শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

শিল্প পতি সৌরভ গাঙ্গুলী

 


অপর্ণা- কৌশিক থেকে শাঁওলী, বাইচুং, প্রসুন থেকে লক্ষী-মোনজ, ওদিকে সন্ধ্যা রায় থেকে অদিতি মুন্সী- দেব থেকে শুভাপ্রশন্ন হয়ে ব্রাত্য বসু, এমনকি হালের সায়নী থেকে অপগণ্ড সায়ন্তিকা, কিম্বা টিকটক স্টার সুজতা মণ্ডলকেও ছাড়েনি পিসি। সিমি থেকে হিন্দু সংহতিমঞ্চ, এঁটোকাঁটা খেকো সাংবাদিক- যার যতটুকু ফেম ছিল- অর্থ আর যশের লোভ দেখিয়ে পাবলিক্যালি তাদের সবটা নিংড়ে ব্যবহার করে নিয়েছে উন্ননেশ্বরী। অবশ্য যারা এসেছিল তারাও কম কিছু লাভবান হয়নি উপযোজী মডেলে।

এখন আর শতাব্দী চিরঞ্জিৎকে দেখতে বাচ্চারাও জোটেনা, সোহম বা কবি সুবোধের থেকে রানু মণ্ডলের ক্রেজ বেশী। অথচ শিয়রে লোকসভা, চমক চাই

যেকোনো নেটো বা যাত্রাপালাতে চমকটাই মূল আকর্ষণ - বাকি সবই গতে বাঁধা। তাই সুপার সাইক্লোরামা আলো, কখনও ঘূঁর্নায়মান মঞ্চ তো কখনও বুগিবুগি ড্যান্স- যাত্রার শুরুতে লোক জড়ো করতে এই ভড়ং গুলো বড্ড জরুরী

যারা মাদারীর খেলা দেখায়- তারা মূলত মাদুলি বা শেকড়বাকড় তথা তেল ইত্যাদি বেচে, কিন্তু বাঁদর নাচ বা মাদারির খেলা না দেখালে লোক জড়ো হবেনা

রাজ্যে এখন তাজা বাঁদরের বড় অভাব, অতীতের সব বাঁদর এখন উন্নয়নের কলা খেয়ে আত্মলিঙ্গমপশ্চাদপুরম দশা। কমবেশী সকলেই প্রতিষ্ঠিত চোর যা নিয়ে তাদের কোনো হীনমন্যতা নেই, বরং চোর হিসাবে কাগজে নাম না উঠলে বা তদন্তকারী সংস্থা না ডাকলে এদের বাড়ির লোক বিশ্বাসই করেনা যে তোলামূল দলে কল্কে পেয়েছে এরা

এখন এই আকালের বাজারে সৌরভ ছাড়া তেমন মুখ কই, যাকে দিয়ে সর্বভারতীয় ভাবে চমক দেওয়া যায়। BCCI থেকে একপ্রকার বিতারিত হয়ে প্রায় কর্মহীণ মিঃ গাঙ্গুলী। পাপা-কি-পরা জয় শাহ এর বোর্ড- কমেন্ট্রিতেও নেয়না। এমতাবস্থায় একটা রাজ্যসভার টিকিট- আগামী ৬ বছর ধরে মাসিক ৪-৫ লাখের একটা নিশ্চিত রোজগার দেবে। অতঃপর অবশিষ্ট জীবনভর পেনশনের নিশ্চয়তা।

জগমোহন ডালমিয়ার নিজশ্ব ব্যবসা ছিল, ক্রিকেট পরিচালনাতে ছিল মূলত যশের লোভে, বাকিটা ক্রিকেটের প্রতি ভালবাসা। সেখানে গাঙ্গুলী বাবুর ক্রিকেটই রোজগারের জাইগা, যে দুয়ার আপাতত বন্ধ। সুতরাং, নিত্য রোজগারের একটা তো জাইগা চা- নাকি! তাছাড়া একজন প্রতিষ্ঠিত ধান্দাবাজের কাছে এটাই স্বাভাবিক

কে ছাড়ে এমন সুযোগ! কোনো ব্যবসায়ীই এটা ছাড়বেনা। ফ্যাক্টিরি ট্যাক্টরির কথা হলো- ঐ পার্সেলের মোড়ক, যেটার কাজ শুধু আসল বিষয়টা বহনে, মূল জিনসটা সার্ভ হয়ে গেলে প্যাকেজ তখন আস্তাকুঁড়ে চলে যাবে

এই আরকি-

 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নাগপুর ও শিক্ষা দূুর্নীতি

পেপার লিক বা প্রশ্নপত্র ফাঁস কোন বিচ্ছিন্ন দুর্নীতি নয়।  এটা একটা পরিকল্পিত অর্থনৈতিক মডেল যেটা সরাসরি নাগপুর থেকে পরিচালিত হয়। এটার পেছনে...