উত্তরপ্রদেশে যোগীর পুলিশ সাংবাদিক অভিষেক উপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) ও তথ্য প্রযুক্তি আইনের (IT Act) বেশ কয়েকটি ধারায় FIR করেছে।
কে এই সাংবাদিক অভিষেক? ইনিই প্রথম রাম মন্দিরের চাঁদা চুরির বিষয়টা জনগনণের সামনে আনেন।
উত্তরপ্রদেশের রাজ্য প্রশাসনের জাতপাতভিত্তিক সমীকরণ নিয়ে ‘X’ (সাবেক টুইটার) প্ল্যাটফর্মে "যাদব রাজ বনাম ঠাকুর রাজ (অথবা সিং রাজ)" শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের বিরুদ্ধে প্রতথম মামলা দায়ের করা হয়েছে। BNS ধারা ৩৫৩(২) অনুযায়ী বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা বা বিদ্বেষ ছড়ানো বা ঘৃণা উস্কে দেওয়ার চেষ্টা। BNS ধারা ১৯৭(১)(C) অনুযায়ী জাতীয় সংহতি বা অখণ্ডতার ক্ষতিসাধন করতে পারে এমন বক্তব্য দেওয়া বা প্রচার করা।BNS ধারা ৩০২ অনুযায়ী ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে শব্দ উচ্চারণ বা মন্তব্য করা। BNS ধারা ৩৫৬(২) অনুযায়ী মানহানি বা মানহানিকর বক্তব্য প্রচারের শাস্তি। তথ্য প্রযুক্তি আইন (IT Act)-এর ধারা ৬৬ ধারা অনুযায়ী কম্পিউটার বা ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে আপত্তিকর বার্তা বা তথ্য ছড়ানো।
এতেও যখন প্রাণে তৃপ্তি আসেনি, তখন একটা রোড-রেজ বা পথ-বিবাদ সংক্রান্ত মামলা করা হয়, এফআইআর নম্বর -৬৭৮/২০২৬) । মজা হলো, তাকে কাস্টাডিতে নিয়ে পুলিশ ব্যাপক মারধোর করে একটাই তথ্য জানতে চায়- কেন সে চাঁদা চুরির ভিডিও বাজারে ছেড়েছে আর কে তাকে এই গোপন তথ্য সরবরাহ করেছিলো। রামমন্দিরের চাঁদা চুরির তদন্তের সূত্র এবং তার ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট (Digital Footprint) ঘেঁটে তার গোপন তথ্য ও সোর্সদের চেনার উদ্দেশ্যেই পুলিশ সর্বস্ব লাগিয়ে দিয়েছিল।
পুনের সন্তোষ পণ্ডিতের ক্ষেত্রেও একই বিষয় ঘটে। সন্তোষ পণ্ডিত তার ইউটিউব চ্যানেলে পুনের কোথরুড এলাকার নাগরিক সমস্যা ও উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে প্রশ্ন তোলার সময় মহারাষ্ট্রের উচ্চ ও প্রযুক্তি শিক্ষামন্ত্রী চন্দ্রকান্ত পাতিল এবং পুনে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের (PMC) কাউন্সিলর মিতালি সালভেকারের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করেছিলো।
আক্ষরিক অর্থেই আজ হিন্দু খতরেমে হ্যাঁয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন