রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫

পশ্চিমাশক্তি ভরা গ্যাস বেলুন


ওরা ইরাক আক্রমণ করেছিল, নিউক্লিয়ার অস্ত্র আছে এই দাবি করে। সেখানে শিশু, মহিলা, বৃদ্ধবৃদ্ধা কাউকে ছাড়েনি। নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করেছে। এই একই পথে সিরিয়া, লেবানন, ইয়েমেন সর্বত্র মৃত্যুযজ্ঞ চালিয়ে গেছে, শেষ তিন চারটে দশক ধরে।

এরপর ফিলিস্তিন। গোটা রাষ্ট্রটাকে জাস্ট গায়েব করে দিয়ে গাজা আর ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক নামে দুটো স্পটে পরিণত করেছে। ইউটিউবে ইজরায়েলি সেটলার সার্চ করে দেখুন, কীভাবে ভূমি থেকে দখলদারেরা ফিলিস্তিনিদের উচ্চেদ করেছে দেখলে শিউরে উঠবেন। সেখানেও চলছে অমানবিক ধ্বংসলীলা মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে শিশু হত্যা করা এবং এ নিয়ে রীতিমতো উদযাপন পালন করা হয়।
এই গত সপ্তাহেও গাজাতে ওষুধ, খাবারের গাড়ি ঢুকতে দেয়িনি, অনাহারে শিশুমৃত্যু নিয়ে আশঙ্কা করেছিলো UN আর UNICEF, রক্তের নেশায় উন্মত্ত দখলদার হিজরায়েল কর্ণপাত করেনি।
আজ ইরাণ প্রত্যাঘাত করতেই মানবিকতা শব্দ মনে পরেছে, UN, UNICEF এদের মনে পরেছে। আন্তর্জাতিক মিডিয়া মনে পরেছে।
তোদের যায়নবাদী আন্তর্জাতিক মিডিয়াতো MOSSAD কে বিশ্বছেঁড়া কমান্ডার বানিয়ে দিয়েছিল। সমস্ত বুদ্ধি আর ইনটেলিজেন্স তাদের একার, সব প্রযুক্তি তাদের দখল। এর পর মোসাদের নিজেদের বিল্ডিং বাঁচাতে পারেনা, কুত্তানিয়াহুর বসতবাড়ি অবধি ধুলোতে গুঁড়িয়ে 'গাজা' বানিয়ে দেয়। তখন হাসি পায় বৈকি। আন্তর্জাতিক মিডিয়াও আজ উলঙ্গ।
মিডিয়াতে কুত্তাকে বাঘ করে দেখানো হয়। কুত্তারা নিজেদের মাঝে অশান্তি লাগিয়ে ফায়দা লোটে। একটু ঘুরে দাঁড়ান, UN আর UNICEF এর সাথে মানবিকতা, শিশু হত্যা আর মহিলা হত্যাগুলো দেখার চোখ ফুটে যাবে। দুনিয়ার কাছে আকুতি করবে।
বাঁচিত গেলে প্রত্যাঘাত করা জরুরী।
ইরাণ হারুক জিতুক যা খুশি হোক আগামীতে, এটা দেখিয়ে দিয়ে গেলো যে পশ্চিমাশক্তি আজকে ২০২৫ সালের প্রেক্ষাপটে হাওয়া ভরা গ্যাস বেলুন। পালটা দিলেই ন্যাংটা। চীন বা রাশিয়া তো আর অন্ধ নয়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...