রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২১

খেলা হলো?

 


প্ররোচনার পর প্ররোচনা দিয়ে গেছে দুটো ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক দলই। একজন অসভ্য মহিলা অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় গত এক সপ্তাহ ধরে "নির্বাচন কমিশন মানি না, করুক শোকজ, দেখে নেব, CRPF ঘিরে ধরুন" বলে যাচ্ছে। যত ধরনের নিকৃষ্ট কথাবার্তা হয় সব বলছে ক্ষমতায় টিকে থাকতে। সেটার জবাবে বিজেপির গাম্বাট ফিলিপ মোষ "রগড়ে দেব, জ্বালিয়ে দেব, পুড়িয়ে দেব" বলে যাচ্ছে।
দুটো দলের একটাকেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চাকরি, মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে ক্যাম্পেন করতে দেখেনি কেউ। দাঙ্গাবাজরা বলে যাচ্ছে খেলা হবে। চালচোরের দিদিমণি "খেল কত খেলবি- আমি গোলকিপার" বলে উস্কে যাচ্ছে। এই হিংসা, এই প্ররোচনায় ৫টা লোক নিথর হয়ে গেল। ইলেকশন কমিশন গ্যালারিতে বসে খেলা দেখছে।
একটা শ্রেণী খুব খুশি- চারটেই দুধেল গাই গেছে, তাদের বলি- এটা তো একটা আবর্ত, এই আবর্তে কে যে কখন ভিক্টিম হবে মরার আগে জানতেও পারবে না। হ্যাঁ মৃতরা মুসলমান, কারণ বিজেপির জুজু দেখিয়ে এই গাম্বাটগুলোকে মমতা ব্যানার্জী নিজে প্রকাশ্য জনসভায় দাঁড়িয়ে উস্কে ছিল। লাভ মমতা পেয়ে গেছে, এরা খুন হয়েছে, ভেসে গেছে এদের পরিবারগুলো। কবে বুঝবি অশিক্ষিত গাম্বাট চটিচাঁটা তৃণমোল্লাগুলো! তোরা আসলে চটির বোরে, যারা খুন হবি, গুড় খাবে তো দক্ষিণ কোলকাতা।
কমিশনকে প্রস্তাব দিচ্ছি- অশালীন বক্তব্য ও উস্কানিমূলক কথাবার্তার দায়ে মমতাকে ইম্মিডিয়েট গৃহবন্দি করে রাখুন যদি লাশের পাহাড় না ডিঙাতে চান, পায়ে যেমন ব্যান্ডেজ বেঁধেছিল ছলা করে, মুখে ব্যাণ্ডেজ বেঁধে রাখুন ২ তারিখ পর্যন্ত- নতুবা যে তে যেতে কয়েকশ তাজা প্রাণ সে নিয়েই যাবে। ওর কানের গোঁড়ায় ১৮টা ডিজে বক্সে চালিয়ে দিন ওরই দলের তৈরি 'খেলা হবে' গান।
আপনিও কি এই লাশ দেখবেন বলে ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন?
আসলে আপনিও তো একজন ঠাণ্ডা মাথার কুচো সন্ত্রাসী, নতুবা এদের ভোট দিয়ে কীভাবে ক্ষমতায় আনেন? কীভাবে এদের ভোট লুঠ, এদের সন্ত্রাস, এদের চোখরাঙানি সহ্য করেন। আপনিও এদের বাইনারিতে মিডিয়ার তৈরি সিরাপ খেয়ে নিজের অজান্তেই সাম্প্রদায়িক হয়ে যান। এদের চুরির অর্থের বৈভবের কাছে আপনিও মাথা বিকিয়ে দেন।
ব্যক্তি ও সমাজ জীবনের বৃহত্তর কল্যাণ ও সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্যে গড়ে ওঠা মান্য অনুশাসন ও অনুসরণীয় ন্যায়-নীতির মাঝে তৃণমূল আর বিজেপি নামের দল দুটোর অস্তিত্ব কোথায়? এরা লুম্পেন, সমাজের চোখে অন্যায়কারী ও আইনের চোখে অপরাধী হিসাবে বিবেচিত। এরা কবে কার ভাল করেছে?
আপনি কি নিজেকে দেখতে পাচ্ছেন? দুজন দাঁত বের করা ব্যাক্তির মাঝের জনই আপনি- চোখে কালো চশমা পরে কানা সেপাই হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন, আপনিই এদের সিকিউরিটি দিচ্ছেন। বাকিটা আপনার শুভবুদ্ধির উপরে ছাড়া রইল।
কবিগুরু কবেই বলে গেছেন- 'অন্যায় যে করে, অন্যায় যে সহে- তব ঘৃণা যেন তারে তৃণ সম দহে'।

ফেরাতে হাল
ফেরাও লাল

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...