ অবধি তারা কোনো যুদ্ধ জেতেনি। তারপরেও পূর্ববর্তী বহু প্রেসিডেন্ট অন্তত ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ছিল। ট্রাম্প সেখানে মহা উন্মাদ, মেগেলোম্যানিয়াক বুড়ো ষাঁড়, বিশ্বজুড়ে সে হাসির পাত্র। এর মতো ব্যর্থ মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাদের ইতিহাসে কম এসেছে।
ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ঘোষণা করেছে, যে দেশের আমেরিকান ঘাঁটি থেকে মার্কিনিরা ইরানের ভূমিতে আঘাত হানবে, ইরাণ সেই দেশে সরাসরি আক্রমণ চালাবে। মদ, জুয়া, হারেমে শত সহস্র নারী আর বিলাসিতায় ডুবে তথাকা মধ্যপ্রাচ্যের মোল্লা রাজারা সব ভেড়ার পাল। এরা শক্তিশালী ক্ষমতাবানেদের পশ্চাদলেহন করে।
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, কুয়েত, মিশর, তুরষ্ক সহ মুসলমান দেশগুলি সমেত ৫৭ দেশের জোট হিজরাইলের বিপক্ষে সরাসরি ইরানের পক্ষে দাঁড়াবে কিনা এখনও সেটা পরিষ্কার নয়। এরা যদি বেইমানি না করে সত্যি সত্যি জায়নবাদী দখলদারদের বিরুদ্ধে একজোট হয়, সেক্ষেত্রে আলজেরিয়া, লিবিয়া সহ আফ্রিকার জনগণ আর শাসক উল্টো দিকে থাকলেও- ইরাক, জর্ডন, লেবানন, সিরিয়া সমেত নিকটবর্তী দেশের জনগণ চুপ করে বসে থাকবে না। রাজাগুলো পুতুল হলেও জনগণ কিন্তু চুপ করে বসে থাকবে না। ইব্রাহিম ট্রাউরে শুধু একা ফ্রান্স নয় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ভিতে কম্পন ধরিয়ে দিয়েছে আর ট্রাম্প নিজের দেশেই নিজে বিপর্যস্ত। এটাই তাই সুবর্ণ সুযোগ জমি উদ্ধার করে প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র পুনঃ প্রতিষ্ঠার।
শুধু মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামিক দেশের জনগণ নয়, ওই জাতির যেসব জনগণ প্রথম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে ন্যাটোর অন্তর্গত দেশগুলিতে বাস করে, সেখানেও বিশাল বিশাল প্রতিবাদ মিছিল বার করেছে। ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, ইংল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, মরক্কো, গ্রীস, তুরস্ক, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, ও আমেরিকার বিভিন্ন শহরে বিশাল বিশাল মিছিল বার হয়েছে স্বাধীন ফিলিস্থিনের সমর্থনে ফিলিস্থিনি পতাকা হাতে কিংবা গায়ে জড়িয়ে।
পারস্য উপসাগরকে সোজা করে দিয়ে ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব, ওমান, তুরস্ক আর ইয়েমেন সঙ্গে সোমালিয়াকে দিয়ে সুয়েজ ক্যানেলের ঢোকা বেরোনো বন্ধ করে দিয়ে এবং একই সাথে আরব সাগরকে ঘেঁটে ঘ করে দেবার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। গত রাত্রের ফাইফা সহ জবরদকখলকারীদের দেশ হিজরায়েলে ইরাণের পারফরমেন্স দেখে বেশিরভাগ দেশ হতবাক হয়ে যাবার পরে তবে মিশরের মত মুনাফেক মোল্লা দেশগুলো এক এক করে লাইনে আসতে শুরু করেছে। সামগ্রিকভাবে ইসলামিক জোট কী করে সেই দিকেই কিন্তু আমরা তাকিয়ে আছি। ওরা যদি একবার একটা সর্বসম্মত বিবৃতি দেয় তবে কিন্তু ইসরাইলের বাপ, আমেরিকার হাতে হ্যারিকেন ঝুলে যাবে ।
আমাদের মত ভারতীয়দের
আর কী! শুধুমাত্র একটি দুর্নীতিগ্রস্ত লোকের ব্যবসায়িক স্বার্থ
দেখতে গিয়ে ১৪০ কোটি লোকের বিদেশ নীতি প্রশ্ন চিহ্নের মুখে। এতবড় একটা বৈশ্বিক ঘটনাতে বিশ্বের সবচেয়ে
বড় জনবহুল রাষ্ট্রের নপুংসক অমেরুদন্ডী নেতা- মুখে গোবর গুঁজে বসে আছে। ছিঃ
শনিবার, ১৪ জুন, ২০২৫
গাজা নয়, তেল আবিব।
বুধবার, ১১ জুন, ২০২৫
সে অনেক আগেই অন্যের নৌকায় সাওয়ার হয়েছে
তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না
⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...