কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫
মমতার ভুয়ো ভোটার শিল্প
বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫
মূর্খ মোদী ও ট্রাম্পের ট্যারিফ
মূর্খ কখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা, গোবর খেকো কোন বাঁদরের সৎ সাহস থাকতে পারে না। নতুবা ট্রাম্পের মত একজন উন্মাদগ্রস্থ রাষ্ট্রপ্রধান সকাল সন্ধ্যা উঠতে বসতে আমাদের দেশের মান ইজ্জত নিয়ে চু-কিতকিত খেলতে পারত না।
বামেদের প্যাক মানি
রাজনীতিতে বিরোধী দলের কাজটা কী? আপদ স্থলে দ্রুত পৌঁছে যাওয়া-
মধ্য বাংলাতে কংগ্রেসের শুধু সাইনবোর্ড বেঁচে আছে, দক্ষিন বাংলাতে সেটাও তোলামূল কিনে নিয়েছে। বিজেপি আর তৃণমূলে প্রভেদ নেই। আমাদের রাজ্যে প্রকৃত বিরোধী বলতে তো শুধু বামেরা, বা আরো স্পষ্ট করে বললে সিপিএম।
অথচ, ঘাটালের বন্যায় গত ৩ দিন ধরে মমতা ব্যানার্জি ফুটেজ খাচ্ছে তোতলা অধিকারীকে পাশে নিয়ে। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে ভাইপো সমানে মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। গতকাল আরামবাগে রীতিমত খিচুড়ি বিলির ফটোশ্যুট করেছে মাননীয়া। সেখানে বামেদের তরফে উল্লেখযোগ্য কেউ নেই। কি আফসোস আমাদের…
মহঃ সেলিম সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক হতে পারেন, কিন্তু মানুষ তো তাকে শোনেনা, শুনতেও চায়না। চালচোর বাদে গোটা রাজ্য যাকে শোনার জন্য মুখিয়ে থাকে সেই ‘মীনাক্ষী মুখার্জীর’ পায়ে বেড়ি পরারাবার জন্য কী সাদাচুল ওয়ালা রাজ্য নেতৃত্ব কালীঘাট থেকে ‘প্যাক-মানি’ নিয়ে কী তাদের হয়ে খেপ খাটছে?
মমতাকে হারাতে গেলে আগে তার ইমেজ খেতে হবে। যুব বামেদের উৎসাহ বা সাহসের তো ঘাটতি নেই। তাদের কেন আঁটকে দেওয়া হচ্ছে? মমতার চেয়ে ২ মিনিট আগে যেখানে ভেবে ফেলতে হবে, আর উপদ্রুত অঞ্চলে ১ মিনিট আগে পৌঁছে যেতে হবে; সেখানে ময়দান প্রায় ফাঁকা।
বাঁকুড়াতে না খেতে পেয়ে লোক মরে গেছে, আরো পাঁচজন নাকি লাইনে আছে। আমরা কেউ বলছি না, এটা গণশক্তি নিজেই ছাপিয়েছে। সেখানে কোন রাজ্য নেতারা গিয়ে পরে আছে? এত বছরে তাদের কেন আধার কার্ড হয়নি, এই প্রশ্নের উত্তর কেউ খুঁজতে গেছে? বেঁচে থাকা লোকেদের আধার কার্ড করিয়ে পঞ্চায়েত থেকে একটা কিছু ব্যবস্থা করবার চেষ্টা কেউ করতে গেছে? টিভি খেঁউড়ে দেবাংশুকে হারিয়ে রাজা উজির মারা সোস্যালমিডিয়া মিম বানাতে বানাতে আসলে এরা নিজেরাই দেবাংশুর লেভেলে নেমে গেছে।
কোনো ফেবু আতেল সাজা বাম্বাচ্চা প্রশ্ন করতেই পারে, সেখানে কী স্থানীয় কমরেডরা নেই! আরে ভাই যে স্থানীয়েরা পোলিং এজেন্ট বসাতে পারেনা, তারা করবে ডাইরেক্ট মমতার ইমেজের মোকাবিলা? যেটুকু ক্যামেরা জোটে মীনাক্ষী গেলেই তবেই, নতুবা ক্যামেবা বা মাইক্রোফোনের বুম ফাঁকা। এই কারণে আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভোগা নেতারা প্রায় মীনাক্ষীকে বগলদাবা করে নিয়ে যায়। জনগণ সব বোঝে, পার্টিকর্মীরাও।
মমতার প্রতিদ্বন্দী হিসাবে মানুষ যাবে বরণ করে নিয়েছে, সেই মীনাক্ষীকে কে বা কারা আঁটকে দিচ্ছে বারে বারে? এর উত্তর তোলামুল বিরোধী মানুষ তো চাইছে, চোর মমতার বিকল্প তো চাইছে। পার্টি সেলিম সাহেবকে সেনাপতি বানালেও বাংলার মানুষ স্বতস্ফুর্ত তাদের সেনাপতি বেছে নিয়েছে মীনাক্ষীকে, কাকে বাঁচাবার জন্য এই লুকোচুরি হে মহান আলিমুদ্দিনের বৃদ্ধতন্ত্র?
করোনার সময় রাজ্যের মাত্র দুটো এলাকা দিয়ে পরিযায়ীরা ঘরে ফিরেছিল। পশ্চিম মেদনীপুর আর পশ্চিম বর্ধমান, সেদিন শ্রমিকদের ফ্রন্টে সামনে থেকে গোটা বিষয়টা নেতৃত্ব দেওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে সকলে আজকে আছে? কেউ নাকি সম্মেলনের নাম করে যে যার মত চেয়ার গুছিয়ে নিয়েছে বাকিদের ল্যাঙ মেরে দিয়েছে। ইতিহাস আমরাও পড়েছি, কমরেড হরেকৃষ্ণ কোঙারক এর মত ব্যাক্তিকেও পলিটব্যুরোতে স্থান দেওয়া হয়নি। আন্তঃ পার্টি সংগ্রামের নামে ল্যাঙ মারামারির খেলার বাইরে আরো কোনো উত্তর আছে কী আজকের কোনো নেতৃত্বে কাছেও?।
অথচ মমতার সাজানো পরিযায়ী অত্যাচার বা বাঙালী বিদ্বেষে- সেই শ্রমিক নেতাদের নাম শোনা গেছে কোথাও! অধিকাংশ ক্ষেত্রে আলুমিদ্দিনে বসে একটা বিবৃতি দিয়ে দায় সেরে ফেলা নেতারা শুধু ফুটেজ খাবে যদি ক্যামেরা পায়। কোথায় মুর্সিদাবাদের ডোমকল বা কান্দির রাস্তা জ্যাম করে দেবে, গাজোল, সূজাপুরে র্যালি করবে, ইসলামপুরে হত্যে দিয়ে বসে থাকবে একটা দল~ তা না করে কোলকাতার রাস্তায় ধাষ্টামো মিছিল করছে। এরা মানসিক ভাবেও দেউলিয়া হয়ে আছে, এদের রাজনৈতিক মৃত্যু না হলে বাংলার বিরোধী রাজনীতি স্থবিরতার কলঙ্কমুক্ত হবেনা।
আগামী ৮-৯ মাসের মাথায় ভোট, টিকিট পেতে ১০৮টা গণসংগঠন আর শরিকদের নামে- ১৮০টা এঁটোখেকো আরসোলার দল, নানান ফাঁকফোঁকর থেকে বেরিয়ে আসবে ভোটে দাড়াতে। আজকে এই সময় আন্ডুপান্ডুর দল কোথায় আছে! যারা রাস্তায় ৎথাকবে সারাবছর তারা ধুহুল চুষবে, আর ভোটে দাঁড়াবে আতরমাখা বাবুবিবির দল- মানুষকে চার অক্ষরের বোকা ভেবেই আজ শূন্য। বন্যার জল আঁটকানো যায়না বালির বাঁধ দিয়ে, আবার ১৬৬৪ সালের মত আরেকটা নতুন বামদল জন্ম নিলে এই অকর্মা বৃদ্ধতন্ত্রই দায়ী থাকবে।।
বাম দলের জনপ্রিয় স্লোগান- ‘জাতের নয় ভাতের লড়াই’, সেখানে ভাত বিলির মত স্থানে যদি মীনাক্ষীরা স্বদলবলে না থাকে সময়ের দাবী মেনে এবং মমতার ফুটেজ খাওয়ার আগে; সম্মেলনের ফাঁসে আঁটকে পরা একটা শহুরে বাবুদের ‘বামনামধারী’ দল- আগামী ২৬এর নির্বাচনেও আর্যভট্ট আবিষ্কার হয়েই ইতিহাসের পাতা থেকে ৩৪ বছরের ঢেকুর তুলতে থাকবে, মিলিয়ে নেবেন।
ওহ, আপনাদের তো আবার একটা পিঠ বাঁচানো বুলি আছে- ‘অতি প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী’
বলে বিরুদ্ধ আওয়াজকে ধামাচাপা দেওয়ার। এমনটা চলতে থাকলে তোলামুল বিরোধী সাধারণ জনগনেরও
একটা ভাষা আছে- দালাল।
বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫
নকিবদ্দিন সেখ
১৯৫২ সালের ভোটার লিষ্টে বাবার দাদুর নাম খুঁজে রেখে দেওয়া হলো। নকিবদ্দিন সেখ, পিতা বাবুলাল।
মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫
দেশদ্রোহী এ্যান্টি সেমেটিক
ভক্তদের কে প্রশ্ন করুন,বেছে বেছে সংখ্যালঘু ও আদিবাসী নির্যাতন কেন হচ্ছে!
ওহে পশ্চিমবঙ্গবাসী মুসলমান, আপনি ইমানদার না মুনাফেক?
"নিঃসন্দেহে মুনাফেকরা থাকবে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে। আর তোমরা তাদের জন্য কখনও কোনো সাহায্যকারী পাবে না।’ (সুরা নিসাঃ- আয়াত ১৪৫)
- খলিলুর রহমান
- আবু তাহের খান
- সাজদা আহমেদ
- নাদিমূল হক
- সামিরুল ইসলাম
- মৌসম নূর
➤হামিদুর রহমান➤আব্দুল করিম চৌধুরী➤মহঃ গোলাম রব্বানি➤মিনহাজুল আফরিন আজাদ➤মোসারফ হোসেন➤তোরাফ হোসেন মণ্ডল➤তাজমূল হোসেন➤আব্দুল রহিম বক্স➤সাবিনা ইয়াসমিন➤মুহাম্মদ আব্দুল গনি➤মনিরুল ইসলাম➤আমিরুল ইসলাম➤ঈমানী বিশ্বাস➤জাকির হোসেন➤এস কে আখতারুজ্জামান➤আলি মোহাম্মদ➤রিয়াত হোসেন সরকার➤আব্দুল সৌমিক হোসেন➤হুমায়ুন কবির➤রবিউল আলম চৌধুরী➤হাসানুজ্জামান সেখ➤নিয়ামত সেখ➤সাহিনা মুমতাজ বেগম➤জাফিকুল ইসলাম➤আব্দুর রাজ্জাক➤আলিফা আহমেদ➤রুকবানুর রহমাম➤আব্দুর রহিম কাজী➤রফিকুর রহমান➤রহিমা মন্ডল➤সেখ রবিউল ইসলাম➤রফিকুল ইসলাম মণ্ডল➤শওকত মোল্লা➤গিয়াসউদ্দিন মোল্লা➤জাভেদ খান➤ফেরদৌসী বেগম➤আব্দুল খালেক মোল্লা➤ফিরহাদ হাকিম➤গুলশন মল্লিক➤স্বাতী খন্দোকার➤ফিরোজা বিবি➤হুমায়ূন কবীর ডেবর➤সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী➤শেখ সাহনাওয়াজ➤মোসাররফ হোসেন মুরারই
মার্কিন পণ্য বয়কট!
সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫
সিদ্দিকুল্লাহ ও আসানসোলের গোরক্ষকের দল
সিদ্দিকুল্লাহ নামের নেড়িটা জীবিত আছে? মাস দেড়েক আগে যে নাকি লক্ষ লক্ষ ঘেউ নামিয়ে রাজ্য অবরুদ্ধ করে দিতে চাইছিলো! পারলে ওর গাঁড়ে গোলমরিচের আরক গুঁজে বলে আসতাম- আসানসোল শহরটা বাংলাতে রে বেইনস্টোক। এখানে ওকে কেউ ঘেউঘেউ করতে দেখেনি।
শুক্রবার, ১ আগস্ট, ২০২৫
গুজ্জু কার্টেল - Neo Colonialism
সম্প্রতি CAG এর একটা রিপোর্ট বের হয়েছে। কৃষকদের কল্যাণের জন্য নির্ধারিত রাসায়নিক সার উন্নয়ন তহবিলের ৯০% টাকা, গত পাঁচ বছর ধরে মধ্যপ্রদেশে সরকারি যানবাহন জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য খরচা করা হয়েছে।
ভাগ্যিস দেশে গোদি মিডিয়া আছে, তাই পাবলিক এগুলোর সম্প্রচার দেখেনি, নতুবা বিজেপির ভোট আরো বেড়ে যেত। গোদি মিডিয়া বলতে মনে পড়ল আদানি-আম্বানির নিউজ চ্যানেলের নামে প্রোপ্যাগান্ডা মেশিনারি তথা বর্তমানে দেশকে গ্রাস করা গুজ্জু কার্টেলের কথা।
২০২৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত, মাত্র একটা আর্থিক বর্ষে বিশ্বগুরুর প্রভু শ্রী গৌতম আদানীর সম্পদের মূল্য প্রায় ৯৯% বৃদ্ধি পেয়েছে। আর পাবেনাই বা কেন! আপনার মুঠোতে যদি মুম্বাইয়ের ৫৪১ একর রিয়েল এস্টেট সহ এমন আরও অনেক কিছু প্রায় ফোকেটে চলে আসে, আমার আপনারও সম্পদ ১০০ গুনই বেড়ে যাবে।
আদানী ‘দেখো আমি বাড়ছি মাম্মি’ এ্যাড দেবে, আর আম্বানি চেয়ে চেয়ে দেখার জন্য বসে আছে! সরকারি সম্পদ লুঠের বিষয়ে প্রতিযোগিতায় হেরে গেলে নিজেদের গুজ্জু কমিউনিটিতে যে মুখ দেখাতে পারবেনা। অতএব, মুকেশ আম্বানির মালিকানাধীন RIL নবি মুম্বাইয়ের ৫,২৮৬ একর প্রাইম রিয়েল এস্টেটের দখল নিয়েছে।
Thank you, গুজ্জু কার্টেল ‘মোদী-শাহ-আদানি-আম্বানি’ চতুষ্টয়। এই চৌরঙ্গী সঙ্গম না থাকলে জানাই যেতোনা যে এতো ভাবে দিনে ডাকাতি করা যায়, দেশপ্রেমের নামে, হিন্দুতের নামে। আপনার হাতে যদি বিপুল পরিমান সম্পদ থাকে, আপনি অবশ্যই একটা সরকারকে পোষ্য বানাতেই পারেন। বড়লোকের নানা শখ, কেউ চিতা পোষে, কেউ হাতি। আদানি আম্বানি সরকার কিনে মোদী-শাহ পুষেছে। কথায় আছে শখের দাম লাখ টাকা।
মজা হচ্ছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি এই পোষ্যদের হাতে, সরকার এই সুপার ধনীদের কেনা গোলাম। গুজ্জু কার্টেলের সম্পদ আড়ে-বহরে বাড়বেনা তো আমার আপনার বাড়বে! মহারাষ্ট্র সরকারকে ধন্যবাদ না জানানোটা অপরাধ, কারন তারা ভনিতা না করেই বিক্রির নামে দান করেছে। আপনার আমার ব্যর্থতা কোথায় জানেন! আমরা একটা সরকার কেনার মত যথেষ্ট ধনী নই, তাই আমাদের বিবেক আর আদর্শের পাঁচন খেয়ে হস্থমৈথুন করে তেজস্খলন করি।
এটা একটা সংখ্যা মাত্র। ₹৫,৬০,০০০,০০,০০,০০০ (₹৫.৬ লক্ষ কোটি)। মুম্বাই প্রোজেক্ট থেকে আদানিদের অর্জিত মোট আয়ের পরিমান, যার মধ্যে ₹৮৪,০০০ কোটি টাকা মুনাফা হিসাবে দেখানো হয়েছে। মুম্বাইয়ের এই রিয়েল এস্টেট সম্পদের বৃদ্ধির সাথে সাথে- খরিদকৃত ফড়নবিশ সরকার এবং পোষ্য মোদীর কেন্দ্র সরকার- আদানির প্রকল্পের জন্য স্ট্যাম্প শুল্ক, প্রিমিয়াম এবং অন্যান্য আইনগত বকেয়া মাফ করে দেবেই। সাথে সাথে লাভের পরিমান আরো ৪-৫ গুণ বৃদ্ধি পাবে।
আদানি মডেল আসলে নব্য উপনিবেশবাদের ইষ্ট ইন্ডিয়া ভার্সন।
শুরুতে এরা অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য স্বতঃপ্রণোদিত প্রস্তাবনা পেশ করে। অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দেয়, জনকল্যান ও রাষ্ট্রের রাজস্ব পূর্বাভাসের একটা রূপকতথার গল্প ফাঁদে। এভাবেই একে একে পশ্চিমঘাটে আদানি গ্রুপের HEP প্রকল্প; গ্রেটার নিকোবর দ্বীপ (GNI) শিপমেন্ট টার্মিনাল প্রকল্প; বাংলাদেশে বিদ্যুৎ বিক্রয়, দেশজ বিমানবন্ধ ও সমুদ্রবন্দর অধিগ্রহণ, রেলওয়ে পণ্য পরিবহনের ব্যবস্থাপনা অধিগ্রহন, জোমো কেনিয়াত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (JKIA), নাইরোবি, কেনিয়া কিম্বা দেশের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বানাবার একতরফা প্রতিদ্বন্দীহীন টেন্ডার প্রাপ্তি- সবটাই আছে।
২০২২ সালের জুন মাসে উদ্ধব সরকার পতন ঘটে; ২০২২ সালের অক্টোবরে ধারাভির জন্য আদানি ৫,০৬৯ কোটি টাকায় দরপত্র জিতে নেয় এবং পরের ৩ বছরের মধ্যে মুম্বাইয়ের ৫৪১ একর প্রাইম রিয়েল এস্টেট আদানির কাছেও হস্তান্তর করা হয়।
এই কারনেই উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন উৎখাত করাটা জরুরী ছিল। এরা থাকলেও চুরি হতো, কিন্তু সেটা গুজ্জু কার্টেলের পেটে যেতোনা হয়ত, তাই সরানো। একনাথ শিন্ডে, সহ-দলত্যাগীর দল, এসবই কেবল ঘুঁটি। আসল খেলার জন্য একটি নিখুঁত ছদ্মবেশ তৈরি করে এই রাজনৈতিক ছায়া-চিত্র গুলো। পাবলিক ভাবে ওহ- বিরাট কিছু একটা ঘটছে। বিষয়টা হচ্ছে গুজ্জু কার্টেল কর্তৃক মুম্বাই দখলের রূপকথা।
পূর্ববর্তী টেন্ডারে আদানির ৪,৪৩৯ কোটি টাকার প্রস্তাবের বিপরীতে সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক সেকলিংক টেকনোলজিস কর্পোরেশন ৭,২০০ কোটি টাকা প্রস্তাব করেছিল। তবে, রেলওয়ের জমি অন্তর্ভুক্তির অজুহাতে এই টেন্ডার বাতিল করা হয়।
