বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫

বামেদের প্যাক মানি

 


রাজনীতিতে বিরোধী দলের কাজটা কী? আপদ স্থলে দ্রুত পৌঁছে যাওয়া-

মধ্য বাংলাতে কংগ্রেসের শুধু সাইনবোর্ড বেঁচে আছে, দক্ষিন বাংলাতে সেটাও তোলামূল কিনে নিয়েছে। বিজেপি আর তৃণমূলে প্রভেদ নেই। আমাদের রাজ্যে প্রকৃত বিরোধী বলতে তো শুধু বামেরা, বা আরো স্পষ্ট করে বললে সিপিএম।

অথচ, ঘাটালের বন্যায় গত ৩ দিন ধরে মমতা ব্যানার্জি ফুটেজ খাচ্ছে তোতলা অধিকারীকে পাশে নিয়ে। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে ভাইপো সমানে মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। গতকাল আরামবাগে রীতিমত খিচুড়ি বিলির ফটোশ্যুট করেছে মাননীয়া। সেখানে বামেদের তরফে উল্লেখযোগ্য কেউ নেই। কি আফসোস আমাদের…

মহঃ সেলিম সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক হতে পারেন, কিন্তু মানুষ তো তাকে শোনেনা, শুনতেও চায়না। চালচোর বাদে গোটা রাজ্য যাকে শোনার জন্য মুখিয়ে থাকে সেই ‘মীনাক্ষী মুখার্জীর’ পায়ে বেড়ি পরারাবার জন্য কী সাদাচুল ওয়ালা রাজ্য নেতৃত্ব কালীঘাট থেকে ‘প্যাক-মানি’ নিয়ে কী তাদের হয়ে খেপ খাটছে?

মমতাকে হারাতে গেলে আগে তার ইমেজ খেতে হবে। যুব বামেদের উৎসাহ বা সাহসের তো ঘাটতি নেই। তাদের কেন আঁটকে দেওয়া হচ্ছে? মমতার চেয়ে ২ মিনিট আগে যেখানে ভেবে ফেলতে হবে, আর উপদ্রুত অঞ্চলে ১ মিনিট আগে পৌঁছে যেতে হবে; সেখানে ময়দান প্রায় ফাঁকা।

বাঁকুড়াতে না খেতে পেয়ে লোক মরে গেছে, আরো পাঁচজন নাকি লাইনে আছে আমরা কেউ বলছি না, এটা গণশক্তি নিজেই ছাপিয়েছেসেখানে কোন রাজ্য নেতারা গিয়ে পরে আছে? এত বছরে তাদের কেন আধার কার্ড হয়নি, এই প্রশ্নের উত্তর কেউ খুঁজতে গেছে? বেঁচে থাকা লোকেদের আধার কার্ড করিয়ে পঞ্চায়েত থেকে একটা কিছু ব্যবস্থা করবার চেষ্টা কেউ করতে গেছে? টিভি খেঁউড়ে দেবাংশুকে হারিয়ে রাজা উজির মারা সোস্যালমিডিয়া মিম বানাতে বানাতে আসলে এরা নিজেরাই দেবাংশুর লেভেলে নেমে গেছে।

কোনো ফেবু আতেল সাজা বাম্বাচ্চা প্রশ্ন করতেই পারে, সেখানে কী স্থানীয় কমরেডরা নেই! আরে ভাই যে স্থানীয়েরা পোলিং এজেন্ট বসাতে পারেনা, তারা করবে ডাইরেক্ট মমতার ইমেজের মোকাবিলা? যেটুকু ক্যামেরা জোটে মীনাক্ষী গেলেই তবেই, নতুবা ক্যামেবা বা মাইক্রোফোনের বুম ফাঁকা এই কারণে আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভোগা নেতারা প্রায় মীনাক্ষীকে বগলদাবা করে নিয়ে যায়। জনগণ সব বোঝে, পার্টিকর্মীরাও।

মমতার প্রতিদ্বন্দী হিসাবে মানুষ যাবে বরণ করে নিয়েছে, সেই মীনাক্ষীকে কে বা কারা আঁটকে দিচ্ছে বারে বারে? এর উত্তর তোলামুল বিরোধী মানুষ তো চাইছে, চোর মমতার বিকল্প তো চাইছে। পার্টি সেলিম সাহেবকে সেনাপতি বানালেও বাংলার মানুষ স্বতস্ফুর্ত তাদের সেনাপতি বেছে নিয়েছে মীনাক্ষীকে, কাকে বাঁচাবার জন্য এই লুকোচুরি হে মহান আলিমুদ্দিনের বৃদ্ধতন্ত্র?

করোনার সময় রাজ্যের মাত্র দুটো এলাকা দিয়ে পরিযায়ীরা ঘরে ফিরেছিল। পশ্চিম মেদনীপুর আর পশ্চিম বর্ধমান, সেদিন শ্রমিকদের ফ্রন্টে সামনে থেকে গোটা বিষয়টা নেতৃত্ব দেওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে সকলে আজকে আছে? কেউ নাকি সম্মেলনের নাম করে যে যার মত চেয়ার গুছিয়ে নিয়েছে বাকিদের ল্যাঙ মেরে দিয়েছে। ইতিহাস আমরাও পড়েছি, কমরেড হরেকৃষ্ণ কোঙারক এর মত ব্যাক্তিকেও পলিটব্যুরোতে স্থান দেওয়া হয়নিআন্তঃ পার্টি সংগ্রামের নামে ল্যাঙ মারামারির খেলার বাইরে আরো কোনো উত্তর আছে কী আজকের কোনো নেতৃত্বে কাছেও?।

অথচ মমতার সাজানো পরিযায়ী অত্যাচার বা বাঙালী বিদ্বেষে- সেই শ্রমিক নেতাদের নাম শোনা গেছে কোথাও! অধিকাংশ ক্ষেত্রে আলুমিদ্দিনে বসে একটা বিবৃতি দিয়ে দায় সেরে ফেলা নেতারা শুধু ফুটেজ খাবে যদি ক্যামেরা পায়। কোথায় মুর্সিদাবাদের ডোমকল বা কান্দির রাস্তা জ্যাম করে দেবে, গাজোল, সূজাপুরে র‍্যালি করবে, ইসলামপুরে হত্যে দিয়ে বসে থাকবে একটা দল~ তা না করে কোলকাতার রাস্তায় ধাষ্টামো মিছিল করছে। এরা মানসিক ভাবেও দেউলিয়া হয়ে আছে, এদের রাজনৈতিক মৃত্যু না হলে বাংলার বিরোধী রাজনীতি স্থবিরতার কলঙ্কমুক্ত হবেনা।

আগামী ৮-৯ মাসের মাথায় ভোট, টিকিট পেতে ১০৮টা গণসংগঠন আর শরিকদের নামে- ১৮০টা এঁটোখেকো আরসোলার দল, নানান ফাঁকফোঁকর থেকে বেরিয়ে আসবে ভোটে দাড়াতে। আজকে এই সময় আন্ডুপান্ডুর দল কোথায় আছে! যারা রাস্তায় ৎথাকবে সারাবছর তারা ধুহুল চুষবে, আর ভোটে দাঁড়াবে আতরমাখা বাবুবিবির দল- মানুষকে চার অক্ষরের বোকা ভেবেই আজ শূন্য। বন্যার জল আঁটকানো যায়না বালির বাঁধ দিয়ে, আবার ১৬৬৪ সালের মত আরেকটা নতুন বামদল জন্ম নিলে এই অকর্মা বৃদ্ধতন্ত্রই দায়ী থাকবে।।

বাম দলের জনপ্রিয় স্লোগান- ‘জাতের নয় ভাতের লড়াই’, সেখানে ভাত বিলির মত স্থানে যদি মীনাক্ষীরা স্বদলবলে না থাকে সময়ের দাবী মেনে এবং মমতার ফুটেজ খাওয়ার আগে; সম্মেলনের ফাঁসে আঁটকে পরা একটা শহুরে বাবুদের ‘বামনামধারী’ দল- আগামী ২৬এর নির্বাচনেও আর্যভট্ট আবিষ্কার হয়েই ইতিহাসের পাতা থেকে ৩৪ বছরের ঢেকুর তুলতে থাকবে, মিলিয়ে নেবেন।

ওহ, আপনাদের তো আবার একটা পিঠ বাঁচানো বুলি আছে- ‘অতি প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী’ বলে বিরুদ্ধ আওয়াজকে ধামাচাপা দেওয়ার। এমনটা চলতে থাকলে তোলামুল বিরোধী সাধারণ জনগনেরও একটা ভাষা আছে- দালাল।

বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫

নকিবদ্দিন সেখ

১৯৫২ সালের ভোটার লিষ্টে বাবার দাদুর নাম খুঁজে রেখে দেওয়া হলো। নকিবদ্দিন সেখ, পিতা বাবুলাল।

এদেশীয় মুসলমানকে NRC/SIR এর ভয় তেমন ভাবে দেখানো মুশকিল।


মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫

দেশদ্রোহী এ্যান্টি সেমেটিক



যায়োনিষ্ট অকুপায়েড ফিলিস্তিন (ZOP) তথা ইজরায়েল কেন তার সামরিক ব্যবস্থাপনাগুলো হাসপাতাল আর ইস্কুলের আশেপাশে বানিয়েছে?
প্রথমত পালটা পশ্ন করে প্রশ্নকর্তাকে। এরপর উত্তরটা সবচেয়ে সেরা-
"আমরাই বিশ্বে শ্রেষ্ট মিলিটারি, আমরা শ্রেষ্ঠ প্রযুক্তি ধারন করি, আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বশ্রেষ্ঠ"।
এই অহংকার, এই দম্ভ, এই আত্মতুষ্টি সব আজ.... হ্যাঁ, গাধার ওইখানে। ইজরায়েলি মিথ চুরমার।


ভক্তদের কে প্রশ্ন করুন,বেছে বেছে সংখ্যালঘু ও আদিবাসী নির্যাতন কেন হচ্ছে!

উত্তর- তুই ব্যাটা দেশদ্রোহী।
কোথা থেকে শিখেছে দেখুন, ফিলিস্তিনের অবৈধ দখলদার যায়োনিষ্টদের শুধান- গাজায় কী হচ্ছে ও কেন হচ্ছে!
উত্তর- তুই ব্যাটা এ্যান্টি সেমেটিক।
তবেনা ভক্তদের অবৈধ বাপের নাম হিজরায়েল। তবেনা মিছিল মার হয় ভারতের মাটিতে দখলদার জঙ্গীদের পক্ষে। তবেনা ভারতের মাটি থেকে আড়াই লাখ ফেক যায়োনিষ্ট একাউন্ট থেকে প্রোপাগাণ্ডা চালানো হয়।
তবে ভক্তপিতার মত এরা ক্লাস ফোর ফেল নপুংসক জোকার নয়, অন্তত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়।

ওহে পশ্চিমবঙ্গবাসী মুসলমান, আপনি ইমানদার না মুনাফেক?



"নিঃসন্দেহে মুনাফেকরা থাকবে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে। আর তোমরা তাদের জন্য কখনও কোনো সাহায্যকারী পাবে না।’ (সুরা নিসাঃ- আয়াত ১৪৫)


হে পশ্চিমবঙ্গবাসী মুসলমান, আপনি ইমানদার না মুনাফেক?
আসানসোলে দাঙ্গা বাঁধিয়ে ইমাম সাহেবের ছেলেকে খুন করে দেওয়ার নায়ক ‘বাবুল সুপ্রিয়’ যখন ‘আপনার’ তৃনমূলের মন্ত্রী হয়, আপনি নিশ্চুপ ছিলেন। এর পরেও আপনি ‘বিজেপি চলে আসবে’ ভেবে তৃণমূলকে ভোট দেন- আপনি ওখানেই শয়তানের সাথী হয়ে গেছেন। এই রাজ্যের ক্ষমতায় ‘কে তৃনমূল আর কে বিজেপি! কোনো ফারাক আছে দুই দলের নেতৃত্বের! আপনিই বিজেপি থেকে আসা বাবুল সুপ্রিয় ও এদের মত অগুন্তিকে নাগপুরী RSS এর মুসলমান বিদ্বেষী মাল সমৃদ্ধ তৃণমূলকে ভোট দিয়ে জেতান, আলাদা করে বিজেপি আসার দরকারটা কোথায়?
এর পরেও আপনি বিশ্বাস করেন আপনার মাঝে মুসলমানত্ব টিকে আছে? মানার নাম ইসলাম, ভেকধারী আরবী নামের মাঝে কী ইসলাম থাকে? মীরজাফরের সাথে আপনার কোনো ফারাক আছে? কুফর, শির্ক সহ এই রাজ্যে ঘটা ‘তৃনমূল- বিজেপির’ প্রতিটা কবিরা গুনাহের আপনিও প্রত্যক্ষ অংশীদার। সেদিন যদি বাবুল সুপ্রিয়দের বিরোধিতা করতেন, আজ গরীব মুসলমান গরু ব্যাপারি আক্রমনের শিকার হতোনা। জ্ঞানে হোক বা অজ্ঞানে- আপনার দুয়ারে জাহান্নাম। পয়দা করা বালবাচ্চাগুলোর দিকে তাকিয়ে খানিকটা তৌবা করে দেখুন, যদি কিছুটা গুনাহ এর খেয়ানত হয়।

বামেরা শূন্য- এটা জেনে অর্গাজম হওয়া আপনি কী খোঁজ রাখেন তোলামূল কোটায় কটা আরবি নামধারী মুসলমান সেজে থাকা RSS এর সদস্য রয়েছে বিধানসভা বা সংসদে?

এই রাজ্যের 45 জন MLA, 4 জন করে লোকসভা ও রাজ্যসভার MP, মোট ৫৩ জন ‘নামধারী মুসলমান’ আইনসভার সদস্য। আসানসোল কান্ডে এদের সকলের মুখে কুলুপ, কারন বামেরা শূণ্য, কে আছে যারা সরকারকে প্রশ্ন করবে? এই সমস্ত আন্ডুপান্ডু থাকা বা না থাকাতে মুসলমান সম্প্রদায়ের কী যায় আসে?

এদেরকে একবারো শুধাবেননা যে- পঞ্চায়েত তোমাদের, MLA তোমাদের, MP তোমাদের, পুলিশ তোমাদের, নেতা তোমাদের, মন্ত্রী তোমাদের। তোমরাই গত পনেরো বছর ধরে ক্ষমতায় আছো, জনসংখ্যার বিচারে প্রতি ৪ জনের একজন মুসলমান, তবুও কিছু লোক ধর্মের নামে মুসলমানকে মেরে দিয়ে যায়। মুসলমানের নিরাপত্তা কোথায়, মুসলমান বিচার পায় না কেন? গরুর হাটের মালিক তোমাদেরই নেতারা, সবাই তোলামুলের। গরীব মুসলমান তো শুধু গরু এ হাট থেকে ও হাটে কেনাবেচা করে। তারপরেও মুসলমানকে লাইন দিয়ে দাঁড় করিয়ে মেরে গেল, গরুর দড়ি দিয়ে বেঁধে ভিডিও করে বাজারে ছেড়ে দিলো। বড় বড় মসজিদের ইমামগুলোও তো এখন সরকারের কথায় ওঠাবসা করে, একজনও মুখ খুলল?

গোবলয়ের গরু রাজনীতি অবশেষে বাংলাতে আমদানিতে সক্ষম হয়েছে বিজেপি, মমতা ব্যানার্জীর কল্যাণে। মমতার রাজত্বেই এই রাজ্যে RSS, ৮০০% বৃদ্ধি পেয়ে জঙ্গী হামলা শুরু করেছে মুসলমানদের উপরে। যথারীতি গরীব মুসলমানকে অত্যাচার মারধোর করেছে হিন্দু ‘ভীর’ এর দল, এটাই তো সিস্টেম ওদের। আমাদের পশ্চিম বাংলার ক্ষমতার মসনদে আসীন মমতা ব্যানার্জী টিকেই আছে একমাত্র মুসলমানের ভোটে দয়ায়। মুসলমান অত্যাচারে মাননীয়া এতটুকু ফুট কেটেছে? কাটবেনা, কারন আপনি দুধেল গাই।

তৃনমূল একান্তই দক্ষিণ কোলকাতা কেন্দ্রিক একটা ব্রাহ্মণ্যবাদী দল- যার জন্ম নাগপুরের গোয়ালঘরে। তারাই কয়েকজন মিলে সমস্ত ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাজ্যটাকে লুটেপুটে খাচ্ছে। তোলামূলের মুসলমান নেতৃত্ব নামেই মুসলমান, আসলে মুনাফেক। মুহাম্মদ, আলী, শেখ, মোল্লা, হাসান, হোসেন ইত্যাদি নাম বা পদবীর আড়ালে প্রতিটা ব্যাক্তিই আসলে RSS এর দালাল।
এরা মুসলমানের ভেক ধরে চুরি চামারি করার জন্য। হারামের কামাই দিয়ে বিলাসী জীবন যাপন করছে। দ্বীন-ইসলাম-কোরান-হাদিস সব কিছুকে পণ্য বানিয়ে দিয়েছে চুরির টাকার ভাগা পাওয়ার বিনিময়ে। নতুবা ৯৬ ঘন্টা কেটে গেলেও একপিস মুসলমান নামধারী তোলামুল নেতা কোনো বিবৃতি দিয়েছে আসানসোলে বৃদ্ধ মুসলমানের উপরে গোরক্ষক নামের সন্ত্রাসীদের আক্রমণে?

আপনার ঈমানকে, আপনার দ্বীন ইসলামকে পুঁজি করে ভোট নিছে এরা, আপনার সেই ঈমাণকে নাগপুরের গোয়ালঘরে বিক্রি করে দিয়েছে টাকার বিনিময়ে। মুনাফেকরা জাহান্নামে যাক, আপনি কবরে মুনকার-নাকিরকে জবাব দিতে পারবেন তো? যেখন সে শুধাবে আপনার দ্বীন কী? আপনি তো জেনে বুঝেই এই ‘মুনাফেক খারিজী’ গুলোকে ভোট দিয়েছিলেন। আবু লাহাব, আবু জাহেল, উৎবা, সাইবা এরাও জোব্বা ধারী লম্বা দাড়ির লিবাসওয়ালা ছিল- ঠিক বর্তমান তোলামূলের হয়ে খেপ খাটা আলেম সাজা ভন্ড গুলোর মতই।
যখন আপনার দ্বীনিভাইটি শুধুমাত্র মুসলমান হবার কারনে অত্যাচারের শিকার হয়েছে- কী লাভ আপনার এই দেখনদারি নামাজের। এখানে আপনি জেনেশুনে মুসলমানকে রক্তাক্ত করছেন আপনার ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন মমতা ব্যানার্জীর মাধ্যমে। তিনিই তো সংখ্যালঘু মন্ত্রী।

প্রশ্ন তুলতে না পারলে আপনিও সম পরিমানে গুনাহগার। নিজে মুসলমান হয়েও কেন চুপ মেরে আছেন, কিসের লোভে? কিসের ভয়? কোন বাধ্যবাধকতায়? কিয়ামতের বিচারের দিনে কোন মুখে দাঁড়াবেন আল্লার সামনে- আপনিও তো দিনের শেষে একটি ভোটের মাধ্যমে বছরের পর বছর ধরে RSS এরই হাত শক্ত করে এসেছেন।

অবশ্য যদি চুরির টাকায় ভাগ পান তাহলে ব্যাপার আলাদা, হারামখোরের আবার কিসের ঈমান!! ভালো টাকা পেলে কালকে বোন, বউ বা বেটিকেও- হারামখোরের দল অন্যের বিছানাতে শুইয়ে দিয়ে বিলাসী জীবন কিনবে-
ওয়াক থুঃ

চলুন দেখে নিই তোলামূলের ‘মুসলমান’ নামধারী অমেরুদণ্ডী কীটপতঙ্গগুলোকে, যাদের মুখে নাগপুরের গেরুয়া চাড্ডি গুঁজে রাখা আছে। আপনি তো এদেরই ভোট দিয়েছিলেন-

আপনার ভোটে জেতা মুসলমান তোলামূল দুধেলগাই সাংসদ-
  • খলিলুর রহমান
  • আবু তাহের খান
  • সাজদা আহমেদ
বসিরহাট ফাঁকা, সেখানেও কোনো তোলামূল চোরই আসবে নিশ্চিত

চটি চেঁটে রাজ্যসভার তোলামূল দুধেল গাই সাংসদ-
  • নাদিমূল হক
  • সামিরুল ইসলাম
  • মৌসম নূর
সাম্প্রতিক কালে সবচেয়ে বেশী সাম্প্রদায়িক ও বাঙালী নিয়ে মিথ্যা প্রোপ্যাগান্ডা ছড়ানোতে স্টারমার্কস পাওয়া বিজেতা- সামিরুল ইসলাম আর নাদিমুল হল। ইউসুফ পাঠানের মত নপুংসক ও ক্ষীর খাওয়া গুজ্জুদের নাহয় হিসাবেই আনলামনা।

চলুন বিধানসভায় দেখে নিই-
➤হামিদুর রহমান
➤আব্দুল করিম চৌধুরী
➤মহঃ গোলাম রব্বানি
➤মিনহাজুল আফরিন আজাদ
➤মোসারফ হোসেন
➤তোরাফ হোসেন মণ্ডল
➤তাজমূল হোসেন
➤আব্দুল রহিম বক্স
➤সাবিনা ইয়াসমিন
➤মুহাম্মদ আব্দুল গনি
➤মনিরুল ইসলাম
➤আমিরুল ইসলাম
➤ঈমানী বিশ্বাস
➤জাকির হোসেন
➤এস কে আখতারুজ্জামান
➤আলি মোহাম্মদ
➤রিয়াত হোসেন সরকার
➤আব্দুল সৌমিক হোসেন
➤হুমায়ুন কবির
➤রবিউল আলম চৌধুরী
➤হাসানুজ্জামান সেখ
➤নিয়ামত সেখ
➤সাহিনা মুমতাজ বেগম
➤জাফিকুল ইসলাম
➤আব্দুর রাজ্জাক
➤আলিফা আহমেদ
➤রুকবানুর রহমাম
➤আব্দুর রহিম কাজী
➤রফিকুর রহমান
➤রহিমা মন্ডল
➤সেখ রবিউল ইসলাম
➤রফিকুল ইসলাম মণ্ডল
➤শওকত মোল্লা
➤গিয়াসউদ্দিন মোল্লা
➤জাভেদ খান
➤ফেরদৌসী বেগম
➤আব্দুল খালেক মোল্লা
➤ফিরহাদ হাকিম
➤গুলশন মল্লিক
➤স্বাতী খন্দোকার
➤ফিরোজা বিবি
➤হুমায়ূন কবীর ডেবর
➤সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী
➤শেখ সাহনাওয়াজ
➤মোসাররফ হোসেন মুরারই
এরাই কদিন পর হাত জোড় করে ভোট চাইতে যাবে আপনার দুয়ারে।
ফিলিস্তিনের উপরে বর্বর ইহুদিকের আক্রমণের বিরুদ্ধে মুখ না খোলা আরবের মোল্লা রাজা গুলোর বিরুদ্ধে তো আপনার প্রচুর প্রতিবাদ। আপনার রাজ্যে, আপনার ঘরে গরীব মজলুমের জন্য এই 'ইয়াজিদের বাচ্চা' গুলো কেন মুখ বন্ধ রেখেছে- সেটা কী কেরালার মুসলমান জিজ্ঞাসা করবে! নাকি তুরস্কের মুসলমান?
এরা মোনাফেক কিনা আল্লাহ জানে, কিন্তু আপনি প্রশ্ন তুলতে না পারলে- নিশ্চিতভাবে আপনার ঈমান নিয়ে প্রশ্ন উঠবে, মুনাফেকের দলে যে আপনাকে গণনা করা হবে তাতে সন্দেহ নেই।

মার্কিন পণ্য বয়কট!

 


২৫% এর বদলা- নিতে পারলে হেগে দেবে ট্রাম্প তথা আমেরিকা।
সয়াবিন তেল, সূর্যমুখী তেল, জন ডিয়ার, কার্গিল, ফাইজার, এ্যাবট, জনসন, লুপিন, সিনজেন্টা, বেয়ার, জিপ, ফোর্ড, মুক্তো, টেক্সটাইল, অটো পার্টস, ইলেকট্রনিকস আর প্লাস্টিক- এগুলোর উপরে ১০০% কর বসাক।
গুগুল, ফেসবুক, মাইক্রোসফট, কোক-পেপসি, এ্যাপেল, আমাজন, ডেল, HP, IBM, Domino, Pizza Hut, এগুলোর উপরে ৫০% কর বসাক।
১৫০ কোটির মার্কেট। ট্রাম্পের পোঁদ দিয়ে হোয়াইট হাউস ঢুকে মুত্রপথে বের হবে।
২৬ ইঞ্চি ছাতিওয়ালা সারেন্ডার জোকারের সেই মুরোদ আছে?

আরেকবার মনে করিয়ে দিই- বয়কট করার জন্য এতো কিছু রয়েছে- সাথে আছে ট্রাম্প টাওয়ার। শুধু টেক কোম্পানির লিষ্টি দিলাম নিচে-
Google Search, YouTube, Gmail, Google Maps, Google Drive, Android OS, Chrome browser, Apple iPhones, iPads, MacBooks, iCloud, iOS App Store, MS Windows, MS Office, LinkedIn, GitHub, Adobe Photoshop, Adobe Acrobat, Illustrator, WhatsApp, Instagram, Facebook, Messenger, Amazon store, Kindle, AWS, Netflix, Prime Video, Uber, AirBnB, Zoom, ChatGPT, Coursera, Udemy, Duolingo, PayPal, Stripe, Intel, AMD, Nvidia GPUs, Dell, HP laptops, IBM services, Salesforce, Oracle Cloud, Dropbox, Spotify, Reddit, Twitter/X, Canva, Notion, Slack, Trello, Asana, HubSpot, Wix, WordPress, Tumblr, Weebly, Quora, Medium, Pinterest, Substack, Medium, SurveyMonkey, Mailchimp, Google Ads, Meta Ads, Bing Ads, OpenAI APIs, Google Cloud, Microsoft Azure, ZoomInfo, Data . ai, Tableau, Power BI, Apple Music, Google Pay, Fitbit, Bose, JBL, GoPro, GoDaddy, Cloudflare, Norton Antivirus, McAfee, Brave browser, DuckDuckGo, Stack Overflow, Product Hunt, Crunchbase, Bloomberg, CNBC, Reuters ...
কমসেকম ট্রাম্প টাওয়ারে কোনোভাবে তো ৫০০% ট্যারিফ ঘোষনা করুন!!

সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫

সিদ্দিকুল্লাহ ও আসানসোলের গোরক্ষকের দল



সিদ্দিকুল্লাহ নামের নেড়িটা জীবিত আছে? মাস দেড়েক আগে যে নাকি লক্ষ লক্ষ ঘেউ নামিয়ে রাজ্য অবরুদ্ধ করে দিতে চাইছিলো! পারলে ওর গাঁড়ে গোলমরিচের আরক গুঁজে বলে আসতাম- আসানসোল শহরটা বাংলাতে রে বেইনস্টোক। এখানে ওকে কেউ ঘেউঘেউ করতে দেখেনি।

আরেকটা মর্কট আছে, ত্বোহা সিদ্দিকি, যার পেশাই হলো ধর্ম ব্যবসা- তাবিজ কবজ। এর বাইরে অনেক এঁটোকাঁটা খোর জীবজন্তু আছে, যারা নিজেদের ভাগায় কম পরলে ফোঁস করে উঠে।
এরাই পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে বোঝায়- তৃণমূলকে ভোট না দিলে বিজেপি চলে আসবে। রাজ্যে তৃণমূল থাকলে বিজেপির প্রয়োজনটা কী?
মুসলমান সম্প্রদায় কী বুঝতে পারছে যে এই সব আলেম সাজা চুতিয়া গুলো আসলে RSS এর দালাল। ধর্মকে সামনে রেখে, হাদিস-কোরানকে সামনে রেখে গোটা বাঙালি মুসলমান সমাজকে বোকাদোচা বানাচ্ছে।
এরা চুরির ভাগা তথা হারামের টাকার জন্য দ্বীন-দুনিয়া-আখেরাত সব বেচে দিয়েছে। জোব্বার আড়ালে। সবকটা শয়তান-এ-আজম, মুনাফেক। ইহুদীরা প্রকাশ্য শত্রু, এই আলেম সাজা মালগুলো তার চেয়েও ভয়ানক।
ভাই মুসলমানেরা, জেগে উঠো। এই শয়তানদের দোজোখে পাঠাবার সময় এসেছে। জিহাদ যদি করতে হয়, আগে এদের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক জিহাদ করুন। এটাও ফরজ, এটাও সুন্নত ইবাদত এখন। শয়তানকে বর্জন করা। নুতুবা কিয়ামতের ময়দানে জবাব দিতে পারবেন তো এই কবিরা গুনাহের?

শুক্রবার, ১ আগস্ট, ২০২৫

গুজ্জু কার্টেল - Neo Colonialism




সম্প্রতি CAG এর একটা রিপোর্ট বের হয়েছে। কৃষকদের কল্যাণের জন্য নির্ধারিত রাসায়নিক সার উন্নয়ন তহবিলের ৯০% টাকা, গত পাঁচ বছর ধরে মধ্যপ্রদেশে সরকারি যানবাহন জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য খরচা করা হয়েছে।

ভাগ্যিস দেশে গোদি মিডিয়া আছে, তাই পাবলিক এগুলোর সম্প্রচার দেখেনি, নতুবা বিজেপির ভোট আরো বেড়ে যেত। গোদি মিডিয়া বলতে মনে পড়ল আদানি-আম্বানির নিউজ চ্যানেলের নামে প্রোপ্যাগান্ডা মেশিনারি তথা বর্তমানে দেশকে গ্রাস করা গুজ্জু কার্টেলের কথা।

০২৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত, মাত্র একটা আর্থিক বর্ষে বিশ্বগুরুর প্রভু শ্রী গৌতম আদানীর সম্পদের মূল্য প্রায় ৯৯% বৃদ্ধি পেয়েছে। আর পাবেনাই বা কেন! আপনার মুঠোতে যদি মুম্বাইয়ের ৫৪১ একর রিয়েল এস্টেট সহ এমন আরও অনেক কিছু প্রায় ফোকেটে চলে আসে, আমার আপনারও সম্পদ ১০০ গুনই বেড়ে যাবে।

আদানী ‘দেখো আমি বাড়ছি মাম্মি’ এ্যাড দেবে, আর আম্বানি চেয়ে চেয়ে দেখার জন্য বসে আছে! সরকারি সম্পদ লুঠের বিষয়ে প্রতিযোগিতায় হেরে গেলে নিজেদের গুজ্জু কমিউনিটিতে যে মুখ দেখাতে পারবেনা। অতএব, মুকেশ আম্বানির মালিকানাধীন RIL নবি মুম্বাইয়ের ৫,২৮৬ একর প্রাইম রিয়েল এস্টেটের দখল নিয়েছে।

Thank you, গুজ্জু কার্টেল মোদী-শাহ-আদানি-আম্বানি’ চতুষ্টয়। এই চৌরঙ্গী সঙ্গম না থাকলে জানাই যেতোনা যে এতো ভাবে দিনে ডাকাতি করা যায়, দেশপ্রেমের নামে, হিন্দুতের নামে। আপনার হাতে যদি বিপুল পরিমান সম্পদ থাকে, আপনি অবশ্যই একটা সরকারকে পোষ্য বানাতেই পারেন। বড়লোকের নানা শখ, কেউ চিতা পোষে, কেউ হাতি। আদানি আম্বানি সরকার কিনে মোদী-শাহ পুষেছে। কথায় আছে শখের দাম লাখ টাকা।

মজা হচ্ছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি এই পোষ্যদের হাতে, সরকার এই সুপার ধনীদের কেনা গোলাম। গুজ্জু কার্টেলের সম্পদ আড়ে-বহরে বাড়বেনা তো আমার আপনার বাড়বে! মহারাষ্ট্র সরকারকে ধন্যবাদ না জানানোটা অপরাধ, কারন তারা ভনিতা না করেই বিক্রির নামে দান করেছেআপনার আমার ব্যর্থতা কোথায় জানেন! আমরা একটা সরকার কেনার মত যথেষ্ট ধনী নই, তাই আমাদের বিবেক আর আদর্শের পাঁচন খেয়ে হস্থমৈথুন করে তেজস্খলন করি।

এটা একটা সংখ্যা মাত্র। ,৬০,০০০,০০,০০,০০০ (৫.৬ লক্ষ কোটি) মুম্বাই প্রোজেক্ট থেকে আদানিদের অর্জিত মোট আয়ের পরিমান, যার মধ্যে ৮৪,০০০ কোটি টাকা মুনাফা হিসাবে দেখানো হয়েছে। মুম্বাইয়ের এই রিয়েল এস্টেট সম্পদের বৃদ্ধির সাথে সাথে- খরিদকৃত ফড়নবিশ সরকার এবং পোষ্য মোদীর কেন্দ্র সরকার- আদানির প্রকল্পের জন্য স্ট্যাম্প শুল্ক, প্রিমিয়াম এবং অন্যান্য আইনগত বকেয়া মাফ করে দেবেই। সাথে সাথে লাভের পরিমান আরো ৪-৫ গুণ বৃদ্ধি পাবে।

আদানি মডেল আসলে নব্য উপনিবেশবাদের ইষ্ট ইন্ডিয়া ভার্সন।

শুরুতে এরা অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য স্বতঃপ্রণোদিত প্রস্তাবনা পেশ করে। অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দেয়, জনকল্যান ও রাষ্ট্রের রাজস্ব পূর্বাভাসের একটা রূপকতথার গল্প ফাঁদে। এভাবেই একে একে পশ্চিমঘাটে আদানি গ্রুপের HEP প্রকল্প; গ্রেটার নিকোবর দ্বীপ (GNI) শিপমেন্ট টার্মিনাল প্রকল্প; বাংলাদেশে বিদ্যুৎ বিক্রয়, দেশজ বিমানবন্ধ ও সমুদ্রবন্দর অধিগ্রহণ, রেলওয়ে পণ্য পরিবহনের ব্যবস্থাপনা অধিগ্রহন, জোমো কেনিয়াত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (JKIA), নাইরোবি, কেনিয়া কিম্বা দেশের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বানাবার একতরফা প্রতিদ্বন্দীহীন টেন্ডার প্রাপ্তি- সবটাই আছে।

২০২২ সালের জুন মাসে উদ্ধব সরকার পতন ঘটে; ২০২২ সালের অক্টোবরে ধারাভির জন্য আদানি ৫,০৬৯ কোটি টাকায় দরপত্র জিতে নেয় এবং পরের ৩ বছরের মধ্যে মুম্বাইয়ের ৫৪১ একর প্রাইম রিয়েল এস্টেট আদানির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এই কারনেই উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন উৎখাত করাটা জরুরী ছিল। এরা থাকলেও চুরি হতো, কিন্তু সেটা গুজ্জু কার্টেলের পেটে যেতোনা হয়ত, তাই সরানো। একনাথ শিন্ডে, সহ-দলত্যাগীর দল, এসবই কেবল ঘুঁটিআসল খেলার জন্য একটি নিখুঁত ছদ্মবেশ তৈরি করে এই রাজনৈতিক ছায়া-চিত্র গুলো। পাবলিক ভাবে ওহ- বিরাট কিছু একটা ঘটছে। বিষয়টা হচ্ছে গুজ্জু কার্টেল কর্তৃক মুম্বাই দখলের রূপকথা

পূর্ববর্তী টেন্ডারে আদানির ৪,৪৩৯ কোটি টাকার প্রস্তাবের বিপরীতে সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক সেকলিংক টেকনোলজিস কর্পোরেশন ৭,২০০ কোটি টাকা প্রস্তাব করেছিল। তবে, রেলওয়ের জমি অন্তর্ভুক্তির অজুহাতে এই টেন্ডার বাতিল করা হয়।

সেকলিংক আদালতে গিয়েছিল এবং সেখানেই এটি ফাইলচাপা পরে রয়েছে। এমন সব কারনেই ‘আরতি অরুণ সাঠে’, যিনি ২০২৩ সালেও মহারাষ্ট্র বিজেপির রাজনৈতিক মুখপাত্র ছিল, আগষ্ট ২০২৫ থেকে তিনি বোম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি হয়ে যায় আমরা আম ভারতীয়রা ভাবি, আমাদের জীবন, আমাদের স্বাধীনতা এবং আমাদের গণতন্ত্রের উপর আমাদের নিরঙ্কুশ দখল রয়েছে। আসলে গান্ডু হওয়ার জন্য বেশি কিছু লাগেনা অন্ধ ভক্তি ছাড়া।

এগুলো কোনো ব্যতিক্রমী কিছু নয়, মারাঠা রাজনীতির বেশিরভাগ নেতা- হয় দলীয়ভাবে নয়ত ব্যক্তিগতভাবে এই গুজ্জু কার্টেলের অংশীদার, প্রতক্ষ্য বা পরোক্ষ যে রূপেই হোক। নয়তো গুজ্জু মোদানি কার্টেল এদের আরব সাগরের জলে বিসর্জন দিয়ে দেবে।

মুকেশ আম্বানির নেতৃত্বাধীন রিলায়েন্স গ্রুপ সস্তা রাশিয়ান তেল কিনে বাজারে প্রিমিয়াম দামে বিক্রি করে বিশাল মুনাফা অর্জন করেছে, রাষ্ট্রের দরিদ্রতম ব্যাক্তিটাও এই প্রিমিয়াম দরে পেট্রোল/ডিজেল কিনেছে বাধ্য, কারন গুজ্জু কার্টেলের মোদী-শাহ সেই সুযোগ দিয়েছে আম্বানিকে। সস্তার তেলের লাভ ভারতের কোনও আম নাগরিক পায়নি, আমাদের জীবন উন্নত করার তাগিদে নয় গুজ্জু কার্টেল কাজ করেনা- তারা শুধু মাত্র নিজেদের স্বার্থ সুরক্ষিত করে গেছে।

গুজ্জু কার্টেলের প্রতিটা প্রোজেক্টের জন্য অর্থ সরবরাহ করা হয় আমার আপনার গচ্ছিত সঞ্চয় থেকে, জনসাধারণের সম্পদ রাষ্ট্রায়াত্ব ব্যাঙ্ক থেকে। হিন্দুত্ব আর দেশপ্রেমের নামে গড়া এই ভেদাভেদের খুনে রাজনীতিতে লাভবান দিনের শেষে এই গুজ্জু কার্টল। আপনি কোন লাভটা পেয়েছেন ধর্মের এই রাজনীতি থেকে?

আমরা বেশিরভার মানুষ কুকুর শিয়ালের মতো জীবন যাপন করছিভাবছি আমরা স্বাধীন, আসলে আমরা মানসিক প্রতিবন্ধী। আমরা নিজেরা চিন্তা করিনা। অন্য কেউ আমাদের হয়ে চিন্তা করে দেয়বেশিরভাগ মানুষ নিজে সিদ্ধান্ত নিইনা, আমাদের হয়ে অন্য কেউ সিদ্ধান্ত নেয়

আমরা সারাদিন রিলস দেখে জ্ঞান সঞ্চয় করি। হোয়াটস্যাপে আসা মেসেজকে মনে করে শিক্ষা। ঝালমুড়ি সিনেমার গল্পকে ইতিহাস মনে করি। সোস্যালমিডিয়াই আমাদের ভূগোল। ইউটিউব আমাদের লাইব্রেরী। কোনো সুস্থ স্বাভাবিক কাজ না পাওয়া 'স্যোসাল ইনফ্লুয়েন্সারেরা" শিক্ষক।

আমরা গুজ্জু কার্টেলের শিকার হবোনা তো কে হবে?

 



বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫

দুর্গা পুজোর নামে ক্লাবে ক্লাবে মোচ্ছব



গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে যেদিন ইমাম ভাতার ঘোষণা হয়েছিল, সেইদিনই এই দুই হাজার কোটির মাতাল-মচ্ছবের ভিত্তি নিহিত ছিল। আগামী প্রজন্ম পরিতাপ করার ভাষা খুঁজে পাবেনা। আমাদের উত্তর প্রজন্ম যদি আমাদের খ-য়ের ছেলে বলে গালিগালাজ দেয়, আমাদের ছবির সামনে জুতোর মালা ঝুলিয়ে রাখে, তাহলেও আমাদের প্রজন্মের এই পাপ, এই অপরাধের প্রায়শ্চিত্ত হবে না।


DA দেওয়ার পয়সা নেই, নতুন সরকারি চাকরি দেয়ার পয়সা নেই, শিক্ষক নিয়োগের মুরোদ নেই, শিল্প কলকারখানা স্থাপনের দায় নেই। আমাদের করের টাকায় মোচ্ছব করার জন্য টাকার অভাব নেই। এটাই তোলামুল সরকার, এটাই মমতা ব্যানার্জির উন্নয়ন।

টাটাগোষ্ঠী সিঙ্গুরের জন্য পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করতে চেয়েছিল তৎকালীন ১৪০০ কোটি টাকা। সেই সব মায়ের ভোগে তুলে দিয়ে, সিঙ্গুরের জমি এখন বনবাঁদারে পরিনত হয়েছে। গোটা সিঙ্গুর পর্বে কে লাভবান হয়েছে? রাজ্য? সিঙ্গুরের জনগন? কোনো শিল্পগোষ্ঠী? নাহ, কেউ হয়নি, মমতা ব্যানার্জী আর তার তোলামূল দলের চোরেরা ছাড়া।

শিল্পহীন বাংলার ছেলেরা পরিযায়ী হয়ে অন্য রাজ্যে চলে গেছে। রাজ্যে কর্মসংস্থান নেই, যদি তোলামূল করো- চুরির ভাগ পাবে। চুরিই একমাত্র শিল্প। একটা সময় ছিল যখন অর্ধেক ভারতবর্ষ থেকে মানুষ কলকাতায় তথা বাংলায় আসত কাজের সন্ধানে।

আজকের দিনে বাংলা থেকে কত শ্রমিক অন্য রাজ্যে বা অন্য দেশে রয়েছে পরিযায়ী হয়ে, তার কোন তথ্য সরকারের কাছে নেই। তোলা আদায়ের জন্য কেষ্টর মত তোলা-শিল্পীরা ফিরেফিরে আসবে নানা রূপে।

টাটাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছে, সেই ক্ষতিপূরণও আমাদের পকেট থেকেই গেছে, ৭৬৬ কোটি টাকা। যদিও টাটা এখনও সুদ সহ পুরো ১৪০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণই চায়। আগামিতে দিতেও হবে, তার জন্য মামলা চলছে সর্বোচ্চ আদালতে।

আমার আপনার পরিশ্রমের টাকা, ঘামের টাকা দিয়ে লুম্পেন শ্রেণীকে বিলানোর যে মচ্ছব চলছে মমতা ব্যানার্জীর নেতৃত্বে, সেটা লুটে খাওয়া সমাজবিরোধী এবং ভোটের দিন বুথ দখলের কারিগরদের প্রতি সামান্য উৎকোচ এই ২০০০ কোটি, পাশাপাশি স্বীকৃতিও বটে- তোমরা সততা ব্রিগেডের সভ্য।

RSS প্রকাশ্যে উগ্রহিন্দুত্বের রাজনীতি করে। মমতা ব্যানার্জি তার থেকেও ভয়ানক, দুধেল গাইদের মসিহা সেজে RSS এর প্রতিটা এ্যাজেন্ডাকে বাস্তবায়ন করেছে ও করে চলেছে।

রাজ্যে বিজেপি বলে কোনো সংগঠন নেই, যা আছে তা দল তোলামূলের গোষ্ঠীকোন্দলের দরুন বিক্ষুব্ধ তোলামূল আর RSS ও তাদের প্রত্যক্ষ শাখা গুলো। মমতা ব্যানার্জী RSS এর সবচেয়ে বড় প্রচারক। নেই বিজেপির জুজু দেখিয়ে দুধেল গাইদের দুয়ে নিচ্ছে ভোটের বাক্সে। ক্ষমতার চেয়ারে বসে নাগপুরের স্বপ্নপূরণ করছে।

আমরআ যদি চোখ বন্ধ রেখে মমতাকে বিশ্বাস করে ভেবে নিই- জোড়াফুলে ভোট না দিলে বিজেপি চলে আসবে- সেক্ষেত্রে নতুন করে আমাকে আর কেউ চুতিয়া বা গান্ডু বানাতে পারবে না, কারণ অলরেডি আমি চুতিয়া-শ্রী হয়েই রয়েছি তার অনুপ্রেরণায়।

প্রতিটি সুস্থ এবং স্বাভাবিক মানুষের উচিত মমতা ব্যানার্জিকে অবিশ্বাস করা। প্রতিটি মুসলমানের উচিত মমতা ব্যানার্জীর গোটা মুখ্যমন্ত্রীত্ব কালকে পর্যালোচনা করা। বিজেপি পরিচালিত কোন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও এই পর্যায়ের RSS তোষণ করেনি।

মাথায় হিজাবি ঘোমটা দিয়ে দুধেল গাইকে মানব-অস্ত্র বানাচ্ছে, ফলত মারছে মুসলমান, মরছে মুসলমান। যে মরল তার পরিবারও শেষ, যে খুন করলে সে জেলে গিয়ে তার পরিবারকেও শেষ করলো।

কোনো উচ্চবর্ণের হিন্দু তৃণমূল নেতা বা তাদের ছেলেপুলেকে কোনোদিন বোমা মারতে দেখেছেন? তারা নেতা হয়, মুসলমান আর নিম্নবর্গের হিন্দুদের শাসন করে। বোমা বাঁধে মুসলমান আর সিডিউল কাস্ট, মরেও এরাই।

আপনারা দুধের গাই সেজে সামান্য কিছু এটোকাটা খেয়ে নিজের পরিবারকে ভাসিয়ে দিচ্ছেন, রাজ্যকে ডুবিয়ে দিচ্ছেন। লজ্জা লাগে না আপনাদের আয়নাতে মুখ দেখতে, নিজেকে মুসলমান বলতে লজ্জা লাগে না? ঘেন্না হয় না সন্তানের দিকে তাকাতে?

মগজ অনেকের হাঁটুতে থাকে, আপনারা যারা দুধেল গাই রয়েছেন, আপনাদের মগজ বিচিতে। কমোডে ফ্ল্যাশ করা বীর্যের সুরুয়া খেয়ে শুয়োরের খামারে জন্ম নিলে তবে এই জেনেটিক্যাল পরিবর্তন ঘটে, মাথা থেকে বিচিতে মগজ চালান হয়। প্রতিবার মুঠো মারার সাথে সাথে ঘিলু তথা বীর্য নিঃসরণ হয়। নতুন দুধেল গাই এর জন্ম হয়, সিম্পল ও কিউট প্রসেস।

আপনার ঈমান যদি থাকে- নিজেকে প্রশ্ন করুন, যদি আপনি চোর না হন, চুরির টাকার বখরা না পেয়ে থাকেন, তাহলে আপনি বা আপনার পরিবার, আপনার সম্প্রদায় কি পেয়েছে এই তোলামূলের চোর সাম্রাজ্যে?

ভাবুন, ভাবা প্রাক্টিস করুন।

মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫

বাঙালী অত্যাচার



বাঙালির উপর অত্যাচার আজকে নতুন কিছু নয়। মুম্বাইতে বিহারি খেদাও অভিযান, এটাও খুব পুরানো নয়। আসল কথা গরিবের উপর অত্যাচার। কোন বড়লোকের উপর আজ অব্দি কখনো কোন রাজ্যে, কোন দেশে অত্যাচার হয়নি।

চতুর্দিকে প্রচারণার আলোকে থাকা তথাকথিত 'বাঙালির উপর অত্যাচার', এই ডাইলেক্ট এর বাইরে গিয়ে আমার এই লেখাটা আপনাকে ঝটকা দেবে। প্রচারণার ধাক্কানিনাদে আমরা কি ক্রমশ সত্য থেকে দূরে সরে যাচ্ছি না?
বাঙালির প্রথম কর্তব্য মমতা ব্যানার্জিকে অবিশ্বাস করা। এটা করতে পারলে আপনি প্রাথমিকভাবে সফল, এবং আপনার চোখ মন এবং ভাবনাচিন্তা সঠিক বিষয় কাজ করবে। নতুবা আপনি এদের প্রচারণার তাবুতে নিজেকে ঢেকে ফেলে ঠিক ততটুকু দেখবেন, যেটা এরা দেখাতে চাইছে।
যে রাজ্যে হামলা হচ্ছে সেখানে মমতা সরকারের কোন বিধায়ক বা সাংসদ যায়নি। না এর বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার কোন বিল পাস করেছে। না সংসদে কোন আওয়াজ তুলেছে তাদের সাংসদেরা। না কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে দিল্লিতে গিয়ে আন্দোলন করেছে। তৃণমূলের সাংসদ সামিরুল আলম নিয়মিত রোজ মিথ্যাচার করে যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। এর সাথে আরও সাঙ্গোপাঙ্গগুলো তো রয়েছেই।
RSS যেমন হিন্দুদের চুতিয়া বানাচ্ছে রোজ, তৃণমূল তথা মমতা ব্যানার্জি দুধেল গাইদের গান্ডু বানাচ্ছে বিজেপি জুজু দেখিয়ে।
মমতা ব্যানার্জি গেছে বীরভূমে, এরপর যাবে মালদা মুর্শিদাবাদে। কারণ এখানকার পরিযায়ী শ্রমিকেরাই আক্রমণের শিকার হচ্ছে। এদের পরিবারের ভোটগুলোকে সুরক্ষিত করতে তাদের সান্ত্বনা দিতে যাচ্ছে। যেখানে আক্রমণ হচ্ছে সেখানে যায় না গিয়ে।
মাননীয় যে দ্রুত এই সাজানো মামলায় সেমসাইড করবে - সেটা প্রত্যাশিত ছিল। প্রতিটা পদক্ষেপ দূর্নীতিতে ডুবে থাকা এই সরকারের দরকার নতুন নতুন ইস্যু। যাতে করে দুর্নীতির প্রশ্ন কক্ষনো না ওঠে, সাথে রয়েছে সেটিং করে থাকা তথাকথিত বিপ্লবী বিরোধী এবং একই হাঁড়ির রান্না খাওয়া বিজেপি। মানুষ দিশেহারা হচ্ছে, হবেও; তবে শেষও আছে।
শ্রমজীবী মানুষের উপর অত্যাচার হচ্ছে, এর চেয়ে বড় সত্যি ভারতবর্ষে কমই আছে; কিন্তু মাননীয়া যেটা দেখাচ্ছেন সেটা যে অধিকাংশটাই বানোয়াট, এ বিষয়ে সন্দেহ আমারও ছিল না। তাই এ নিয়ে সাম্প্রতিক অতীতে কোন লেখা নামাবার ভরষা পায়নি।
কোথাও তো একটা বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে। আগামীতে প্রতিটা গল্প ফাঁস হয়ে যাবে- ঠিক কোথায় কে এই অত্যাচারগুলো করেছিল। লিখে রাখুন, প্রতিটা হামলার নির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে। যার জন্য তৃণমূলের একটা সেল কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিটা হামলাত এনডোর্সসিং, প্রোডিউস ও প্রোমোট সবটাই করেছে তৃণমূল।
মিডিয়া এই গোটা নাটকের একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে। টিভি মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় উত্তেজনা তৈরি করার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে চোর সরকারের পক্ষে। গোটা ষড়যন্ত্রের বড় স্টেক হোল্ডার , দল তৃণমূলের পরেই।
আপনারা সবাই জানেন গুন্ডা কে কন্ট্রোল করে।
বড্ড দুর্বল চিত্রনাট্য, খুব বাজে অভিনয়। সব মিলিয়ে ধরা পরতেই হতো। ভিনরাজ্যে ঘটে চলা প্রতিটা অত্যাচারের পিছনে এই দল তৃণমূল রয়েছে যারা টার্গেট করে কোথাও পুলিশ সেজে কোথাও গুন্ডা সেজে অত্যাচার চালাচ্ছে। প্রতিটা ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রমাণ আছে। হামলাকারী=তৃণমূল। যে জল মাননীয়া ঘোলা করে মানুষকে ঘুলিয়ে দিতে চেয়েছেন, সেটাই উনার জন্য বুমেরাং হয়ে যাবে। যাতে করে এই রাজ্যে একটা অবাঙালি দের প্রতি ক্ষোভ তৈরি হয় এবং সেটাকে কেন্দ্র করে হানাহানি শুরু হয়ে যায়।
সিট বেল্ট বেঁধে বসে পড়ুন, SIR এর নোটিফিকেশনে রাজ্য সরকারি কর্মীদের রীতিমতো হুমকি-ধমকি দিয়ে ফেলেছেন। এরপর আরো নাটক শুরু হবে। কমপ্লিট এন্টারটেইনমেন্ট আসতে চলেছে। মহারাষ্ট্রের মতো এই রাজ্য সোশ্যাল মিডিয়াতে সরকারের সমালোচনা নিষিদ্ধ হলে আশ্চর্য হবেন না।

শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫

দেশে নেপালী অনুপ্রবেশ



বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী অবশ্যই সমস্যা। নেপালীরা যে বরযাত্রী হয়ে সে খেয়েদেয়ে হাত ধুয়ে চলে যাচ্ছে - তার তথ্য কে দেবে?

অবৈধ নেপালিদের তথ্য কি আদৌ আছে সরকারের কাছে?
নাকি তারা বিজেপির ভোট ব্যাংক বলে সুরক্ষিত?
আমাদের রাজ্যে উত্তরবঙ্গে অবৈধ অভিবাসী নেপালি আর ভুটিয়াদের সংখ্যা কি সরকার জানে? প্রায় ৩ কোটি ছুঁইছুঁই দেশের নাগরিকদের ৮০ শতাংশ ভারত রোজগার করে। সরকার ইন্টেলিজেন্ট পুলিশ প্রশাসন কেউ কিছু জানে না!!!
এদের বিরুদ্ধে সংসদে কোন দল কখনো মুখ খুলেছে? কোন প্রশ্ন তুলেছে? একটা তিন কোটি জনসংখ্যার দেশের নাগরিক খাচ্ছে, হাগছে, রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করছে, সরকারি চাকরি করছে, শিক্ষা স্বাস্থ্য সবকিছু নিচ্ছে, কর দেয় না।
কাদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্যই জামাই আদর?

ফেসবুকীয় সিপিএমঃ ফিউজড আইনগাইডেড কামিকাজে ড্রোন

  ফেসবুকের ‘সিপিএম’ নামক এই চুড়ান্ত আঁতেল ও প্রায় সর্বজ্ঞ গোষ্ঠীটার পূর্ণ বোধোদয় বা পূর্ণ বিনাশ না ঘটা অবধি রাজ্যের বাম নেতৃত্বের খুব বেশী ...