সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬

ইরান যুদ্ধঃ একটা অশ্লীল পোষ্ট


 Disclaimer: অত্যন্ত অশ্লীল ভাষায় কথাবার্তা লেখা আছে এখানে, প্লিজ কেউ পড়বেন না। 


মার্কিন সাম্রাজ্যবাদকে যারা ঘৃণা করেন, তারা কিন্তু এটা পড়লে মানসিক তৃপ্তি পাবেন। আপনি যে ভাষায় বলতে পারছেন না এখানে সেই ভাষাতে লেখা রয়েছে। তবে যারা নাকি সুশীল, কিন্তু লুকিয়ে পানু দেখার অভ্যাসের দরুন ‘ভুল করে’ পড়বেন ভাবছেন- তারা মধু মাখানো তুলসী পাতা দিয়ে পোঁ দে গার্ড দিন, নাহলে আপনার ওটাই মারা যাবে আমার এই অকথ্য ভাষার চোদনে। হালাল হোক বা স্বাত্ত্বিক উপায়ে, যার যেটা পছন্দ ও ওরিয়েন্টেশন- সেই অনুযায়ী পোঁ দের সুরক্ষা নিন; ঠিক যেভাবে ‘আয়রন ডোম’ ইজরায়েলকে সুরক্ষা দিয়ে যাচ্ছে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে। চলুন শুরু করা যাক- 

কার্পেট বোম্বিং দেখেছি, ক্লাস্টার প্রযুক্তির কার্পেট মিসাইলিং- নাবালক চো দা এপস্টিন বাহিনীর কাছে এ রীতিমতো দুঃস্বপ্নের। ইরানের বর্তমান রাষ্ট্রগীত হচ্ছে- ইতনা বোম ফোড়েঙ্গে, কী এলাকা ধুঁয়া ধুঁয়া হো জায়েগা। গাজাকে গাজা বানানোর কারিগরেদের মড়াকান্নার ভিডিওটাও সাথে দিলাম 

এপস্টিন বাহিনীর সেক্রেটারি ডোলান্ড টাম্প, এপস্টিনের প্রেসিডেন্ট বেঞ্জামিন নেতনায়াহু, আর এপস্টিনের স্পেশাল মুজরোওয়ালি ৫৬ ইঞ্চির ভোঁদড়ের দল ভেবেছিল তাদের যৌন শীঘ্রপতনের মতোই- দু’দিনে যুদ্ধ শেষ হবে। খামেইনিকে মার্ডার করে দিলেই উদ্বাহু নেত্ত করতে করতে রেজা পহ্লবীর নেতৃত্বে আবার একটা বিশ্বমাচাদো সরকার আসবে। শুরুটা টিম এপস্টিন প্ল্যানমাফিক করলেও, শেষটা করতে পারল না, শিবলিঙ্গ গড়তে গিয়ে বাপের বাঁ ড়া গড়ে ফেলেছে। চব্বিশ ঘন্টার মধ্যেই আত্মলিঙ্গম পশ্চাদপূরণে বাধ্য করেছে ইরান। পালিয়ে যাবার শেষ উদাহরণ হিসেবে আফগানিস্তানের মাটিতে মার্কিন অহমিকার কবর দেওয়া হয়েছিলো। সেখানে আমেরিকার কাপর খুলে নেওয়া হয়েছে, মার্কিন বেস গুলোতে আজকের দিনে ঘুঘু চড়ছে। কুত্তানিয়াহু প্রথমে গ্রীসে গেছিল সেল্টার নিতে, সেখান থেকে লাথ খেয়ে জার্মানিতে পালিয়েছে।

ইরানের তরফে মিসাইল হামলা হচ্ছে সিংহের মতো করে। সিংহের কামোত্তেজনা উঠলে প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর অন্তর লাগাতার প্রায় সপ্তাহ খানেক তারা এলোমেলোভাবে লাগায় ২৪ ঘন্টা ধরেই। এতেই সিংহী প্রেগন্যান্ট হয়ে যায়, আমেরিকা কি সিংহীর চেয়ে কম কিছু? এদিকে সিংহীও কম তেজী নয়, তার দাঁত নখের আঁচড়ে সিংহ আক্রান্ত রক্তাক্ত হয় বটে, কিন্তু সঙ্গম থামে না। স্বভাবতই আমেরিকার পেট না বাঁধিয়ে ইরান ছাড়বে না, তাতে পুরুষ মৌমাছির মতো লাগাতে লাগাতেই বীর্য আর প্রাণ একসাথে ত্যাগ করতে হলে হয়তো ইরান সেটাই করবে। মৌমাছি, অক্টোপাস, প্যাসিফিক স্যামন, স্কুইড কিম্বা সিংহ- কায়দা যা খুশি হোক, লাগাচ্ছে কেবল ইরান। আমেরিকাই নিজে থেকে লাগাতে এসেছিল, কিন্তু তার ধন কুত্তার মতো ফুটোয় আঁটকে গেছে, এখন সেই গিঁট না ছাড়া অবধি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ক্যালানি খেতেই হবে আর গলা ছেড়ে ঘেউ ঘেউ করতে হবে। 

আমেরিকার ল্যাওড়ার আইরন ডোম, থার, ডেভিডস স্ল্যাং, প্যট্রিওট, কত কী সব নাম- সব আক্রমণ নাকি আঁটকে দেবে! ডামি মিসাইল দিয়েই এগুলোর এমন ভাবে গুয়া মেরে দিয়েছে যে, পোঁ দের ফুঁটো দিয়ে দাঁত দেখা যাচ্ছে। খেলা শুরু হতে কী দেখা গেল? আমেরিকা পানু ফিল্মের নায়িকা আবেলা ডেঞ্জার, মিয়া খলিফা/মালকোভা বা লানা রোডস সেজে প্রতিটা ফুটো দিয়ে নিজের ভেতরে- ইরানের সমস্ত মিসাইল জনি সিন্সের ডান্ডার মতো শীৎকার করে ভরে নিচ্ছে। সব ধরনের পোজে একা ইরান ১৪টা দেশকে গ্যাংব্যাং এর অর্গাজম দিচ্ছে জাপানি তেল থুরি চাইনিজ তেল লাগিয়ে। আমেরিকার বিলিয়ন ডলারের রাডার সিস্টেমকে মেলার পাঁপর ভাজার মতো করে খাস্তা মুড়মুড়ে করে দুমড়ে মুচড়ে দিয়েছে। ইরানের প্রতি ১০০ ডলার খরচের বিপরীতে আমেরিকার খরচা ১ লাখ ডলার, এখানেও চু দে চাপ, পঞ্চুর বাপ।

আপনি তো আবার ধ্রুবক ধরে বসে আছেন, আমেরিকা মানে সর্বশক্তিমান ঈশ্বর, তার কোনো বিনাশ নেই। ওরে বাবাচোদা ফ্যাদামুখো, আমেরিকার ২৪০ বছরের ইতিহাসের শেষ ২০০ বছরে তারা কোনো যুদ্ধ জেতেনি, আর শেষ ৬০ বছরে তারা প্রতিটা যুদ্ধে ল্যাজে গোবরে হয়েছে। একই ধারাবাহিকতায় ইরান যুদ্ধেও সেটাই হচ্ছে, নাকাল নাজেহাল বিপর্যস্ত অব্যবস্থা আর চুড়ান্ত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি শুরু হবে তাদের মেইন ল্যান্ডেও। শিশু যৌন নিপীড়ক ট্রাম্পু এবারে ট্যারিফ চোদাতে গেলে আর ইরানকে লাগবে না, তাদের দেশের লোকই গাঁড়ে ফ্যাটবয় আর লিটিলম্যান একসাথে গুঁজে দেবে। পাতি বাংলায় বললে, আমেরিকার ফাটা বাঁশে বিচি আঁটকে গেছে, সিজফায়ারের নামে যেকোনো মূল্যে এখন বিচি বাঁচিয়ে পালাতে চাইছে। কিন্তু চাইলেই তো আর হবে না, ইরান মরনপণ বাজি রেখে অলআউটে গেছে, অন্তত মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার বিচি কেটে খাসি না করে ছাড়বে না। ব্রিটেন ফ্রান্স জার্মানির বিচি শুকিয়ে কিসমিস করে রেখে দিয়েছে রাশিয়া ভায়া ইউক্রেন যুদ্ধ, তাই তারা দূর থেকে হুক্কাহুয়া করছে ও করবে, তেড়ে ছুটে আসার ভান করবে, কিন্তু কামড়াবার কোনো অউকাত অদের অবশিষ্ট নেই। কামড়ালে পরের মিসাইলগুলো বার্লিন লন্ডন কিম্বা প্যারিসের ভূমিতে ‘ফুল’ ফোটালে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।

আরবের খোজা মোল্লাদের দেশগুলোকে দিয়ে, ইরান তার ইমানদন্ডকে শুধু চুষিয়ে নিচ্ছে মাঝেমধ্যে- যাতে আমেরিকাকে ঠাপানোর সময় পিচ্ছিলতা বরাবর বজায় থাকে। আসলে চু ত মারা যাচ্ছে আমেরিকার মা মাসির- সামনে পিছনে দুদিক দিয়েই। যা দেখা গেল, আমেরিকার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের চেয়ে চিনা মালের গ্যারান্টি বেশি। আর সেই হিসাবে S-400 তো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিস্ময়, অবশ্য রাশিয়ান মানেই অনেকের চোখে গোলাপি বিস্ময় জাগে। ইজরায়েলকে আলাদা করে উল্লেখ করে লাভ নেই, যৌবনে পুরুষ বীর্যবান হলে যেমন ফ্রিতে বাল গজায় গুপ্তাঙ্গে, ইজরায়েল হচ্ছে আমেরিকার এঁড়-বিচির ঝাঁটের বাল। এর আলাদা কোনো অস্তিত্ব নেই, এক্সটেন্ডেড আমেরিকাই ওটা। যা বাকি বিশ্বে CIA নামে পরিচিত, সেটাই ইজরায়েলী ডাকনাম মোসাদ। আমেরিকাই তার ওই ঝাঁটের বালে শ্যাম্পু সাবান তেল দিয়ে বিনুনি করে রেখেছে, যেদিন আমেরিকার বিচি কেটে খাসি করা হবে সেদিন এঁড়ের বালও আস্তাকুঁড়ে চলে যাবে।

গত বছর ১২ দিনের যুদ্ধে ইজরায়েল ন্যাংটা হয়ে পায়ে ধরে সিজফায়ার নিয়েছিল, এই যুদ্ধে আমেরিকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কাপড় খুলে নিয়েছে ইরান। বেটিচো দ ট্রাম্পুও এখন লেজ গুটিয়ে পালাতে চাইছে। আমেরিকাও তাদের সক্ষমতার চেয়ে শতগুণ ফোলানো হাওয়া বাঁদর, ইরান সেটাকে উন্মোচন করে দিয়েছে। রীতিমতো পাড়ার মোড়ে ফেলে ক্যালাচ্ছে আমেরিকার ১৯টা ঘাঁটির প্রতিটাতে। আব্রাহাম লিঙ্কন নামের বিমানবাহী জাহাজের খোঁজ নেই, তাকে সম্ভবত জলকবরে পাঠিয়ে দিয়েছে ইরান। বাহারিনের পঞ্চম নৌবহর গাধার গাঁ ড়ে। B-2 কে আনার সাহস দেখাতে পারেনি, কে জানে তার জন্য কোন মিসাইল স্টকে রাখা রয়েছে। B-2 এর একটাকে প্যাকেট করে দিলে তো আমেরিকার ৫০টা ভাই হবে রাতারাতি। তাই তারা পরমাণু বোমা বহনকারী সাবমেরিন আনার হুমকি ধমকি দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিটা USA এ্যাম্বাসিতে এখন ঘুঘু চরছে। ট্রাম্পের চিৎকার এখন শীৎকার মনে হচ্ছে, হিজরাএলি বীর কুত্তা জার্মানিতে পালিয়েছে- ‘প্রমিশ ল্যান্ডে’ কয়েক লাখ বেজন্মাকে মরার জন্য ফেলে রেখে। সেই বেজন্মারাও পালাতে গিয়ে রোড জ্যাম করে উদোম খিস্তাচ্ছে। আমেরিকা যদি ইরানে পরমানু হামলা করে, রাশিয়া ইউক্রেনে আর কিম জং দক্ষিণ কোরিয়াতেও পরমাণু বোমার ছুঁচো বাজি ছাড়ার লাইসেন্স পেয়ে যাবে। সুতরাং, হরিনাম খাবলা খাবলা করে গাওয়া যাবে না- আমেরিকার মেনল্যান্ড প্রতিটা ICBM মিসাইলের রেঞ্জের মধ্যে। 

হলিউডি সিনেমাতে আমরা প্রতি বছর ২০টা করে এমন সিনেমা দেখি যেখানে আমেরিকা আক্রান্ত, আজ সত্যিই যখন তারা চুলকাতে এসে আক্রান্ত- 'আজকের দিন অবধি' প্যান্টে হেগে ফেলেছে, ইরানের মতো একটা ক্ষুদ্র শক্তির কাছে। যে ইরানের না বিমান বাহিনী আছে, না নৌবহর আছে, না আধুনিক বিমান আক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা রয়েছে, না আছে সেই মানের আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা তথা রাডার সিস্টেম। যা আছে তা হলো চরম আত্মবিশ্বাস, অকুতোভয় সাহস আর নিবিড় দেশপ্রেম, এর সাথে তাদের মিসাইল প্রযুক্তি। আমাদের ৫৬ ইঞ্চি ভাঁড়ের মতো ট্রাম্পের পোঁ দ চেটে জ্বী হুজুরি তো আরবের মোল্লাচো দা গুলোও করেছে, মানুষ আর মানুষরূপী জানোয়ারের ফারাক থাকবেই। সবাই খামেনিই হতে পারে না।

অবশ্য ফেসবুক টুইটারে কিছু মাল খামেইনির মৃত্যুতে এমন উল্লাস করছে, যেন তার বুড়ি তুবড়ি মাকে পাড়ার কাকারা মিলে গাভিন করে দিয়েছে, তাই ভাই হবার আনন্দে নাচছে জারজ গুলো। তাদের হিসাবে ইরান মহিলাদের বন্দি বানিয়েছে, ওদিকে যারা নারী মুক্তির স্বঘোষিত ধারক বাহক তারা ইরানি বাচ্চা মেয়েদের ইস্কুলে বোমা মেরে ১৫০ জনকে খুন করেছে, কিম্বা কচি ও ডাঁসা বেছে বেছে এপস্টিন দ্বীপ হোক বা আরো অন্যান্য স্থানে নিয়ে গিয়ে সেই মেয়েদের ধর্ষণ করেছে। ইরানে থাই-মাই দেখানো তথাকথিত নারী স্বাধীনতার সময়ে মহিলা শিক্ষার হার ২৪% থেকে বেড়ে আজ ৯৭% পৌঁছেছে। তাদের সরকারি চাকরিতে নারীরা ৫০%, মিসাইল প্রযুক্তির ওয়্যার রুমে নারী বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ, কৌশলীরা গিজগিজ করছে। এসব আমাদের দেশের নেড়ীবাদি খেঁকি চমন চুতিয়াদের চোখে-কানে ঢোকে না। আমেরিকান প্রোপাগান্ডা মিডিয়া বলেছে ইরান পচে গেছে, এই বাঞ্চোদেরা সেটাকেই একমাত্র সত্য হিসাবে বাপের বিচির মত আঁকড়ে ধরে বসে আছে। এদের চোখে তার মায়ের মাসিকের রক্তমাখা ন্যাকড়া আর কানে বাপের বাঁ ড়া গোঁজা আছে। এই সব ফেসবুকের আড়াই আনার বিপ্লবীদের জন্ম কীভাবে হয়েছে জানেন? এর বাপেরা বাথরুমে হ্যান্ডেল মারতে গিয়ে কমোডে মাল ফেলেছিল, সেই কমোডের জলে এরা কীভাবে যেন জন্মে গেছে মশার মতো। স্বভাবতই কমোডের গর্ভে জন্মানো মালেদের উল্লাস তখনই হয়, যখন কেউ আবার খিঁচে তাদের মুখে চোখে উষ্ণ বীর্যপাত ও মুত্র বিসর্জন করে দেয়। কে জানে এদের মায়েরাও হয়ত কখনও এপস্টিনের মতো মালেদের খাটে শুয়ে ‘অউফ’ শব্দে অর্গাজম নিয়ে ফেরার ফসল ফলিয়েছিলো কিনা।

সবচেয়ে আনন্দ লাগছে আরবের মোল্লাগুলোর গাঁ ড়ে মিসাইল ভরে দেওয়া দেখে, যেন শৈশবের ঈদের আনন্দ পাচ্ছি। ভেড়াগুলো ভেবেছিল আমেরিকা তাদের বাঁচাবে, তাই গত ৫০ বছর ধরে দুধ কলা আর পেট্রোডলার দিয়ে আমেরিকান সেনাদের পুষে এসেছিল। আজ ইরানের চোদনে আমেরিকার ভাই হবার দশা এসে গেছে, ফলে আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহারিন, ওমান, জর্ডন ও সৌদি- সবকটা বেজন্মা রাজাদের দেশে ইরান মিসাইল-ড্রোন দিয়ে চড়কিবাজি খেলছে। এই সবকটা কাটামোল্লা রাজা বৈভব আর বিলাসিতার চুড়ান্ত পর্যায়ে থাকে সারাবছর, এরা না মুসলমান না ইহুদি না হিন্দু না খ্রিস্টান - এরা জিন্দা শয়তান। এদের হারেমে সাদা চামড়ার বেশ্যাতে ভর্তি, গলা অবধি মদে ডুবে, শুয়োরের মতো ডজন ডজন বাচ্চা পয়দা করাই এদের একমাত্র কাজ। বাচ্চারা যেমন মুখে ললিপপ গুঁজে থাকে, এই শুয়োরের বাচ্চা বেজন্মা মোল্লাগুলো মার্কিনীদের বাঁ ড়া মুখে গুঁজে বসে থাকে। 

দুবাই সহ সমগ্র আরব দেশে চরম খাদ্য সঙ্কট দেখা দেবে অচিরেই। একটারও নিজেদের দেশে খাদ্য উৎপাদন হয় না, বাইরে থেকে আসার উপায় নেই, জল জাহাজ, উড়ো জাহাজ সব পথ বন্ধ। যুদ্ধ পরিস্থিতি আগামী ২ সপ্তাহ চললে খাদ্যের জন্য গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে মোল্লা খা নকির বাচ্চাদের ঘরে ঘরে, শালারা কেরোসিন খেয়ে মরুক। গোটা গাজা’কে যারা মাসের পর মাস অভুক্ত রেখে নিজেরা ফুর্তি লীলা করেছে দিনের পর দিন, আজ সেই সকল গর্ভস্রাব বোকাচো দা দের শুকিয়ে থাকার দিন এসে গেছে। 

বাহারিন নামের দেশটা আপাতত অস্তিত্বের সঙ্কটের মুখে। আর দুবাই এর যা হাল করেছে তাতে আবার তারা ৪০ বছর পিছিয়ে যাবে, সাথে এতো এতো বিদেশী লগ্নির যে বিস্ফোরণ- তাও গাধার গাঁ ড়ে চলে যাওয়া সময়ের অপেক্ষা। মোল্লাচো দা দের হারেমে একটা করে কামিকাজি ড্রোন গুঁজে দেওয়া না দেখতে পাওয়া অবধি আত্মায় শান্তি আসছে না। সবকটার বিচিতে আলুবোমা দিয়ে ব্লাস্ট করাতে হবে। আলকায়দা আর আইসিস নামের বেশ্যার বাচ্চাগুলো, আরব রেন্ডিদের পেটে আমেরিকার বীর্যজাত বেজন্মা। এদেরকেও এই সময়ে প্যাকেট করে দিতে হবে। ইসলামের নাম নিয়ে কম গণহত্যা খুল লুঠতরাজ এরা করেনি। এই সবকটা মোল্লাদের সর্দার হচ্ছে সৌদি নামে খান কির ছেলেরা, এদের প্রত্যেকটাকে বেছে বেছে আলাদা করে একটা করে মিসাইল পোঁ দে ভরতে হবে। সৌদির পেট বরাবর পূর্ব মাথা থেকে পশ্চিম মাথা অবধি তেলের লাইন পাতা রয়েছে, যা তাদের তেল সরবরাহের মূল ধমনী, সেখানে মিসাইল না গুঁজলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরবে না, ফিরতে পারেনা। শুনলাম তুরস্কে থাকা মার্কিন সেনা ঘাঁটির বিচিতেও নাকি হালকা টঙ্কার মেরেছে আজ ইরানি মিসাইল। ন্যাটোর সাথে মিলে গাজাতে গণহত্যা চালানো- মুসলিম বিশ্বের খলিফা হতে চাওয়া গাঁ ড়দোয়ানের বিচিতেও হালকা চুলকে দিলে, পীর সেজে বায়ানবাজিটা বন্ধ হয়ে হয়।

বর্তমান সভ্যতার বয়স যদি আনুমানিক ৫০০০ বছর হয়, ‘আজকের দিনের’ গণতন্ত্রের বয়স আর মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বয়স একই, কমবেশি ওই ৮০ বছর। দুজনেই একে অন্যের হাত ধরাধরি করে এসেছে বিশ্বের সকলের মা বোন চু দে দিয়ে লুঠতরাজ করতে। ‘গণতন্ত্র’ নামের যে মুলো এপস্টিন বাহিনী গোটা পৃথিবীকে দেখায়, সেটা তারা নিজেরাই কখনও প্রাক্টিস করেনি। এই মাচো দাদের কাছে গণতন্ত্র মানে শুধু লুটপাট আর যুদ্ধ হিংসা। মানবতা, নারী স্বাধীনতার ভরং ধারী বাঁদির বাচ্চারা নিজেরা বাচ্চা মেদের যৌনদাসী বানায়, আর স্বাধীন সার্বভৌম দেশে বোমা মারে, তাদের রাষ্ট্রনেতাকে তুলে নিয়ে যায় সম্পদ আত্মসাৎ করতে। গোটা বিশ্বের একটা শ্রেনীর কাছে পশ্চিমা গণতন্ত্রের এই মুলোই একমাত্র আইডল, তারা তাদের পৈতৃক গাঁ ড়ে মুলো হুড়কো খেজুর গাছ যা খুশি গুঁজুক, আমেরিকা যেদিন ‘লৌড়েন ভোজ্যম’ হয়ে যাবে, আজকের রূপে থাকা গণতন্ত্রও ‘বাপরে’ বলে পটল তুলবে নিশ্চিত।

এসব থেকে যা বোঝা গেল, আমেরিকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আর মমতা ব্যানার্জীর ভাষন- দুটোই এক। এরা দুজনেই যেটাকে বলে আঁটকে দেব, সেটাকে পরিপূর্ণ employment করে ছাড়বেই। এদিকে ভারতের মিডিয়া আর পেঁপে গাছের খাট- দুটোর মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। কুয়েতে একটি F-15 বিমানের মা চু দে দেওয়া হয়েছে, গোদী মিডিয়ার এ্যাঙ্কর জানাচ্ছে সেটা নাকি পড়ে গেছে, ওলে বাবালে, গুলুগুলু। ফাইটার জেট যেন তার বাপের নু নু, সেই যন্ত্রের শীঘ্রপতনের মতো ফাইটার জেটও ঝরে ঝরে পড়ে।

ইজরাইল কিন্তু সহজে শেষ হওয়ার নয়, হবেও না।  আমেরিকাকে বলি দিয়ে টিমটিম করে হলেও তারা কিন্তু টিকে থাকবে। আমেরিকার বয়স ২৪০ বছর ইহুদিরা টিকে আছে সাড়ে তিন হাজার বছর ধরে। এই সাড়ে তিন হাজার বছরে আমেরিকার মতো কত বিশ্বমোচাদো এসেছে গেছে, এই চোদনা গুলো ঠিক টিকে আছে। এদের মতো ধান্দাবাজ শয়তান পৃথিবীতে দ্বিতীয় কোনো জাত নেই। 

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিবিদরা কাল থেকেই বলছিল শেয়ারবাজার খুললে মার্কিন অস্ত্র কোম্পানিগুলোর শীঘ্রপতন অবশ্যম্ভাবি। CNN, FOX এর মতো বিজ্ঞবিচিদের মুখে রজঃস্রাব করে, আজ শেয়ার বাজার মাল ফেলা ধনের মতো নেতিয়ে পড়েছে। SIR নাটিকা আর ইরান যুদ্ধের বাইরে আপাতত এটাই গল্প। এই শেয়ারবাজার পতন থেকে ডিপস্টেট কতটা মুনাফা কামাবে জানি না, কিন্তু পশ্চিমা সাধারণ জনগণের পুঁজির আবার আঠা আঠা করে গাঁ ড়টি মারা গেলো সেটা বলাই বাহুল্য। আমাদের বাংলাতে দোল উৎসব চলছে, সকালের দিকে ফগও থাকছে। আমেরিকা চু দে যেতেই পাকিস্তান এখন অনাথ হয়ে গেছে। আফগানিস্তানের নামে বিল কেটে আমাদের RAW ইসলামাবাদে হীরামান্ডি খুলে বসেছে পাকিস্তানী সেনার মা বোনেদের নিয়ে, এটাও শরীর ঝাঁকিয়ে সুখ দিচ্ছে। শুনছি নূর খানেরও নাকি খাৎনা করে দিয়েছে আবার! নপুনংশক স্যারেন্ডার মোদীর কতটা মুরোদ হবে এমন সুবর্ণ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পাকিস্তানকে টুকরো টুকরো করে ফেলার, সেটাই বড় প্রশ্ন।

তবে লোকসান টাকার হলো জানেন, ক্ষতিকুরের। তার পোঁদকাস্টের গাঁ ড় মারা গেছে। SIR নিয়ে তোলামুলের ঢামনামি চাপা পরে গেছে। এতো লক্ষ লক্ষ টাকা খরচা করে i-pac এর যে প্রচেষ্টা, সব মাঠে মারা গেছে ইরান যুদ্ধের কারনে। 

শালে দুখ কা দিন খতম কাহে নেহি হোতা হ্যায় বে!

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ইরান যুদ্ধঃ একটা অশ্লীল পোষ্ট

 Disclaimer: অত্যন্ত অশ্লীল ভাষায় কথাবার্তা লেখা আছে এখানে, প্লিজ কেউ পড়বেন না।  মার্কিন সাম্রাজ্যবাদকে যারা ঘৃণা করেন, তারা কিন্তু এটা পড়ল...