সেকলিংক আদালতে গিয়েছিল এবং সেখানেই এটি ফাইলচাপা পরে রয়েছে। এমন সব কারনেই ‘আরতি অরুণ সাঠে’, যিনি ২০২৩ সালেও মহারাষ্ট্র বিজেপির রাজনৈতিক মুখপাত্র ছিল, আগষ্ট ২০২৫ থেকে তিনি বোম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি হয়ে যায়। আমরা আম ভারতীয়রা ভাবি, আমাদের জীবন, আমাদের স্বাধীনতা এবং আমাদের গণতন্ত্রের উপর আমাদের নিরঙ্কুশ দখল রয়েছে। আসলে গান্ডু হওয়ার জন্য বেশি কিছু লাগেনা অন্ধ ভক্তি ছাড়া।
এগুলো কোনো ব্যতিক্রমী কিছু নয়, মারাঠা রাজনীতির বেশিরভাগ নেতা- হয় দলীয়ভাবে নয়ত ব্যক্তিগতভাবে এই গুজ্জু কার্টেলের অংশীদার, প্রতক্ষ্য বা পরোক্ষ যে রূপেই হোক। নয়তো গুজ্জু মোদানি কার্টেল এদের আরব সাগরের জলে বিসর্জন দিয়ে দেবে।
মুকেশ আম্বানির নেতৃত্বাধীন রিলায়েন্স গ্রুপ সস্তা রাশিয়ান তেল কিনে বাজারে প্রিমিয়াম দামে বিক্রি করে বিশাল মুনাফা অর্জন করেছে, রাষ্ট্রের দরিদ্রতম ব্যাক্তিটাও এই প্রিমিয়াম দরে পেট্রোল/ডিজেল কিনেছে বাধ্য, কারন গুজ্জু কার্টেলের মোদী-শাহ সেই সুযোগ দিয়েছে আম্বানিকে। সস্তার তেলের লাভ ভারতের কোনও আম নাগরিক পায়নি, আমাদের জীবন উন্নত করার তাগিদে নয় গুজ্জু কার্টেল কাজ করেনা- তারা শুধু মাত্র নিজেদের স্বার্থ সুরক্ষিত করে গেছে।
গুজ্জু কার্টেলের প্রতিটা প্রোজেক্টের জন্য অর্থ সরবরাহ করা হয় আমার আপনার গচ্ছিত সঞ্চয় থেকে, জনসাধারণের সম্পদ রাষ্ট্রায়াত্ব ব্যাঙ্ক থেকে। হিন্দুত্ব আর দেশপ্রেমের নামে গড়া এই ভেদাভেদের খুনে রাজনীতিতে লাভবান দিনের শেষে এই গুজ্জু কার্টল। আপনি কোন লাভটা পেয়েছেন ধর্মের এই রাজনীতি থেকে?
আমরা বেশিরভার মানুষ কুকুর শিয়ালের মতো জীবন যাপন করছি। ভাবছি আমরা স্বাধীন, আসলে আমরা মানসিক প্রতিবন্ধী। আমরা নিজেরা চিন্তা করিনা। অন্য কেউ আমাদের হয়ে চিন্তা করে দেয়। বেশিরভাগ মানুষ নিজে সিদ্ধান্ত নিইনা, আমাদের হয়ে অন্য কেউ সিদ্ধান্ত নেয়।
আমরা সারাদিন রিলস দেখে জ্ঞান সঞ্চয় করি। হোয়াটস্যাপে আসা মেসেজকে মনে করে শিক্ষা। ঝালমুড়ি সিনেমার গল্পকে ইতিহাস মনে করি। সোস্যালমিডিয়াই আমাদের ভূগোল। ইউটিউব আমাদের লাইব্রেরী। কোনো সুস্থ স্বাভাবিক কাজ না পাওয়া 'স্যোসাল ইনফ্লুয়েন্সারেরা" শিক্ষক।
আমরা গুজ্জু কার্টেলের
শিকার হবোনা তো কে হবে?
ফেসবুকীয় সিপিএমঃ ফিউজড আইনগাইডেড কামিকাজে ড্রোন
ফেসবুকের ‘সিপিএম’ নামক এই চুড়ান্ত আঁতেল ও প্রায় সর্বজ্ঞ গোষ্ঠীটার পূর্ণ বোধোদয় বা পূর্ণ বিনাশ না ঘটা অবধি রাজ্যের বাম নেতৃত্বের খুব বেশী ...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...