বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬

মার্কিন দম্ভ ঔদ্ধত্যঃ অন্ধত্ব


 এটাকে গান্ডুগিরি না বোকাচো দামো বলব জানি না।


ভিডিওতে আক্রমণের পর হেলিকপ্টারের রোটার ব্লেডগুলো ভালো করে দেখুন। এটা হেলিকপ্টার নয়, এটা শুধু মাটিতে আঁকা একটি ছবি। ইরান- এপস্টিন বাহিনীকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য মাটিতে আঁকা অ্যানামরফিক ছবি ব্যবহার করছে। যেহেতু রাডার নষ্ট, অনেকটা আন্দাজে মিসাইল ফেলছে আমেরিকা এবং ইসরায়েল বাহিনী, তারা ইরানের ছবি ধ্বংস করার জন্য তাদের মিলিয়ন ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র নষ্ট করছে। আর সেই ভিডিও তারা নিজেরা  ‘বিশাল বড় অর্জন’ হিসেবে সরকারী ওয়েবসাইটে আর সোশ্যাল লমিডিয়াতে প্রকাশ করছে। 

রোজ প্রতি মুহূর্তে আমেরিকা নামের সাদা হাতিটা একটু একটু করে ন্যাংটা হয়ে যাচ্ছে ইরানের হাতে। মিসাইল খেয়ে কেবল হিজড়ে হয়ে যায়নি, বিচি শুকিয়ে পাকস্থলিতে উঠে গেছে এপস্টিন বাহিনী। আতঙ্কে বিচি মাথায় চড়ে গেলে এমনই হয়। মাথায় মগজ থাকে যা দিয়ে মানুষ সুস্থভাবে সিদ্ধান্ত নেই, সেখানে বিচি উঠে গেলে- মগজ যথারীতি স্থান বদল করে অন্ডোকোষে উপস্থিত হয়েছে এপস্টিন বাহিনীর। ফলত মিথ্যাচার, ভুলভাল এমন আলবাল কাজকর্ম হতেই থাকবে।

খবরে প্রকাশ, মাইটি আমেরিকা নাকি US trials LGM-30 G. মিসাইল রেডি করেছে ইরানে মারবে বলে। এর সাথে সাথে যে সত্যগুলো নিজেরাই প্রতিষ্ঠিত করে দিল- মধ্যপ্রাচ্যে কোনো মিলিটারি বেস আর বেঁচে নেই, মধ্যপ্রাচ্যে এপস্টিন বাহিনীর অস্ত্রসস্ত্রের ভান্ডার ফাঁকা, যুদ্ধজাহাজগুলো গাধার গাঁ ড়ে। আমেরিকা যদি তাদের মেইন ল্যান্ড থেকে মিসাইল মারে, তখন নিউইয়র্ক, ওয়াসিংটন ডিসি তথা পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউজও ইরানি ICBM খাবার জন্য চরম দাবীদার হয়ে উঠবে। 

আমেরিকার যত ICBM আছে। তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি আছে রাশিয়া , চীন, উঃ কোরিয়ার কাছে। সকলেই মৌকা বুঝে হাত সেঁকে নেবে। ন্যাটোর নড়ার ক্ষমতা নেই, সে পাঁঠা থেকে নির্বীজ খাসি হয়ে বসে আছে।সমস্যা হচ্ছে ভক্তদের মায়ের, কে যে তার আসল 'সুহাগ' বুঝে উঠার আগেই নতুন বাপ বেছে নিচ্ছে ভক্তের দল। প্রথমে আমেরিকা, তারপর চীন, মাঝে রাশিয়া, এখন ইসরায়েল। ভক্তরা যে রেটে বাপ পাল্টেছে, এত ঘন ঘন ডাইরিয়ার রুগীও পায়খানায় যায় না। ভক্তদের মায়ের কি এতে এইডস বা STD হবার ঝুঁকি রয়েছে মিত্রো?

রাশিয়ার মারে ধ্বজভঙ্গ হওয়া ন্যাটো তথা ইউরোপ জায়গা না দেওয়া তে আমেরিকার আর কোনো অপসন বেঁচে নেই। ঔদ্ধত্ব আর অহংকার যখন অন্ধ করে দেয় ক্ষমতার দম্ভে, তখন ফাঁপানো শক্তির গল্প  যা দিয়ে বিশ্বজুড়ে ৮০০টা ভয়ের দোকান খুলে বসেছিল সেগুলো রাতারাতি ঝাঁপ বন্ধ হয়ে যাবে। ঝাঁপ বন্ধ হলে দাদাগিরি সহ লুঠের রোজগার শেষ। অতএব দাদাগিরির ইজ্জত বাঁচাতে এমন ভুল প্রতিবার করবে আমেরিকা, রোজ করবে, বারবার করবে। ক্ষমতার দাম্ভিকতাতেই কফিনের শেষ পেরেক নিজেরাই মারবে। ইরান তো ওছিলা মাত্র।

ইরান যদি ICBM খায়, নিউইয়র্কেও ইরান জোট বেশ কয়েকটা গুঁজে দেবেই। হিজড়ের বাচ্চাদের কুত্তা দৌড় গোটা দুনিয়া দেখবে। আর ৭টা দিন এভাবেই চলুক, আমেরিকার ৫২টা ভাই হওয়ার অন্নপ্রাশন হবে ইরানের তরফে।

দুঃখের বিষয় হল, অফিসিয়ালি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ যেকোনো মুহূর্তে ঘোষণা হলো বলে।



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মার্কিন দম্ভ ঔদ্ধত্যঃ অন্ধত্ব

 এটাকে গান্ডুগিরি না বোকাচো দামো বলব জানি না। ভিডিওতে আক্রমণের পর হেলিকপ্টারের রোটার ব্লেডগুলো ভালো করে দেখুন। এটা হেলিকপ্টার নয়, এটা শুধু ...