বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫

ভ্যাক্সিন না নেওয়ার সিদ্ধান্ত

 


সিদ্ধান্ত নেওয়াটা খুব গুরুত্বপূর্ণ, এবং সময় সিদ্ধান্ত নিতে পারাটা আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সেই সময় শুরুতেই সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছিলাম- করোনা ভ্যাকসিনের ইনজেকশন আমরা নেবনা। এই 'মাস ট্রায়ালের' গিনিপিগ আমরা হবোনা। আজকে প্রমানিত হয়েছে সেদিনের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিলো।


বেশ কয়েকজন -

সেইসব চু'দিরব্যাটা ভক্তেরা কোথায় যারা ভ্যাকসিনের হয়ে লম্বা লম্বা হ্যাজ নামিয়ে লাইন দিয়ে ভ্যাক্সিন নিয়েছিল, পারলে ৮-১০ টা ডোজ নিয়েছিল মগজে, বুকে, সোনাপোনাতে- নাম ভাঁড়িয়ে নিয়েছিল। ভ্যাক্সিনেশনের সার্টিফিকেটে ছিল সাদা দাড়ির "De Brezza জাতের বেবুনটার সহাস্য ছবি। হাঁটুতে বুদ্ধি আর মগজে গোবর হলে এটাই হয়।

লক্ষ লক্ষ এ্যাম্পুল জলের সাথে, যার ভাগে ট্রায়াল ভ্যাকসিনের sample টেস্টিং এলিমেন্ট শরীরে গেছে- তারাই আজ দুমদাম বিনা কারনে পটল তুলছে হার্টফেলের নামে।

কেন নরেন্দ্র মোদী সহ তৎকালীন সরকারে থাকা সকলের বিরুদ্ধে এইভাবে জবরদস্তি mass trial ভ্যাক্সিনেশনের বিরুদ্ধে আজ মামলা হবেনা? কেন সিরাম ইনস্টিটিউট, ভারত বায়োটেক, গেটস ফাউন্ডেশন এর বিরুদ্ধে মামলা হবেনা? লক্ষকোটি টাকার সরকারি ভান্ডার এরাই লুঠেছে, কোভিড ভ্যাক্সিনের ট্রায়াল চালিয়ে। বিশ্বগ্রুর এটাও একটা বিশাল আর্থিক দুর্নীতি, এর অনেকটা ভাগ কর্পোরেট ফান্ডিং এর নামে দলীয় তহবিলে চলে এসেছে। অবশ্যই এটা এক ধরনের জেনোসাইড।

রাষ্ট্রের প্রধান হিসাবে দেশের প্রধানমন্ত্রী ভরষা আর নিশ্চয়তা দিয়েছিল যাতে মানুষ বিশ্বাস করে- সিরামের আদর পুনাওয়ালাকে,কিরণ মজুমদার বা এদের মত কর্পোরেট মিথ্যুক চোরেদের। আজ এরা কোথায়? কেন আজ মোদী দায় নেবেনা?

কেন মামলা হবেনা?

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...