ট্রাম্প হচ্ছে আমেরিকার রাখী সাওয়ন্ত বা কঙ্গনা রানাওয়াত। ফুটেজ খাওয়ার জন্য যা খুশি আলবাল বলে দেয়। যেকোনো মূল্যে প্রতি ঘন্টার হেডলাইনে যেন তার নাম থাকে। তার যে শত্রু, সেই লোকের ততটা সমস্যা নেই, যতটা বিপদ বন্ধু হলে। কখন যে বন্ধুর ইজ্জতের নিলামি চড়িয়ে দেবে তা ধরতে পারবেননা। গতরাত্রে ইঁমানুয়েল ম্যাঁকো সেটা হাড়ে হাড়ে বুঝেছে।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০২৫
ফুটেজখোর ট্রাম্প
মার্কিন রাজনীতিতে গুরুত্বের নিরিখে- মমতা বাদে তৃণমূল দলের পদাধিকারীদের যতটা গুরুত্ব, কিম্বা বিজেপিতে জেপি নাড্ডার যতটা গুরুত্ব - মার্কিন রাজনীতিতে ট্রাম্পও তাই। ল্যাম্পপোস্ট। ট্রাম্প হচ্ছে ফাটাকেষ্ট, খবর দেখেনা, খবর পড়েনা- খবর তৈরি করে।
ওদিকে ইরাণের খামেইনি শাসকেরা কী ধোয়া তুলসীপাতা? মোটেও তা নয়, তাদেরও কুকীর্তির শেষ নেই। তারপরেও সে যখন মানবতার শত্রু দখলদার হিজরায়েলের বিরুদ্ধে একদম সামনের সারিতে, সেখানে ইরাণকে সাপোর্ট করা মানবিক দায়। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ গত ৪৬ বছর ধরে ইরাণের ধোপা-নাপিত বন্ধ করে একঘরে করে রেখেছে আন্তর্জাতিক ভাবে। যত ধরনের অর্থনৈতিক অবরোধ দেওয়া সম্ভব, সবটা দিয়েছে। সমস্ত ধরনের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা - চালিয়েছে। তার পরেও ইরাণ কিন্তু বুক চিতিয়ে এখনও ক্রিজে টিকে আছে।
খামেইনির ইরাণ- কার্টার, রেগন, কশাই বাপবেটা বুশ, শয়তান ওবামা ও যুদ্ধবাজ যায়োনিষ্ট বাইডেনকে দেখেছে, সয়েছে। সোভিয়েতের পতনের পর রাশিয়া-চীন জোড়া উত্থানের আগে অবধি অর্থাৎ নব্বই এর দশকের শেষ থেকে পরবর্তী প্রায় দেড় দশকের আমেরিকার মত একচ্ছত্র ক্ষমতাবান আমেরিকা- ইতিহাসে কখনও ছিলোনা। ইরান সেই পিরিয়ড সয়েও টিকে রয়েছে। শুধু টিকেই নয়- তারা যে অর্থনৈতিক ও সামরিক ভাবে ঈর্শনীয় সক্ষমতা হাসিল করেছে- গত চার রাত ধরে গোটা বিশ্ব তার সাক্ষী
সুতরাং, উন্মাদ ট্রাম্প কিছু একটা হেগেছে মুখ দিয়ে, মানেই ইরান পেচ্ছাপ করে ফেলবে এমনটা নয়। এটা নার্ভের লড়াই, আরো কিছুদিন চলবে। খোদ আমেরিকাতেই যায়োনিষ্ট ছাড়া সকলে যুদ্ধ বিরোধী। হিজরায়েলের জন্য আর তারা যুদ্ধে জড়াতে চায়না। যুদ্ধবাজ কুত্তানিয়াহুর অহঙ্কার দম্ভকে টিকিয়ে রাখতে আর মার্কিন নাগরিকেরা তাদের সন্তানের কফিনবন্দী লাশ দেখতে চায়না। তারা বলছে আমেরিকা ফার্স্ট স্লোগান দিয়ে ট্রাম্প ক্ষমতায় এসেছিল, হিজরায়েল ফার্স্ট নয়। মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন, মেগ BiBi গ্রেট এগেন দাবী ছিলোনা।
অবশ্যই যুদ্ধ সক্ষমতায় আমেরিকা এগিয়ে, কিন্তু মানসিক কঠোরতা আর দাঁত চেপে টিকে থাকার লড়াইতে ইরাণ অনেক অনেক কদম এগিয়ে। পালিয়ে যাওয়ার ইতিহাস আমেরিকার আছে, মাত্র ৪ বছর আগেই আফগানিস্তান থাকে পালিয়ে এসেছিল। চরম স্বার্থপরেরা কারো বন্ধু হয়না। ইতিহাস বলছে পারস্য কখনও পরাধীন হয়নি, আমেরিকা কখনও কোনো যুদ্ধ জেতেনি।
বাকিটা অদূর ভবিষ্যৎ ই জবাব দিয়ে দেবে।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
মাননীয়া মমতা ব্যানার্জী
আজ আমি অনেকক্ষণ ধরে ভাবলাম, যা বুঝলাম- আমি সত্যিকারের একজন মমতাপ্রেমী মানুষ, আপনার সবচেয়ে জাবড়া ফ্যানদের মধ্যের শীর্ষস্থানীয়। আমি চটি চাঁটা ...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন