শনিবার, ১৪ জুন, ২০২৫

গাজা নয়, তেল আবিব।



চোখের শান্তি, প্রাণের আরাম।

সিংহ সাজা কুত্তানিয়াহু দেশ ছেড়ে পালিয়ে গ্রীসে লুকিয়েছে।

☞ আয়রন ডোমকে আইরনি বানিয়ে দিয়েছে।
☞ ফাঁপানো বেলুন "মোসাদের" সদর দপ্তরে কামান দেগে - গ্যাস বেলুনকে তুবড়ে তার আসল অউকাত দেখিয়ে দিয়েছে।
☞ তেল আবিব ট্রেড সেন্টারের তেল বের করে দিয়েছে।
☞ ডিফেন্স মিনিস্ট্রির সদর দপ্তর আর গাজার মাঝে ফারাক নেই, দুটোই ধ্বংস স্তুপ।
☞ দেশের অর্থমন্ত্রকের মূল অফিস এখন খেলার মাঠ, নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।
☞ তেল নফ এয়ারবেস- পুরোপুরি ধ্বংস
☞ হাইফা, গ্যালিলি সহ সবকটা বড় শহর আংশিক বা অধিকাংসই মারন ধ্বংসযজ্ঞের নিচে।
কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে- ➤দিমনা পরমানু গবেষণা কেন্দ্রে মারাত্বক আঘাত হেনে সেটাকে তছনছ করে দিয়েছে। প্রচুর গবেষক ও বিজ্ঞানীর মৃত্যুর আশঙ্কার পাশাপাশি তেজস্ত্রিয়তা ছড়িয়ে পরার সম্ভাবনা প্রবল। হিজরাইল ছেড়ে পালাচ্ছে অবৈধ সেটলার নামের পশু গুলো। বেন গুরিয়ন বন্ধ কিন্তু বিমানের জন্য বিক্ষোভ ভাঙভুর চালাচ্ছে জায়োনিষ্ট জানোয়ারগুলো।
ঘনবসতিপূর্ণ শহরের কেন্দ্রস্থলে সামরিক স্থাপনা বানিয়েছে মানবঢালের আড়ালে। সেগুলো সব বাপের ভোগে পাঠিয়েছে।
জায়োনিষ্ট মিডিয়ার তরফে লুকিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাতে খামতি নেই। রীতিমতো সত্য চাপা দিতে, ছবি ভিডিও প্রকাশ না করতে সমানে মাইকিং, সোস্যালমিডিয়াতে পোষ্ট করছে যায়নবাদী সরকার। তার পরেও সত্য ঠিক বাইরে আসছে লিক করে, সেটুকুতেই ধ্বংসের ভয়াবহতা দেখে শিউরে উঠছে বিশ্ব।
আজ ভয়ের ঘরে ভয় ঢুকিয়েছে ইরান। আমাদের তৃতীয় বিশ্বের জন্য আর কীইবা চায়! এটা আমাদের মত যারা তথাকথিত মানবতার স্বঘোষিত ধারকদের কাছে নিপীড়িত, লাঞ্চিত ও শোষিত- সেই সকলের কাছে আজ আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার দিন।
আমাদের ভক্তদের কথা ছেড়ে দিন, ওরা বিবর্তনবাদের শুরুর স্টেজে এখনও বাঁদর পর্যায়ে আছে। কিসে আনন্দ করতে হয় আর কিসে শোক- সেটা বুঝতে পারলে কেউ ভক্ত হয়না।
ওদিকে ট্রাম্প ছাগলটা সমানে ব্যা ব্যা করে যাচ্ছে। ছাগলের সুবিধা হলো- সে যেমন খুশি চেঁচাতে পারে, অসুবিধা হলো সে জানেনা সে ছাগল।
কবি কেঁদে কেঁদে এজন্যই বলেছে- শৃংখল ছাড়া হারাবার কিছু নেই এরকম অবস্থা করতে নেই কারো। কারন সে বাঁচার লড়াই দিলে তাকে রক্ষা করা কঠিন। যুদ্ধ শুধু অস্ত্র দিয়ে হয়না, মনের জোর থাকা দরকার। ভাড়াটে চাকর দিয়ে কমফোর্ট জোন থেকে মানুষ হত্যার নেশায় রক্ত নিয়ে হোলি খেলা, আর বাঁচতে গেলে লড়তে হবে- এমন জাতির লড়াই এক নয়ম
তবে ইরানি মিসাইল গুলো- তেল আবিব সহ হিজরাইলের বড় শহর গুলোতে পরলেও , আগুনটা লেগেছে আমাদের দেশের গোবরভক্তেদের মায়ের সায়াতলে আর বাপের রেক্টামে থাকা আয়রন ডোমে। যদিও বাপ ও বাপের ভাইদের মুখে সেলোটেপ আঁটা রয়েছে।
একটা সময় আসে যখন পক্ষ নিতে হয়। যুদ্ধোন্মাদ দের বিপক্ষে শান্তির পক্ষে থাকা মানে মৃত্যুতে আলিঙ্গন করা কাপুরুষের মতো। আমি চাই বা না চাই- পৃথিবীতে যুদ্ধ আসন্ন, বা বলা ভালো তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাক মহড়া চলছে। তাকে স্বাগত জানাই। তাতে সমস্ত পাপ ধুয়ে নতুন সুন্দর একটা পৃথিবী আসবে।
ইরানের এই প্রত্যাঘাত মানব সভ্যতার জন্য জরুরি ছিল। বিশ্ব আর একমেরু নয়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...