পাণ্ডবেশ্বরে আমাদের প্রার্থী সুভাষ বাউরি আক্রান্ত, এ বিষয়ে গত কাল রাত্রেই পশ্চিম বর্ধমানের আমাদের জেলা সেক্রেটারি গৌরাঙ্গ দা পোস্ট দিয়েছেন। কিন্তু আনন্দের ব্যাপার এইটা হল যে- না কোন দ্বিতীয় নেতা এ বিষয়ে কোনো রা কেটেছে, না কোন ডিজিটাল এর 'বাপের দয়া' ভাইরাস গুলো কোথাও কোনো ফুট কেটেছে। তাদের সাঙ্গোপাঙ্গ চামচা আর খোঁজাগুলো কেউ কোথাও এক লাইনও লেখেনি।
কোনো এক অজানা কারনে হঠাৎ করে ভাবনাস্থল গর্ভবতী হওয়ার কারনে অক্ষরের রূপে প্রসবিত কিছু প্রলাপের সংকলন এই ঠেক। গুনী লেখকের সমৃদ্ধশালী লেখনি পড়তে পড়তে, অক্ষমের প্রয়াসে কম্পিউটারের কিবোর্ডে হাত চলে যায়। ফল স্বরূপ, ঘটে চলা রাজনীতি, সমকাল, মানবিক বিকার, সময়চর্চা, ছ্যাঁচোর এর মত রিকেটগ্রস্থ লেখনীর জন্ম হয়। এরই রেশ ধরে সময়চর্চা, রবিবাসরীয়, সমকাল সহ রম্য, রচনা, গল্প ইত্যাদি ভুলভাল গুলোকে সংরক্ষিত করা হয়েছে এই টোলে। এটা সমমনষ্ক মানুষদের ভাব বিনিময়ের স্থান। উন্মাদের টোলে সকলকে স্বাগতম জানাই।
সোমবার, ১০ মে, ২০২১
সুভাষ বাউরি আক্রান্ত
তারা তৃণমূলের সাথে সেটিং করে সারাক্ষণ সরকারকে বাঁচাতে ব্যাস্ত। কোনমতে যেন সরকার বিব্রত না হয়, সরকারের উপর যেন মানুষের ক্ষোভ আছড়ে না পরে তার জন্য 'খয়রাতি শ্রম' নিয়েই মাতিয়ে রেখেছে কিছু ছেলেপুলেকে। আর সেই নিয়েই যত নাচাকোঁদা। আজ তো আবার টুইটারের কোনো এক 'মমতা সাপোর্টারদ' গ্রুপের এডমিনকে অক্সিজেন পৌছে দিয়ে এমন গর্বিত হয়েছে, যেন- বাপের বিয়েতে বরযাত্রী যেতে পারার মত উল্লাসে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে গেছে। দলের কর্মী, প্রার্থী আক্রান্ত- সে নিয়ে এদের টাইমলাইনেও কোনো পোষ্ট নেই ১৬-১৭ ঘন্টা পরেও। জানিনা গণশক্তি ছেপেছে কিনা।
অথচ ৩ দিন আগে খনি ধস হয়েছে, শ্রমিকের হাতে কাজ নেই, আমাদের প্রার্থী আক্রান্ত- সবাই শহরের ২০-২৫টা আসনের মধ্যেই ব্যাস্ত। পান্ডবেশ্বরে কোথায় রেড ভলেন্টিয়ার? কে নিয়ে যাবে সেই শ্রমিকদের কাছে খাদ্য, অন্যান্য সামগ্রী? কোথায় সেই ছবি তুলে মানুষে কাছে তুলে ধরার প্রয়াস?
দায়িত্বে থাকা সিপিএমের প্রচার মাধ্যম 'ডিজিটাল' কোথাও ১ লাইনও লিখেছে এই পোষ্ট হওয়া অবধি। পিকে রাজ্য থেকে চলে গেলেও, তাদের বাধ্য পোষ্যের মত সম্পূর্ণভাবে প্রাণ সঁপে দিয়ে- তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে ত্রুটি রাখছেনা। পাশাপাশি এই সব আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাগুলোকে আড়াল করারও নিকৃষ্ট প্রয়াস চলছে, যাতে তৃণমূল বেড়ে খেলতে পায়। পিকে-রাজ্য ডিজিটালের অসামান্য ডাবলস জুটি মাইরি, কিম্বা অসামান্য প্রভুভক্তির নিদর্শন।
সেখানে কোথায় কে মার খেলো কি আসে যায় তাতে!
তৃণমূলী লুম্পেনগুলোকে একটা কথাই বলব- ছিঃ......
সেই লুম্পেন পান্ডবেশ্বরের খনিতে সুভাসকে মারা দুষ্কৃতি হোক বা আলিমুদ্দিনে প্রচারের দায়িত্বে বসেথাকা নির্লজ্জ তৃণমূলী লুম্পেন-
এই লুম্পেনগিরি তথা বিশ্বাসঘাতকতা দিয়ে রোজগার করা অর্থে পালিত সন্তান কিন্তু আপনার ঘরেই বড় হচ্ছে- শোধ তুলে নেবে সে-
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না
⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...
-
(১) জাতীয় ডিম্ভাত দিবস ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই এর জমায়েত কী উদ্দেশ্যে হয়েছিলো জানেন? তোলামূলের রাজ্যে না জানাটাই আপনার অধিকার। ভোটার তাল...
-
ছোটবেলায় বাবা বলতেন "শাগ খেলে বাঘের বল"। যদিও তিনি ওটাকে শাকই বলতেন আমরা কচি কানে বাঘের সাথে মিলিয়ে শাগ শুনতাম। এহেন পরিস্থ...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন