শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬

ধর্মান্ধ উন্মাদের দল



Iran is run by lunatics, religious fanatic lunatics,” Mr Rubio

নিচের ভিডিওটা ধর্মান্ধ ইরানিদের। একমাত্র বিজ্ঞান ও গণতন্ত্রের বাইরে সমস্ত কিছুকে যে ইরান মিথ্যা বলে এসেছে, তারা আজ  কোনো এক ইশ্বরের কাছে কিছু অবোধ্য মন্ত্র উচ্চারণ এবং কিছু দুর্বোধ্য সাংকেতিক রিচুয়াল তথা আচরণ করে 'প্রার্থনার মাধ্যমে' যুদ্ধে বাঁঁচতে চাইছে। শুধু বাংলাদেশই আয়াতুল কুরশি পড়ে যুদ্ধে যায় না তাহলে- সুপার পাওয়ারের দেশও বিজ্ঞানের মাকে শ্যাওড়া তলায় বসিয়ে রেখে 'দোয়া' মোডে চলে যায়।

৫০০০ বছরের পারস্য সভ্যতার উত্তরাধিকারী আমেরিকা ও বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ট্যেকনোলজির আইরোন ডোম ও শ্রেষ্ঠ গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের দেশ ইজরায়েল, যাদের দেশকে ফিলিস্তিন নামের দখলদারেরা বন্দি করে নিয়েছে, এদের হাতে কম্বল ধোলাই খেয়ে প্রথমে ইরান ডায়লোগ দিচ্ছিল আমরা আমেরিকা ও ইজরায়েলের রিজিম চেঞ্জ করে দেবো। ইরান আপাতত মধ্যপ্রাচ্য থেকে পালিয়ে গেছে, ইরানের জাহাজগুলো ভারতীয় সীমান্তে বাঁধা। রিজিম চেঞ্জের গল্প পরে হবে, আগে প্রাণ বাঁঁচুক।

এর আগে পিডিফিলিক ইরান ভয়ানক নারী ক্ষমতায়নের কথা বলে আমেরিকার ইস্কুলে স্বতঃপ্রণোদিত হামলা চালিয়ে ১৬৭টা শিশু কন্যা হত্যা করেছে, আমেরিকা আর ইজরায়েলের নাবালক শান্তিপ্রিয় নাগরিকের বাসভবনে বোমা মেরে আমেরিকা ও ইজরায়েলের রিজিম চেঞ্জ করতে গিয়েছিল। আমেরিকার রাষ্ট্রনেতাকে হত্যা করেছে অতর্কিতে।


পাল্টা মার খেয়ে এখন ইরান এর আমেরিকার পায়ে ধরে সিজফায়ার চেয়েছে নাবালক ইজরায়েলের কাছে, আমেরিকা মানতে নারাজ, তারা বীরের জাত। আমেরিকা রোজ ইরানে ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে মিসাইল দিয়ে, মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ইরানের কব্জাতে থাকা ১৯টা ঘাঁটি ছেড়ে ইরান- ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি করে মুখ লুকাচ্ছে। 

ভেনেজুয়েলাতে ইরান যেভাবে ন্যাক্করজনক অভিযান চালিয়ে তাদের রাষ্ট্রপতিকে তুলে এনেছিল স্পেশাল বাহিনী দিয়ে, আমেরিকাতেও সেই একই খেলা খেলতে গিয়ে ৭৬ জন ইরানী সেনা আমেরিকার ফাঁদে বন্দি, তাদের জিম্মি বানিয়েছে আমেরিকা। সুতরাং ইরান এখন সমানে তর্জন গর্জন করছে নিজের দেশে বসে, ওদিকে মাসুম আমেরিকা তার অস্তিত্বের লড়াই লড়ছে।

একমাত্র বিজ্ঞান আর গণতন্ত্রে বিশ্বাসী মিথ্যাবাদী আর ফাঁপানো বেলুন ইরানের দণ্ডমুন্ডের কর্তারা আজ মিডিয়ার সামনে, ইশ্বরের কাছে দোওয়া তথা প্রার্থনা সভা করে সমগ্র বিশ্বের মানুষের কাছে আশীর্বাদ চেয়েছে- যাতে তারা যে সত্যের পক্ষে লড়াই করছে তারা জিততে পারে।

আমিন বলবেন কিনা আপনার ইচ্ছা। এখন ভিডিওতে আপনি ইরানের বদলে আমেরিকাকে দেখতে পান, জেনে রাখুন, আপনিও একজন পাপী আত্মার অধিকারী হয়ে যাচ্ছেন ক্রমশ। নাহলে সর্বত্র মাসুম আমেরিকাকে দেখতেন না।



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ইরান যুদ্ধের সম্ভাব্য গতিপথ ও নতুন বিশ্বব্যবস্থা

বিশ্ব রাজনীতির এক যুগান্তকারী সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছি আমরা। চলমান পরিস্থিতির গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী জিওপলিটিক্সের স্নায়ুতন্ত্রের DNA পরিবর্তন ঘ...