ইরানের ভিতরে ঢুকে এই মার্কিন ডেল্টা ফোর্স আর নেভিসিলের 'অপরাজেয়' যোদ্ধারা ইরানের টপ লেভেলের দুই নেতাকে তুলে আনতে গিয়ে ইরানি বুবিট্রাপে ফেঁসে গেছে- যেভাবে সাদ্দাম হোসেন, গাদ্দাফি ও এই সেদিন ভেনেজুয়েলার মাদুরোকে এনেছিল, ঠিক সেই কায়দাতেই এই চোদনাগুলো ঢুকেছিল ইরানের ভূখন্ডে।
ইরানের এই মিসাইল হামলার নেপথ্যে যে মাস্টারমাইন্ড, সেই আলি লারিজানিকে গোপনে তুলে আনতে গিয়েছিল এই ভোঁদড়ের দল।
ইরান ভূমে গিয়ে নাবালকের দল এখন লপসি খাচ্ছে, যাবতীয় মার্কিন বীরত্ব আর মিথ এখন গাধার গাঁ' ড়ে। গত বছর জুলাইতে মাইটি ইজরায়েলের কাপড় খুলে নিয়েছিল, এবারে মাইটি আমেরিকার ইজ্জতের নিলামি হচ্ছে প্রতি মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে। ইরান মিডিয়া কয়েকটা ছবি প্রকাশ করেছে। AI জেনারেট কিনা জানি না, কারণ যুদ্ধের বাজারে সবাই নিজে মতো করে প্রোপ্যাগান্ডা চালায়। ইরানের দাবী- ১৮০ জনের কাছাকাছি একটা মার্কিন জঙ্গীদলের সবকটাকে ইঁদুরকলে আঁটকা করে খাঁচায় ভরে রেখেছে।
অস্ত্র আর ডলারের ঝনঝনানিতে যে মার্কিনীরা বাকি দুনিয়াকে গোলাম বানাতে চেয়েছিল, গোটা বিশ্বজুড়ে দাদাগিরি, খুন যখম যুদ্ধ আর লুঠের রাজত্ব তৈরি করেছিল- ইরান সেই সব মজলুমের মুখের ভাষা, আত্মার শক্তি হয়ে শয়তানের বুকের উপরে চড়ে বসেছে। অবশ্য এই সবের পরেও যারা এপস্টিন ফাইলের দাবী অনুযায়ী মুজরো করেছে, সেই মাদারিদের কী বা দিন কী বা রাত, আমেরিকার পোঁদ চাঁটা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।
সালমান খানের ওয়ান্টেড মুভিটা যারা দেখেছে, তাদের সিনগুলো মনে থাকবে হয়তো- প্রকাশ রাজ যখন মুম্বাই পুলিশ কমিশনারকে খুন করতে যায়, তখন পুলিশ কমিশনার বলে- তু আয়া নেহি, তেরেকো লায়া গায়া, তেরে রাইট হ্যান্ড কো হামনেই মারা, তেরোকো মজবুর করদিয়া আনেপে।
যুদ্ধ কি আদপেই আমেরিকা শুরু করেছে? নাকি চীন রাশিয়া উত্তর কোরিয়া আর ইরান মিলে- দম্ভ ঔদ্ধত্য অহংকারে মত্ত আমেরিকাকে বাধ্য করেছে ইরান আক্রমণ করতে, যাতে মধ্যপ্রাচ্যের ম্যাপ থেকে আমেরিকার নাম মুছে ফেলা যায়। ডলার অর্থনীতিকে কবর দেওয়া যায়। বিশ্বজুড়ে ছিটিয়ে থাকা ৮০০ সন্ত্রাসী ঘাঁটিকে ধ্বংস করা যায়, আমেরিকা নামের সন্ত্রাসী সাম্রাজ্যবাদী রিজিমের পতন ঘটানো যায়! আমার খুব সন্দেহ আছে, আমেরিকা এসেছে না তাকে আসতে বাধ্য করা হয়েছে?
