জি সেভেন বৈঠক ও কিছু কথা।
কারা কারা ছিলো এই বৈঠকে? ইতালি, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেন, জাপান আর আমেরিকা। আজকের গুগুল মিট, জুম কল, মাইক্রোসফট টিম এ্যাপসের যামানাতে এমন মুখোমুখি মিটিং বিষয়টারই দাবী ফুরিয়েছে। তারপরেও একসাতথে হওয়ার উদ্দেশ্য, দেখো আমাদের ইউনিটি। আমরা সকলে এক আছি, এমরাই সবচেয়ে শক্তিধর।
জর্জিয়া মেলোনি, মোদি যার সাথে ছবি তুলতে পারলে জীবন সার্থক মনে করেন, তার দেশ ইতালি- বিশ্ব রাজনীতিতে শেষ কবে এই দেশটার কোন নাম শোনা গেছে! একটা সময় ফুটবলের কারণে শোনা যেত এখন সেটাও নেই। শুধু পোপটা মরে গিয়ে রোমের সাথে কয়েকবার ইতালির নামটা উচ্চারিত হয়েছে। আর শেক্সপিয়ার পড়লে ভেনিস চলে আসে, ইতালি নামটা তখন মনে পড়ে। একটা সময় বিজেপি যখন সোনিয়া গান্ধীকে ব্যাওক্তি আক্রমণ করত, ইতালি নামটা শোনা যেতো। নতুবা এরা এখন এদের কোনো গননাতেই ধরা যায় না
ফ্রান্সের নামটা গত সপ্তাহে ফাইরাল হয়েছিল তাদের প্রেসিডেন্ট বউ এর হাতে চড় বা ধাক্কা খেয়ে। তার আগে ফ্রান্সের নাম শোনা গিয়েচছিল ইব্রাহিম ট্রাওরের কারনে। তারও আগে আমাদের দেশে ফ্রান্সের নাম শনা যায় মদিজির দৌলতে, UPA সরকারের দড় করা রাফাল বিমান ৩ গুন বেশি দাম দিয়ে কিনেছে বলে। আত্নর্জাতিক রাজনীতিতে ওঁলাদের তেমন কোনো গুরুত্ব ছিলোনা, ম্যাক্রো তো স্পাইন লেস। ত্যাটোতে আঁছে কিন্তু রাশিয়ার পন্থী একধরনের। শোষন আর লুটঠপাঠ না করতে পারলে তথা আফ্রিকার সাপ্লাইলাইন বন্দধ হয়ে গেলে, ফ্রান্স আর লিথুয়ানিয়ার কোনো ফারাক থাকবে ধারে ভারে।
ব্রিটেন, বুড়ো সিংহ। এককালে অর্ধেক পৃথিবী জুড়ে লুন্টন চালিয়েছে একতরফা। বেকারত্ব চরমে। নেতৃত্ব নেই। পৃতথিবীর অদধিকাংস চোর যারা নিজ দেশের ব্যাঙ্ক লুঠে এসেচছে, তাদের জাইগা দেয়। গোটা ইকোনমিটা চলে কমনওয়েলতথ এর মানুষজন দিয়ে।
নোবেল প্রতি বছর দেয়,
রাশিয়া, চীন, ইরান, উত্তর কোরিয়া কখনও এতে যোগ দেয়না। তাহলে কী তাদের দেশে বিজ্ঞানী
নেই! আসলে ওরা এই পশ্চিমা সিস্টেমকে পাত্তাই দেয়না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন