মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

এলোমেলো ঘুড়ি


সুতো ছিঁড়ে যাবার পর ঘুড়িটা ভাবলো সে স্বাধীন, আজ নিজের খুশিতে উড়ছে। যতক্ষণ উড়লো, আনন্দের আতিসায্যে যে সে ভুলে গেল- এটা ছিল বহমান বাতাসের দয়া। 

দয়া খুবই সাময়িক, সামনের জনের উপরে নির্ভরশীল। ফলত ঘুড়িটা আর কোনোদিন আকাশ দেখলো না। গোঁত্তা খেয়ে মুখের বলে মাটিয়ে পরে ছিন্নভিন্ন হয়ে পরে রয়েছে কোথাও। অথচ সুতো ছিঁড়ে না গেলে বা দিলে সে  আবার পরদিন আকাশে পৌঁছে যেতো। আসলে লাটাই, যে সুরক্ষা দিতো- তাকেই বন্ধন বা শৃঙ্খলা মনে হয়েছিলো ঘুড়ির। পরিমিত ও বন্ধনের বাঁধনে থাকাটাকে পরাধীনতা মনে হয়েছিলো ঘুড়ির। সুতো কেটে দেবার মাঝে জীবনের স্বার্থকতা মনে করেছিলো।

আসলে দিনের শেষে সকলেই একটা সুতোর বাঁধন দিয়ে লাটাই নামের সংসারে বেঁধে থাকতে চায়। যেখানে শাসন থাকবে, মানা থাকবে, আদেশ, নিষেধ থাকবে। তবে সেখানে ভালবাসা শব্দটা মর্যাদা পাবে। সুতো কেটে গেলে কেউ কারো খোঁজ নেবেনা আর- কখনও। 

আমরা আকাশে উঠলে আগে লাটাইকে ভুলে যায়, আর সুতো কেটে স্বাধীন হতে গিয়ে- অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলি। ন্যংটা লোভ একাকিত্ব আর সামাজিক পঙ্গুত্ব দেয়। জুড়ে থাকার মাঝে যে আসল সুখ- তা আমরা হারিয়ে বুঝি।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...