মিথ্যা ধাপ্পাবাজি করে ইরান, লিবিয়া, সিরিয়া আক্রমণ করে সেই দেশের লোককে ভিখারি বানিয়ে নিজেরা তাদের দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ চুরি করে আধুনিক ও সভ্য সেজেছিলো।
একই পথে ইরাণে চুলকাতে গিয়েছিলো। যে হারে গাঁ ড়ে মিসাইল ঢুকেছে টেম্পু থেকে নেতানুনু, কেউ হাগতে যাচ্ছেনা বলে মোসাদ সুত্রের খবর, হাগতে গেলেই নাকি পোঁদ দিয়ে প্রাণ বায়ু বেরিয়ে যাবে, এমন ভয়ে সেঁধিয়ে রয়েছে। নিজেরাই নিজেদের মিথ্যা বলছে, যে পারছে এর তার ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে। আসলে এভাবে আমেরিকা কুত্তা ক্যালান খেতে পারে সেটা বিশ্বাস বা হজম কোনোটাই হচ্ছেনা। এপস্টিন গ্যাং এর কোনো এক্সিট প্ল্যান নেই এ যাত্রায়, একতরফা বিজয় বলে পালিয়ে যাবারও কোনো পথ খোলা নেই।
হারেমের আঁধারে জন্মানো জারজ মোল্লা রাজাগুলোর দেশেই হয়তবা রিজিম চেঞ্জ হয়ে গিয়ে ইরানপন্থী সরকার চলে আসবে। যদি ইরান এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। এমনিতেই ইরান বলে দিয়েছে, যে দেশ আমেরিকা ও ইজরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করবে, হরমুজ প্রনালি তার জন্য খোলা। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান শক্তিশালী হয়ে গেলে বিশ্বপরাশক্তি আমেরিকা প্যাকেট হয়ে, কেবলমাত্র রিজিওনাল শক্তি হলে নিজ মহাদেশে রয়ে যাবে। ১৯৫৬ সালে মাইটি ব্রিটিশ সাম্রাজ্য সুয়েজের জলে তলিয়ে গিয়েছিলো, ঠিক ৭০ বছর পর পারস্য উপসাগরের জলে শ্যাম চাচা তার পিডোফিলিক সাম্রাজ্যকে না ডুবিয়ে ঘরে ফিরবেনা।
আপাতত যুদ্ধের ১০ দিনেই সোস্যালমিডিয়াতে হাজারে হাজারে 'হেল্প ফর ইজরায়েল' ক্রাউড ফান্ডিং এর পেইড প্রোমশন পেজে ছয়লাপ। ভিক্ষা শুধু পাকিস্তানই করেনা, প্রতিটা সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের এটাই জিনগত চরিত্র। ফিলিস্তিনের দখলদার খাজার ইহুদীগুলোও ভিক্ষায় নেমে পরেছে। যুদ্ধ আর ২ সপ্তাহ ধরে চললে আমার আপনার পাড়াতে কী এই শু য়োরের বাচ্চা বেজন্মা ইহুদীগুলোকে রাস্তার মোড়ে ফুটো এ্যালুমিনিয়ামের বাটি হাতে দেখতে পাবো?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন