উম্পুনে গোটা দক্ষিণবঙ্গের উপর দিয়ে স্টিম রোলার চলে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নেই, খোদ কোলকাতাও চুড়ান্তভাবে আক্রান্ত। অন্তত ১০ বছর পিছিয়ে গেলাম আমরা। প্রকৃতির রোষের কাছে আজও সভ্যতা অসহায়।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২০
Cyclon Amphan: save Bengal
জাতীয় মিডিয়াগুলো চোখে নিরোধ লাগিয়ে বসে অন্য তর্জা করছে যারা মেটিয়াব্রুজের কোন দর্জির ছেলে খোলা ড্রেনে পায়খানা করলে বলে করোনা ছড়াচ্ছে, দাঙ্গার খবর গুলো দ্রুত কী সুন্দর চারদিকে ছড়িয়ে দিয়ে TRP কুড়ায়। আজ তাদের সামান্যতম কভারেজ নেই বাংলা নিয়ে। এরা নাকি আবার জাতীয় মিডিয়া! বাঙালি কি জাতির বাইরে?
কেন্দ্রীয় সরকারও হাতের কর গুনতে ব্যাস্ত, যেন কিছুই হয়নি এমন ভাব। বাংলার প্রতি বিজেপি পরিচালিত সরকার এমনিতেই বাম হাতে কোনো মতে পূজোর ফুলটা ছুড়ে দেয়, এক্ষেত্রেও বৈমাত্রেয় মানসিকতা সেই একই।
এরা মানে মোদী-শাহ সত্যিই যে তৃতীয় কোনো শক্তি দ্বারা পরিচালিত হয় তা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে সাধারন মানুষের কাছে। খোজা সরকার যেন কোনো প্রভুর নির্দেশের প্রতীক্ষাতে রয়েছে। যেমন ঔপনিবেশিক কালে ব্রিটিশ প্রভুদের গোলাম হয়ে চলত এদেশের তাবড়-তাবড় রাজা মাহারাজারা।
এ কোন গণতন্ত্র? এ এক অদ্ভুত আঁধার। একদিকে মানুষ সর্বশ্রান্ত অন্যদিকে রাষ্ট্র মৌন বুদ্ধের মত কি আশ্চর্য নির্বিকার নিরুত্তাপ নির্লিপ্ত। এরাই ২ দিন পর কাঁদুনে মুখ নিয়ে সেই অদৃশ্য প্রভুর নির্দেশে মড়াকান্না কাঁদতে আসবে।
ছিঃ
করোনা ন্যাংটা করে দিয়েছিল সরকারকে, পরিযায়ী শ্রমিকেরা তাদের হিংস্রতাকে নগ্ন করে দিয়েছিল, উম্পুন সাইক্লোন সরকারের নির্বীজতা দেখিয়ে দিল। এরা যারা ক্ষমতায় আছে, তারা ভাড়াটে পোশাক পরা যাত্রাশিল্পী, যারা নাম ভুমিকায় অভিনয় করছে।
কুশিলব যে ই হোক-
দাবি উঠুক, অবিলম্বে "জাতীয় বিপর্যয়ের" আওতায় দ্রুত বিশেষ আর্থিক বরাদ্দ দরকার, জনজীবনকে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনতে। রাজনৈতিক পরিচয়ের উর্ধ্বে উঠে মানুষের কাছে পৌছাক নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস। কেন্দ্রের কাছে দরবার করুক রাজ্য প্রশাসন ও মানুষের ভোটে জেতা জনপ্রতিনিধিরা।
বিজেপিগসের ১৮টা নমুনার কাজ কি?
করোনার ক্রান্তিকালে তাদের একপিসকেও দেখেছেন মানুষের জন্য মানুষের পাশে দাঁড়াতে?
দাঙ্গা সংগঠিত করার বাইরে তারা কি করেছে?
এর সাথে আছে একটা কাঠিবাজ রাজ্যপাল, ঝালেঝোলে অম্বলে সবেতে থেকে শিরোনামে থাকাই যার মুখ্য উদ্দেশ্য। এনার পদের মুরোদটা এবার দেখার রয়েছে, 'নূন্যতম' কি করতে পারেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরবতায় তিনি কিন্তু এখনও পর্যন্ত অপমানিত বোধ করেননি।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না
⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন