সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

তোলামূলের রক্ষিতা



কুত্তাদের সামনে ভিক্ষার বাটি দিয়ে একশ্রেণির ধর্ম পেশাজীবিদের বাঁধা রক্ষিতা বানিয়ে রেখেছিল মান্নীয়া, ক্রমশ 'উম্মতে চটি' হয়ে ওঠা মুনাফেকদের আবার একবার উম্মতে মুহাম্মদী(সাঃ) হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে আজকের ঘোষণা। 

যারা মাত্র হাজার-দু'হাজারে বিকিয়ে গিয়েছিল গত ১৫ বছরে, তোলামুলের হয়ে 'দুধেল গাই' সেজে ভোটের রাজনীতিতে ন্যাংটা 'জিহাদ' করেছিল, আপাতত অতীতের সেই নির্লজ্জতা থেকে এই হারামখোর ইমান-মুয়াজ্জিন প্রজন্ম কি মানুষ হতে পারবে? লিবরেন্ডূ ঝান্ডুর দল যারা চোখে তোলামুলী সুরমা লাগিয়ে জ্ঞানের রজঃস্রাব ছেটাতে আসবেন- জানবেন, আপনার ভ্যাসেকটমি করিয়ে দিয়েছে মান্নীয়ার ভায়ের দল। চেঁটে খাওয়ার স্বভাব বড় বদঅভ্যাস, খেটে খাওয়ার ইচ্ছা নষ্ট করে দেয়।

আগে এনারা মানুষ হোক, তারপর না হয় মুসলমান হবে। গরিলা, শিম্পাঞ্জি,  ওরাংওটাং কিম্বা কুত্তা শ্রেণির মনুষ্যেতরদের জন্য কোনো লোকাচার ধর্মের বিধান নেই কোনো সমাজে। ইসলামি শরিয়তে পাগল উন্মাদের জন্যও কোনো ধর্মীয় বিধান নেই।

সরকার বদলাতে শুধু যে তোলামুলী চোর-ডাকাতগুলো যে অনাথ হয়েছে তা তো নয়, ভাতাজীবি ভাতারির দল সমেত সমস্ত এঁটোকাঁটা কমিটি, প্রতিটি বুদ্ধিবীচির গায়ে ঘাম দিচ্ছে আবার খেটে খেতে হবে ভেবেই। সিপিএম কে খানিক গালি দিয়ে তাল বুঝে নিতে চাইছে। আবার কোন ইজের ধরে ঝুলে পড়া যায়! এরা কেউ বিজেপি কে কিছু বলছে না। কে জানে কাল আবার ওদের হয়ে গোবর খেয়ে জয়শ্রীরাম বলতে হবে কিনা!

২০১৮ তে ক্ষমতা দখলের আগে ত্রিপুরায় মোদীজি সপ্তম বেতন কমিশনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ক্ষমতায় এসে বিজেপি ঢাকঢোল পিটিয়ে তা ঘোষণাও করে। কিন্তু আট বছর পেরিয়ে গেছে- পূর্ণাঙ্গ বেতন আজও কমিশন গঠিত হয়নি। 

তৎকালীন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব বলেছিলেন, রাজ্যের আর্থিক হাল ভালো নয়, তাই কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ্যভাতা দেওয়া সম্ভব নয়। পশ্চিমবঙ্গে ত্রিপুরার পুনরাবৃত্তি হওয়াটাই নিয়তি সম্ভবত। আশঙ্কা বাড়িয়ে, মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর আজও কিছু ঘোষনা হয়নি, ফক্কা।

স্বীকৃত গরু-বাঁদরের দল সরকার এসেছে, তারা মানুষ নিয়ে খুব বেশি কথা বলবে সে আশা করি না, বললেই লোকে অন্ন বস্ত্র বাসস্থানের কথা তুলবে। তাই এরা রাস্তায় নামাজ, কোরবানির গরু এসব নিয়েই থাকবে। আমাদের যারা খেটে খেতে হয়, তাদের কোনো ধরনের আশা না রাখাই ভালো।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নাগপুর ও শিক্ষা দূুর্নীতি

পেপার লিক বা প্রশ্নপত্র ফাঁস কোন বিচ্ছিন্ন দুর্নীতি নয়।  এটা একটা পরিকল্পিত অর্থনৈতিক মডেল যেটা সরাসরি নাগপুর থেকে পরিচালিত হয়। এটার পেছনে...