শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২০

টেলিগ্রাম মেসিজিং এ্যাপস



হোয়াটস অ্যাপ নিঃসন্দেহে এই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ। হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ পাঠানো সম্পূর্ণ নিরাপদ, এত কাল এমনটাই ভেবে এসেছেন আপনি; কিন্তু এটা যে মোদী জামানা, সুতরাং এখানে এনস্ক্রিপ্সন ধাপ্পার উপরে নির্ভর করে আঁখি দাসেরা RSS-বিজেপির কাছে সম্পূর্ণ রূপে বিক্রি হয়ে বসে রয়েছে। আর বিক্রি হয়েছে বলে তবে না নাগপুর হোয়াটস অ্যাপকে ইউনিভার্সিটি বানিয়ে তুলেছে ভক্তদের জন্য, যে মাধ্যমে মিথ্যা ও ঘৃণা শব্দের চেয়েও দ্রুতগতিতে দৌড়ায়। অথচ আপনার সামান্য একটা নিরীহ লেখা বা ছবি যেখানে মোদীজীর সমালোচনার কথা রয়েছে তা যেকোনো সময় ব্লক হয়ে যেতেই পারে, এমনকি হোয়াটস অ্যাপও। এখন তো সরকারি ভাবেই জিও-হোয়াটস অ্যাপ-নাগপুর-জুকারবার্গ-রবিরঞ্জন-আঁখি দাস-উন্নয়ন-আচ্ছেদিন সবই একটা ছাতার তলায়, শিল্পের ভাষায় সিংগেল উইণ্ডো। যারা ভেবেছেন আমরা বোধহয় হোয়াটস অ্যাপে সুরক্ষিত, ভুল ভেবেছেন এত দিন। হোয়াটস অ্যাপে আপনার গোপনীয়তা আদৌ সুরক্ষিত নয়, বরং আপনার প্রতিটি মেসেজই রাষ্ট্রে বিক্রির দালাল তথা স্বঘোষিত দেশপ্রেমিকদের দ্বারা নজরবন্দী।

তাহলে উপায়? End to end এনক্রিপ্টেড মেসেজিং সার্ভিসের দিন কি তাহলে শেষ?

দেখুন শেষ কিনা জানি না, কিন্তু বেশি ভালো ভালো নয়- সেই সূত্র মেনে পাশাপাশি অন্য আর কিছু বিকল্প কি ট্রাই করা যেতে পারে না, বিশেষ করে তাদের জন্য যারা ফেসবুক গোষ্ঠীর দ্বারা RSS এর রক্তচক্ষুর শিকার হয়েছেন বা হয়ে চলেছেন। অনেকেই একে অক্সিমরোন বলবেন, কিন্তু দেখুন সোনার পাথরবাটি না হলেও সোনার বাটি কিন্তু হয়। অতএব কেন পড়ে আছেন হোয়াটস অ্যাপে, অন্য বিকল্প ট্রায় করে বুঝিয়ে দিন যে- কাল এই জিনিস ফেসবুকের সাথে হওয়াটাও অসম্ভব কিছু নয়। সাম্প্রতিক অতীতেই অর্কুট নামের এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিল নেট দুনিয়াতে, যেমন ছিল নোকিয়া ফোন বা ফুজি ফিল্ম বা hmt ঘড়ি। কালের নিয়মে এরা সকলেই হারিয়েছে, সুতরাং ফেসবুকই একমাত্র বিকল্প এমনটা নাও থাকতেই পারে নিকট আগামীতে। তাই খুব স্বল্প ক্ষমতা দিয়ে আপনার আমার মতো প্রান্তিক গ্রাহকেরা জাস্ট একটা টোকা দিয়েই দেখি না, লক্ষ লক্ষ টোকা ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের মতো কাঁপুনি ধরিয়ে দেবে ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কের অফিস বাড়িতে।

কথা বলছি টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপ নিয়ে, তবে এটা কোনো পেইড বিজ্ঞাপন নয়। আমার টেলিগ্রামের প্রতি ভালোলাগা থেকে এই লেখা। টেলিগ্রাম হলো সিকিউরিটি ও প্রাইভেসির জন্য অন্যতম পরিচিত একটি অ্যাপ, যা দীর্ঘ ৭ বছর ধরে পরিষেবা দিয়ে আসছে। এটি কখনোই থার্ড পার্টির কাওকে আপনার কোন তথ্য দেয় না, বা দিয়েছে বলে এমন কোনো অপশ্রুতি বাজারে নেই। তথ্য না দেওয়ার কারণে অধিকাংশ দেশের সরকারের রক্ত-চক্ষুর মুখে পড়েছে টেলিগ্রাম, কিন্তু তারা নিজেদের সিদ্ধান্তে অবিচল। এখানে আপনি নির্দিষ্ট একটা সময় পর্যন্ত এক্টিভ না থাকলে অটোমেটিক ভাবে আপনার একাউন্টটি সিস্টেম থেকে ডিলিট হয়ে যাবে, যা “Self Destructing” নামে পরিচিত, আর এই পিরিয়ডটা আপনি নিজেই সেট করতে পারবেন যে, ঠিক ‘কতদিন আমি ব্যবহার না করলে এটা অটো ডিলিট হয়ে যাবে’। তাই এমন একটা প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী মানেই খরিদ্দার এমনটা মনে হয় না, অন্তত আজকের তারিখ পর্যন্ত।

টেলিগ্রাম ব্যবহার না করার জন্য আপনার বহু কারণ থাকতে পারে, আবার হোয়াটস অ্যাপ না ছাড়ার জন্যও লক্ষ কারণ থাকতেই পারে- আমার উদ্দেশ্য আপনাকে কনফিউজড করা নয়- উদ্দেশ্য আপনার কাছে বিকল্পটা সম্বন্ধে একটা স্বচ্ছ ও পরিষ্কার ধারণা দেওয়া। তবে সে যাই হোক না কেন এটি একটি পোক্ত মেসেজিং অ্যাপ এ নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহারকারিদের কাছে এর চেয়ে দুর্দান্ত বিকল্প এই মুহূর্তে আর নেই। যদিও মাইক্রোসফটের কাইজালা বা সিগন্যাল নামের দুটো অ্যাপও রয়েছে কিন্তু টেলিগ্রাম কিছু বিষয়ে একেবারেই অনন্য। এখানে গর্ভমেন্ট অফ ইন্ডিয়ার MyGov নামে চ্যানেল আছে, চেক করে দেখতে পারেন, যেখানে ২৫ লক্ষেরও বেশি সদস্য রয়েছে।

দুই রাশিয়ান ভাই- পাভেল জুরভ এবং নিকোলাই জুরভ এই সফটওয়্যারের জনক। এতে হোয়াটস অ্যাপের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা পাওয়া তো যায়ই, বরং আরও বেশি কিছু আছে এতে। তাছাড়া, ব্যবহারের দিক থেকে হোয়াটস অ্যাপের চেয়ে টেলিগ্রাম আরও বেশি ‘নিরাপদ’ ও ‘কার্যকর’ নির্মাতাদের দাবি অনুযায়ী, অ্যাপটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা এতই জোরদার করা রয়েছে যে, কেউ এটি ভাঙতে পারলে তাকে দুই লাখ ডলার পুরস্কার প্রদানের ঘোষণাও রয়েছে। টেলিগ্রামের সাত বছর পূর্ন করল মাত্র কয়েক দিন আগে, এর যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৩। এদের একমাত্র মোটো হচ্ছে সুরক্ষিত বার্তাপ্রেরণের উপর ফোকাস। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ৫০ কোটিরও বেশি টেলিগ্রাম ব্যবহারকারী রয়েছে, সর্বাধিক ডাউনলোড হওয়া ১০ টি অ্যাপের মধ্যে টেলিগ্রাম অন্যতম।

এছাড়া টেলিগ্রাম একটি নন-প্রফিট কোম্পানি আর এর ক্লায়েন্টস হলো ওপেন সোর্স। নির্মাতা পাভেল জুরভ এবং নিকোলাই জুরভ জানিয়েছে, টেলিগ্রাম অ্যাপটিতে কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে না বা কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে এটি বিক্রিও করা হবে না ভবিষ্যতে, না করা হবে কোনো প্রকারের কর্পোরেট লগ্নি। অ্যাপটির পরিচালনার জন্য যদি কখনও অর্থের প্রয়োজন হয়, তবে ব্যবহারকারীদের কাছেই অনুদান চাওয়া হবে- যেভাবে উইকিপিডিয়া ক্রাউড ফান্ডিং করছে।

যে কারণে টেলিগ্রাম ব্যবহার করবেনঃ

একটা সময় পর্যন্ত টেলিগ্রামে ভিডিও কল করা যেত না, কিন্তু ১৫ই আগষ্ট ২০২০ সালে তাদের নতুন আপডেট ভার্সন তথা আলফা ভার্সনে ভিডিও কলের সুবিধা একে দুর্দান্ত বানিয়ে তুলেছে।

১) প্রাইভেসি: টেলিগ্রামের প্রতিটি মেসেজগুলো কঠোরভাবে এনক্রিপড করা। আপনার মেসেজগুলি হ্যাকারদের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখে, তেমনই রাষ্ট্রের নামে থাকা বেনামি দালালদের বদ মতলবের নজর থেকেও আপনার ব্যক্তি স্বাধীনতা হরণ হয় না।

২) ক্লাউড-বেসড সার্ভিসঃ যার জন্য আপনি অনেকগুলো ডিভাইসের মাধ্যমে একটাই টেলিগ্রাম ব্যবহার করতে পারবেন অনায়াসে। এর মধ্যে এন্ড্রয়েড, আইওএস, উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক উল্লেখযোগ্য। এমনকি Web এও ব্যবহার করতে পারবেন। যেটা আগে ছিল না, এখন বাংলা ফন্টও সাপোর্ট করে।

৩) ফাস্টঃ টেলিগ্রাম অন্যান্য সকল এই জাতীয় অ্যাপ্লিকেশনের থেকে দ্রুত মেসেজ আদান-প্রদান করতে সক্ষম। প্রতিটি মেসেজের রিপ্লাই দেওয়া যায় বা মেসেজটিকে ফরোয়ার্ড করার সুবিধা রয়েছে।

৪) ডিস্ট্রিবিউটেডঃ নিরাপত্তা ও গতির জন্য টেলিগ্রামের সার্ভার বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত।

৫) ওপেন: টেলিগ্রামের উন্মুক্ত API ও Protocol যা সবার জন্য ফ্রি।

৬) ফ্রিঃ টেলিগ্রাম চিরদিনের জন্য ফ্রি। এতে কোনো ধরণের বিজ্ঞাপন বা সাবস্ক্রিপশন ফি নেই।

৭) অ্যানিমেটেড ইমোজিঃ আপনাকে আনন্দ দান করার জন্য টেলিগ্রামে থাকা হরেক অ্যানিমেটেড ইমোজিগুলো শুধু অনবদ্য বললে কিছুই বলা হয় না, এটার মজা শুধু সেই জানে যে ব্যবহার করেছে এই ইমোজি।

৮) পাওয়ারফুলঃ টেলিগ্রামে আপনি যেকোনো সাইজের মিডিয়া এবং ডকুমেন্ট (যে কোনো ধরনের) পাঠাতে পারবেন এটাচমেন্টে। সেখানে আপনি ভিডিওর কোয়ালিটি নিজেই কন্ট্রোল করতে পারবেন।

৯) সিক্রেট চ্যাটঃ অনেকের কাছে খুবই কাজের একটা জিনিস। সিক্রেট চ্যাটে যে বার্তা আদান প্রদান করা হয়ে থাকে তা প্রেরক ও প্রাপক ছাড়া কেউ দেখতে পারবে না, এমনকি যারা এটি বানিয়েছে তারাও দেখতে পারবে না।

১০) একাধিক ফোন নম্বর ব্যবহারঃ আপনার যদি কখনও নিজের ফোন নম্বর পরিবর্তন করার দরকার পরে, সেক্ষেত্রে অনায়াসে আপনার সমস্ত কনট্যাক্ট লিষ্ট এবং অন্যান্য তথ্যপঞ্জী নতুন নম্বরে স্থানান্তর করতে পারেন। আপনার চ্যাট বা কনট্যাক্ট গুলির কোনো ক্ষতি না করেই আপনি সহজে আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে সংযুক্ত ফোন নম্বরটি পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। যে নম্বরটি ব্যবহার করছেন তা পরিবর্তন করতে, বাম দিকের মেনুটি স্লাইড করুন, সেটিংস খুলুন এবং অ্যাকাউন্টে থাকা আপনার ফোন নম্বরটিতে আলতো চাপুন। তারপরে পরিবর্তিত নম্বরটি লিখে দিয়ে নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন। কেল্লা ফতে-

১১) একই সাথে দুটো একাউন্টঃ আপনি যদি নম্বর পরিবর্তনের পরিবর্তে দ্বিতীয় আরেকটা নম্বর যুক্ত করতে চান, যেমন ফেসবুকে একাধিক একাউন্ট করা যায় তেমন- তাহলে টেলিগ্রামের বিকল্প আর কিছু নেই। বাম পাশের মেনুতে অ্যাকাউন্টের স্যুইচারটি প্রসারিত করে আপনার পরিচিতির তথ্যটিতে আলতো চাপুন এবং অ্যাকাউন্ট যুক্ত করুন যতগুলো খুশি। একাধিক মেসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার না করেই আপনার ব্যক্তিগত এবং পেশাদার জীবনকে আলাদা রাখতে এর জুড়ি নেই।

১২) একাধিক প্রোফাইল ফটোঃ বহুগুণের কথা বললে- নিজের একাধিক পছন্দের ছবি ডিপিতে কে না রাখতে চায়, আর এর জন্য টেলিগ্রাম হলো সবচেয়ে সেরা স্থান, এই সিস্টেম আপনাকে অতিরিক্ত প্রোফাইল ফটো আপলোড করতে অনুমোদন দেয়। সর্বশেষতম ছবিটি আপনার পরিচিতিগুলির প্রোফাইল ছবি হিসাবে দেখা গেলেও যে কেউ আপনার বাকী ছবিগুলি দেখতে চাইলে শুধু তাকে সোয়াইপ করার কষ্টটুকু করতে করতে হবে।

১৩) আপনি যেকোনো সময় যেকোনো মেসেজ ডিলিট করে ফেলতে পারেন, এই মাধ্যমে তার পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে।

১৪) কাস্টমাইজ থিমঃ টেলিগ্রামে আপনি ডিফল্ট বর্ণের রঙ এবং পটভূমির সামঞ্জস্য যেকোনো সময় বদল করে ফেলতে পারেন আপনার মনের রঙ দ্বারা। আপনি টেলিগ্রামটিকে ঠিক যেভাবে দেখতে চান তেমনই রঙে রাঙানোর স্বাধীনতা পেয়ে যাবেন স্বয়ংক্রিয় নাইটমোডের সুবিধা সহ। চাইলে ব্যাকগ্রাউন্ডের ছবিটিও আপনি আপনার ফোনের গ্যালারি থেকে বেছে নিতে পারবেন।

১৫) প্রক্সি সার্ভারে ব্যবহারের স্বাধীনতাঃ আপনি যদি টেলিগ্রামটিকে এমন এক অঞ্চলে ব্যবহার করতে চান যেখানে এটির ব্যবহারকে অবরুদ্ধ করা হয়েছে, সেক্ষেত্রেও বিন্দাস থাকুন। টেলিগ্রাম ফাংশনটির সকল সময় আপনাকে প্রক্সি সার্ভারের মাধ্যমে সংযোগ করার অনুমতি দেয়। বেশিরভাগ সময়, আপনার ফোনে একটি ভিপিএন ব্যবহার করেই করা যেতে পারে।

প্রক্সি সার্ভার ব্যবহার করতে, সেটিংস> ডেটা এবং স্টোরেজ> প্রক্সি সেটিংস।এবারে উইজ প্রক্সি এনাবেল করুন এবং প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্য পূরণ করে দিন, ব্যাস। প্রয়োজনে সার্ভার সম্বন্ধীয় তথ্য অনলাইনে খুঁজে পেয়ে যাবেন।

১৬) হ্যাশট্যাগঃ টেলিগ্রামে হ্যাশট্যাগ সুবিধা উপলব্ধ, আপনি যদি হ্যাশট্যাগটি ট্যাপ করেন তবে সেই নামে করা আপনার সমস্ত পূর্ব লিখিত বার্তা গুলো সহজে খুঁজে পেয়ে যাবেন, যা অনুসন্ধান করা বা নিজের জন্য তথ্য শ্রেণীবদ্ধ করা অত্যন্ত সহজ করে তোলে।

১৭) গ্রুপের সদস্য সংখ্যাঃ হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে যেখানে সর্বোচ্চ ২৫৬ জন মাত্র মেম্বারকে যোগ করা যায়, সেখানে টেলিগ্রাম আপনাকে একটি গ্রুপে সর্বোচ্চ দুই লক্ষ সদস্যকে যোগ করার স্বাধীনতা দেয়।

১৮) এখানে আপনি নিজের নামে চ্যানেল খুলতে পারেন।

১৯) পিন পোস্টঃ গ্রুপ বা নিজস্ব চ্যানেলের জন্য জরুরী বার্তাগুলোকে পিন পোস্ট আকারে গ্রুপের শুরুতেই সেঁটে রাখতে পারবেন ফেসবুকের মতো। একটি মেসেজ আলতো চাপুন এবং এটিকে চ্যাটের শীর্ষে রাখতে পিনটি চয়ন করুন, যেখানে প্রত্যেকে সহজেই এটি উল্লেখ করতে পারে। আপনি যদি এডমিন হন, সেক্ষেত্রে যেকোনো মেসেজকে আপনি এডিট করতে পারবেন।

২০) এখানে ছবি বা ভিডিও খুললেই তা অটোমেটিক গ্যালারিতে জমা হয় না, যেটা আপনি গ্যালারিতে সেভ করতে চান অপসনে গিয়ে তা সেভ করলে তবেই তা সেভ হবে, নচেৎ নয়।

২১) গোপনীয়তা এবং সুরক্ষা নিয়ন্ত্রণঃ গ্রুপের মধ্যে আপনি নিজের অ্যাকাউন্টটি আরও ব্যক্তিগত করতে চাইতে তা অনায়াসেই করতে পারেন। গোপনীয়তার বিকল্পগুলি পরিবর্তন করতে, সেটিংস> প্রাইভেসি এন্ড সিকিউরিটি তে গিয়ে- কে আপনার ফোন নম্বর, এক্টিভ স্ট্যাটাস এবং আরও অনেক কিছু দেখতে পাবে আর কার থেকে লুকাবেন তা অনায়াসেই ঠিক করতে পারবেন।

২২) এছাড়া আপনি ফিঙ্গারপ্রিন্ট লক বা পাশওয়ার্ড লক করে আপনার অ্যাপটিকে সুরক্ষিত করতে পারবেন।

২৩) টেলিগ্রামের যেকোনো মিডিয়াকে সরাসরি যেকোনো অন্য মাধ্যম যেমন হোয়াটস অ্যাপ, ফেসবুক, ইমেল বা অন্য কিছু ক্ষেত্রে শেয়ার করার সুবিধা আছে সেটিকে ডিভাইসে ডাউনলোড না করেই।

২৪) লাইভ লোকেশন পাঠাতে পারবেন।

২৫) সর্বোপরি, অতিরিক্ত মেসেজের দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা গ্রুপের দ্বারা বিরক্ত হলে আপনি অনায়াসে সেই চ্যাটবক্সটি থেকে লিভ না করে মিউট করে রেখে দিতে পারেন।

এছাড়াও আর অনেক অনেক আকর্ষনীয় ফিচার্স রয়েছে যেগুলোর খবর হয়ত আমি নিজেই জানি না, আপনি ব্যবহার করতে করতে আবিষ্কার করবেন।

উপরে বর্ণিত প্রতিবেদনটি পড়ে আশা করি এবার বুঝতে পেরেছেন কেনো টেলিগ্রাম ব্যবহার করবেন।

তথ্যঃ মেক ইউস অফ,
বাংলা নিউজ এইট্টিন

সম্পাদনাঃ তন্ময় মিস্ত্রী

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...