দিল্লিতে নাকি আজকে থেকে আবার করোনার নামে লকডাউন শুরু হবে। যদিও গতকাল WHO ঘোষণা করেছে লকডাউন একটা অবৈজ্ঞানিক বাজে সিদ্ধান্ত তথা ব্লাণ্ডার ছিল, যা সংক্রমণ রোধ করতে সামাজিকভাবে কোন কাজে আসেনি। উলটে মানুষের জীবন-জীবিকা সংকটে পড়েছে।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১
লকডাউনের নামে ধান্দাবাজি বন্ধ হোক।
তারপরও আমাদের দেশে আবার লকডাউন হবেই, কারণ গত লকডাউনে আদানি আম্বানি সহ পুঁজিপতিদের সম্পদ বেড়েছিল বিপুল পরিমাণে ও তড়িৎগতিতে। এ বছরেও তেমনই কিছু একটা করার পরিকল্পনায় ফেঁদেছে ওই শোষকের দল।
লকডাউন যদি করতেই হয়-
২) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি থেকে একেবারে পঞ্চায়েত সদস্য রাষ্ট্র থেকে যে সুযোগ সুবিধা পায় প্রত্যেকটি টাকা তাদের কাছ থেকে গুনে ফিরৎ নিয়ে সরকারি কোষাগারে ঢুকানো হোক৷ তাদের সরকারি বাসভবন, সরকারি গাড়ি কেড়ে নেওয়া হোক। তারা নিজ নিজ ঘরে ফিরে যাক, যেমন পরিযায়ী শ্রমিকেরা ফিরে এসেছে।
৩) বিধায়ক ও সাংসদদের পেনশন আনুপাতিক হারে দেওয়া হোক। অর্থাৎ একবার নির্বাচিত হলে এত টাকা দুবার হলে এত টাকা এইভাবে। দু বছরের কম সংসদের অস্তিত্ব হলে সেই অবস্থায় পেনশন বন্ধ রাখা হোক।
৪) যত আইএএস-আইপিএস তথা উচ্চপদস্থ আমলা রয়েছে, যাদের সেই অর্থে কাজ করতে হচ্ছে না বা কাজ করার পরিস্যার নেই - তাদের বেতন আংশিক রদ করা হোক বা বন্ধ করা হোক। অতিরিক্ত পরিমাণ আমলাদের আপাতত বসিয়ে দেওয়া হোক বেতন ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বন্ধ করে- যেভাবে সাধারণ শ্রমিক মজুররা কাজের অভাবে লকডাউনে বসে থাকে। আমলা প্রশাসনের অংশ, দেশে প্রশাসনই থাকলে করো না নতুন করে আবার এইভাবে ছড়াতে পারত না সুতরাং সেই সমস্ত অপদার্থ আমরা পৌঁছে আমাদের কি লাভ তাদের বেতন আমাদের করের টাকায় হয়।
সাধারণ গরিব খেটে-খাওয়া মানুষ লকডাউনে বাড়িতে হাত-পা বগলে ভরে বসে থাকবে, রোজগার থাকবে না- অথচ এই সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় আমলা, নেতা মন্ত্রী সান্ত্রীদের বেতন হবে- দুটো একসঙ্গে চলতে পারে না।
কর্মহীন হলে গোটা দেশ কর্মহীন হোক আর বেতন পেলে গোটা দেশ বেতন পায়। সে ক্ষেত্রে যারা কর্মহীন সাধারণ মানুষ তাদের কেও বেতন দিতে হবে যদি আমলারা বেতন পায়, যদি নেতারা বেতন পায়, যদি সরকারি কর্মচারীরা বেতন পায় যাদের কাজ করতে হচ্ছেনা।
কেউ খাবে কেউ খাবে না
তা হবে না তা হবে না
লকডাউনের নামে ধান্দাবাজি বন্ধ হোক।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না
⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন