আপনাদের কি কোনো লজ্জা শরম অবশিষ্ট আছে? না এমনটা বলছিনা যে আগেও আপনাদের হায়া শরম ছিল, না আপনারা কখনও দাবী করেছিলেন যে আপনাদের লজ্জা বা ইজ্জত রয়েছে।
লর্ড শুভঙ্কর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হবার পর থেকে টানা বলে চলেছে আমরা ২৯৪ টা আসনে নিজেরাই লড়ব, নিজেরাই লড়ব। রাহুল গান্ধীর অনুমতি না থাকলে গত পাঁচ ছয় মাস ধরে এই কথা সে বলতে পারত! প্রত্যেকটা সংবাদ মাধ্যমে এ খবর বারেবারে বেরিয়েছে, ২৩ টা জেলার প্রতিটা জেলা সভাপতিরা জানিয়ে দিয়েছে- তারা সিপিএমের সাথে জোট চায় না। তবুও লাজ লজ্জার মাথা খেয়ে কংগ্রেসের সাথে জোট করার জন্য পেছনে পেছনে ঘোরার দরকারটা কোথায়?
৩৪ বছর রাজত্ব করার পর সংগঠন কি এতটাই ধজভঙ্গ হয়ে গেছে যে- জেলা থেকে আলিমুদ্দিন অবধি খবর আসাও বন্ধ হয়ে গেছে? কংগ্রেস বহু জেলায় যতটা পেরেছে প্রার্থী বাছাই করে ফেলেছে। যেটুকু বাকি রয়েছে সেটা- তোলামূলের যে চোরটা টিকিট পাবে না, সেই মালগুলোকে ধরে এনে টিকিট দিয়ে কিছু হারামের টাকা কামাবার অভিপ্রায়ে।
মালদা, মুর্শিদাবাদ কিংবা উত্তর দিনাজপুরে বামেরা যদি আসন জেতে, তবে সেটা তাদের নিজ ক্ষমতাতেই পারবে, না পারলে কংগ্রেসের ভোটেও পারবে না। কিন্তু বাকি ২০টা জেলায়, বামেদের ভোট ছাড়া একটা আসনেও কংগ্রেস জামানত টুকু বাঁচাতে পারবে? দুই বর্ধমান ও মেদিনীপুর, ২৪ পরগণা, হুগলি, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, নদীয়া, বাঁকুড়া, ও পুরুলিয়াতে একটা এমন আসনের নাম বলুন, যেখানে কংগ্রেস তার নিজস্ব ভোট বামেদের ঘরে ট্রান্সফার করিয়ে বাম প্রার্থীকে জেতাবার মতো ক্ষমতা রাখে? এমন ১টা আসনের নাম বলতে পারলে আমি কান কেটে কুত্তার গলায় ঝুলিয়ে দেবো।
হ্যাঁ, সত্যিই যদি অধীর চৌধুরীর সঙ্গে মুর্শিদাবাদে কোনো আন্ডারস্ট্যান্ডিং করতেই হয়, সেটা স্থানীয় স্তরে বোঝাপড়া করে নিন, মিটে গেল! তার জন্য এত ঘটা করে কংগ্রেসের পোঁদে হত্যে দিয়ে পড়ে দরকারটা কী আছে? এতটাই কি আপনারা মানসিক ভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছেন? নাকি রাজনৈতিক বোধবুদ্ধিহীন উন্মাদ হয়ে গেছেন!
দুই ২৪ পরগণায় ISF অন্তত কংগ্রেসের থেকে জোট সঙ্গে হিসেবে অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য আর মাঠে ময়দানে মাঠে লড়াই দিতে পারবে। পাতি বাংলায় তোলামূলের শওকত শাহজাহানের ঠ্যাঙারে বাহিনীর মোকাবিলাতে পালটা ক্যালানি দিতে গেলে বহু জায়গায় ISF কে দরকার, এটাও বাস্তবতা। তাছাড়া ISF জোট করতে চেয়ে সম্মানের সঙ্গে চিঠিও দিয়েছে অলরেডি।
বলিহারি
আপনারা নেতা সেজেছেন এই আকালের কালে, মহামতি মার্ক্স বেঁচে থাকলে আপনাদের কোর্ট মার্শাল করাবার
নিদান দিতেন নির্ঘাৎ। আপনাদের পালে হাওয়া দিচ্ছে আপনাদের অনুগত কিছু সর্বজ্ঞ
স্বঘোষিত বিজ্ঞবিচি ফেসবুকের বাম্বাচ্চা বিপ্লবী সমর্থক! আর তো দু’মাসও বাকি নেই
ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশ হতে, এই অন্তিম লগ্নে
দাঁড়িয়েও সোজা কথাটা সোজাভাবে বলতে পারছেন না কেন! মেরুদণ্ডে জোর না থাকলে হালকা
করে মরে গিয়ে জায়গা ফাঁকা করে দিন, যত্তসব ভীতু মালে জায়গা জড়ো ফালতু।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন