সত্য ও মিথ্যা দুটোই হতে পারে। সত্য হওয়ার সম্ভাবনা যতটা, মিথ্যা হওয়ারও চান্সও ততটাই। কারন প্রাথমিক তদন্ত, অনুসন্ধান কোনোটাই হয়নি। একপক্ষের নাটুকে অভিযোগের ভিত্তিতে, দ্বিতীয় পক্ষকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগটুকুও সম্ভবত দেওয়া হয়নি।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪
তন্ময় ভট্টাচার্য্যঃ যৌন হেনস্থা
মহিলাটি, একটা ক্রিমিনাল অফেন্সের বিচার চেয়েছে পার্টির কাছে, মোদ্দা কথা- অপরাধীর জেল জড়িমানা নয়, পার্টির পদ থেকে ছেঁটে ফেললেই সে তার প্রতি হওয়া 'অন্যায়ের' বিচার পেয়ে যাবে। ওয়েলকাম সিনেমার 'জিল্লে ইলাহি' আরকি। এটাও বেশ ভালো সিস্টেম।
দল তার গঠন তন্ত্র মেনে সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছে। যদিও আরেক নেতার যৌন-ভিডিও ক্লিপ ফাঁসের ক্ষেত্রে, এই দলই সুয়োমোটো কোনো এ্যাকশন নেয়নি। মানে কে কেলেঙ্কারি করছে, সেই ব্যাক্তির উপরেও- এ্যাকশন নেওয়া বা না নেওয়া নির্ভর করে, তা বোঝা গেল। কিম্বা যৌন কেলেঙ্কারির ম্যানুয়ালও নতুনভাবে লেখা হয়েছে হয়ত। যাই হোক, দোষীর সাজা হোক।
এদিকে একশ্রেনীর 'জাজমেন্টাল' কীভাবে শিওর হচ্ছে যে, অভিযোগটা ১০০% সত্য, আর সেই ধরে নেওয়া সত্য অনুযায়ী কাউকে বিচার করছে- এটাও তো উচ্চমাত্রার হিপোক্রেসি। মহিলা অভিযোগ করেছে- তার মানেই সে বিচারের উর্ধ্বে গিয়ে সত্য?
তদন্ত হোক, তাতে দোষী প্রমানিত হলে কঠোর সাজা দেওয়া হোক আইন অনুযায়ী। তার আগেই সোস্যালমিডিয়া ট্রায়ালে শুধুমাত্র একটা ভিডিও অভিযোগের ভিত্তিতে সামাজিক ভাবে এমন কটুকথার স্রোত, ভাবনার দৈন্যতাকেই প্রকাশ করে।
গত ভোটে হারার পর, অনেক অনেক প্রশ্ন তুলে ফেলেছিলেন অভিযুক্ত, সেটা সদরে কামান দাগার মতই ছিল খানিকটা। যেএগুলো যৌক্তিক প্রশ্ন ছিল, তার উত্তর কেউ মেটায়নি, যেমন পার্টি হোলটাইমারদের বেতন এত কম কেন হবে, যেখানে একজন শ্রমিকের নুন্যতম মজুরি ১৮০০০ টাকা, ইত্যাদি। কেউ ব্যাক্তিগত ক্ষার মেটালোনা তো? প্রতিক্রিয়াশীল কায়েমী স্বার্থবাদী, যারা নেপোটিজম প্রতিষ্ঠা করে রেখেছে তারা নেই তো পিছনে? সেটিং তাত্বিকেরা নেই তো? অবশ্যই আগামী সব উত্তর দিয়ে দেবে। নির্বংশের নাতি মরে আগে, তাই এই দলটাতেই এগুলো ঘটে বা ঘটায়।
অভিযুক্তের বয়স বিচারে বা অতীত চরিত্রে এমন কখনও কোনো কালো রেকর্ড ছিল কিনা, সেটা তার সহকর্মী ও পরিচিতজনেরা বলতে পারবে। অভিযুক্তের উচিৎ কালবিলম্ব না করে আইনের দারস্থ হওয়া, যদি তিনি নিজেকে নির্দোষ মানেন অন্তর থেকে। সময় লাগবে, কিন্তু সত্য বাইরে আসুক। তিনি সত্যিই বালিসকুমারের উত্তরসূরী নাকি আরেকটা ইলিয়াস!!
বস্তুত, নন্দীগ্রামের ইলিয়াস কান্ডও সত্য ছিল, নুঙ্কুদেবের স্টিং এর মিথ্যা ধরা পরার আগে অবধি।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না
⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন