বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫

গণতন্ত্র ও জায়োনিজম



কি ভাবছেন তারা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করে?

আপনি ভাবছেন তারা শুধুমাত্র সম্পদের জন্য লড়াই করছে!
আপনি ভাবছেন তারা শুধুমাত্র দাদাগিরি করার জন্য লড়াই করছে!
আপনি ভাবছেন মুসলমান সব থেকে বড় ধর্মোন্মাদ জাতি, কেউ বলবে খ্রিস্টানরা সব থেকে বড় ধর্মোন্মাদ জাতি, তারাই তো ক্রুসেডের নামে লক্ষ কোটি মানুষকে জবাই করেছিল। আরেকটা দল ভাবছে উগ্র হিন্দু তথা আরএসএস বাদী ভক্ত ও তাদের নাগপুরি প্রভুরা সবথেকে ধর্ম উন্মাদ সম্প্রদায়। আসলে আপনি একটি নিরেট গর্ধব, ততটুকুই বোঝেন যতটা আপনাকে বোঝানো হচ্ছে, আপনার চোখ কান নাক এবং পঞ্চ ইন্দ্রিয় শুধুমাত্র ভোগবিলাসের জন্য, জ্ঞান আহরণের জন্য নয়।
এরা লড়াই করছে ইমাম মাহাদীকে আটকানোর জন্য, দাজ্জালকে বসানোর জন্য, মাসায়া বা মেসিকে স্বাগত জানানোর জন্য। এরা জেরুজালেমের আল-আকসা মসিজদকে- 'হাইকেল ই সুলাইমানি' বা সিনাগগে রূপান্তর করেতে চায়, তাই ইহুদিরা গোটা বিশ্ব থেকে প্রমিশ ল্যান্ডে আসছে ইউরোপ আমেরিকার সুস্থির স্বাচ্ছন্দ্য জীবন ছেড়ে এসে। এরা বিশ্বাস করে তাদের মাসায়া বা পরিত্রাতাএলে ইহুদিরা বিশ্ব শাসন করবে। আর ইসলাম বলছে ইমাম মাহদি ইহুদিদের মাসায়া বা দাজ্জালের সবচেয়ে বড় শত্রু, যে মাসায়াকে কখনও রাজা হতে দেবেনা। এটাই মোটাদাগে গল্পটা। বাকিটার জন্য ইউটিউবে প্রচুর লিঙ্ক পেয়ে যাবেন, বিস্তারিত শুনে নিন আগ্রহ থাকলে।
আপনার কাছে হাস্যকর ও উদ্ভট মনে হতো এগুলো আমি বললে। আজ থেকে দশ-বারো বছর আগে যখন আমরা কেউ কেউ জায়োনিষ্ট শব্দটা লিখতাম এই ফেসবুকের নানা প্রবন্ধে, আপনাদের কাছে মনে হতো এটা আবার কোন ভাষা! পাগল ছাগল জোটে যত্তসব, ব্যাটা ইসলামিক মৌলবাদী ইত্যাদি পদবী জুটতো আমার। সব আজকের দিনে এসে জায়োনিষ্ট শব্দটা বাচ্চা বাচ্চাও জানে। আগামীতে আপনারাও জানবেন কে ইমাম মাহদি, কে দাজ্জাল, কে মাশায়া কিম্বা কে ঈসামসী। সত্যকে চেপে রাখা যায়না মিথ্যার জুমলা দিয়ে।
এই অবধি এক মুহূর্তের জন্য আপনার মাথায় আসেনি- ইহুদিরা পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মৌলবাদী ধর্মান্ধ জাতি। প্রতিটা আমেরিকান প্রেসিডেন্ট মৌলবাদের সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষক। বর্তমান মার্কিন বিদেশ মন্ত্রী 'রুবিও' একজন ধর্মান্ধ মৌলবাদী জায়োনিস্ট। পশ্চিমা মিডিয়া যেহেতু আপনাকে শেখায়নি এরা মৌলবাদী ধর্মান্ধ, তাই এই ভাবনা আপনার মাথায় আসেইনি। পশ্চিমারা জানে আপনি একটা বুদ্ধিহীন ভাঁড়, সূটেড বুটেড মানেই তারা সর্বোৎকৃষ্ট এবং তারা সমস্ত প্রশ্নের উর্ধ্বে দেবদূতদের আধুনিক রুপ। তারা আপনাকে শিখিয়েছে 'ইসলামিক মৌলবাদ' শব্দটা আর আপনি ওইটুকু জেনেই অর্গাজম করে ফেলেছেন।
আসলে আপনি যা দেখছেন ও ভাবছেন তা হিমশৈলের চূড়াটুকু মাত্র। পৃথিবীতে থাকা প্রতিটি ইহুদি বিশ্বাস করে তারাই একমাত্র মানুষ এবং পৃথিবীর সমস্ত সম্পদ তাদের। তারা জন্মগতভাবে শাষক। বাকিরা কেউ বেঁচে থাকার যোগ্য নয়, একেবারে ব্রাহ্মণ্যবাদের দাদাঠাকুর। সে আপনি হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, শিখ, আদিবাসী যা খুশি ধর্ম পালন করুন কিংবা আপনি নাস্তিক হন- কিচ্ছু যায় আসে না তাদের। এটা তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের অঙ্গ, ইমান। ইহুদি ও জায়োনিষ্টদের ধর্মবিশ্বাস মতে, আপনি তাদের চাকরবাকর, আপনার প্রাণের দাম একটা মশা-মাছির চেয়ে এক পয়সাও বেশী নয়।
চোখ বন্ধ করে থাকলে প্রলয় আঁটকায় না। তাই চোখ খুলুন, জ্ঞান বাড়ান। আমার জন্য নয়, আপনার নিজের জন্য, নিজের পরিবারের জন্য, আপনার সন্তানের জন্য। চিনে নিন, দেখে নিন আপনার আসল শত্রু কারা।
আলকায়দা ও ওসামা তাদের তৈরি। আইসিস তাদের তৈরি। তালিবান তাদের তৈরি। অস্ত্র ও অর্থ দিয়ে কে তাদের সৃষ্টি করেছে? গোটা পৃথিবী জুড়ে থাকা ৯৫ শতাংশ মিলিশিয়া জঙ্গি সন্ত্রাসী গ্রুপ এই জায়োনিষ্টদের তৈরি। গোটা পাকিস্তান নামের একটা সন্ত্রাসী রাষ্ট্র দেশ সেনাবাহিনী অধীনে, যে সেনাবাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করে এই জায়নবাদী প্রভু গোষ্ঠী, ভারতকে চাপে রাখতে, যুদ্ধের অস্ত্র বিক্রি করতে। এগুলো কি আপনাকে আজকে শিখিয়ে দিতে হবে? আপনি নিজেই তো জানেন সত্যটা।
ভক্তদের বলি, আপনারা যে ইহুদি ধর্মকে আদর্শ করে ইসরাইলকে দ্বিতীয় বাপ বানিয়েছেন, তারা আপনাদের মানুষ বলেই মনে করে না। আপনার ধর্মকে তারা সবচেয়ে বেশী ঘৃণা করে, মুসলমানদের চেয়েও বেশী। আপনার প্রাণের মূল্য গোবরে থাকা কীটপতঙ্গের থেকেও কম। অবশ্য আপনারা গোবরের পোকামাকড়ই বটে।
যুদ্ধটা অর্থনৈতিক ভাবে অবশ্যই চাবাহার আর হাইফার লড়াই। কিন্তু তার পিছনে রয়েছে ৩৫০০ বছরের ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাস, যার কারনে ইজরায়েল দেশটা ফিলিস্তিনে; ইউরোপ, আমেরিকা বা আফ্রিকাতে নয়।
ইহুদি মৌলবাদ আর জায়োনিষ্ট সন্ত্রাসীরা এখন ভয় পাচ্ছে, আপনি কী শুনতে পাচ্ছেন?

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...