মিথ্যা প্রেমের নাট্য শিল্পী, ধিক তোর জনমে;
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
বুধবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৯
মিথ্যার বেসাতি
বুধবার, ২৪ জুলাই, ২০১৯
মেঘের ফেরিওয়ালা
মেঘের ফেরিওয়ালা
মেঘ নেবে মেঘ? এই গ্রীষ্মে ঠান্ডা শীতল ছায়া দেবে যে মেঘ, গৃহপালিত একরত্তি মেঘ। এর শুধু আদর চাই, অনেক অনেক আদর। আদরের এই কাঙালের চাই ভেজা আদর, গোপন সোগাহে মাখা সেই অনাবৃত আদর যা সারা গায়ে পুরোটা মেখে নেবে লোলুপ মেঘ। এই সোহাগের আস্কারাতেই ফুরফুরে হয়ে ভেসে বেড়াবে সে, তোমার আকাশ জুড়ে। যে আকাশে তোমার সুপ্ত কামনার নীলরং ছড়ানো, তোমার ব্যাক্তিত্বের লাল দ্বীপ্তি ছড়ানো সূর্যের সামনে নির্দ্বিধায় ভেসে বেড়াবে এই মেঘ, তোমারই প্রেষণে। যদি কখনো তোমার মনে হতাশার শূন্যস্থান বাসা বাঁধে, মেঘকে বোলো; সে নিন্মচাপের ঘূর্ণি দিয়ে উড়িয়ে নেবে সকল হতাশা।
ভিনদেশ থেকে বয়ে আনা টাটকা বাতাস ভরে দেবে প্রানে, যা শীতলতার স্বাদ দেবে। এই শীতলতা মৃত্যুর মত শীতল নয়, আমার এই মেঘ মৃত্যুকে উপেক্ষা করেনা বরং তাচ্ছিল্য করে। “মৃত্যু তুমি সত্য বলে আমি মেঘ দমে যাব কেন! আমিও বাঁচব পুরোটা জীবন আত্মভূত করে- যাতে আমার দয়িত, স্বচ্ছন্দের আশ্রয় পাবে”- এটাই মন্ত্র মেঘে’টির। ক্লান্ত রাত্রে মেঘের বিছানাতে গা এলিয়ে যদি কখনো মনের কথা শোনাও তাকে, যেটা তোমার ভীষণ গোপন- জেনো মেঘে চুলে বিলি কেটে দেবে পরম মমত্বে; যাতে তুমি প্রবোধ শান্তিতে ঘুমাতে পারো, সকল কিছু ভুলে। জানো, সেই হাওয়ার চাদরের সাথে মেঘের খুবই মিতালী; যে চাদরে অজানা বুনো ফুলের সুগন্ধ মাখা, অজস্র তারার ফুলকারি নক্সা চাদরের আঁচল জুড়ে।
এই চাদরে একটিবার নিজেকে মুড়ে নিলেই, সেই রামধুনু মাখা স্বপ্নের রাজ্যে যাবার ছাড়পত্র মেলে অনায়াসে। মেঘের পিঠে চড়েই যেখানে যাওয়া যায়; যেখানে গোলাপি হলুদ পাখিরা পরী’দের গান শোনায়, সেই পরীরা যাদের রূপের চ্ছটায় চাঁদে জ্যোৎস্না লাগে। ঐ পরীদের বিষাদে অমানিশাতে ডেকে উঠে কর্কশ রাতচড়া খেচরেরা। আচ্ছা তোমার কি বিষাদও আছে? থাকলে মেঘকেই বলে দিও, সে সবকিছু শুষে নেবে যাবতীয় কালিমা; তারপর হাউহাউ গর্জনে কেঁদে ঝরে পড়বে।
যদি ক্রোধ থাকে সেটাও তাকেই বোলো, বিদ্যুতের ঝলকানি রূপে আছড়ে ফেলবে কোনো অজানা প্রান্তরের কোনো সুউচ্চ তরুদ্রুমে, অতঃপর সেই ভীষণ ক্রোধ জ্বলিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দেবে যাবতীয় অশুভ। বড় গুণের কারুশিল্পী এ মেঘ জানো! সবই আছে জানো এ মেঘের, শুধু মানবীয় অনুভূতিটুকু নেই। খুনসুটিতে পারমীর নয় এ মেঘ, না পারে অনুরাগ আসঙ্গ দিতে। শুধু নেয়-
আচ্ছা আমি যদি মেঘ হই! আমিতো তোমার মতই সত্তা, আমাকে গ্রহণ করবে প্রিয়!
খেয়ালপত্র
খেয়ালপত্র
আতু তোমারে-
সেদিন বিষ্যুধবার বারবেলা, আকাশ জুড়ে চোখধাঁধানো রঙধনুরই মেলা। পেঁজা তুলো বারিদবরণে গোটা নীলাকাশ ছাওয়া, গুণগুণ সুরে তোমারে দেখিয়া হঠাৎ দুকলি গাওয়া। অনেক দিনের জমানো ব্যাথা হৃদিমাঝে অভিঘাত, শুষ্ক আঁখি শুকায়ে রুধির হারায়েছে যেন খাত।
প্রতীক্ষা আতু.... প্রতীক্ষা... আজও, অনাদি অনন্ত; সেদিন কি আর জানতেম আমি, স্থগনেতে এলি পান্থ।
আসিয়া দাঁড়ালে ভীরু ভীরু চাহি কম্পিত তনুকায়া, আলতা রাঙানো মুখেতে সহষা তমসা ঘনের ছায়া। চন্দ্র ললাটে স্বেদবিন্দু, শাসনের ভ্রূকুটি; মনের অতলে প্রেমঅধিকার, দ্বন্দ্ব উঠিছে ফুটি। আলতো করিয়া ঠোঁটের স্পর্শ, অতল জলের আহ্বান, ভরাট সমাজে লোকলাজ সব টুটিয়া খানখান। জড়তা মাখানো কন্ঠে তখন সোহাগের আখ্যান, এমনই দিবসে ছ-সন পূর্বে মিলিছিল দুই প্রাণ। কালের নিয়মে নিয়তির কোপে- ঘেরে বিচ্ছেদ সুর, স্বদেশ ছাড়ায়ে আপনা ভুলিতে পাড়ি দেওয়া বহুদূর। চিরঋণী করে কিভাবে নাজানি রহিয়াছো ধীরলয়ে, এতদিনে কি একটিবারও যায়নি চিত্ত বয়ে? আমাপানে!
কখনও যদি ভালোবাসা পায়, জেনে রেখো আমি আছি; উন্মাদ মাঝি- প্রেমের নোঙর, স্বপ্ন ডিঙার কাছি।
বেহায়ার মত জিতিয়াই গেলে, আমিও হারিনি নিত্য; তোমার বিজয়ে আমারও কুলায়, জেনো এ চির সত্য। অনুরক্তির চাদরে মুড়িয়া রাখিছিলে তুমি সদা, বাদল দিনের নির্জনতায় তুমিই প্রিয়ম্বদা। বন্ধু হইয়া আসিছিলে, সাজায়ে গেছো জীবন; ঠোঁটের কোনের লাজুক হাসি, স্বপ্নে সারাক্ষণ। বুকফাটানো আর্তনাদে কাঁদিতে চাই যে খুব, লক্ষ সংস্রবের ভিড়ে, তোমাতেই দেব ডুব। দূর আকাশে তোমার ডানায় ভাসব দেশান্তরে, তোমার রাজপুত্র হব পক্ষিরাজে চড়ে। আমার সকল কবিতাতে ছন্দ হয়ো তুমি; বৃষ্টি হয়ে ঝরার ছলে, আমায় যেও চুমি।
মনের অবচেতন জুড়িয়া ‘তুই’ ই যত্রতত্র; লুকায়ে খোঁজা সত্তা’রে মোর, তাইতো রচি পত্র।
~ইতি
-তোমার প্রেম
।অবসর বাটিকা, দেওঘর। ২৮শে বৈশাখ ১৪২৫ সন। অপ্রকাশিত 'হা-ঘরে' কাব্যগ্রন্থ হইতে। ২৩৫ শব্দ।
রবিবার, ৭ জুলাই, ২০১৯
অকপটে সাহিত্য বাসর
বুধবার, ২৯ মে, ২০১৯
কিছু এলোমেলো ভাবনা
মমতা বাংলা সমাজকে ছোট ছোট টুকরো করেছিল। অমুক পরিষদ, তমুক বোর্ড, কুর্মি উন্নয়ন, তামাং গোর্খা সবার আলাদা করে খাওয়ার কল। বিজেপি হিন্দুত্বের সংজ্ঞা দিয়ে বাংলাকে আবার জুড়ে দিয়েছে।
কর্মীরা দিনের পর দিন মার খেয়েছে, পার্টি নেতৃত্ব ব্যাস্ত বাৎসরিক পার্টি কংগ্রেস বা পলিটব্যুরোর প্রস্তুতিতে। পার্টি কর্মী ঘরছাড়া, নেতৃত্ব ব্রিগেডের ডাক দেয়। বাজার করব ঘরের দোরে, প্রেম করব অনেক দূরে। পার্টি কর্মিরা লাল ঝান্ডাকে ভালবাসে, প্রেম করে পার্টিকে। তাই বহুদুরে এসে ব্রিগেড ভরিয়ে তোলে, কিন্তু গ্রামে বেঁচে থাকার সাওয়াল, ভোটটা তাই তাকে দেয়- যে তৃণমূলকে পালটা মারতে পারবে। পার্টি দায়িত্ব নিয়ে মমি বানিয়ে দিচ্ছে। এই তেনৃত্ব আর টেনেটুনে বছর দশেক থাকলে, কলকাতা জাদুঘরের কপাল খুলবে। ইতিহাস হয়ে যাওয়া বামপন্থা ১০-২০ টাকার বিনিময়ে চাক্ষুষ করার সুযোগ পাবে মানুষ।
অতঃএব তৃণমূল ছবি।
রাজ্যেঃ চাকরি দিইনি, বেতন বেড়েনি, শিল্পে শ্মশান, কৃষিতে মান্ডি সিস্টেমে তৃণমূলের নেতাদের রোজগার যোজোনা। হাসপাতাল বিল্ডিং সর্বস্ব, সরকার চলেছে তৃনমূলের রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে। পুলিশি তোলা, পুলিশি অত্যাচার দেশের সবচেয়ে ভয়াবহ। ঝাড়খন্ড পেড়িয়ে বাংলা ঢুকেছি বোঝা যায় - পুলিশ যখন হাত বাড়িয়ে ড্রাইভারদের কাছে টাকা চায়। আইনশৃঙ্খলা ভগবান ভরষা, তৃণমূল রাজনৈতিক দল ছিলনা, চোর বাটপারেরা সংগঠিত হয়েছিল। ইতিহাসে এভাবেই মূল্যায়ন হবে নিশ্চিত। সারদা নারদার পাপ ধুলেও যাবেনা, চাপ চাপ কান্না আর মৃতমানুষের লাশে জড়িয়ে আছে দল তৃণমূল। ভাইপোকে রাজা বানাতে গিয়ে, নিজেকে প্রধানমন্ত্রী করার স্বপ্নে ৬৫ বছরের বৃদ্ধা ভোটের সময় একাই গোটা বাংলা দাপিয়ে বেড়িয়েছে। মঞ্চে ৫০০ সভাসদ কাঠপুতলের মত বসে, দুঁদে আমলা সহ, তিনি ক্রুদ্ধ সার্কাসের সিংহের মত মঞ্চ জুড়ে ছটপটিয়ে গেছিলেন। আজ দিশেহারা ২২ টা সিট পেয়েও। শুধু একা মমতা জিতে যে ক্ষমতা ছিল আজ ২২শে সেই ক্ষমতা নেই।
আজকের দিনে যার কিছু হয়না, যে সকল ধরনের কাজের অযোগ্য, সে সাংবাদিক হয়। সেই সাংবাদিকের চোখে মমতা পৃথিবী দেখেছে। আমরা শুনছি গুজরাতেও মুসলমানেরা বেঁচে আছে বহাল তবিয়তে, উত্তরপ্রদেশেই শাহারানপুর। তাই বাংলাতে ৩০% মুসলমান 'ভালই' থাকবে। এখানে দলিত কনসেপ্ট নেই, সৌজন্যে সেই বাম- যারা আজ ভাবনাতে জড়ভরত। আক্ষেপ- পার্টিটাকে কখনও ছাড়তে পারবনা এমন রামপাঁঠা আমি। আমার মত এমন অনেক আছে, আমাদের পাঁঠার দল।
শূণ্য পাইয়া প্রমান করিল, তাহারা শূণ্য পাইবার যোগ্য।
মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০১৯
রাষ্ট্র
রাষ্ট্র
বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০১৯
কামিকাজে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান রীতিমতো সুইসাইড রেজিমেন্ট তৈরি করেছিল। যে রেজিমেন্টের পোষাকি নাম ছিল "কামিকাজে", যার বাংলা অর্থ স্বর্গীয় বাতাস। সুইসাইড বিমান, সুইসাইড ডুবুরি, সুইসাইড ট্যাঙ্ক ডেস্ট্রয়ার, সুইসাইড বম্বার ইত্যাদি। ইতিহাস সাক্ষী কোনোটাই জাপানের জন্য সফলতা আনেনি। খাতায় কলমে বিরাট বীর ছিলো এরা, যাদের মহিমাকীর্তন হতো বিশ্বজুড়ে। তথ্য বলছে এরা কামাকাজিরা জাপানেরই বেশী ক্ষতি করেছিল। নৈতিক এবং অর্থনৈতিক- দুই ভাবেই জাপানের নিকৃষ্ট রুপ বিশ্বের সামনে উপস্থাপিত হয়েছিল। আজও আমেরিকার পোষ্য ভৃত্ত হিয়ে সে পাপের মূল্য চোকাচ্ছে।
বুধবার, ১ মে, ২০১৯
উপন্যাস
উপন্যাস
সোমবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৯
।। ভোটের ডিউটি ।।
শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৯
।। উপেক্ষা ।।
তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না
⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
