মানবতার দোহায় দিয়ে গত ৭৭ বছরে লক্ষ লক্ষ মানুষকে নির্বিচারে খুন করেছে হিজরায়েল। ফিলিস্তিনি ভূমি জবরদখল করে সেটলার বসিয়েছে। অমানবিক অত্যাচারকে এন্টারটেইনমেন্ট বানিয়েছে। পোষ্য মিডিয়া দিয়ে মহান সেজেছে।
ফিলিস্তিন, সিরিয়া, লেবানন, ইয়েমেনে অটোমেটিক মেশিনগান থেকে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। এসিড বৃষ্টি করিয়েছে। ক্লাস্টার বোমা ফাটিয়েছে। বেছে বেছে ইস্কুল, হাসপাতাল, পানীয় জলের পরিসেবা, বিদ্যুৎকেন্দ্র জাতীয় জরুরী পরিসেবার স্থানে টার্গেট করে সেগুলোকে ধংস করে সাফল্যের সাথে সেটা বিশ্বকে দেখিয়েছে।
গাজায় জেনোসাইড হলোকাস্ট চালিয়েছে। তাদের সেনারা সেই বধ্য গোরস্থানে উল্লাসের নৃত্য করে সেটাকে গর্বের সাথে টিকটকে ছেড়েছে গোটা দুনিয়াকে দেখাবার জন্য। পশ্চিমা মিডিয়া এখানে কোনো অন্যায় খুঁজে পায়নি।
অনাহার, অপুষ্টিতে ভোগা রোগা দুর্বল শিশুরা ধুঁকে ধুঁকে মরেছে, হারামি বেশ্যার বাচ্চা মধ্যপ্রাচ্যের মোল্লা রাজার দলের সাথে, পশ্চিমারা হলিউডি মুভি সিনের মত, লাইভ ম্যাচ দেখার মত এঞ্জয় করেছে ফিলিস্তিনের উপরে হওয়া অন্যায় অত্যাচার।
ইরাণের এই আত্মরক্ষামূলক আক্রমণ, এই অবৈধ সেটলারেরা অন্তত ৩টে প্রজন্ম ভুলতে পারবেনা, অধিকাংশই ট্রমাগ্রস্থ। তারা আয়েসের বিলাসী জীবন যাপনে অভ্যস্ত। আজ নিজেদের বাচ্চাদের নিয়ে গর্তে বাস করতে করতে অনুভব করছে - এতোদিন এই পাপটাই তারা করে এসেছে।
অনেকের মধ্যে এখন ইসরাইল শিশু হত্যার বিরুদ্ধে ভয়ংকর পরিমাণ মানবিক বোধ জাগ্রত হয়েছে। বুক মুচরে উঠে হাহাকার বের হচ্ছে!
গত ৭৭ বছর ধরে আপনারা যুদ্ধ নয় শান্তি চাই করে গেছেন, তাতে আমেরিকা যুদ্ধ থামিয়েছে? নাকি ইসরাইল তার দখলদারী অগ্রসন থামিয়েছে। আজকে চার রাত ইরান হামলা করায়, সেই চারদিন গাজায় হামলা বন্ধ রয়েছে।
আতঙ্কের ঘরে আতঙ্ক না ঢোকালে শুধুমাত্র শান্তি চাই গান গেয়ে কীর্তন করলে যুদ্ধ থামবে না। যুদ্ধ দিয়েই যুদ্ধ থামাতে হয়। ইরান সেটাই করছে।
ইরাণ এখন যেটা করছে এটা অনিন্দ্য সুন্দর শৈল্পিক কাজ যা সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার কল্পনার বাইরে, তারা হতচকিত বাকরুদ্ধ প্রায়। এটাই ন্যাচারাল জাস্টিস।
আর এসব দেখে যদি "আহারে, নিরীহ নাগরিক মারা যাচ্ছে হিজরায়েলে" জাতীয় শোক উথলে উঠে- আপনিও একটা ফুটফুটে বেজন্মা চুতিয়া।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন