শনিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২০

এয়ারপোর্ট অবরোধ হোক

 



বিমানবন্দর অভিমুখী সকল রাজপথগুলোকে অবরোধ করুক কৃষকেরা ও তাদের সমর্থনে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করা সাধারণ দেশপ্রেমিক আমজনতা। ফলস্বরূপ, যাত্রী ও পণ্য পরিবহণের সাথে, বিমানের জ্বালানী সরবরাহ বন্ধ হয়ে গোটা বিমান পরিসেবাই স্তব্ধ হয়ে মুখ থুবড়ে পড়বে। কিন্তু কখনই যেন রেলপথ অবরোধ নয় লকডাউনোত্তর পরিস্থিতিতে, প্রয়োজনে সড়ক অবরোধ তুলে দেওয়াও যেতে পারে।

পোষ্ট সঙ্গত মনে করলে নির্দ্বিধায় শেয়ার করুন কপিপেষ্ট করে।

বিমানবন্দর অবরোধের কারণ সমূহঃ

১) বিমান গণপরিবহণ ব্যবস্থা নয়। বিমানবন্দর ব্যবহারকারীরা এবং বিমানবন্দর দিয়ে যাতায়াত করা পণ্য সামগ্রী অনেকটাই দামি ও মূলত সেই পণ্য বিত্তশালী পরিবারের হাতে যাচ্ছে যারা কোনভাবেই কৃষক আন্দোলনের প্রকাশ্য সমর্থক নয়৷

২) বিমান তথাকথিত ধনী সম্প্রদায়ের পরিবহণ ব্যবস্থা আমাদের দেশে, সকল বড় বড় সরকারি-বেসরকারি কোম্পানির কর্মকর্তা, মন্ত্রী, আমলা, রাজনৈতিক নেতা, বিদেশী পর্যটকেরা বাঁধার সম্মুখে পড়লে সরকারকে বাধ্য হয়ে আপসে আসতে হবে।

৩) লকডাউনে মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা এমনিতেই ভেঙ্গে পড়েছে, দীর্ঘদিন স্থবির অবস্থায় বসে থাকা সাধারণ মানুষ সদ্য চালু হওয়া রেল যাত্রী পরিষেবা ও পণ্য পরিষেবার যৎসামান্য সুযোগ পেতে শুরু করেছে। ফলে গণ রেল অবরোধ করলে তার দুর্ভোগ সাধারণ খেটেখাওয়া শ্রমজীবি মানুষের সাথে কৃষকদেরও প্রতক্ষ্য এবং পরোক্ষ ক্ষতির কারন হবে।

৪) রেল পরিষেবা বিঘ্নিত হলে প্রতিটি রেলস্টেশনের উপর নির্ভরশীল মানুষের রুজিরোজগার বাধাপ্রাপ্ত হবে, বিশেষ করে রেলবাজার গুলিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা কাঁচামালের ব্যবসা।

৫) গ্রামীণ ও মফঃস্বলের স্বল্প পুঁজির ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা, অসুস্থ রোগীরা যারা রেলপথের উপরে নির্ভরশীল, তারা চরমভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হবে। এতে করে সমাজের নিম্ন মধ্যবিত্ত ও গরিব মানুষের মনে ক্ষোভের সঞ্চার ঘটাবে শাসকদল ও তার চামচা মিডিয়া, আন্দোলনের ওপর গণসমর্থনে বিভেদ সৃষ্টি হবে।

৬) রেল পরিবহন নতুন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে, জনবিরোধী কেন্দ্র সরকার সেই ক্ষতির দোহাই দিয়ে বেসরকারিকরণের পক্ষে তোড়জোড় নেওয়া শুরু করে দেবে।

৭) আন্দোলনকারীরা উগ্রতা দেখিয়ে রেলের কোনো ক্ষয়ক্ষতির প্রচেষ্টা চালালে মূলত তাদের রেল পুলিশ GRPF এর মুখোমুখি হতে হবে, GRPF সংশ্লিষ্ট রাজ্য পুলিশ থেকেই ডেপুটেশনে যায়, আপাতদৃষ্টিতে আলাদা আলাদা রাজ্য গুলিকে ইনভলভ করে দেওয়া হবে, যদিও আন্দোলনের সবটাই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। বিমানবন্দরের সুরক্ষা কর্মে CISF একাই নিয়োজিত থাকে যা সম্পূর্ণভাবে সরাসরি কেন্দ্রের অধীনে, এখানে লড়াইটা কৃষক বনাম কেন্দ্রীয় সরকার হয়ে যাবে।

#SupportFarmersProtest
#BlockAirportRoad
#এয়ারপোর্টঅবরোধ

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...