বিচিতে লাথি পরলে কেউ বউকে স্মরণ করেনা। নাঙ, ব্যাং, নেতা, দিদি, পিসি, দাদা, জ্যেঠু, মেসো, গার্লফ্রেন্ড , শ্বশুর, শালী, বৌদি, ভগবান প্রমুখ কাউকে ডাকেনা।
বাবাগো/মা'গো, গেলাম গেলাম- এটা বলেই চেল্লায়। এটাই শাশ্বত।
কৃষক শ্রমিকের পেটে লাথি পরলে যে কথা গুলো বের হয়, মার্ক্স সেই কথা গুলোই সংকলন করে লিখে গেছেন, তার বাইরে আজও নতুন কিচ্ছু বলার নেই, আগামীতেও থাকবেনা। কারন এগুলোও শাশ্বত। এই কারনেই যুগ যুগান্তরে দেশ কালের গন্ডী পেরিয়ে প্রতিটা রক্তচোষাদের স্থায়ী শত্রুর নাম মহামতি মার্ক্স ও তাঁর দর্শন।
স্বভাবতই, তোলামুল বা চাড্ডিরাও যখন শ্রমিক কৃষকের হয়ে কথা বলে সেটা বামেদের মতই শোনায়। মার্ক্সের অনুগামী মনে হয়।
সুতরাং, এলিতেলি যাকে তাকে বাম ভাবার ভুলটা বড্ড করে ফেলি আমরা। বামপন্থা কোনো কবিতা বা কয়েকটা ইষ্টমন্ত্র জপার নাম নয়। এটা একটা জীবনধারা, যেটা সারাজীবন ধরে অনুশীলন করে যেতে হয়। তাই ধান্দাবাজ, সেয়ানা, চালচোর, ধর্মীয় উন্মাদ, ভাতাজীবি কিম্বা নেকু সুশীল যে কেউ যখন অন্ন বস্ত্র বাসস্থান ও মৌলিক অধিকারের দাবীতে কথা বলে আমরা তাৎক্ষণিক ভাবে ধোঁকা খেয়ে যায়।
আমাদের আরো বেশী সতর্ক হতে হবে এই ক্রান্তিকালে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন