টুপি দাড়িওয়ালা একশ্রেনীর আলেম মৌলানা হাফেজ যেভাবে মমতা ব্যানার্জীর উম্মত সেজে, উলঙ্গ হয়ে ফতোয়াবাজি শুরু করেছে, ভোটের পর যখন এদেরকে রাস্তায় ফেলে লোকে কুত্তা ক্যালান দেবে- তখন কি এরা 'সংখ্যালঘু মুসলমান' আক্রান্ত বলে ‘র্যান্ডি রোনা’ করলে কি জনগণ প্রভাবিত হবে?
আমি হলফ করে বলতে পারি, অরাজনৈতিক মুখোশধারী এই চটি চাঁটা 'দাড়ি-টুপি' ওয়ালা খবিশ ইবলিশ গুলোকে ঝুলিয়ে ক্যালানোটা ফরজ ইবাদতের মধ্যে গন্য হবে ভোটের পর। নতুবা মুসলমানের ঈমান নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাবে। আবু-জেহেল, আবু-লাহাব, মুগিরা এরাও সকলে লম্বা জোব্বা, লম্বা দাড়ি, মাথায় টুপি লাগিয়েই থাকত, এটা যেন মুসলমান সমাজ ভুলে না যায়।
এক শুয়োরের বাচ্চা এর আগে মুখ খোলেনি, যখন- ওয়াকফের সম্পত্তিকে যখন ১ নং খতিয়ানে তুলে দিয়েছিলো মমতা ব্যানার্জির সরকার, কেউ কোনো সাংবাদিক সম্মেলন করেনি। OBC, মাদ্রাসা শিক্ষা, SIR এর নামে মুসলমানকে যখন জিম্মি করা হয়েছিলো- এই প্রতিটা খ'য়ের ছেলে মুখে চটি গুঁজে বসে ছিলো, মমতা বিপদে পরতেই এরা রে রে করে এক হাতে ফতোয়া আর এক হাতে বিচি সম্বল করে ধেই ধেই করে নাচতে শুরু করে দিয়েছে।
এক শালার কোনো চাকুরি বা ব্যবসা নেই, প্রায় সবকটা খারিজী মাদ্রাসার শিক্ষক। সেই খারিজী মাদ্রায় আয় বলতে দান আর চাঁদার টাকা। মাদ্রাসা চালাবার নামে সাদাকা, জাকাতের পয়সাতে যারা নিজেদের পেট ভরায়, আজ তারা তোলামূলের হারামের টাকা খেয়ে বিজেপির জুজু ফেরি করছে। কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ একটাও এই জাতের কোনো মুনাফেক রেহাই পাবেনা ইনশাল্লাহ। মিথ্যাচার করে একটা সমাজকে গুমরাহ করার মূল্য নগদে চোকাতে হবে, কোনো ধারবাকি থাকবেনা।
বাকিরা দেওয়াল লিখন পড়ে যা বোঝার বুঝে নিন। জনগণের মার, ক্যাওড়াতলা পাড়। ভাইপো তো বিদেশ পালাবে, এই বেশ্যার বাচ্চা বেজন্মা ফতোয়াবাজদের কে বা কারা বাঁচাবে?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন