শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫

মমতার ভুয়ো ভোটার শিল্প

 



আপনি বিশ্বাস করুন বা না করুন, পশ্চিমবঙ্গেও এমন লক্ষ লক্ষ ভুয়ো ভোটার তৈরি করে রেখেছে তোলামূল। প্রতিটি বুথে, প্রতিটি পঞ্চায়েতে, প্রতিটা ভোটার লিস্টে।

বুথ দখল, ছাপ্পা, রিগিং, ভয় দেখিয়ে বুথ অব্দি পৌঁছতে না দেওয়া ভোটারকে, মেরে বিরোধী দলের পোলিং এজেন্ট তাড়িয়ে দেওয়া, ইত্যাদি- এসবের জন্যই উৎসবের নামে, মেলা-খেলার নামে পয়সা উড়িয়ে গুন্ডা কন্ট্রোল করেন তিনি। খুন, জখম, রক্তবন্যা এগুলো চোরেদের দেবীর পায়ে অর্ঘ্য মাত্র।
মাননীয়ার SIR এর বিরোধিতার মূল কারন একমাত্র এইটা। হিন্দু বাঁচলো না মুসলমান বাঁচলো, এসব ধর্মের রাজনীতি আসলে পোলারাইজেশনের জন্য, মূল হচ্ছে ভুতুড়ে ভোটারকে বাঁচিয়ে রাখা। ভাইপোর রাজকীয় লাইফস্টাইল বাঁচিয়ে রাখা। ভুয়ো ভোটার বেঁচে থাকলে তবেই লুটে খাওয়ার জন্য পঞ্চায়েত থেকে নবান্ন- সর্বত্র তোলামুলের এজেন্ট গুলো ৩০-৭০% হরে কালীঘাটে কাটমানির ভাগা পাঠাতে পারবে। এই কারনেই রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে BLO দের প্রকাশ্য ধমকি দেয়।
তোলামুলের মূল সাফল্য হচ্ছে- চুরি শিল্পকে বুথ স্তরের একটা বড় অংশের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া। তোলামূল করা আজকে পেশা, প্রায় প্রত্যেকের কাছে এটা তাদের রুটি রুজির প্রশ্ন। এমন সংগঠিত অপরাধ, যেটা গণতন্ত্রের নামে সম্পূর্ণ মাফিয়া কার্টেল কায়দায় লুঠতরাজ চালানো, বিশ্ব ইতিহাসে এমন ঘটনা বিরল। আর এই মাফিয়া কার্টেল চালাবার জন্য ভুয়ো ভোটার হল এদের মূল অস্ত্র। একদিকে গুজ্জু কার্টেলের সহযোগিতায় দেশ লুঠছে, এখানে কালীঘাট কার্টেল। নাগপুরীয় আদর্শের গোয়ালঘর রাজনীতির মূল মন্ত্র যেটা- লুন্ঠন।
কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, দুটো ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান- শুধুমাত্র এই জেলাগুলো থেকেই লক্ষ লক্ষ ভুয়ো ভোটার বাদ যাবেই যাবে। এই ভোট চুরির মাধ্যমের তোলামুলের আসল উন্নয়ন, আর এটাই অনুপ্রেরনা সততার সাথে।

➤ডুপ্লিকেট ভোটার?
➤ফেক ও ইনভ্যালিড ঠিকানা?
➤ একটা ঠিকানায় বহু ভোটার?
➤ ইনভ্যালিড ফটো?
➤ নতুন ভোটারে কারচুপি?

এই পাঁচটা চুরি বিদ্যার কোনটা ব্যবহার করেনি আমাদের রাজ্যের ভোটারলিষ্টে? এই তোলামুল সরকার ও তার অধীনে থাকা অমেরুদণ্ডী দুর্নীতিবাজ সরকারী কর্মচারীরা এটাই করে এসেছে গত ১৪ বছর ধরে।
আগে ভুয়ো ভোটার বাদ যাক, যাদের কোনো অস্তিত্ব নেই। তারপর নাহয় কে দেশি আর কে বিদেশি - সেই বিবেচনা করা যাবে। রাষ্ট্র কাকে শরণার্থী রাখবে, কাকে ডিপোর্ট করবে, কাকেই বা কন্সেন্ট্রেশন ক্যাম্পে রাখবে, সেসব অনেক পরের বিষয়।
নিশ্চিন্ত থাকুন, ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র ছাড়া কোন ভারতীয় ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। ভয় তোলামুলের, ভয় অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের আর ভয় তোলামুলের সাথে যোগ-সাজিস করে সরকারি দপ্তরে মৌরিসপাট্টা গড়ে থাকা কর্মচারীদের।
মানুষকে বিতারিত হওয়ার ভয় দেখিয়ে, সেই ভয়ের পর্দার আড়ালে আসলে ভোট চুরি করে ক্ষমতায় রয়েছে রাজ্যের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার।
জাগো বাঙালী জাগো।

বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫

মূর্খ মোদী ও ট্রাম্পের ট্যারিফ



মূর্খ কখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা, গোবর খেকো কোন বাঁদরের সৎ সাহস থাকতে পারে না। নতুবা ট্রাম্পের মত একজন উন্মাদগ্রস্থ রাষ্ট্রপ্রধান সকাল সন্ধ্যা উঠতে বসতে আমাদের দেশের মান ইজ্জত নিয়ে চু-কিতকিত খেলতে পারত না।

নির্বোধ শ্রেষ্ঠ মোদী আর তার তড়িপার স্যাঙাৎ - নির্লজ্জতার অপর নাম, নতুবা সামান্যতম আত্মসম্মানবোধ যদি থাকতো, তারা জবাব দিত।
২০১৩ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত তৎকালীন একজন ভারতীয় কূটনীতিক- দেবযানী খোবরাগাড়ের সাথে দুর্ব্যবহার করেছিল মার্কিন প্রশাসনের কিছু লোকজন।
এর পদক্ষেপ অনুসারে, সেই সময়ের ভারতবর্ষের শিক্ষিত প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, মার্কিন কূটনীতিকদের বহিষ্কার করে এবং মার্কিন দূতাবাস থেকে নিরাপত্তা ব্যারিকেড অপসারণ করে প্রতিক্রিয়া জানান। ভিডিওতে দেখুন-
ফলশ্রুতিতে দ্রুত মার্কিন প্রশাসনের হুশ ফেরে এবং শীঘ্রই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হাঁটু গেড়ে বসে ক্ষমা স্বীকার করে।
রাষ্ট্রের একটা বিদেশ নীতি থাকতে হয় আর নীতি তৈরি করতে গেলে সঠিক শিক্ষা সহ নৈতিকতার বোধ থাকতে হয়। মোদি সরকারের বিদেশ নীতি তৈরি করে রিলায়েন্সের তথা আম্বানির ORF আর আদানি ফাউন্ডেশনের অধীনস্থ CRF (Chintan Research Foundation) এবং APSE এর মত সংস্থাগুলো - অজিত ডোভালের ছেলে বা জয়শঙ্করের ছেলেদের ফ্রন্ট লাইনে রেখে নিজেদের স্বার্থ অনুযায়ী কর্পোরেট ধান্দাবাজি করে- আপনি আমি ভাবি মোদী-শাহ এর মন্ত্রী সভাই বোধহয় দেশের বিদেশনীতি ঠিক করছে।
আসলে গুজ্জু কার্টেলের দুই সর্বোচ্চ ক্রিমিনাল- শুধু দেশের সম্পত্তি লুট করছে তাই নয়, দেশের রাজনীতি, বিচারব্যবস্থা, সাংবিধানিক সংস্থা ও আমলা তন্ত্রকে সম্পূর্ণ হজম করে ফেলেছে। না হলে ভাবা যায় - দেশের বিদেশ নীতি তৈরি করছে দুটো পুঁজিবাদী কর্পোরেট সংস্থা। কোন লুকোচাপা করে নয় প্রকাশ্য এবং অফিসিয়ালি।
এরা ভাববে দেশের মানুষের স্বার্থ?
বিদেশে গিয়ে চারটে ভাড়াটে নাচিয়ে গিয়ে রুঁদালি গেয়ে "ডায়াস্ফোরা" বানিয়ে আর পমেরিয়ান মিডিয়াকে দিয়ে সর্বক্ষণ ঘেউ ঘেউ করিয়ে কাউকে শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী বানানো যায়না৷ চুরি করে হওয়া প্রধানমন্ত্রী - তার কোন দায়বদ্ধ থাকে?
বর্তমানে মোদী উদ্বোধন মিনিস্টার হয়ে গেছে। রেলের উদ্বোধন রেলমন্ত্রী করে না, রাস্তার উদ্বোধন রাস্তা মন্ত্রী করে না, এয়ারপোর্টের উদ্বোধন বিমান মন্ত্রী করে না। যাবতীয় উদ্বোধন এবং তার কৃতিত্ব শুধুমাত্র মোদির; আর যখন সেগুলো ফেটেফুটে যায় বা যখন দায় নেওয়ার প্রশ্ন আসে তখন মোদি মিউট মোডে চলে যায়।
নিরক্ষর মিথ্যাবাদী প্রচারসর্বস্ব একটা ক্লীব- ক্যামেরা খুঁজে খুঁজে নিয়ে অভিনয় টুকু করে। আপনি আমি রোজকার এই ডেইলি টেলি সিরিয়াল দেখে হিন্দু-মুসলমান, গরু-শুয়োর, মন্দির-মসজিদ নিয়ে মেতে থাকি।
আমাদের ঘরের যুবকেরা থাকে রাস্তায় বসে রোজগার চেয়ে, বিচার চেয়ে। বিনা বিচারে ৫ বছর ধরে উমর খালিদ বন্দী থাকে জেলে, দিল্লি পুলিশ এই একটা কাজ নিশ্চিত করেছে। এটাই গোয়ালঘরের গণতন্ত্র।
ওদের লজ্জা হবে না কারণ ওরা চুরি করতেই এসেছে, আপনার কি লজ্জা হয়?

বামেদের প্যাক মানি

 


রাজনীতিতে বিরোধী দলের কাজটা কী? আপদ স্থলে দ্রুত পৌঁছে যাওয়া-

মধ্য বাংলাতে কংগ্রেসের শুধু সাইনবোর্ড বেঁচে আছে, দক্ষিন বাংলাতে সেটাও তোলামূল কিনে নিয়েছে। বিজেপি আর তৃণমূলে প্রভেদ নেই। আমাদের রাজ্যে প্রকৃত বিরোধী বলতে তো শুধু বামেরা, বা আরো স্পষ্ট করে বললে সিপিএম।

অথচ, ঘাটালের বন্যায় গত ৩ দিন ধরে মমতা ব্যানার্জি ফুটেজ খাচ্ছে তোতলা অধিকারীকে পাশে নিয়ে। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে ভাইপো সমানে মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। গতকাল আরামবাগে রীতিমত খিচুড়ি বিলির ফটোশ্যুট করেছে মাননীয়া। সেখানে বামেদের তরফে উল্লেখযোগ্য কেউ নেই। কি আফসোস আমাদের…

মহঃ সেলিম সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক হতে পারেন, কিন্তু মানুষ তো তাকে শোনেনা, শুনতেও চায়না। চালচোর বাদে গোটা রাজ্য যাকে শোনার জন্য মুখিয়ে থাকে সেই ‘মীনাক্ষী মুখার্জীর’ পায়ে বেড়ি পরারাবার জন্য কী সাদাচুল ওয়ালা রাজ্য নেতৃত্ব কালীঘাট থেকে ‘প্যাক-মানি’ নিয়ে কী তাদের হয়ে খেপ খাটছে?

মমতাকে হারাতে গেলে আগে তার ইমেজ খেতে হবে। যুব বামেদের উৎসাহ বা সাহসের তো ঘাটতি নেই। তাদের কেন আঁটকে দেওয়া হচ্ছে? মমতার চেয়ে ২ মিনিট আগে যেখানে ভেবে ফেলতে হবে, আর উপদ্রুত অঞ্চলে ১ মিনিট আগে পৌঁছে যেতে হবে; সেখানে ময়দান প্রায় ফাঁকা।

বাঁকুড়াতে না খেতে পেয়ে লোক মরে গেছে, আরো পাঁচজন নাকি লাইনে আছে আমরা কেউ বলছি না, এটা গণশক্তি নিজেই ছাপিয়েছেসেখানে কোন রাজ্য নেতারা গিয়ে পরে আছে? এত বছরে তাদের কেন আধার কার্ড হয়নি, এই প্রশ্নের উত্তর কেউ খুঁজতে গেছে? বেঁচে থাকা লোকেদের আধার কার্ড করিয়ে পঞ্চায়েত থেকে একটা কিছু ব্যবস্থা করবার চেষ্টা কেউ করতে গেছে? টিভি খেঁউড়ে দেবাংশুকে হারিয়ে রাজা উজির মারা সোস্যালমিডিয়া মিম বানাতে বানাতে আসলে এরা নিজেরাই দেবাংশুর লেভেলে নেমে গেছে।

কোনো ফেবু আতেল সাজা বাম্বাচ্চা প্রশ্ন করতেই পারে, সেখানে কী স্থানীয় কমরেডরা নেই! আরে ভাই যে স্থানীয়েরা পোলিং এজেন্ট বসাতে পারেনা, তারা করবে ডাইরেক্ট মমতার ইমেজের মোকাবিলা? যেটুকু ক্যামেরা জোটে মীনাক্ষী গেলেই তবেই, নতুবা ক্যামেবা বা মাইক্রোফোনের বুম ফাঁকা এই কারণে আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভোগা নেতারা প্রায় মীনাক্ষীকে বগলদাবা করে নিয়ে যায়। জনগণ সব বোঝে, পার্টিকর্মীরাও।

মমতার প্রতিদ্বন্দী হিসাবে মানুষ যাবে বরণ করে নিয়েছে, সেই মীনাক্ষীকে কে বা কারা আঁটকে দিচ্ছে বারে বারে? এর উত্তর তোলামুল বিরোধী মানুষ তো চাইছে, চোর মমতার বিকল্প তো চাইছে। পার্টি সেলিম সাহেবকে সেনাপতি বানালেও বাংলার মানুষ স্বতস্ফুর্ত তাদের সেনাপতি বেছে নিয়েছে মীনাক্ষীকে, কাকে বাঁচাবার জন্য এই লুকোচুরি হে মহান আলিমুদ্দিনের বৃদ্ধতন্ত্র?

করোনার সময় রাজ্যের মাত্র দুটো এলাকা দিয়ে পরিযায়ীরা ঘরে ফিরেছিল। পশ্চিম মেদনীপুর আর পশ্চিম বর্ধমান, সেদিন শ্রমিকদের ফ্রন্টে সামনে থেকে গোটা বিষয়টা নেতৃত্ব দেওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে সকলে আজকে আছে? কেউ নাকি সম্মেলনের নাম করে যে যার মত চেয়ার গুছিয়ে নিয়েছে বাকিদের ল্যাঙ মেরে দিয়েছে। ইতিহাস আমরাও পড়েছি, কমরেড হরেকৃষ্ণ কোঙারক এর মত ব্যাক্তিকেও পলিটব্যুরোতে স্থান দেওয়া হয়নিআন্তঃ পার্টি সংগ্রামের নামে ল্যাঙ মারামারির খেলার বাইরে আরো কোনো উত্তর আছে কী আজকের কোনো নেতৃত্বে কাছেও?।

অথচ মমতার সাজানো পরিযায়ী অত্যাচার বা বাঙালী বিদ্বেষে- সেই শ্রমিক নেতাদের নাম শোনা গেছে কোথাও! অধিকাংশ ক্ষেত্রে আলুমিদ্দিনে বসে একটা বিবৃতি দিয়ে দায় সেরে ফেলা নেতারা শুধু ফুটেজ খাবে যদি ক্যামেরা পায়। কোথায় মুর্সিদাবাদের ডোমকল বা কান্দির রাস্তা জ্যাম করে দেবে, গাজোল, সূজাপুরে র‍্যালি করবে, ইসলামপুরে হত্যে দিয়ে বসে থাকবে একটা দল~ তা না করে কোলকাতার রাস্তায় ধাষ্টামো মিছিল করছে। এরা মানসিক ভাবেও দেউলিয়া হয়ে আছে, এদের রাজনৈতিক মৃত্যু না হলে বাংলার বিরোধী রাজনীতি স্থবিরতার কলঙ্কমুক্ত হবেনা।

আগামী ৮-৯ মাসের মাথায় ভোট, টিকিট পেতে ১০৮টা গণসংগঠন আর শরিকদের নামে- ১৮০টা এঁটোখেকো আরসোলার দল, নানান ফাঁকফোঁকর থেকে বেরিয়ে আসবে ভোটে দাড়াতে। আজকে এই সময় আন্ডুপান্ডুর দল কোথায় আছে! যারা রাস্তায় ৎথাকবে সারাবছর তারা ধুহুল চুষবে, আর ভোটে দাঁড়াবে আতরমাখা বাবুবিবির দল- মানুষকে চার অক্ষরের বোকা ভেবেই আজ শূন্য। বন্যার জল আঁটকানো যায়না বালির বাঁধ দিয়ে, আবার ১৬৬৪ সালের মত আরেকটা নতুন বামদল জন্ম নিলে এই অকর্মা বৃদ্ধতন্ত্রই দায়ী থাকবে।।

বাম দলের জনপ্রিয় স্লোগান- ‘জাতের নয় ভাতের লড়াই’, সেখানে ভাত বিলির মত স্থানে যদি মীনাক্ষীরা স্বদলবলে না থাকে সময়ের দাবী মেনে এবং মমতার ফুটেজ খাওয়ার আগে; সম্মেলনের ফাঁসে আঁটকে পরা একটা শহুরে বাবুদের ‘বামনামধারী’ দল- আগামী ২৬এর নির্বাচনেও আর্যভট্ট আবিষ্কার হয়েই ইতিহাসের পাতা থেকে ৩৪ বছরের ঢেকুর তুলতে থাকবে, মিলিয়ে নেবেন।

ওহ, আপনাদের তো আবার একটা পিঠ বাঁচানো বুলি আছে- ‘অতি প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী’ বলে বিরুদ্ধ আওয়াজকে ধামাচাপা দেওয়ার। এমনটা চলতে থাকলে তোলামুল বিরোধী সাধারণ জনগনেরও একটা ভাষা আছে- দালাল।

বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫

নকিবদ্দিন সেখ

১৯৫২ সালের ভোটার লিষ্টে বাবার দাদুর নাম খুঁজে রেখে দেওয়া হলো। নকিবদ্দিন সেখ, পিতা বাবুলাল।

এদেশীয় মুসলমানকে NRC/SIR এর ভয় তেমন ভাবে দেখানো মুশকিল।


মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫

দেশদ্রোহী এ্যান্টি সেমেটিক



যায়োনিষ্ট অকুপায়েড ফিলিস্তিন (ZOP) তথা ইজরায়েল কেন তার সামরিক ব্যবস্থাপনাগুলো হাসপাতাল আর ইস্কুলের আশেপাশে বানিয়েছে?
প্রথমত পালটা পশ্ন করে প্রশ্নকর্তাকে। এরপর উত্তরটা সবচেয়ে সেরা-
"আমরাই বিশ্বে শ্রেষ্ট মিলিটারি, আমরা শ্রেষ্ঠ প্রযুক্তি ধারন করি, আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বশ্রেষ্ঠ"।
এই অহংকার, এই দম্ভ, এই আত্মতুষ্টি সব আজ.... হ্যাঁ, গাধার ওইখানে। ইজরায়েলি মিথ চুরমার।


ভক্তদের কে প্রশ্ন করুন,বেছে বেছে সংখ্যালঘু ও আদিবাসী নির্যাতন কেন হচ্ছে!

উত্তর- তুই ব্যাটা দেশদ্রোহী।
কোথা থেকে শিখেছে দেখুন, ফিলিস্তিনের অবৈধ দখলদার যায়োনিষ্টদের শুধান- গাজায় কী হচ্ছে ও কেন হচ্ছে!
উত্তর- তুই ব্যাটা এ্যান্টি সেমেটিক।
তবেনা ভক্তদের অবৈধ বাপের নাম হিজরায়েল। তবেনা মিছিল মার হয় ভারতের মাটিতে দখলদার জঙ্গীদের পক্ষে। তবেনা ভারতের মাটি থেকে আড়াই লাখ ফেক যায়োনিষ্ট একাউন্ট থেকে প্রোপাগাণ্ডা চালানো হয়।
তবে ভক্তপিতার মত এরা ক্লাস ফোর ফেল নপুংসক জোকার নয়, অন্তত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়।

ওহে পশ্চিমবঙ্গবাসী মুসলমান, আপনি ইমানদার না মুনাফেক?



"নিঃসন্দেহে মুনাফেকরা থাকবে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে। আর তোমরা তাদের জন্য কখনও কোনো সাহায্যকারী পাবে না।’ (সুরা নিসাঃ- আয়াত ১৪৫)


হে পশ্চিমবঙ্গবাসী মুসলমান, আপনি ইমানদার না মুনাফেক?
আসানসোলে দাঙ্গা বাঁধিয়ে ইমাম সাহেবের ছেলেকে খুন করে দেওয়ার নায়ক ‘বাবুল সুপ্রিয়’ যখন ‘আপনার’ তৃনমূলের মন্ত্রী হয়, আপনি নিশ্চুপ ছিলেন। এর পরেও আপনি ‘বিজেপি চলে আসবে’ ভেবে তৃণমূলকে ভোট দেন- আপনি ওখানেই শয়তানের সাথী হয়ে গেছেন। এই রাজ্যের ক্ষমতায় ‘কে তৃনমূল আর কে বিজেপি! কোনো ফারাক আছে দুই দলের নেতৃত্বের! আপনিই বিজেপি থেকে আসা বাবুল সুপ্রিয় ও এদের মত অগুন্তিকে নাগপুরী RSS এর মুসলমান বিদ্বেষী মাল সমৃদ্ধ তৃণমূলকে ভোট দিয়ে জেতান, আলাদা করে বিজেপি আসার দরকারটা কোথায়?
এর পরেও আপনি বিশ্বাস করেন আপনার মাঝে মুসলমানত্ব টিকে আছে? মানার নাম ইসলাম, ভেকধারী আরবী নামের মাঝে কী ইসলাম থাকে? মীরজাফরের সাথে আপনার কোনো ফারাক আছে? কুফর, শির্ক সহ এই রাজ্যে ঘটা ‘তৃনমূল- বিজেপির’ প্রতিটা কবিরা গুনাহের আপনিও প্রত্যক্ষ অংশীদার। সেদিন যদি বাবুল সুপ্রিয়দের বিরোধিতা করতেন, আজ গরীব মুসলমান গরু ব্যাপারি আক্রমনের শিকার হতোনা। জ্ঞানে হোক বা অজ্ঞানে- আপনার দুয়ারে জাহান্নাম। পয়দা করা বালবাচ্চাগুলোর দিকে তাকিয়ে খানিকটা তৌবা করে দেখুন, যদি কিছুটা গুনাহ এর খেয়ানত হয়।

বামেরা শূন্য- এটা জেনে অর্গাজম হওয়া আপনি কী খোঁজ রাখেন তোলামূল কোটায় কটা আরবি নামধারী মুসলমান সেজে থাকা RSS এর সদস্য রয়েছে বিধানসভা বা সংসদে?

এই রাজ্যের 45 জন MLA, 4 জন করে লোকসভা ও রাজ্যসভার MP, মোট ৫৩ জন ‘নামধারী মুসলমান’ আইনসভার সদস্য। আসানসোল কান্ডে এদের সকলের মুখে কুলুপ, কারন বামেরা শূণ্য, কে আছে যারা সরকারকে প্রশ্ন করবে? এই সমস্ত আন্ডুপান্ডু থাকা বা না থাকাতে মুসলমান সম্প্রদায়ের কী যায় আসে?

এদেরকে একবারো শুধাবেননা যে- পঞ্চায়েত তোমাদের, MLA তোমাদের, MP তোমাদের, পুলিশ তোমাদের, নেতা তোমাদের, মন্ত্রী তোমাদের। তোমরাই গত পনেরো বছর ধরে ক্ষমতায় আছো, জনসংখ্যার বিচারে প্রতি ৪ জনের একজন মুসলমান, তবুও কিছু লোক ধর্মের নামে মুসলমানকে মেরে দিয়ে যায়। মুসলমানের নিরাপত্তা কোথায়, মুসলমান বিচার পায় না কেন? গরুর হাটের মালিক তোমাদেরই নেতারা, সবাই তোলামুলের। গরীব মুসলমান তো শুধু গরু এ হাট থেকে ও হাটে কেনাবেচা করে। তারপরেও মুসলমানকে লাইন দিয়ে দাঁড় করিয়ে মেরে গেল, গরুর দড়ি দিয়ে বেঁধে ভিডিও করে বাজারে ছেড়ে দিলো। বড় বড় মসজিদের ইমামগুলোও তো এখন সরকারের কথায় ওঠাবসা করে, একজনও মুখ খুলল?

গোবলয়ের গরু রাজনীতি অবশেষে বাংলাতে আমদানিতে সক্ষম হয়েছে বিজেপি, মমতা ব্যানার্জীর কল্যাণে। মমতার রাজত্বেই এই রাজ্যে RSS, ৮০০% বৃদ্ধি পেয়ে জঙ্গী হামলা শুরু করেছে মুসলমানদের উপরে। যথারীতি গরীব মুসলমানকে অত্যাচার মারধোর করেছে হিন্দু ‘ভীর’ এর দল, এটাই তো সিস্টেম ওদের। আমাদের পশ্চিম বাংলার ক্ষমতার মসনদে আসীন মমতা ব্যানার্জী টিকেই আছে একমাত্র মুসলমানের ভোটে দয়ায়। মুসলমান অত্যাচারে মাননীয়া এতটুকু ফুট কেটেছে? কাটবেনা, কারন আপনি দুধেল গাই।

তৃনমূল একান্তই দক্ষিণ কোলকাতা কেন্দ্রিক একটা ব্রাহ্মণ্যবাদী দল- যার জন্ম নাগপুরের গোয়ালঘরে। তারাই কয়েকজন মিলে সমস্ত ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাজ্যটাকে লুটেপুটে খাচ্ছে। তোলামূলের মুসলমান নেতৃত্ব নামেই মুসলমান, আসলে মুনাফেক। মুহাম্মদ, আলী, শেখ, মোল্লা, হাসান, হোসেন ইত্যাদি নাম বা পদবীর আড়ালে প্রতিটা ব্যাক্তিই আসলে RSS এর দালাল।
এরা মুসলমানের ভেক ধরে চুরি চামারি করার জন্য। হারামের কামাই দিয়ে বিলাসী জীবন যাপন করছে। দ্বীন-ইসলাম-কোরান-হাদিস সব কিছুকে পণ্য বানিয়ে দিয়েছে চুরির টাকার ভাগা পাওয়ার বিনিময়ে। নতুবা ৯৬ ঘন্টা কেটে গেলেও একপিস মুসলমান নামধারী তোলামুল নেতা কোনো বিবৃতি দিয়েছে আসানসোলে বৃদ্ধ মুসলমানের উপরে গোরক্ষক নামের সন্ত্রাসীদের আক্রমণে?

আপনার ঈমানকে, আপনার দ্বীন ইসলামকে পুঁজি করে ভোট নিছে এরা, আপনার সেই ঈমাণকে নাগপুরের গোয়ালঘরে বিক্রি করে দিয়েছে টাকার বিনিময়ে। মুনাফেকরা জাহান্নামে যাক, আপনি কবরে মুনকার-নাকিরকে জবাব দিতে পারবেন তো? যেখন সে শুধাবে আপনার দ্বীন কী? আপনি তো জেনে বুঝেই এই ‘মুনাফেক খারিজী’ গুলোকে ভোট দিয়েছিলেন। আবু লাহাব, আবু জাহেল, উৎবা, সাইবা এরাও জোব্বা ধারী লম্বা দাড়ির লিবাসওয়ালা ছিল- ঠিক বর্তমান তোলামূলের হয়ে খেপ খাটা আলেম সাজা ভন্ড গুলোর মতই।
যখন আপনার দ্বীনিভাইটি শুধুমাত্র মুসলমান হবার কারনে অত্যাচারের শিকার হয়েছে- কী লাভ আপনার এই দেখনদারি নামাজের। এখানে আপনি জেনেশুনে মুসলমানকে রক্তাক্ত করছেন আপনার ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন মমতা ব্যানার্জীর মাধ্যমে। তিনিই তো সংখ্যালঘু মন্ত্রী।

প্রশ্ন তুলতে না পারলে আপনিও সম পরিমানে গুনাহগার। নিজে মুসলমান হয়েও কেন চুপ মেরে আছেন, কিসের লোভে? কিসের ভয়? কোন বাধ্যবাধকতায়? কিয়ামতের বিচারের দিনে কোন মুখে দাঁড়াবেন আল্লার সামনে- আপনিও তো দিনের শেষে একটি ভোটের মাধ্যমে বছরের পর বছর ধরে RSS এরই হাত শক্ত করে এসেছেন।

অবশ্য যদি চুরির টাকায় ভাগ পান তাহলে ব্যাপার আলাদা, হারামখোরের আবার কিসের ঈমান!! ভালো টাকা পেলে কালকে বোন, বউ বা বেটিকেও- হারামখোরের দল অন্যের বিছানাতে শুইয়ে দিয়ে বিলাসী জীবন কিনবে-
ওয়াক থুঃ

চলুন দেখে নিই তোলামূলের ‘মুসলমান’ নামধারী অমেরুদণ্ডী কীটপতঙ্গগুলোকে, যাদের মুখে নাগপুরের গেরুয়া চাড্ডি গুঁজে রাখা আছে। আপনি তো এদেরই ভোট দিয়েছিলেন-

আপনার ভোটে জেতা মুসলমান তোলামূল দুধেলগাই সাংসদ-
  • খলিলুর রহমান
  • আবু তাহের খান
  • সাজদা আহমেদ
বসিরহাট ফাঁকা, সেখানেও কোনো তোলামূল চোরই আসবে নিশ্চিত

চটি চেঁটে রাজ্যসভার তোলামূল দুধেল গাই সাংসদ-
  • নাদিমূল হক
  • সামিরুল ইসলাম
  • মৌসম নূর
সাম্প্রতিক কালে সবচেয়ে বেশী সাম্প্রদায়িক ও বাঙালী নিয়ে মিথ্যা প্রোপ্যাগান্ডা ছড়ানোতে স্টারমার্কস পাওয়া বিজেতা- সামিরুল ইসলাম আর নাদিমুল হল। ইউসুফ পাঠানের মত নপুংসক ও ক্ষীর খাওয়া গুজ্জুদের নাহয় হিসাবেই আনলামনা।

চলুন বিধানসভায় দেখে নিই-
➤হামিদুর রহমান
➤আব্দুল করিম চৌধুরী
➤মহঃ গোলাম রব্বানি
➤মিনহাজুল আফরিন আজাদ
➤মোসারফ হোসেন
➤তোরাফ হোসেন মণ্ডল
➤তাজমূল হোসেন
➤আব্দুল রহিম বক্স
➤সাবিনা ইয়াসমিন
➤মুহাম্মদ আব্দুল গনি
➤মনিরুল ইসলাম
➤আমিরুল ইসলাম
➤ঈমানী বিশ্বাস
➤জাকির হোসেন
➤এস কে আখতারুজ্জামান
➤আলি মোহাম্মদ
➤রিয়াত হোসেন সরকার
➤আব্দুল সৌমিক হোসেন
➤হুমায়ুন কবির
➤রবিউল আলম চৌধুরী
➤হাসানুজ্জামান সেখ
➤নিয়ামত সেখ
➤সাহিনা মুমতাজ বেগম
➤জাফিকুল ইসলাম
➤আব্দুর রাজ্জাক
➤আলিফা আহমেদ
➤রুকবানুর রহমাম
➤আব্দুর রহিম কাজী
➤রফিকুর রহমান
➤রহিমা মন্ডল
➤সেখ রবিউল ইসলাম
➤রফিকুল ইসলাম মণ্ডল
➤শওকত মোল্লা
➤গিয়াসউদ্দিন মোল্লা
➤জাভেদ খান
➤ফেরদৌসী বেগম
➤আব্দুল খালেক মোল্লা
➤ফিরহাদ হাকিম
➤গুলশন মল্লিক
➤স্বাতী খন্দোকার
➤ফিরোজা বিবি
➤হুমায়ূন কবীর ডেবর
➤সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী
➤শেখ সাহনাওয়াজ
➤মোসাররফ হোসেন মুরারই
এরাই কদিন পর হাত জোড় করে ভোট চাইতে যাবে আপনার দুয়ারে।
ফিলিস্তিনের উপরে বর্বর ইহুদিকের আক্রমণের বিরুদ্ধে মুখ না খোলা আরবের মোল্লা রাজা গুলোর বিরুদ্ধে তো আপনার প্রচুর প্রতিবাদ। আপনার রাজ্যে, আপনার ঘরে গরীব মজলুমের জন্য এই 'ইয়াজিদের বাচ্চা' গুলো কেন মুখ বন্ধ রেখেছে- সেটা কী কেরালার মুসলমান জিজ্ঞাসা করবে! নাকি তুরস্কের মুসলমান?
এরা মোনাফেক কিনা আল্লাহ জানে, কিন্তু আপনি প্রশ্ন তুলতে না পারলে- নিশ্চিতভাবে আপনার ঈমান নিয়ে প্রশ্ন উঠবে, মুনাফেকের দলে যে আপনাকে গণনা করা হবে তাতে সন্দেহ নেই।

মার্কিন পণ্য বয়কট!

 


২৫% এর বদলা- নিতে পারলে হেগে দেবে ট্রাম্প তথা আমেরিকা।
সয়াবিন তেল, সূর্যমুখী তেল, জন ডিয়ার, কার্গিল, ফাইজার, এ্যাবট, জনসন, লুপিন, সিনজেন্টা, বেয়ার, জিপ, ফোর্ড, মুক্তো, টেক্সটাইল, অটো পার্টস, ইলেকট্রনিকস আর প্লাস্টিক- এগুলোর উপরে ১০০% কর বসাক।
গুগুল, ফেসবুক, মাইক্রোসফট, কোক-পেপসি, এ্যাপেল, আমাজন, ডেল, HP, IBM, Domino, Pizza Hut, এগুলোর উপরে ৫০% কর বসাক।
১৫০ কোটির মার্কেট। ট্রাম্পের পোঁদ দিয়ে হোয়াইট হাউস ঢুকে মুত্রপথে বের হবে।
২৬ ইঞ্চি ছাতিওয়ালা সারেন্ডার জোকারের সেই মুরোদ আছে?

আরেকবার মনে করিয়ে দিই- বয়কট করার জন্য এতো কিছু রয়েছে- সাথে আছে ট্রাম্প টাওয়ার। শুধু টেক কোম্পানির লিষ্টি দিলাম নিচে-
Google Search, YouTube, Gmail, Google Maps, Google Drive, Android OS, Chrome browser, Apple iPhones, iPads, MacBooks, iCloud, iOS App Store, MS Windows, MS Office, LinkedIn, GitHub, Adobe Photoshop, Adobe Acrobat, Illustrator, WhatsApp, Instagram, Facebook, Messenger, Amazon store, Kindle, AWS, Netflix, Prime Video, Uber, AirBnB, Zoom, ChatGPT, Coursera, Udemy, Duolingo, PayPal, Stripe, Intel, AMD, Nvidia GPUs, Dell, HP laptops, IBM services, Salesforce, Oracle Cloud, Dropbox, Spotify, Reddit, Twitter/X, Canva, Notion, Slack, Trello, Asana, HubSpot, Wix, WordPress, Tumblr, Weebly, Quora, Medium, Pinterest, Substack, Medium, SurveyMonkey, Mailchimp, Google Ads, Meta Ads, Bing Ads, OpenAI APIs, Google Cloud, Microsoft Azure, ZoomInfo, Data . ai, Tableau, Power BI, Apple Music, Google Pay, Fitbit, Bose, JBL, GoPro, GoDaddy, Cloudflare, Norton Antivirus, McAfee, Brave browser, DuckDuckGo, Stack Overflow, Product Hunt, Crunchbase, Bloomberg, CNBC, Reuters ...
কমসেকম ট্রাম্প টাওয়ারে কোনোভাবে তো ৫০০% ট্যারিফ ঘোষনা করুন!!

সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫

সিদ্দিকুল্লাহ ও আসানসোলের গোরক্ষকের দল



সিদ্দিকুল্লাহ নামের নেড়িটা জীবিত আছে? মাস দেড়েক আগে যে নাকি লক্ষ লক্ষ ঘেউ নামিয়ে রাজ্য অবরুদ্ধ করে দিতে চাইছিলো! পারলে ওর গাঁড়ে গোলমরিচের আরক গুঁজে বলে আসতাম- আসানসোল শহরটা বাংলাতে রে বেইনস্টোক। এখানে ওকে কেউ ঘেউঘেউ করতে দেখেনি।

আরেকটা মর্কট আছে, ত্বোহা সিদ্দিকি, যার পেশাই হলো ধর্ম ব্যবসা- তাবিজ কবজ। এর বাইরে অনেক এঁটোকাঁটা খোর জীবজন্তু আছে, যারা নিজেদের ভাগায় কম পরলে ফোঁস করে উঠে।
এরাই পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে বোঝায়- তৃণমূলকে ভোট না দিলে বিজেপি চলে আসবে। রাজ্যে তৃণমূল থাকলে বিজেপির প্রয়োজনটা কী?
মুসলমান সম্প্রদায় কী বুঝতে পারছে যে এই সব আলেম সাজা চুতিয়া গুলো আসলে RSS এর দালাল। ধর্মকে সামনে রেখে, হাদিস-কোরানকে সামনে রেখে গোটা বাঙালি মুসলমান সমাজকে বোকাদোচা বানাচ্ছে।
এরা চুরির ভাগা তথা হারামের টাকার জন্য দ্বীন-দুনিয়া-আখেরাত সব বেচে দিয়েছে। জোব্বার আড়ালে। সবকটা শয়তান-এ-আজম, মুনাফেক। ইহুদীরা প্রকাশ্য শত্রু, এই আলেম সাজা মালগুলো তার চেয়েও ভয়ানক।
ভাই মুসলমানেরা, জেগে উঠো। এই শয়তানদের দোজোখে পাঠাবার সময় এসেছে। জিহাদ যদি করতে হয়, আগে এদের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক জিহাদ করুন। এটাও ফরজ, এটাও সুন্নত ইবাদত এখন। শয়তানকে বর্জন করা। নুতুবা কিয়ামতের ময়দানে জবাব দিতে পারবেন তো এই কবিরা গুনাহের?

শুক্রবার, ১ আগস্ট, ২০২৫

গুজ্জু কার্টেল - Neo Colonialism




সম্প্রতি CAG এর একটা রিপোর্ট বের হয়েছে। কৃষকদের কল্যাণের জন্য নির্ধারিত রাসায়নিক সার উন্নয়ন তহবিলের ৯০% টাকা, গত পাঁচ বছর ধরে মধ্যপ্রদেশে সরকারি যানবাহন জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য খরচা করা হয়েছে।

ভাগ্যিস দেশে গোদি মিডিয়া আছে, তাই পাবলিক এগুলোর সম্প্রচার দেখেনি, নতুবা বিজেপির ভোট আরো বেড়ে যেত। গোদি মিডিয়া বলতে মনে পড়ল আদানি-আম্বানির নিউজ চ্যানেলের নামে প্রোপ্যাগান্ডা মেশিনারি তথা বর্তমানে দেশকে গ্রাস করা গুজ্জু কার্টেলের কথা।

০২৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত, মাত্র একটা আর্থিক বর্ষে বিশ্বগুরুর প্রভু শ্রী গৌতম আদানীর সম্পদের মূল্য প্রায় ৯৯% বৃদ্ধি পেয়েছে। আর পাবেনাই বা কেন! আপনার মুঠোতে যদি মুম্বাইয়ের ৫৪১ একর রিয়েল এস্টেট সহ এমন আরও অনেক কিছু প্রায় ফোকেটে চলে আসে, আমার আপনারও সম্পদ ১০০ গুনই বেড়ে যাবে।

আদানী ‘দেখো আমি বাড়ছি মাম্মি’ এ্যাড দেবে, আর আম্বানি চেয়ে চেয়ে দেখার জন্য বসে আছে! সরকারি সম্পদ লুঠের বিষয়ে প্রতিযোগিতায় হেরে গেলে নিজেদের গুজ্জু কমিউনিটিতে যে মুখ দেখাতে পারবেনা। অতএব, মুকেশ আম্বানির মালিকানাধীন RIL নবি মুম্বাইয়ের ৫,২৮৬ একর প্রাইম রিয়েল এস্টেটের দখল নিয়েছে।

Thank you, গুজ্জু কার্টেল মোদী-শাহ-আদানি-আম্বানি’ চতুষ্টয়। এই চৌরঙ্গী সঙ্গম না থাকলে জানাই যেতোনা যে এতো ভাবে দিনে ডাকাতি করা যায়, দেশপ্রেমের নামে, হিন্দুতের নামে। আপনার হাতে যদি বিপুল পরিমান সম্পদ থাকে, আপনি অবশ্যই একটা সরকারকে পোষ্য বানাতেই পারেন। বড়লোকের নানা শখ, কেউ চিতা পোষে, কেউ হাতি। আদানি আম্বানি সরকার কিনে মোদী-শাহ পুষেছে। কথায় আছে শখের দাম লাখ টাকা।

মজা হচ্ছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি এই পোষ্যদের হাতে, সরকার এই সুপার ধনীদের কেনা গোলাম। গুজ্জু কার্টেলের সম্পদ আড়ে-বহরে বাড়বেনা তো আমার আপনার বাড়বে! মহারাষ্ট্র সরকারকে ধন্যবাদ না জানানোটা অপরাধ, কারন তারা ভনিতা না করেই বিক্রির নামে দান করেছেআপনার আমার ব্যর্থতা কোথায় জানেন! আমরা একটা সরকার কেনার মত যথেষ্ট ধনী নই, তাই আমাদের বিবেক আর আদর্শের পাঁচন খেয়ে হস্থমৈথুন করে তেজস্খলন করি।

এটা একটা সংখ্যা মাত্র। ,৬০,০০০,০০,০০,০০০ (৫.৬ লক্ষ কোটি) মুম্বাই প্রোজেক্ট থেকে আদানিদের অর্জিত মোট আয়ের পরিমান, যার মধ্যে ৮৪,০০০ কোটি টাকা মুনাফা হিসাবে দেখানো হয়েছে। মুম্বাইয়ের এই রিয়েল এস্টেট সম্পদের বৃদ্ধির সাথে সাথে- খরিদকৃত ফড়নবিশ সরকার এবং পোষ্য মোদীর কেন্দ্র সরকার- আদানির প্রকল্পের জন্য স্ট্যাম্প শুল্ক, প্রিমিয়াম এবং অন্যান্য আইনগত বকেয়া মাফ করে দেবেই। সাথে সাথে লাভের পরিমান আরো ৪-৫ গুণ বৃদ্ধি পাবে।

আদানি মডেল আসলে নব্য উপনিবেশবাদের ইষ্ট ইন্ডিয়া ভার্সন।

শুরুতে এরা অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য স্বতঃপ্রণোদিত প্রস্তাবনা পেশ করে। অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দেয়, জনকল্যান ও রাষ্ট্রের রাজস্ব পূর্বাভাসের একটা রূপকতথার গল্প ফাঁদে। এভাবেই একে একে পশ্চিমঘাটে আদানি গ্রুপের HEP প্রকল্প; গ্রেটার নিকোবর দ্বীপ (GNI) শিপমেন্ট টার্মিনাল প্রকল্প; বাংলাদেশে বিদ্যুৎ বিক্রয়, দেশজ বিমানবন্ধ ও সমুদ্রবন্দর অধিগ্রহণ, রেলওয়ে পণ্য পরিবহনের ব্যবস্থাপনা অধিগ্রহন, জোমো কেনিয়াত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (JKIA), নাইরোবি, কেনিয়া কিম্বা দেশের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বানাবার একতরফা প্রতিদ্বন্দীহীন টেন্ডার প্রাপ্তি- সবটাই আছে।

২০২২ সালের জুন মাসে উদ্ধব সরকার পতন ঘটে; ২০২২ সালের অক্টোবরে ধারাভির জন্য আদানি ৫,০৬৯ কোটি টাকায় দরপত্র জিতে নেয় এবং পরের ৩ বছরের মধ্যে মুম্বাইয়ের ৫৪১ একর প্রাইম রিয়েল এস্টেট আদানির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এই কারনেই উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন উৎখাত করাটা জরুরী ছিল। এরা থাকলেও চুরি হতো, কিন্তু সেটা গুজ্জু কার্টেলের পেটে যেতোনা হয়ত, তাই সরানো। একনাথ শিন্ডে, সহ-দলত্যাগীর দল, এসবই কেবল ঘুঁটিআসল খেলার জন্য একটি নিখুঁত ছদ্মবেশ তৈরি করে এই রাজনৈতিক ছায়া-চিত্র গুলো। পাবলিক ভাবে ওহ- বিরাট কিছু একটা ঘটছে। বিষয়টা হচ্ছে গুজ্জু কার্টেল কর্তৃক মুম্বাই দখলের রূপকথা

পূর্ববর্তী টেন্ডারে আদানির ৪,৪৩৯ কোটি টাকার প্রস্তাবের বিপরীতে সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক সেকলিংক টেকনোলজিস কর্পোরেশন ৭,২০০ কোটি টাকা প্রস্তাব করেছিল। তবে, রেলওয়ের জমি অন্তর্ভুক্তির অজুহাতে এই টেন্ডার বাতিল করা হয়।

সেকলিংক আদালতে গিয়েছিল এবং সেখানেই এটি ফাইলচাপা পরে রয়েছে। এমন সব কারনেই ‘আরতি অরুণ সাঠে’, যিনি ২০২৩ সালেও মহারাষ্ট্র বিজেপির রাজনৈতিক মুখপাত্র ছিল, আগষ্ট ২০২৫ থেকে তিনি বোম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি হয়ে যায় আমরা আম ভারতীয়রা ভাবি, আমাদের জীবন, আমাদের স্বাধীনতা এবং আমাদের গণতন্ত্রের উপর আমাদের নিরঙ্কুশ দখল রয়েছে। আসলে গান্ডু হওয়ার জন্য বেশি কিছু লাগেনা অন্ধ ভক্তি ছাড়া।

এগুলো কোনো ব্যতিক্রমী কিছু নয়, মারাঠা রাজনীতির বেশিরভাগ নেতা- হয় দলীয়ভাবে নয়ত ব্যক্তিগতভাবে এই গুজ্জু কার্টেলের অংশীদার, প্রতক্ষ্য বা পরোক্ষ যে রূপেই হোক। নয়তো গুজ্জু মোদানি কার্টেল এদের আরব সাগরের জলে বিসর্জন দিয়ে দেবে।

মুকেশ আম্বানির নেতৃত্বাধীন রিলায়েন্স গ্রুপ সস্তা রাশিয়ান তেল কিনে বাজারে প্রিমিয়াম দামে বিক্রি করে বিশাল মুনাফা অর্জন করেছে, রাষ্ট্রের দরিদ্রতম ব্যাক্তিটাও এই প্রিমিয়াম দরে পেট্রোল/ডিজেল কিনেছে বাধ্য, কারন গুজ্জু কার্টেলের মোদী-শাহ সেই সুযোগ দিয়েছে আম্বানিকে। সস্তার তেলের লাভ ভারতের কোনও আম নাগরিক পায়নি, আমাদের জীবন উন্নত করার তাগিদে নয় গুজ্জু কার্টেল কাজ করেনা- তারা শুধু মাত্র নিজেদের স্বার্থ সুরক্ষিত করে গেছে।

গুজ্জু কার্টেলের প্রতিটা প্রোজেক্টের জন্য অর্থ সরবরাহ করা হয় আমার আপনার গচ্ছিত সঞ্চয় থেকে, জনসাধারণের সম্পদ রাষ্ট্রায়াত্ব ব্যাঙ্ক থেকে। হিন্দুত্ব আর দেশপ্রেমের নামে গড়া এই ভেদাভেদের খুনে রাজনীতিতে লাভবান দিনের শেষে এই গুজ্জু কার্টল। আপনি কোন লাভটা পেয়েছেন ধর্মের এই রাজনীতি থেকে?

আমরা বেশিরভার মানুষ কুকুর শিয়ালের মতো জীবন যাপন করছিভাবছি আমরা স্বাধীন, আসলে আমরা মানসিক প্রতিবন্ধী। আমরা নিজেরা চিন্তা করিনা। অন্য কেউ আমাদের হয়ে চিন্তা করে দেয়বেশিরভাগ মানুষ নিজে সিদ্ধান্ত নিইনা, আমাদের হয়ে অন্য কেউ সিদ্ধান্ত নেয়

আমরা সারাদিন রিলস দেখে জ্ঞান সঞ্চয় করি। হোয়াটস্যাপে আসা মেসেজকে মনে করে শিক্ষা। ঝালমুড়ি সিনেমার গল্পকে ইতিহাস মনে করি। সোস্যালমিডিয়াই আমাদের ভূগোল। ইউটিউব আমাদের লাইব্রেরী। কোনো সুস্থ স্বাভাবিক কাজ না পাওয়া 'স্যোসাল ইনফ্লুয়েন্সারেরা" শিক্ষক।

আমরা গুজ্জু কার্টেলের শিকার হবোনা তো কে হবে?

 



ফেসবুকীয় সিপিএমঃ ফিউজড আইনগাইডেড কামিকাজে ড্রোন

  ফেসবুকের ‘সিপিএম’ নামক এই চুড়ান্ত আঁতেল ও প্রায় সর্বজ্ঞ গোষ্ঠীটার পূর্ণ বোধোদয় বা পূর্ণ বিনাশ না ঘটা অবধি রাজ্যের বাম নেতৃত্বের খুব বেশী ...