শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

২০২৬ বিধানসভা ভোটের প্রথম দফাঃ একটি তুল্যমূল্য আলোচনা


উত্তরবঙ্গের ৬টা জেলার ২৭ আসনে, তোলামূল সর্বোচ্চ ৬-৮ টা পেতে পারে কুঁতিয়ে কঁকিয়ে। দুই দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৫টা। মালদাতে সর্বোচ্চ ২টো। মুর্শিদাবাদে ২টো সর্বোচ্চ। বীরভূমে খুব ভালো হলে তবে ৫টা। পুরুলিয়া- ০-১ টা। বাঁকুড়া- ০-১ টো। পূর্ব মেদিনীপুর ৬-৮ টা, আরো কম হবে আশা করা যায় পশ্চিম মেদিনীপুর ৮-১০টা। পশ্চিম বর্দধমানে ৩-৪টে। সব মিলিয়ে: +-৪৫টা আসন, যা বাড়ার কোনো জাইগা নেই। বরং ত্রিমুখী চতুর্মুখী লড়াইতে সংখ্যাটা ৩০এ নেমে না গেলেই আশ্চর্য হবো।

২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে মুর্শিদাবাদের ২২টা আসনের মধ্যে ২০টা তোলামূল পেয়েছিল। ৫৪.৫% ভোট পাওয়া তোলামূল- ২৩.১% ভোট পাওয়া বিজেপির চেয়ে এগিয়ে ছিলো ৩১.৪% ভোটে, যেখানে বামে কংগ্রেস মিলে ১৯% ভোট পেয়ে তিন আর চার নাম্বারে ছিলো। SIR এ এই মুর্শিদাবাদে নাম বাদ গেছে প্রায় ৭ লাখ ৪০ হাজার, যেখানে মোট ভোটার ৫০ লাখ ২৬ হাজার মতো। যেমন শামসেরগঞ্জে ২৯.৫%, রঘুনাথগঞ্জে ১৭.২৯%, সুতিতে ১৩.৪২% ভোটার তালিকাতে নেই। অর্থাৎ, গোটা জেলার নিরিখে ১৪.৭২% ভোটার নেই হয়ে গেছে প্রথম দফার ভোট অবধি।

অনুরূপ মালদা জেলায় SIR এ বাদ চিত্রে- ৩১ লাখ ৯৯ হাজার ভোটারের ২ লাখ ৩৯ হাজার নেই। এখানে জেলার নিরিখে শতাংশের হার তেমন ভয়াবহ না দেখালেও, মোথাবাড়ি ১৮.৩%, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক এই আসনগুলোতেও গড়ে ১২-১৪% নাম নেই। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দলগুলির প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল- তৃণমূল কংগ্রেসঃ ৫৩.০%, বিজেপিঃ ৩২.৮%, জাতীয় কংগ্রেসঃ ৮.৮%, সিপিএমঃ ১.৬%। তোলামুলের জয়ের মার্জিন ছিল গড়ে ২০.২%। 

মুর্শিদাবাদে ১৫% ভোটার নেই, মালদাতেও যেগুলো মুসলমান অধ্যুষিত তৃণমূলের আসন সেখানে গড়ে ১৪% ভোটার নেই। এই নেই ভোটারদের যারা সত্যিকারের মৃত-স্থানান্তরিত বা পাতি বাংলাতে ভুতুড়ে ভুয়ো ভোটার, তারা তোলামুলের বাক্সেই ভোটটা দিয়ে যেতো। যেটা কমপক্ষে গত ভোটার লিস্টে থাকা ভোটারের ৯% এর কাছাকাছি।

ধান ভানতে এত শিবের গীতের কেন প্রয়োজন হলো! ৯% মৃত বা স্থানান্তরিত ভোটার যার পুরোটাই একপ্রকার তোলামূলের নিজস্ব ভোটব্যাঙ্ক ছিল, যারা এবারে নেই। এর পাশাপাশি যারা বৈধ হওয়া সত্বেও ‘ডিলিটেড’ তাদের পরিবারের লোকেরা কোন দিকে ভোট দিয়েছে কেউ জানে না। ১০ হাাজার বৈধ ‘ডিলিটেড’ পরিবারে গড়ে ৩ জন করে থাকলেও, সংখ্যাটা নুন্যতম ৩০ হাজারে দাঁড়ায়। এনাদের সামান্য কিছু ভোট তোলামূল নিশ্চিত পাবে, কিন্তু অধিকাংশ ভোট তো তোলামূলের বিপক্ষেই পরবে, বিজেপির পাওয়ার প্রশ্নই নেই। এর সাথে আছে বাম ও কংগ্রেসের দুর্দান্ত উত্থান। কোন অঙ্কে তোলামূল মালদা ও মুর্শিদাবাদে তাদের বিগত নির্বাচনের জয়ের মার্জিন ৩১% ও ২০% কে ধরে রাখবে? মানে কোন মন্ত্রে?

কোলকাতার মেট্রোগলির ফুটপাতে যারা কখনও কেনাকাটা করেছেন তারা জানেন, এখানে মালের দাম শুরু হয় ৩০০০ টাকা থেকে। আমাদের মা-বোনেরা ও স্ত্রী ধনেরা বার্গেনিং এ প্রত্যেকে গবেষক লেভেলের, তারাও চোখ বুঝে বলে দেন ৫০টাকায় দিলে দিন, না দিলে গেলাম। দোকানদার বলে আর ২০টাকা দিন প্লিজ, কেনা দামেই ছেড়ে দিচ্ছি বৌনির সময়। এটাও ঐ বৌনির সময়, প্রথম দফায় হয়ে যাওয়া ১৫২ আসনের মধ্যে তোলামূল বলছে ১৩৫টা তো বিজেপি বলছে ১২৫টাতে জিতবে। এমন দিনকাল এলো যে, হুমায়ূনও দাবী করছে ৭৮টা আসন পাবো। আসলে কে কী পাবে সেটা গতকাল অনুব্রতর ভিডিও ও আজকের বাইরন বিশ্বাসের ভিডিও তে পরিষ্কার। কুনাল ঘোষ বা ভাইপো নিজেরাও জানে ২৯ তারিখ অবধি তাদের কর্মী সমর্থকদের আত্মবিশ্বাসের যেন যাতে ঘাটতি না হয়, তার জন্য এই প্রকাশ্য মিথ্যা চালিয়ে যেতেই হবে। সকলেই খেয়ালি পোলাও বানাচ্ছে, সুতরাং তাতে ঘি চামচের বদলে বালতি করে ঢাললে ক্ষতিটা কোথায়।

২০১১ সালে রাজ্যে পরিবর্তনের সময় তোলামূল ১২.২৯% ভোট বাড়িয়েছিল। তবে কংগ্রেস যেহেতু তাদের জোটসঙ্গী ছিল, তাই পুরো ভোটটা যে তাদের পক্ষে এটা বলা যাবে না। এদিকে এই ভোটে বামেরা ভোট খুইয়ে ছিল ৭.০৫%। যা ভারতের ইতিহাসে সর্বোচ্চের প্রায় কাছাকাছি। তথ্য বলছে ২০১১ সালে কংগ্রেসের ভোট ১৪.৭১% থেকে ৯.০৯ % তে নেমে যায়, মানে ৫.৬২% কংগ্রেস ভোট খেয়েই তোলামূল যাত্রা শুরু করেছিল। বিজেপি যথারীতি ৫% এর নিচে ছিল।

১৯৭৭ সালে যখন বামেরা ক্ষমতায় এসেছিল, একা সিপিএম ৮% এর সামান্য বেশি সুইং এর লাভ পেলেও, দলগতভাবে ক্ষমতায় আসা বামজোট ৬% এর সামান্য বেশি সুইং হাসিল করেছিল নিজেদের পক্ষে।

স্বাধীনতা পরবর্তী ইতিহাসের দিকে তাকালে দেশের সর্বত্র দেখা যায়- সাধারনভাবে ৪/৫% ভোটের সুইং করলে সরকার টলে যায়, পরিবর্তন ঘটে যায়। আজ অবধি সরকারে থাকা দলের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ভোট সুইং এর পরিমাণ রাষ্ট্রীয়ভাবে সর্বোচ্চ ৭.৪৯%। সেখানে ১৪-১৫% ভোট যখন নেই, সেখানে তোলামূলকে যদি তার পুরনো ৯৩টা আসন ধরে রাখতে হয়, ঠিক এই ১৪% ভোট নিজেদের অনুকুলে ফেরাতে হবে এই SIR ও এ্যান্টি-ইনকাম্বেন্সির পরেও; যা অতীতে কখনো হয়নি কোন শাসকদলের জন্য। চতুর্থবারের জন্য ক্ষমতায় ফিরতে গেলে তৃণমূলকে পৃথিবীর রাজনৈতিক ইতিহাস ও সেফোলজি বিজ্ঞানকে মিথ্যা প্রমাণিত করতে হবে।

প্রথম দফার নির্বাচন শেষে মূল প্রাপ্তির বিষয়টা কী কী-

  1. বামেরা কান্নাকাটি করে সহানুভূতি ভিক্ষা করেনি। এমনকি ফেসবুকের বাম্বাচ্চা গুলোও ফুটো এ্যালুমিনিয়ামের বাটি হাতে করুণা ভিক্ষা করেনি। একই সাথে আলিমুদ্দিন থেকে এখন অবধি কোন ভাটের বিবৃতি প্রকাশ হয়নি।
  2. কংগ্রেস বিধবার মতো চিল্লিয়ে মরাকান্না কাঁদেনি। অধীর চৌধুরী প্রকাশ্যে অন্তত ২৫ হাজারের বেশি ভোটে জিতবে যেমন ঘোষণা করে দিয়েছে, তেমনই কংগ্রেসের তরফে কোথাও ত্রিমুখী বা কোথাও চতুর্মুখী প্রতিদ্বন্দ্বীতার জন্য আরও অনেকগুলি আসন জেতা সম্ভব বুঝতে পেরে,  ফেসবুকে সময় নষ্টের বদলে, তাদের নিজস্ব বাহিনী নিয়ে স্ট্রংরুম পাহারা দিতে মাঠে নেমে পড়েছে।
  3. হুমায়ূন হাউমাউ করে রুদালি গীত গায়নি। সারাদিন ধরে বিভিন্ন ভাষায় তৃণমূলের মাতৃ-পিতৃ বন্দনা করার পর, এখন অবধি টানা প্রত্যেকটি সাংবাদিকের ফোন ধরছে এবং যথাযথভাবে তার ভাষায় উত্তর দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, মোদীর মতো পালিয়ে না গিয়ে প্রত্যেকটি সাংবাদিক সম্মেলনে রীতিমতো ঝড় তুলে দিচ্ছে। 
  4. এমনকি মেদিনীপুরের রুহুল আমিনও নূন্যতম ফোঁপায়নি। তেমনি বীরভূম থেকে মেদিনীপুর এমনকি পশ্চিম বর্ধমানে পর্যন্ত বিরোধীদল আর জনগণ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে খালি ইভিএম বয়ে নিয়ে যাওয়া ফেক কর্মীদের সমস্ত পরিকল্পনা জন্মের উৎসস্থলে পাঠিয়ে দিয়েছে।


এর পাশাপাশি দেখা গেল বিজেপির প্রার্থী, ইলেকশন এজেন্ট, পোলিং এজেন্ট এনারা কেউ কেউ বেধড়ক মার খেয়ে জামা কাপড় ছিঁড়ে ফেললেন, কেউ বা অজ্ঞান হয়ে গেলেন, কারো গাড়ি ভাঙচুর হলো, কেউ আবার প্যান্টে হেগে মুতে ফেললেন আক্ষরিক অর্থেই। যা খুশি হোক, বিরোধীদের কেউ বুথ দখলের অভিযোগ করেনি, কেউ ছাপ্পা জালিয়াতির অভিযোগ করেনি, কেই রি-পোলের দাবী তোলেনি। তৃণমূল জিতুক বা হারুক, নির্বাচনটা যে সুস্থ ও স্বাভাবিক হয়েছে এটা অন্তত নিশ্চিত করেছে কমিশন। মোটামুটি ভাবে মানুষ নিজের ভোট নিজেই দিয়েছে। প্রথম দফায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজ সম্পূর্ণ সন্তোষজনক না হলেও অসন্তোষজনক নয়, কারণ প্রথম দফায় একটা মায়ের কোলও খালি হয়নি; যেটার ক্রেডিট ১০১% কমিশনেরই প্রাপ্য। তবে হ্যাঁ, এতো কাঁড়া-নাগারা বাজিয়ে বিজেপি যদি তার লক্ষ্যে সফল না হয়, জ্ঞানেশ কুমারকে ইমপিচ করতে চাওয়ার রাহুল গান্ধীর যে বাসনা, সেটারও প্রয়োজন ফুরাবে। রসগোল্লার কড়াই থেকে যেরকম আরশোলা তুলে ফেলে দেয় ময়রা, বিজেপিও ঠিক ওইভাবে জ্ঞানেশ কুমারকে ছুঁড়ে ডাস্টবিনে ফেলে দেবে। 

২৩ তারিখ সারাদিনে গোটা রাজ্য থেকে ৬৩৫টা অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে জমা পড়লেও সিরিয়াস এলিগেশন আসলে ওই ১৭০ টা মতো, যা অন্যান্য গত ২৫ বছরের অন্যান্য নির্বাচনের তুলনায় মাত্র বাইশ শতাংশ। নির্বাচন উপলক্ষে প্রায় রক্তপাতহীন ও মৃত্যুহীন একটা ভোট- এটা সুস্থ নাগরিকদের জন্য একটা বিরাট প্রাপ্তি। পাইকারি ভাবে ছাপ্পা বা রিগিং, ভয় দেখিয়ে বুথে আসতে না দেওয়া ইত্যাদি শিল্পকলাগুলো সেভাবে করতে পারেনি তোলামূলের সম্পদেরা। প্রথম দফার, প্রায় ৪৫০০০ বুথের মধ্যে কোথাও দু'চারটে বা দশটা বুথে এই ধরনের শৈল্পিক কাজ যদি তোলামূল করে থাকেও, সেটা শতাংশের বিচারে কোন গণনাতেই আসবে না।

অনেকে একটা সরলীকরণ করছে পোলিং ভোটের শতাংশ হার নিয়ে। ১০০০ তে ভোট পড়তো ৮০০, সেটা ১২% SIR এ বাদ পড়ার পর ৮৮০টা ভোটারে ভোট পড়েছে ৮২০, তাই শতাংশের হার বেশি দেখাচ্ছে।  মোটামুটি প্রায় সমস্ত বিশেষজ্ঞদের এটাই মতামত। কিন্তু একটা জিনিস ভুলে যাচ্ছে এই ১২ শতাংশের মধ্যে অন্তত সাত থেকে আট শতাংশ মৃত স্থানান্তরিত ইত্যাদি ভুয়ো ভোটার ছিল, বিকাল তিনটার পর তারা সকলে ঊর্ধ্বলোক থেকে সরাসরি নেমে এসে ভোটটা শাসকদলের বাক্সে দিয়ে আবার বাতাসে মিলিয়ে যেত। 

অর্থাৎ, ভোট শতাংশে যারা গণনার হিসেবে থাকতো,  এবারে সেই অদৃশ্য পিতৃ পুরুষদের আত্মার আগমন ঘটাতে পারেনি তোলামূলের অকাল বোধন।  ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যে ৭৯.৫৯ শতাংশ ভোট পড়েছিল, তার মধ্যে সাত থেকে আট শতাংশ পিতৃপুরুষের আত্মা ছিল। ওটাকে ভোট বাদ দিলে একচুয়াল অঙ্কটা দাঁড়াত- ৭১/৭২% এর কাছাকাছি। সুতরাং ৯২% হারে এই বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় যে ভোট পড়েছে সেটা আদতেই ১০ শতাংশ বেশি ভোট পড়েছে।

তৃতীয়, হুমায়ূন ফ্যাক্টর। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ এবং মালদার একটা বড় অংশে হুমায়ূন ফ্যাক্টর ঘামাচির মতো লেপ্টে ছিল। মৃত পশুর ভুঁড়ি যেভাবে ফাঁসানো হয় ভাগাড়ে, ঠিক সেইভাবে তৃণমূলের দুধেল-গাই সম্প্রদায়ের ভোট ব্যাঙ্ক এর উন্মত্ত ভক্ত সম্প্রদায়কে- ভুঁড়ি ফাঁসানোর মতো ফাঁসিয়ে দিয়েছে। হুমায়ূনের ‘বাঁশি’ যে কটা ভোট পাবে, তার ১০০% তৃণমূলের বাক্স থেকেই আসবে, তাতে সে একটি ভোট পাক কিংবা ১০০ টি, হুমায়ূনের লোকসানের দায় একমাত্র তোলামূলকে বইতে হবে।

তাহলে বাকি রইল কী! ২৯ তারিখের নির্বাচনে তৃণমূল মরিয়া হয়ে অলআউট আক্রমণে চলে যাবে। যারা অন্যান্য দল করে, প্রত্যেকের কিছু না কিছু পেশা আছে। তৃণমূল দল যারা করে, রাজনীতি করাটাই তার একমাত্র রুটিরুজি। এখান থেকেই হারামের কামাই তোলাবাজি, কাটমানি, চুরি, লুটপাট ইত্যাদি করে পেট চালায়। সুতরাং, তারা পেটের দায়ে জান লড়িয়ে দেবে। দ্বিতীয় পর্যায় লাশবিহীন করাটাই আসল চ্যালেঞ্জ। অতএব বাম-কংগ্রেস এদের আশান্বিত হওয়ার ভয়ংকর রকম কারণ রয়েছে। যদি না কোন মিরাকেল হয় আগামী ৩-৪ দিনে, কোনো যাদুকরের পক্ষেও তৃণমূলের সরকার গঠন করে দিতে পারবে না। 

চটি চাটা মিডিয়া অঙ্কের মা-মাসি করে তথ্য উপাত্ত ইতিহাস ভূগোল ভাঙ্গারি বাজারে বিক্রি করে দিয়ে, মমতাকে খুশি করতে কালীঘাটের ছাঁচে ফেলা গল্প আপনাকে শোনাবে, যার সঙ্গে বাস্তবের কোনো সম্পর্ক নেই। শেষ দফার নির্বাচনে যাতে বামেরা আরও বেশি পরিমাণ আসন নিয়ে একটা সুস্থ সরকার গঠন করতে পারে, প্রয়োজনে কংগ্রেস বা অন্যান্য ছোট দলের সাথে জোট করে হলেও, তার জন্য বাম এবং আইএসএফ প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী যুক্ত করুন। এই চোর তোলাবাজ ধাপ্পাবাজদের রাজনৈতিক কবর দিন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মুসলমান ও হুমায়ূনের বাবরি মসজিদ

  বাবরি মসজিদ, বেলডাঙা বাবরি মসজিদ আর পাঁচটা মসজিদের মত শুধুমাত্র চার দেওয়ালের একটা নামাজ পড়ার ঘর নয়, এটা আপামর মুসলমানের আবেগের নাম। উগ্র হ...