কী ভয়ানক মাত্রার প্রস্তুতি থাকলে, মাত্র ৪ দিনের মধ্যে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার যাবতীয় সামরিক আধিপত্যকে কোমায় পাঠিয়ে দিয়েছে। তারা যে শুধুমাত্র বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান এবং ব্যয়বহুল সামরিক ঘাঁটি, সম্পত্তি এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ধ্বংস করেছে এমনটাই নয়, বরং নিজেদের সামরিক আধিপত্যও প্রমাণিত করতে সক্ষম হয়েছে। হারেমখোর মোল্লারাজাগুলো আমেরিকার সায়াতল থেকে পালিয়ে ইরানের সায়াতলে আশ্রয় নেওয়া জাস্ট সময়ের দাবী।
ছবিটা AI হোক বা না হোক, নিচের ক্রনোলজি দেখুন-
✅ ট্রাম্পকে উত্যক্ত করা
✅ আলোচনার টেবিলে গোয়ার্তমি করা
✅ খামেইনির শাহাদাতের ঘোষণা
✅ প্রতিটা মার্কিন বেসক্যাম্প ধুলোতে মিশিয়ে দেওয়া
✅ মার্কিন বিমানপোত ও রণতরী ধ্বংস
✅ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মার্কিন রাডার আর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা
✅ বেছে মেছে CIA ও মোসাদের দপ্তর ধ্বংস
✅ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া
✅ বোলতার ঝাঁকের মতো ড্রোন অ্যাটাক
✅ ইজরায়েল জুড়ে কার্পেট মিসাইলিং
✅ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমেরিকার উপস্থিতিকে প্রায় নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার উপক্রম করা
✅ ইউরোপকে রাশিয়ার গ্যাস বন্ধ করা
✅ সৌদি, আমিরাত, কুয়েত ও কাতার মিলে প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থমূল্যের সমান মার্কিন চুক্তি বাতিল করা।
✅ কুয়েতের গ্যাস আর হরমুজ দিয়ে যাওয়া তেল না গেলে AI ইন্ড্রাস্ট্রির বুদ্বুদ উবে যাওয়া
✅ এতো মার্কিন প্ররোচনার পরেও, এই যুদ্ধে ফ্রান্স জার্মানি ও ব্রিটেনের যোগ না দেওয়া
✅ স্পেনের দাঁত ভাঙা জবাব
✅ কানাডার আকাশপথ ব্যবহারে মার্কিন সংস্থানে শুল্ক গোণা
✅ নপুংশক মোল্লা রাজাগুলোর এমন কাঠ ক্যালানি খেয়েও চুপ করে ছুঁচো গেলা সাপের মতো পড়ে থাকা।
✅ ট্রাম্পের সমানে উত্তেজিত হয়ে ছটপটিয়ে মিথ্যা বলা। প্রকাশ্যে প্রার্থনা করা। ট্রাম্প যেন ক্রমশ জলসাঘরের ছবি বিশ্বাস হয়ে যাওয়া।
✅ আমেরিকার রাজপথে মৃত সেনাদের ছবি দেখিয়ে সহানুভূতি ভিক্ষা করা।
✅ গোটা মধ্যপ্রাচ্যকে খাদ্যসঙ্কটে ফেলে দেওয়া।
✅ আমেরিকাতে AI লবি, অস্ত্রলবি আর তেল গ্যাস লবি- এদের প্রায় ঝাঁপ বন্ধ হবার যোগাড় করা, ইরানের মারে।
এই সব বিতর্ক থেকে বাঁচতেই হিরোইক কিছু করার ছক কষেছিল আমেরিকা। ফলত গোপন স্থল অভিযান চালানো ও আঁটকা পড়া। যদিও আমেরিকা ঠিক এই মুহূর্ত অবধি এই ঘটনা স্বীকার করেনি, অস্বীকারও করেনি তবে করবে। এটাই ওদের প্ল্যান B ছিল, তাতেও মুতে দিয়েছে ইরান। আপাতত কোন পথে যায় সেটাই দেখার। আজতক চ্যানেলের 'অঞ্জনা ওম মোদী', হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিটের বরাতে এই ঘটনা প্রচার করে খুব ট্রোল হয়েছিল গতকাল রাত্রে।
সব যেন ফিল্মের মতো শট বাই শট এগোচ্ছে। আরও কী কী প্ল্যান আছে কে জানে! তবে সব তো প্ল্যান মতো হয়না, তাই আনেক্সপেক্টেড বহু কিছু ক্ষয়ক্ষতিও হচ্ছে ইরানের, কিন্তু ৯০% প্ল্যান মেপেই হচ্ছে। নতুবা এত ঠান্ডা মাথায় খেলা যায় না, দাবার গুটির মতো ছক না সাজানো থাকলে। এবার লক্ষ্য সম্ভবত দিয়াগো গর্সিয়া আর হাওয়াই দ্বীপ, এই দুটো মার্কিন বেস। সাম্রাজ্যবাদের পাঁজর ভেঙে যাবে এই দুটোকে উড়িয়ে দিলে।
ঠিক এই মুহূর্তে আমেরিকার কাছে কোনো এক্সিট প্ল্যান নেই, পড়ে পড়ে মার খাওয়া ছাড়া। সেকেন্ড প্ল্যান পালিয়ে যাওয়া চুপচাপ, সেটাও একপ্রকার মৃত্যুই। তার পরাশক্তির যে ইমেজ, সেটা মুহুর্মুহ ধর্ষিত হচ্ছে ইরান কর্ত্ক। খাৎনা করার সময়, বাচ্চাছেলেদের যেমন- ওই দেখো বাবু পাখি, এটা বলে টুক করে নুনুর ডগা কেটে দেয় হাজামে, গ্রান্ড মাস্টার ইরান ও তার পিছনে থাকা দুই সেকেন্ড- চীন ও রাশিয়া মিলে, আমেরিকার মুসলমানি দিতে গিয়ে গোঁড়া থেকেই গোটা যন্ত্রে চাকু চালিয়ে দিয়েছে।
এখন প্রশ্ন একটাই, পিডোফিলিক ট্রাম্পের কোনটা আগে হবে?
অ্যাসাসিনেশন না ইমপিচমেন্ট?

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন