শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

সোনার দাম কেন বাড়ছে?


 সোনার দাম কেন বাড়ছে?


🔰 সোনার দাম কেন বাড়ছে? 🔰


এর কারণ পুরোটাই অর্থনৈতিক এবং আমেরিকান ডলারকেন্দ্রিক। কোনো জিনিসের দাম নির্ভর করে ‘ডিমান্ড আর সাপ্লাই’ এর সামঞ্জস্যতার উপরে। চলুন সংক্ষেপে একটু ব্যাখ্যা করা যাক।


বিজ্ঞানীদের ভাষ্যমতে, সমগ্র পৃথিবীর সোনা এক জায়গায় করলে সেটা ২৩ ঘনমিটার জায়গার মধ্যে সবটুকু চলে আসবে। মানে একটা মাঝারি সাইজের আলুর কোল্ডস্টোরের মধ্যে পৃথিবীর সমস্ত সোনা, হ্যাঁ সমস্ত সোনা ঢুকে যাবে। সোনা যেহেতু গাছে ফলে না বা ফ্যাক্টরিতে প্রোডাকশন করা যায় না, তাই সোনার সাপ্লাই বা পরিমাণ নির্দিষ্ট বা ধ্রুবক। গোল্ডমাইন থেকেও উৎপাদন অতি নগণ্য এবং ভীষণ ব্যয় বহুল; বাকিটা কেবল হাতফেরৎ হয়। সুতরাং, সভ্যতার শুরু থেকে আজ অবধি সোনার পরিমাণ খুব বেশি বাড়েনি, আগামীতেও বাড়বে সেই সম্ভাবনাও ক্ষীণ বা নেই। তাহলে এই মূল্যবৃদ্ধির একমাত্র কারণ- ডিমান্ড বৃদ্ধি।

 

এখানেই প্রশ্ন, রাতারাতি কে এই ডিমান্ড বাড়ালো? আমি আপনি কি বিপুল সোনা কিনেছি? উত্তরটা হলো- না। তাছাড়া আমরা যদি কিনতামও, সেই দু-দশ ভরি কেনাকাটায় দামে অতি সামান্য হেরফের হতো, যেমনটা গত শতাব্দীতে হতো। স্বাভাবিক বাজারে কেউ যেমন কিনছে, তেমন আরেক জন আবার বিক্রিও করছে, এই ভাবেই বাজারের স্থিতাবস্থা বজায় থাকে। কিন্তু বর্তমানে একটা শ্রেণি রয়েছে যারা সোনাটা কিনে মজুদ করে ফেলছে, সেটা পুনরায় আর বাজারে ফেরৎ আসছে না, ফলতো অবশিষ্ট সোনাটুকুর জন্য অন্যজন অনেক বেশি দাম অফার করছে; এভাবেই দাম বাড়ছে।

 

তাহলে কারা সোনাটা কিনে মজুদ করছে? এটা জানতে গেলে ইতিহাসের দিকে তাকাতে হবে।


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ‘ব্রেটন উডস’ সিস্টেমের নামে শয়তানি করে বিশ্বের প্রায় ৭৩% সোনা আমেরিকা তাদের দেশে নিয়ে চলে যায় নানান ছলচাতুরি করে, পরবর্তীতে যা তারা আত্মসাৎ করে দেয়। কীভাবে নিয়ে গিয়েছিল তা লিখতে বসলে টন টন কাগজ লাগবে, এত বড় সেই শঠতার ইতিহাস। আগামীতে কখনও সে নিয়ে লেখা যেতেই পারে, শুধু এটুকু জেনে রাখুন সেই সোনার পরিমাণ প্রায় সাড়ে আট হাজার টন, কল্পনাতীত। পরবর্তীতে বাকি দেশগুলো যখন তাদের সোনা ফেরৎ চায়, তাদের রাষ্ট্রপ্রধানদের বন্দুকের ডগায় রেখে, সেই সোনার বিনিময়ে কাগুজে বন্ড ইস্যু করে আমেরিকা- বিনিময়ের ‘ইনস্ট্রুমেন্ট’ হিসাবে’, একেই আমরা ডলার বলে চিনি।


আমাদের দেশের টাকাতেও লেখা থাকে- "চাহিবা মাত্র ইহার বাহককে দিতে বাধ্য থাকিবে"। অর্থাৎ টাকা একটা সরকারি হাতচিঠি বৈ কিছু নয়। নোটের নিজস্ব কোনো মূল্য নেই, রাষ্ট্র নিজে জামিনদার থেকে ওই ‘টাকা’ নামের কাগজটাকে আসল সম্পদের প্রতিরূপ হিসাবে হিসাবে মূল্যবান করে তোলে। এই হিসাবে দেশে যত টাকা আছে, তত পরিমাণ সম্পদ তথা সোনা/রূপা থাকা উচিৎ। কিন্তু তা নেই, কারণ সোনা আছে আমেরিকার কাছে, তার পরিবর্তে আমেরিকা ডলার দিয়ে রেখেছে, ডলারই আমাদের সহ গোটা বিশ্বের প্রতিটা দেশের সঞ্চিত সম্পদ। কারণ ডলার ছাড়া কোনো দেশ জ্বালানি তেল কিনতে পারবে না কোথাও থেকে, এই জন্যই ডলারের অপর নাম পেট্রোডলার।


পেট্রোডলার কীভাবে শুরু হয়েছিল? ১৯৭৩-১৯৭৪ সৌদির মোল্লাদের সাথে আমেরিকা একটা চুক্তি করে। সৌদি আরব তার দেশের 'পেট্রোল/ডিজেল' শুধুমাত্র আমেরিকান ডলারের মাধ্যমে বিক্রি করবে, অন্য কোন কিছু বিনিময় মূল্য হিসাবে দিলে, সৌদি সরকার তাকে তেল দেবে না। এর বিনিময়ে আমেরিকা সৌদি আরবকে অস্ত্রশস্ত্র, প্রযুক্তি ইত্যাদি দিয়ে সামরিক ও সামাজিক নিরাপত্তা দেবে। যে কারণে গত ৫০/৬০ বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যের সর্বত্র অশান্তির আগুন জ্বললেও সৌদিতে নূন্যতম কোনো অশান্তি হয়নি। কারণ অশান্তি যে পাকায়, সেই আমেরিকাই সৌদির পাহারাদার, অশান্তি করবে টা কে!


অন্যান্য পেট্রোলিয়াম সমৃদ্ধ দেশ যারা এই ডলার ভিন্ন অন্য মুদ্রা কিম্বা সোনার বিনিময়ে তেল বিক্রি করতে গিয়েছিল, তাদের সকলকে আমেরিকা শেষ করে দিয়েছে নানা বাহানাতে। সেটা লিবিয়ার গাদ্দাফি হতে পারে, ইরাকের সাদ্দাম হোসেন হতে পারে কিংবা বর্তমানে ভেনেজুয়েলার মাদুরো; চোখের সামনে এইসব জ্যান্ত উদাহরণ রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধেও এতো ক্ষোভের মূল কারণ এটাই, তারা ডলার ছাড়া তেল বেচছে ইন্ডিয়ান রুপি, রাশিয়ান র‍ুবেল ও চীনা ইউয়ানে।


আজকের দুনিয়ায় জ্বালানি তেল ছাড়া গোটা সভ্যতা অচল, সুতরাং প্রতিটা দেশকে তেল কেনার জন্য ‘ডলার’ কিনতেই হতো আমেরিকার কাছ থেকে, পাশাপাশি মজুদও রাখতে হতো। যেহেতু বিশ্বের সকলের কোষাগারে ডলার মজুদ আছে ‘তেলের’ ক্রেতা-বিক্রেতা নির্বিশেষে, অচিরেই বিশ্বের যেকোনো দুটো দেশের নিজেদের মাঝের ব্যবসা-বাণিজ্যও ডলারের মাধ্যমেই হতে শুরু করে দিয়েছিল। এভাবেই ডলার বৈশ্বিক মুদ্রা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করে রেখেছিল, যুদ্ধ বোমা বন্দুকের ভয় দেখিয়ে পেট্রোডলারের মাধ্যমে। এতে করে বিশ্বের যে কেউ যে কোনো আন্তর্জাতিক ব্যবসা করুক, আমেরিকা সেখান থেকেই একটা কাটমানি খেতো।


গত পাঁচটা দশক ধরে আপনার কাছে যে ধরনের মুদ্রায় থাক কিংবা সোনাদানা মোহর হিরে জহরত, কোনো কিছু দিয়ে আপনি তেল কিনতে পারেননি কিংবা বিনা ডলারে একটিও বৈদেশিক বাণিজ্য করতে পারেননি। এই সবকিছু সোনাদানা হিরে জহরতের বিনিময়ে আপনাকে আমেরিকার কাছ থেকে ডলার কিনতে হতো। আমাদের সরকার আমেরিকাকে সোনা দিত আর আমেরিকা সেই সোনার বিনিময়ে ডলারের নামে কাগজ ছাপিয়ে দিত। ফলত এতদিন সোনার থেকেও ডলার বেশি মূল্যবান ছিল।


মজার কথা হলো, ২০২৪ জুনের ৯ তারিখ সৌদির সাথে করা সেই পেট্রোডলার চুক্তি শেষ হয়ে গিয়েছিল, সেটাকে টেনে দেড় বছর আনঅফিসিয়ালি চালাচ্ছিলো। কিন্তু এই জানুয়ারির ৯ তারিখ সৌদি আরব এই চুক্তিকে নবায়ন করতে মানা করে দিয়েছে, সরকারিভাবে। এতেই আমেরিকা পড়েছে তাদের সাম্রাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে গভীর অস্তিত্ব সংকটে, ওয়াশিংটন/নিউইয়র্কে হাহাকার পড়ে গেছে, তারা মরিয়া ক্ষ্যাপা কুকুর হয়ে উঠেছে ইরাণে যুদ্ধ লাগাবার জন্য, ভেনেজুয়েলা বা গ্রীনল্যান্ড দখলের জন্য। কে বলতে পারে, ইরানের নামে বোমাবারুদ জড়ো করে আসলে যুদ্ধটা সৌদিতেই না লাগিয়ে বসে উন্মত্ত আমেরিকা।


ঠিক আজকের দিনে গোটা বিশ্বের অর্ধকের বেশি পেট্রোলিয়াম বাণিজ্য তথা জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে স্থানীয় মুদ্রায় বা পণ্য বিনিময় প্রথার মাধ্যমে। ধরা যাক ভারত, আমরা তেলের দাম সৌদি আরবকে রুপিতে পেমেন্ট করছি অথবা চাল, আনাজ, শস্য কিংবা কয়লা দিচ্ছি। পাশাপাশি শ্রীলংকা সিংহলি মুদ্রার বিনিময়ে তেল কিনছে, চীন তাদের মুদ্রা ইউয়ানে কিনছে। কারো কাছে ডলারে কেনাটা আজ আর বাধ্যতামূলক নয়, ফলত ডলার রোজ একটু একটু করে গুরুত্বহীন হয়ে যাচ্ছে মূল্য হারিয়ে।


যেমন আমাদের দেশে ৫০০/১০০০ টাকার নোট দেশের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বাতিল করে দিতেই সেগুলো বাজে কাগজে পরিণত হয়েছিল, রাশিয়ার ক্ষেত্রেও এমনটা হয়েছে। আমেরিকা রাশিয়া দ্বন্দ্বের কারণে, রাশিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কে সঞ্চিত ডলার ছিল, সেগুলোকে আমেরিকা রাতারাতি বাতিল করে দিয়েছে, যেমনটা গত সপ্তাহে ইরানের সাথেও করেছে। আমেরিকার এই গুন্ডামি দেখে বিশ্বের বাকি দেশগুলোর কপালে ভাঁজ পড়েছে। আমাদের যেমন রিজার্ভ ব্যাঙ্কে ডলার মজুদ আছে, প্রতিটা দেশের রিজার্ভ ব্যাঙ্কেও তাই আছে, কিন্তু আমেরিকার এই দাদাগিরির ভয়ে আজকের দিনে প্রতিটা দেশ শঙ্কিত, এমনকি তাদের মিত্র ইউরোপও ব্যতিক্রম নয়।


তাই পেট্রোডলার চুক্তি শেষ হবার কিছু আগে থেকেই ডলার ছেড়ে দেওয়া বা নতুন করে ডলার না কেনার ধুম পরে গিয়েছিল বিশ্বজুড়ে, ২০২৪শে চুক্তি শেষ হতে সেটা মহামারীর আকার ধারণ করেছে। নতুন করে কেউ আর ডলার কিনছে না, বরং যেগুলো আছে সেগুলোও ছেড়ে দিচ্ছে। এদিকে ডলারের বিপরীতে বিকল্প কোনো মুদ্রা বৈশ্বিক ভরষা যোগাড় করে উঠতে পারেনি, ব্রিকসও নতুন মুদ্রা বাজারে আনতে পারেনি। ফলত প্রতিটা দেশ ডলারের বদলে, আসল সম্পদ ‘সোনা’ মজুদ করছে, তাদের দেশজ সঞ্চয় ভান্ডারের জন্য।


সুতরাং, গোটা বিশ্বজুড়ে প্রতিটা দেশ সোনা মজুদের দিকে নজর দিতেই বাজার থেকে সোনা কমতে শুরু করেছে এবং পরিমাণ যত কমতে থাকছে, অবশিষ্ট সোনার দাম তত চড়তে থাকছে। পৃথিবীর প্রতিটা দেশের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, নিজেদের সামর্থ্য মত টন টন সোনা কিনে মজুদ করছে। যেমন আমাদের ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কে ৮৮০ টন সোনা মজুদ রয়েছে, যা দৈনিক আরও বাড়াচ্ছে আমাদের সরকার। ডলারের এই পরিস্থিতিতে শেয়ার মার্কেটও টালমাটাল, আমেরিকা যখন তখন যার তার উপরে স্যাংশন/ট্যারিফ লাগিয়ে দিচ্ছে, সর্বক্ষণ যুদ্ধ পরিস্থিতি। তাই বড় শিল্পপতি, পুঁজিপতিরাও সেফ ইনভেস্ট হিসাবে সোনাতে লগ্নি করছে। কারণ সোনার দামের উপরে আমেরিকা বা অন্য কোনো দেশের নিয়ন্ত্রণ নেই, সোনা প্রতিটা দেশে প্রতিটা যুগে প্রতিটা সাম্রাজ্যে প্রতিটা ব্যক্তির কাছে সম্পদ হিসাবে মুল্যবান।


পদার্থ বিজ্ঞান বলছে- পতনশীল বস্তুর গতি সময়ের সাথে সমানুপাতিক হারে বৃদ্ধি পায়, মার্কিন ডলারের পতনও রোজ বাড়বে। ডলারের এই পতনের সাথে সোনার মূল্য বৃদ্ধিও সমানুপাতিক; উল্টোটাও সঠিক- সোনার মূল্য বৃদ্ধির সাথেও ডলারের পতন সমানুপাতিক। এই যে ডি-ডলারাইজেশন পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে বিশ্ব ব্যবস্থা যাচ্ছে, এটা আমেরিকাকে ভেতর থেকে ফোকলা করে দিচ্ছে প্রতি মুহূর্তে, যে কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্প মাতালের মতো আচরণ শুরু করেছে।


সোনার এই মূল্যবৃদ্ধি আসলে পাঁচ লাখে থামবে না দশ বিশ লাখে লাফ দেবে, সেটা আজকের দিনে বলা অত্যন্ত মুশকিল। আমেরিকা তার সঞ্চিত সোনা বাজারে না ছাড়া অবধি সোনার দাম রোজ লাফ দিয়ে বাড়তেই থাকবে। তবে, আমেরিকাও যখন নিজেদের সোনা বিক্রি করতে লাগবে, তখন সে উচ্চ মূল্যেই বিক্রি করবে, আর এটা তাকে করতেই হবে। যে হারে গোটা বিশ্ব ডলারকে পরিত্যাগ করছে, সেই হার চলতে থাকলে দু'এক মাসের মধ্যে আমেরিকাকে তাদের রিজার্ভে থাকা ওই সাড়ে আট হাাজার টন সোনা ধীরে ধীরে বাজারে ছাড়তে হবে। এছাড়া আমেরিকার বিন্দুমাত্র বিশ্বাসযোগ্যতা নেই বাজারে, তাই ডলার নামের অস্ত্র দিয়ে বিশ্বকে লুট করার দিন তার আর ফিরবে না।


আমেরিকা ৫০ টা ভাগে ভাগ হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা, যে কোনোদিন ভোর বেলায় উঠে শুনবেন মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ আর নেই। অস্ত্র ছাড়া আমেরিকার নিজস্ব কোনো উৎপাদন নেই, তারা বিশ্বের নানা দেশ থেকে মালপত্র নিয়ে এসে বড়জোর এ্যাসেম্বল করে কিম্বা অন্যের পণ্য মার্কেটিং করে নিজেদের লোগো লাগিয়ে। আমেরিকার রিজার্ভ সোনা বাজারে আসতে শুরু করলেই তাদের ‘ফোলানো ফাঁপানো’ কোম্পানিগুলো মুখ থুবড়ে পড়বে, শেয়ার বাজার রাতারাতি ক্রাশ করে যাবে।


আমেরিকাতে গৃহযুদ্ধ লেগে যাওয়া সময়ের দাবী। তবে সেটা আটঁকাতে হলে আমেরিকাকে রাতারাতি অন্যত্র যুদ্ধ লাগাতেই হবে, যাতে অস্ত্র বিক্রি করতে পারে। নতুন একাধিক দেশ খুঁজতে হবে যেখান থেকে সম্পদ লুঠ করতে পারে, এবং ডলারকে পুনরায় বিশ্ব বানিজ্যের মুখ্য ও একমাত্র বিনিময় মুদ্রা রেখে দেওয়ার বিনিময়ে কাটমানি খেতে পারে। আর এগুলোর তিনটেই একসাথে করতে হবে, একটাতেও ব্যর্থ হলেই খেল খতম। কিন্তু আজকের বৈশ্বিক রাজনীতিতে চীন ও রাশিয়া~ আমেরিকার বিরুদ্ধে থাকা সমশক্তির পরাশক্তি, তাই গেলাম আর জয় করলাম- এমন একতরফা হওয়ার নয়। অতি শীঘ্র অতীতের স্প্যানিশ সাম্রাজ্য, ব্রিটিশ সাম্রাজ্য, উসমানীয় সাম্রাজ্যের মতো ইতিহাসের এক কোণে আস্তাকুঁড়ে ঠাই পাবে ‘প্রতারক ও লুঠেরা’ মার্কিন পশ্চিমা সভ্যতা।


আপনার বাজারে সোনার দাম বাড়ার এর সাথে আমেরিকার পতন অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত বা বলা ভালো দুটোই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। তবে সোনার দাম আগামী ৫/৭ বছর আর কমছে না, বাড়তেই থাকবে, বাড়তেই থাকবে, যতক্ষণ না সম্পদ জনগণের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যায়।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...