Rashtriya Swayamsevak Sangh (RSS) -Bharatiya Janata Party (BJP) কতটা দেউলিয়া হলে এইভাবে খড়কুটো আঁকড়ে বাঁচাতে চাইছে মোদীশাহ এর চোর সরকার কে!
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫
KBC তে কুরেশী
সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫
ভারতের পররাষ্ট্র নীতি নির্ধারন কে করে?
কেন পাকিস্তানের সাথে ক্রিকেট ম্যাচ খেলবে
এর উত্তর খুব সোজা কিন্তু রচনাত্বক।
প্রত্যেকে চায় তার প্রতিষ্ঠিত হোক, অমিত শাহ তার ছেলেকে এই মুহুর্তে ভারতের সবচেয়ে ধনী যে বেসরকারী সংস্থা (বোর্ড) রয়েছে সেই BCCI এর উচ্চপদে আসীন করিয়ে রেখেছে। বর্তমানে সে ICC এর পদে থাক বা যেখানেই থাক, ছেলের নামে অমিত শাহ পুরোটা নিয়ন্ত্রণ করছে সেটা সকলে জানি। এখানে এতো বেশি টাকা রয়েছে যে টানা দুটো টার্ম স্বপদে রয়ে যেতে পারলে বাকি জীবন রোজগার না করলেও চলে।
এশিয়া কাপের মূল স্পনসর আরব আমিরাতের সরকারী কোম্পানি DP World, যারা ভাইব্রেন্ট গুজরাতের টাইটেল স্পনসর ছিলো। গান্ধীনগরের দীনদয়াল পোর্টের মালিকানার পাশাপাশি মুম্বই এর JNPT বন্দরের ৩টে ডকের মালিকানাও রয়েছে। ‘ভীমাসার-কলকাতা’ পণ্য রেল পরিসেবা চালাবার দায়িত্ব পেয়েছে। এছাড়া ভারত সরকার ও আফ্রিকার মাঝে কূটনৈতিক সম্পর্কের মাঝেও এই DP World জাঁকিয়ে রয়েছে ‘Bharat Africa Setu’ নাম নিয়ে। দুবাই এ জনগনের করের টাকায় ভারত সরকারের তৈরি করা ‘ভারত মার্ট’ শপিং কমপ্লেক্স তৈরির বরাত পেয়েছে।
আদানির যাবতীয় সমুদ্রবন্দর গুলোতে এই DP ওয়ার্ল্ড পণ্য হ্যান্ডেলিং এর কাজ করে। Container Corporation of India (Concor), যা ভারতীয় রেলের প্রাণ- সেই সরকারী পন্য পরিবাহী রেলওয়ে কোম্পানিটিকে বেসরকারীকরন করে ‘ADANI–DP World’ জয়েন্ট ভেঞ্চারের কাছে বেচে দেওয়ার প্ল্যান পাকা করেছে মোদী সরকার।
➤ https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2062903
➤
https://www.cnbctv18.com/infrastructure/concor-privatisation-draws-interest-from-dp-world-adani-and-vedanta-8640071.htm
এর পরের পার্টনার ‘ওয়ান্ডার সিমেন্ট’। যাদের মূল ব্যবসা
মার্বেলের, কোম্পানির
নাম RK Marble. এর
মালিকের নাম ‘বিবেক পাটনি’। এই বিবেক পাটনি অমিত শাহ এর অতি ঘনিষ্টের অন্যতম।
গুজরাতে সোহরাবুদ্দিন ও তার স্ত্রী এনকাউন্টার মামলাতে মূল অভিযুক্ত ছিল CBI এর চার্যশিটে, বিচারপতি লোয়া খুন সন্দেহ
তালিকাতেও এই ব্যাক্তিই অমিত শাহ এর হয়ে সুপারি দিয়েছিল বলেই অভিজ্ঞ মহলের
বিশ্বাস।
২০০১ সাল থেকে মার্বেলের বাইরে অন্যান্য ব্যবসাতে এদের শ্রীবৃদ্ধি ঘটে গুজরাতে মোদী সরকারের সৌজন্যে, ২০১৪ সালের পর আক্ষরিক অর্থে এদের অমৃত কাল আসে এবং পরবর্তী ৫ বছরে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক, একাধিক সিমেন্ট ফ্যাক্টারির মালিক ও দেশ জুড়ে জমির মালিক হয়ে উঠে।
✅ DP World ও Wonder Cement এর মত সংস্থা যখন এশিয়া কাপের মুখ্য স্পনসর, সেখানে অমিত শাহ এর ক্ষমতা কী ‘মানা করবে”! জয় শাহ, নেহাতই নাবালক ও নির্বোধ পাপ্পু।
কিন্তু প্রশ্ন তো দেশের বিদেশনীতি ও অর্থনীতির, প্রতিরক্ষার, এগুলো তাহলে কে ঠিক করে? অর্থনীতির দিশা কে বা কারা দেয়? ❓
বাকি সকল দেশে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির অধীনে সংশ্লিষ্ট
মন্ত্রক থাকে, ২০১৪
পূর্ববর্তী আমাদের দেশেও তেমনই ছিল। সেই দপ্তরের মন্ত্রী, আমলা, দেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি বা সেনা শাসন থাকলে
সেনা কর্তা প্রমুখ, নানান অঞ্চলের সিলেক্টিভ জনপ্রতিনিধি,
অর্থনীতিবিদ, বিদেশ ও কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ পন্ডিতের দল ও উচ্চপদস্থ সরকারী আমলারাই সিদ্ধান্ত
নেয়।
২০১৪ পরবর্তী RSS
শাসিত মোদীর ভারতে এই নিয়মটার পরিবর্তন হয়ে গেছে। মোদী মূলত
শো-ম্যান, টেলিপ্রম্পটার
সামনে নিয়ে ক্যামেরার দিকে তাক করে আত্মবিশ্বাসের সাথে মিথ্যা বলে, আর শারিরীক অঙ্গভঙ্গী সহ মোটাদাগের
অভিনয় করে টেনে টেনে সাম্প্রদায়িক কথা বলে ভক্তদের উদ্দেশ্যে।
আপনি ভাবছেন বিদেশমন্ত্রী লেজার জয়শঙ্কর বা গরীবের জেমস বন্ড- অজিত ডোভাল, বৈদেশিক ও কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়! অরুন জেটলি বা নির্মলা সীতারামন অর্থনীতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে!
মোদী জামানায় ৯ জন অর্থমন্ত্রকের সেক্রেটারি হয়েছে, বর্তমান জনের নাম অজয় শেঠ। বিতাড়িত অশোক লাভাসা থেকে “কবিশ্রী” রাজীব কুমার- সকলেই এই পদ কলঙ্কিত সরি অলঙ্কৃত করেছে। এদের কাজ কী ধরণের, আজ ভারতেই সকলেই জানে, সৌজন্যে ভোট চুরির ম্যানিপুলেশন ফর্মুলা। এরা IAS ডিগ্রীধারি হলেও, মূলত দিল্লির কেশবকুঞ্জের নেড়ি। কে জানে সুপ্রিম কোর্ট এই ঘেঁয়ো গুলোকেই খাঁচায় বন্দি করার অর্ডার দিয়েছে কিনা!
মোদী জামানার বিদেশ সচিব পদে ২০১৫ সালে প্রথম এ্যাপোয়েন্টমেন্ট ‘লেজার’ জয়শঙ্কর, এরপর যারা এসেছেন- কাগজে লেখা বিবৃতির বাইরে তেমন কোনো কাজ এনাদের করতে হয়নি বা করতে দেয়নি। যিনি কিছু করেছেন এবং তা কার্টেলের পক্ষে, শ্রীংলার মত রাজ্যসভায় যাবার হাতেগরম পুরষ্কারও পেয়েছেন। যিনি বিরুদ্ধে গেছিলেন সেই অশোক লাভাসার ছেলে মেয়েকে জেলে পাঠিয়ে, স্ত্রী ও আত্মীয় স্বজনের নামে মামলা করে, ED এর রেড করিয়ে যাবতীয় হয়রানি করিয়ে, আপাতত এশিয়ান ডেভলপমেন্ট এর একটা পদে পাঠিয়ে তড়িপাড় করে দিয়েছে।
তাহলে অর্থমন্ত্রক আর বিদেশ মন্ত্রকের মত গুরুত্বপূর্ণ
দপ্তর চালায় কে?
💥 ১ কথায় উত্তর- “আদানি ও আম্বানি”।
কীভাবে? চলুন, সেটাই দেখুন।
১) আম্বানির একটা সংস্থা রয়েছে https://www.orfonline.org/, এই সংস্থার ৯৭% ফান্ডিং করে রিলায়েন্স ইন্ড্রাস্ট্রিজ। আমেরিকার সাথে কূটনৈতিক
সম্পর্কের জন্য এই সংস্থার সর্বোচ্চ কর্তার নাম ‘ধ্রুব জয়শঙ্কর’। হুম, ঠিকিই ধরেছেন, লেজার বাবুরই ছেলে। ইনি ভারত সরকার
অনুমোদিত অফিসিয়াল ব্যক্তি। ফলত ট্রাম্পের শপথ গ্রহনে মোদী ডাক না পেলেও মুকেশ
আম্বানি ডাক পায়, সৌদিতে ট্রাম্প এলে আম্বানি ঠিক পৌছে যায়। সমগ্র পৃথিবী জুড়ে ভারত রাষ্ট্রের
হয়ে এই সংস্থা বিদেশনীতি তৈরি করে, বিশেষ করে আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্য অংশে।
২) এর পর রয়েছে India
Foundation, যার মাথায় রয়েছে RSS এর কার্যকর্তা প্রচারক রাম মাধব, আর মূল সংগঠন চালায় শৌর্য্য ডোভাল, হুম- ভক্তদের জেমস বন্ডের ছেলে।
বাকি আরো কিছু কেষ্টবিষ্টু রয়েছে, তারাও ওই গোয়ালঘরের প্রোডাক্ট, বকনা বাছুর ও বৃদ্ধ ষাঁড়ের দল। এরাও ‘গর্ভমেন্ট অফ ইন্ডিয়ার’ অফিসিয়াল
থিঙ্কট্যাঙ্ক, বিদেশ
নীতি ও কূটনীতি তৈরি করে।
৩) এদের সাথে রয়েছে আদানি ফাউন্ডেশনের অধীনস্থ CRF (Chintan Research Foundation), এরা আবার ভারতের অর্থনীতি, বিদেশনীতি ও প্রতিরক্ষা নীতিও তৈরি করে, Govt of India এর হয়ে অফিসিয়ালি। ভোট চুরির ডেটা ম্যানেজমেন্ট নাকি এরাই করতো, তাই ৯ই আগষ্ট থেকে এদের মূল ওয়েবসাইট বন্ধ করে রেখেছে। পাশাপাশি আর একটা সংস্থা আছে আদানির- APSE, এদের কাজ বৈদেশিক বানিজ্য বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেওয়া।
গত ১০ বছরে ভারতে যত বিদেশী রাষ্ট্রদুত ও বানিজ্যিক
প্রতিনিধি দল এদেছে, প্রতেককে ‘হোস্টিং’ করার বরাত পেয়েছিল আদানির এই সংস্থাই। মোদী যখনই বিদেশে
প্রমোদ ভ্রমণে গেছে – উপরোক্ত ৩ ধরণের সংস্থার লোকজনই তার সাথে গেছে। বুঝে গেলেন, কারা মূলত ভারতের অর্থনীতি, বিদেশনীতি আর প্রতিরক্ষা নীতি
নিয়ন্ত্রন, তৈরি
করে চলেছে মোদীর জামানাতে!
➤ https://www.crfindia.org/
বিজেপি ও তাদের ঘনিষ্ট আমলাদের প্রত্যেকের ছেলে-মেয়ে ‘দেশ বিক্রিতে’ নিয়োজিত প্রতিটি ‘দেশাত্ববোধক’ ও ‘হিন্দুত্বে’ ভরপুর সংস্থার মাথায় বসে রয়েছে। আপনার ছেলে জয় শ্রী রাম নাদে মদজিদের চূড়ায় উঠে গেরুয়া উড়াচ্ছে, তরোয়াল হাতে রামনবমীর মিছিল করছে মুসলমান পাড়ার মুখে, স্বাধীনতা দিবসে মাংস কিনতে বাঁধা দিচ্ছে। দলিত আর মুসলমান মেরে নিজেকে হিন্দুত্বের রক্ষাকর্তা ভাবছে। এটাই RSS এর জাতীয়তাবাদ, আপনার ছেলেকে ধর্ম দিয়ে মাতিয়ে রাখবে, ওদের ছেলেরা দেশ বিক্রি করে বিদেশে সেটেল হয়ে যাবে।
দেশের ৭৩% মেইনস্ট্রিম মিডিয়া রিলায়েন্স-জিওর দখলে। হ্যাঁ, হোয়াটস্যাপও, ওখান থেকেই ভক্তদের ইউনিভার্সিটি চলে। বাকি ১৯% মেইনস্ট্রিম মিডিয়া আদানি গোষ্ঠীর। বাকি যে ৮%, সেগুলো বিজেপির সাংসদ সুভাষচন্দ্রের জি-নিউজ, বা অর্ণবদের মত নাগপুরের হাফপ্যান্টওয়ালাদের। আনন্দবাজারের মত আঞ্চলিক ভাষার মিডিয়া গুলোও RSS এর মতাদর্শেই চলে, নাহলে কেন্দ্রের বিজ্ঞাপন পাবেনা, আর সংশ্লিষ্ট রাজ্যের শাসককে খুশি করে চলে এরা।
সংবাদ প্রতিদিন, খবর ৩৬৫, যুগশঙ্খ বা কলম- এই জাতীয় কাগজ গুলো একমাত্র বাচ্চাকে হাগাবার জন্য মায়েরা কেনে। কেরল আর তামিলনাড়ু ব্যতিরেকে অবশিষ্ট ৭% মিডিয়াই নাগপুরের গোয়ালঘর থেকে সরাসরি নিয়ন্ত্রিত হয়। ৯২% মিডিয়া ইতিমধ্যেই গুজ্জু কার্টেলের হাতে। তাই এরা কখনই আপনাকে শুনতেও দেবেনা যে কারা আসলে সরকার চালাচ্ছে। এর বাইরে ২ টাকা পোষ্টের সোস্যাল মিডিয়া ব্রিগেড মহান আঁটসেল তো আছেই মিথ্যা প্রচারের জন্য।
মোদী এই গুজ্জু কার্টেলের বিজ্ঞাপনী ও রাজনৈতিক মুখ মাত্র, দেশের আসল নিয়ন্ত্রক ওই দুই গুজরাতি মাফিয়া, যারা দেশের বিচারব্যবস্থা, নির্বাচনী সিস্টেম, CAG, FCI, UPSC, GST, AGI, ASG সহ প্রায় প্রতিটি ফেডারাল স্ট্রাকচারকে ভেতর থেকে ফাঁপা করে দিয়েছে, উগ্র দেশপ্রেম আর হিন্দুত্বের রঙে সাজিয়ে। তলে তলে নিজেরা দেশ লুঠের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আপনার আমার শ্রমের অর্থ এরা চুরি করছে রোজ, আমাদের পূর্বপুরুষের মেহনতও লুঠ করছে নির্বিচারে- ধর্মের গাজর ঝুলিয়ে।
তাই আপনি আমি যতই দেশ নিয়ে আবেগান্বীত হই না কেন, ভারত পাকিস্তান ম্যাচ হবে, কারন দেশ যারা চালায়- সেই কার্টেল সরাসরি ভাবে এই ব্যবসার মুনাফাখোর। যেদিন কেন্দ্রের সরকার বদলাবে, এদের অধিকাংশই জেলের ভিতরে থাকবে আজীবন, যেকনো মূল্যে ‘সরকার’ নামের সার্কাসটার তাবু বাঁচাতে মরিয়া এরা।
আবার ‘হিন্দু খতরেমে হ্যাঁয়’ মন্ত্র নিয়ে আপনার দ্বারে ছুটে আসবে এরা। আজ হিন্দু নয়, এই চোর গুলো নিজেরা বিপদে পরেছে, তারা ‘খতরেমে’। তাই হিন্দুত্বর আবেগকে বেচতে আসবে মেজো খোকার রূপ নিয়ে, যার পালে হাওয়া দেবে মুসলমানের মসিহা সাজা ‘কয়লা ভাইপোর পিসি’। মিডিয়াতে ন্যারেটিভ সেট হবে বিজেপি-তৃনমূল, আরেকটা দল সেটিং সেটিং করে চেঁচিয়েই মল খসিয়ে ফেলবে। সবাই নিজের নিজের আখের গুছাবে। আর সেই প্রোপাগান্ডার জলোচ্ছাসে আবার যদি ভেসে যান, আপনার আগামী প্রজন্মের পরনের ত্যানা টুকু বাঁচবে কী?
বাঙালী খেদাও ও বাস্তবতা
বাঙালির উপর অত্যাচার আজকে নতুন কিছু নয়। মুম্বাইতে বিহারি খেদাও অভিযান, এটাও খুব পুরানো নয়। আসল কথা গরিবের উপর অত্যাচার। কোন বড়লোকের উপর আজ অব্দি কখনো কোন রাজ্যে, কোন দেশে অত্যাচার হয়নি।
ভাইপো ও চুরি
হ্যাঁ, ভাইপো, চুরি কখনও একতরফা হতে পারেনা। হয়ও নি-
শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫
মমতার ভুয়ো ভোটার শিল্প
আপনি বিশ্বাস করুন বা না করুন, পশ্চিমবঙ্গেও এমন লক্ষ লক্ষ ভুয়ো ভোটার তৈরি করে রেখেছে তোলামূল। প্রতিটি বুথে, প্রতিটি পঞ্চায়েতে, প্রতিটা ভোটার লিস্টে।
বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫
মূর্খ মোদী ও ট্রাম্পের ট্যারিফ
মূর্খ কখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা, গোবর খেকো কোন বাঁদরের সৎ সাহস থাকতে পারে না। নতুবা ট্রাম্পের মত একজন উন্মাদগ্রস্থ রাষ্ট্রপ্রধান সকাল সন্ধ্যা উঠতে বসতে আমাদের দেশের মান ইজ্জত নিয়ে চু-কিতকিত খেলতে পারত না।
বামেদের প্যাক মানি
রাজনীতিতে বিরোধী দলের কাজটা কী? আপদ স্থলে দ্রুত পৌঁছে যাওয়া-
মধ্য বাংলাতে কংগ্রেসের শুধু সাইনবোর্ড বেঁচে আছে, দক্ষিন বাংলাতে সেটাও তোলামূল কিনে নিয়েছে। বিজেপি আর তৃণমূলে প্রভেদ নেই। আমাদের রাজ্যে প্রকৃত বিরোধী বলতে তো শুধু বামেরা, বা আরো স্পষ্ট করে বললে সিপিএম।
অথচ, ঘাটালের বন্যায় গত ৩ দিন ধরে মমতা ব্যানার্জি ফুটেজ খাচ্ছে তোতলা অধিকারীকে পাশে নিয়ে। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে ভাইপো সমানে মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। গতকাল আরামবাগে রীতিমত খিচুড়ি বিলির ফটোশ্যুট করেছে মাননীয়া। সেখানে বামেদের তরফে উল্লেখযোগ্য কেউ নেই। কি আফসোস আমাদের…
মহঃ সেলিম সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক হতে পারেন, কিন্তু মানুষ তো তাকে শোনেনা, শুনতেও চায়না। চালচোর বাদে গোটা রাজ্য যাকে শোনার জন্য মুখিয়ে থাকে সেই ‘মীনাক্ষী মুখার্জীর’ পায়ে বেড়ি পরারাবার জন্য কী সাদাচুল ওয়ালা রাজ্য নেতৃত্ব কালীঘাট থেকে ‘প্যাক-মানি’ নিয়ে কী তাদের হয়ে খেপ খাটছে?
মমতাকে হারাতে গেলে আগে তার ইমেজ খেতে হবে। যুব বামেদের উৎসাহ বা সাহসের তো ঘাটতি নেই। তাদের কেন আঁটকে দেওয়া হচ্ছে? মমতার চেয়ে ২ মিনিট আগে যেখানে ভেবে ফেলতে হবে, আর উপদ্রুত অঞ্চলে ১ মিনিট আগে পৌঁছে যেতে হবে; সেখানে ময়দান প্রায় ফাঁকা।
বাঁকুড়াতে না খেতে পেয়ে লোক মরে গেছে, আরো পাঁচজন নাকি লাইনে আছে। আমরা কেউ বলছি না, এটা গণশক্তি নিজেই ছাপিয়েছে। সেখানে কোন রাজ্য নেতারা গিয়ে পরে আছে? এত বছরে তাদের কেন আধার কার্ড হয়নি, এই প্রশ্নের উত্তর কেউ খুঁজতে গেছে? বেঁচে থাকা লোকেদের আধার কার্ড করিয়ে পঞ্চায়েত থেকে একটা কিছু ব্যবস্থা করবার চেষ্টা কেউ করতে গেছে? টিভি খেঁউড়ে দেবাংশুকে হারিয়ে রাজা উজির মারা সোস্যালমিডিয়া মিম বানাতে বানাতে আসলে এরা নিজেরাই দেবাংশুর লেভেলে নেমে গেছে।
কোনো ফেবু আতেল সাজা বাম্বাচ্চা প্রশ্ন করতেই পারে, সেখানে কী স্থানীয় কমরেডরা নেই! আরে ভাই যে স্থানীয়েরা পোলিং এজেন্ট বসাতে পারেনা, তারা করবে ডাইরেক্ট মমতার ইমেজের মোকাবিলা? যেটুকু ক্যামেরা জোটে মীনাক্ষী গেলেই তবেই, নতুবা ক্যামেবা বা মাইক্রোফোনের বুম ফাঁকা। এই কারণে আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভোগা নেতারা প্রায় মীনাক্ষীকে বগলদাবা করে নিয়ে যায়। জনগণ সব বোঝে, পার্টিকর্মীরাও।
মমতার প্রতিদ্বন্দী হিসাবে মানুষ যাবে বরণ করে নিয়েছে, সেই মীনাক্ষীকে কে বা কারা আঁটকে দিচ্ছে বারে বারে? এর উত্তর তোলামুল বিরোধী মানুষ তো চাইছে, চোর মমতার বিকল্প তো চাইছে। পার্টি সেলিম সাহেবকে সেনাপতি বানালেও বাংলার মানুষ স্বতস্ফুর্ত তাদের সেনাপতি বেছে নিয়েছে মীনাক্ষীকে, কাকে বাঁচাবার জন্য এই লুকোচুরি হে মহান আলিমুদ্দিনের বৃদ্ধতন্ত্র?
করোনার সময় রাজ্যের মাত্র দুটো এলাকা দিয়ে পরিযায়ীরা ঘরে ফিরেছিল। পশ্চিম মেদনীপুর আর পশ্চিম বর্ধমান, সেদিন শ্রমিকদের ফ্রন্টে সামনে থেকে গোটা বিষয়টা নেতৃত্ব দেওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে সকলে আজকে আছে? কেউ নাকি সম্মেলনের নাম করে যে যার মত চেয়ার গুছিয়ে নিয়েছে বাকিদের ল্যাঙ মেরে দিয়েছে। ইতিহাস আমরাও পড়েছি, কমরেড হরেকৃষ্ণ কোঙারক এর মত ব্যাক্তিকেও পলিটব্যুরোতে স্থান দেওয়া হয়নি। আন্তঃ পার্টি সংগ্রামের নামে ল্যাঙ মারামারির খেলার বাইরে আরো কোনো উত্তর আছে কী আজকের কোনো নেতৃত্বে কাছেও?।
অথচ মমতার সাজানো পরিযায়ী অত্যাচার বা বাঙালী বিদ্বেষে- সেই শ্রমিক নেতাদের নাম শোনা গেছে কোথাও! অধিকাংশ ক্ষেত্রে আলুমিদ্দিনে বসে একটা বিবৃতি দিয়ে দায় সেরে ফেলা নেতারা শুধু ফুটেজ খাবে যদি ক্যামেরা পায়। কোথায় মুর্সিদাবাদের ডোমকল বা কান্দির রাস্তা জ্যাম করে দেবে, গাজোল, সূজাপুরে র্যালি করবে, ইসলামপুরে হত্যে দিয়ে বসে থাকবে একটা দল~ তা না করে কোলকাতার রাস্তায় ধাষ্টামো মিছিল করছে। এরা মানসিক ভাবেও দেউলিয়া হয়ে আছে, এদের রাজনৈতিক মৃত্যু না হলে বাংলার বিরোধী রাজনীতি স্থবিরতার কলঙ্কমুক্ত হবেনা।
আগামী ৮-৯ মাসের মাথায় ভোট, টিকিট পেতে ১০৮টা গণসংগঠন আর শরিকদের নামে- ১৮০টা এঁটোখেকো আরসোলার দল, নানান ফাঁকফোঁকর থেকে বেরিয়ে আসবে ভোটে দাড়াতে। আজকে এই সময় আন্ডুপান্ডুর দল কোথায় আছে! যারা রাস্তায় ৎথাকবে সারাবছর তারা ধুহুল চুষবে, আর ভোটে দাঁড়াবে আতরমাখা বাবুবিবির দল- মানুষকে চার অক্ষরের বোকা ভেবেই আজ শূন্য। বন্যার জল আঁটকানো যায়না বালির বাঁধ দিয়ে, আবার ১৬৬৪ সালের মত আরেকটা নতুন বামদল জন্ম নিলে এই অকর্মা বৃদ্ধতন্ত্রই দায়ী থাকবে।।
বাম দলের জনপ্রিয় স্লোগান- ‘জাতের নয় ভাতের লড়াই’, সেখানে ভাত বিলির মত স্থানে যদি মীনাক্ষীরা স্বদলবলে না থাকে সময়ের দাবী মেনে এবং মমতার ফুটেজ খাওয়ার আগে; সম্মেলনের ফাঁসে আঁটকে পরা একটা শহুরে বাবুদের ‘বামনামধারী’ দল- আগামী ২৬এর নির্বাচনেও আর্যভট্ট আবিষ্কার হয়েই ইতিহাসের পাতা থেকে ৩৪ বছরের ঢেকুর তুলতে থাকবে, মিলিয়ে নেবেন।
ওহ, আপনাদের তো আবার একটা পিঠ বাঁচানো বুলি আছে- ‘অতি প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী’
বলে বিরুদ্ধ আওয়াজকে ধামাচাপা দেওয়ার। এমনটা চলতে থাকলে তোলামুল বিরোধী সাধারণ জনগনেরও
একটা ভাষা আছে- দালাল।
বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫
নকিবদ্দিন সেখ
১৯৫২ সালের ভোটার লিষ্টে বাবার দাদুর নাম খুঁজে রেখে দেওয়া হলো। নকিবদ্দিন সেখ, পিতা বাবুলাল।
মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫
দেশদ্রোহী এ্যান্টি সেমেটিক
ভক্তদের কে প্রশ্ন করুন,বেছে বেছে সংখ্যালঘু ও আদিবাসী নির্যাতন কেন হচ্ছে!
ফেসবুকীয় সিপিএমঃ ফিউজড আইনগাইডেড কামিকাজে ড্রোন
ফেসবুকের ‘সিপিএম’ নামক এই চুড়ান্ত আঁতেল ও প্রায় সর্বজ্ঞ গোষ্ঠীটার পূর্ণ বোধোদয় বা পূর্ণ বিনাশ না ঘটা অবধি রাজ্যের বাম নেতৃত্বের খুব বেশী ...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
