মঙ্গলবার, ২৭ মে, ২০২৫

মাননীয়া চোরেদের জন্য শিক্ষকদের বলি দিয়েছেন



আসলে তোলা যারা তুলেছে, চাকরি যারা বিক্রি করেছে, বিপুল অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে যারা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বসে আছে সরকারী চাকরির- তারা প্রত্যেকে "সততার প্রতীকের" দলের সম্পদ। সেই কারনেই ইনি নিয়মিত সময় অন্তর "কিছু একটা" বলে নিয়মিত সময় নষ্ট করে যাচ্ছেন। নতুবা যারা তোলামূলকে টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছে, তাদের পোঁ'দের চামড়া কপালে তুলে দেবে কেলিয়ে- যারা টাকা দিয়েছে। পুলিশ বা সিভিক দিয়ে এদের বাঁচানো যাবেনা।


একবার ধোলাই শুরু হলে- আবাস যোজনার কাটমানি, ফসলের ন্যায্য মূল্যের কাটমানি সহ যে যে যাকে যাকে যেখানে ঘুষ দিয়েছে, তাকেই ফেলে ক্যালাবে। আর গণধোলাই বড় ছোঁয়াচে রোগ, দাবানলের মত ছড়ায়। কেউ অযোগ্যতার কারনে স্বেচ্ছায় ঘুষ দিয়ে চাকরি চুরি করেছে, কেউ ভয়ে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়েছে- কিন্তু ঘুষ যে দিয়েছে এটাই সত্য। উন্নয়নের প্রতীক একবারও অস্বীকার করেনি যে তার দলের সম্পদগুলোর উন্নতি তোলার টাকায় হয়নি।

এবারে সেই এজেন্টরা ক্যালানি খেলেই, একপর্যায়ে বলে দেবে যে, তারা তো মাত্র ৩০% এর মালিক, আসল ৭০ % কালীঘাটে গেছে।

সততার প্রতীক আসলে বাঁচাবার চেষ্টা করছে- দলের চোরগুলো ও নিজেকে। পাব্লিকে চুতিয়া বানাচ্ছে, প্রচারখানা এমন যেন উনি চাকরিহারাদের জন্য এতো পরিকল্পনা করছে। মাঝেমধ্যেই নানান পরিকল্পনা আর ঘোষণা নিয়ে আসছেন।

অহেতুক সময় নষ্ট করছে। প্রতিটা অসৎ ষড়যন্ত্রকারী যেকোনো মূল্যে সময় নষ্ট করার হরেক বাহানা খোঁজে, যুগে যুগে প্রতিটা সমস্যায় তোলামূলের মত 'দাগী' অপরাধীপক্ষ এটাই করে। মমতা ব্যানার্জী নতুন কিছু করছেনা, দলের চোরগুলোকে যতটা দিন সম্ভব রক্ষা করছে ভাঁট বকে।

খোঁজা বিরোধীরা যদি তিথিনক্ষত্র দেখে আন্দোলন করে, মমতা ব্যানার্জী আজীবন মুখ্যমন্ত্রী থাকবে। মুর্সিদাবাদ দাঙ্গা যে রাজ্য সরকারেরই কীর্তি - এটার কেন্দ্রীয় রিপোর্ট থাকা সত্বেও তথাকথিত বিরোধী পক্ষের মুখে এক্সট্রা ডটেড কণ্ডোম লাগানো রয়েছে। নিশ্চিদ্র ব্যবস্থা, এক ফোঁটা আন্দোলনের বীর্য ফেসবুকের বাইরে চোঁয়ানোর জো নেই। কে যে কার ডাবল এজেন্ট সেটা বোঝার জন্য ফেলুদা বা ব্যোমকেশ বক্সী হওয়ার দরকার নেই। সিধু জ্যাঠার মত তথ্য আর পরবর্তী গতিপ্রকৃতি- একটু স্থির ও সুস্থ মস্তিষ্কে নজর রাখলেই সবটা পরিষ্কার হয়ে যায়।

প্রসঙ্গত, বিজেপি এরাজ্যের বিরোধী নয়। তারা সরকারের শরিক। বস্তুত বিজেপি আর তৃণমূলের ৫০% নেতাকাঁথার দল নিয়মিত এদল ওদলে যাতায়াত করে- এরা কমন ও সেম। বিজেপি দাঙ্গা বাঁধায়, তৃণমূল দুধেল গাইদের ভোটের ৯৫% নিশ্চিত করে, বিনিময়ে RSS তার কর্মকাণ্ডের জন্য উপযুক্ত ভূমি পায় তৃণমূল সরকারের তরফে।

আগামী বছরের ভোট আসতে আসতে ছোট বড় কয়েকটা দাঙ্গা বা দাঙ্গা পরিস্থিতি তৈরি হবে, মুর্সিদাবাদ দাঙ্গা দিয়ে তার ফিতে কাটা হয়েছে। "বিজেপি চলে আসবে" অতএব দুধেল গাইদের ভোট কনসলিডেট করতেই পারলেই আগামী ৫ বছর আবার চোরগুলো রাজত্ব করবে, সহজ ও সরল গণতান্ত্রিক উপায়- অন্ন বস্ত্র বাসস্থান চিকিৎসা নয়, জুজু দেখাও ক্ষমতায় থাকো।

ফলে মান্নীয়া এমন প্রকাশ্য মিথ্যাচার করেই যাবে, আপনি আমি সহ্যই করব। ফেসবুকে বিপ্লব করব ভিনরাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ফেসবুকীয় সিপিএমঃ ফিউজড আইনগাইডেড কামিকাজে ড্রোন

  ফেসবুকের ‘সিপিএম’ নামক এই চুড়ান্ত আঁতেল ও প্রায় সর্বজ্ঞ গোষ্ঠীটার পূর্ণ বোধোদয় বা পূর্ণ বিনাশ না ঘটা অবধি রাজ্যের বাম নেতৃত্বের খুব বেশী ...