আরো একটা দুঃসংবাদ
আমরা আরো একটা কমরেডকে হারালাম। আরো একজন #redvolunteer শহীদ হলেন।
তার মৃত্যু সংবাদ কোনো সংবাদপত্রে প্রকাশিত হবে কিনা, কোনো গ্রুপে পোষ্ট হবে কিনা কিম্বা সেই পোষ্ট বারে বারে এডিট হবে কিনা অথবা কোনো কমরেড তার টাইম লাইনে স্মৃতিচারণ করবেন কিনা, কতজন লাল সেলাম বলবেন, কত অমর রহে বলবেন, কতজন তাঁর মৃত্যুর কারন নিয়ে তর্ক বিতর্ক করবেন, কতজন দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইবে- কোনো কিছুরই তোয়াক্কা না করে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমালেন।
হাওড়ার ডোমজুরের কমরেড সুদীপ ঘোষ। বছর ৪০ এর আশেপাশে বয়স। রেখে গেলেন তার স্ত্রী ও দেড় বছরের সন্তানকে।
বেশ কিছুদিন উনি উলুবেড়িয়া হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন, পরে অবস্থার অবনতি হলে সঞ্জীবনী নামের বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
*আমরা জানতে পারিনি তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা কেমন।
*তাঁর চিকিৎসার খরচা কে বা কারা বহন করেছে।
*তাঁর কোনো বিমা ছিল কিনা।
কেউ জেনে থাকলে দয়া করে জানাবেন।
পোষ্টের পোষ্টারটাও একজনের টাইমলাইন থেকেই পেলাম।
তালিকা লম্বা হচ্ছে, এর পর কে?
শহীদ কমরেড সুদীপ ঘোষের পরিবারের ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, পরিবারের একজনের সরকারি চাকরি ও একটা উল্লেখযোগ্য ক্ষতিপূরণের জন্য নাগরিক সমাজের সর্বস্তর থেকে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো হোক। পার্টি নেতৃত্ব আগামীকাল অসহায় পরিবারটির বাড়িতে গিয়ে তাদের এই চরম দুর্দিনের দিনে পাশে দাঁড়াক। শহিদ মইদুল আলম মিদ্যার পরিবারের পাশে যেমন দাঁড়ানো হয়েছিল, ঠিক সেইভাবে সমস্ত গণসংগঠনগুলি- শহীদ কমরেড হালদারের পরিবারের পাশে আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিক।
আপনারা যারা রাস্তায় আছেন, ও রাস্তায় থাকা ছাত্র যুবদের অভিভাবক যারা ঘরে আছেন- আপনারা সুরক্ষা সচেতন হোন, ও সন্তানদের সচেতন করুন। কেউ একজন শহিদ কমরেড হালদারের মতো হারিয়ে গেলে, সকলে সাময়িক হা হুতাশ করলেও- চিরস্থায়ী ক্ষতিটা আপনার পরিবারেরই হবে। কমরেড সেটাই শিখিয়ে গেলেন।
কমরেড সুদীপ ঘোষ লাল সেলাম।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন