লাক্ষাদ্বীপ, ভারতের জীববৈচিত্র্যেোর দিক থেকে এক অমূল্য সম্পদ। মাত্র ৬০ হাজারের কিছু বেশি মানুষ এই দ্বীপরাজ্যে বসবাস করে যাদের অধিকাংশই গরিব মৎসজীবী। দেশের মধ্যে সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন রাজ্য তথা টেরিটরি, ৯৬% নারীশিক্ষা নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ, জন্মহার দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম এবং দেশের সবচেয়ে কম অপরাধপ্রবণ অঞ্চল। এমন একটা শান্তিপ্রিয় অঞ্চল প্রায় রাতারাতি নরকগুলজারে পরিণত হয়েছে।
সৌজন্যে RSS পরিচালিত বিজেপি।
বিজেপি সকল সময় এমন কিছু অদ্ভুত সমস্যা তৈরি করে, যাতে আপনার অন্নবস্ত্র, বাসস্থান ইত্যাদি স্থানীয় মৌলিক চাহিদার দাবী ভুলে আপনি মেতে থাকবে কিছু ডেকোরেটেড সমস্যা নিয়ে, যেখানে বেঁচে থাকাটাই যেন আচ্ছে দিন বলে মনে হবে। ভেবে দেখুন বিজেপি তার সাত বছরের অপশাসনে ঠিক এই জিনিসটাই করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন যে সমস্যাটা তৈরি করেছে- তার নাম লাক্ষাদ্বীপ।
লাক্ষাদ্বীপ দেশের ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের একটি, কেরালার মূল ভূ-খণ্ড মালাবার উপকূল থেকে ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ। লাক্ষাদ্বীপে ১টি মাত্র জেলা রয়েছে, সেটিই একমাত্র লোকসভা আসন। লাক্ষাদ্বীপের রাজধানীর নাম কাভারাত্তি, সবচেয়ে বড় শহর এ্যান্ড্রট। অসংখ্য মৃত প্রবাল কীটের দেহাবশেষ সঞ্চিত হয়ে সমুদ্র মধ্যে এই দ্বীপসমূহের সৃষ্টি হয়েছে বলে এই দ্বীপপুঞ্জকে ‘প্রবাল দ্বীপ’ও বলা হয়ে থাকে। এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অপার্থিব চোখজুড়ানো, আর এটাতেই এখন পুঁজিবাদী হাঙরদের দৃষ্টি পড়েছে।
হঠাৎ লাক্ষাদ্বীপ কেন শিরোনামে?
রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করে, রাজ্যসভার CPIM সাংসদ ইলামারাম করিমের লেখা একটা চিঠিকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে, যদিও গোদী মিডিয়া এটাকে ধামাচাপা দিয়েই রেখেছে। চিঠিতে রয়েছে, কীভাবে মোদী সরকার লাক্ষাদ্বীপে সাম্প্রদায়িক অশান্তির বীজ বপন করে সেখানের মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ করছে ও তাদের উপরে অত্যাচারের স্টিম রোলার চালাচ্ছে। যাতে করে দ্বীপের অধিবাসীরা দ্বীপ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়।
স্বাধীনতার পর থেকে দেশের সকল কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোতে প্রশাসক হিসাবে IAS/IPS অফিসারদেরই নিয়োগ দেওয়া হতো, ২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় এসেই এই নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটায়। ‘দমন ও দিউ’ এর প্রশাসক হিসাবে গুজরাত বিজেপির নেতাকে প্রশাসক পদে নিযুক্ত করে, ২০১৬ সালে সেই ব্যক্তিকেই ‘দাদরা, নগর ও হাভেলির’ও প্রশাসক পদে বসিয়ে দেয় মোদী। নেতাটির নাম ‘প্রফুল্ল খোদা প্যাটেল’, RSS এর এই স্বয়ংসেবক এতটা মোদী-শাহ্ ঘনিষ্ঠ যে, অমিত শাহ যখন CBI এর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিল, তখন একে গুজরাটের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়েছিল।
২০২০ সালের ৫ই ডিসেম্বর এই প্রফুল্ল প্যাটেলকেই লাক্ষাদ্বীপের প্রশাসক পদে নিযুক্ত করে ভারতের রাষ্ট্রপতি তথা মোদী। এমনিতেই এই সব কেন্দ্রশাসিত রাজ্যগুলোতে গণতন্ত্রের নিয়ম মেনে নিজেদের প্রশাসক বেছে নেওয়ার সুযোগ নেই, কারণ এদের কোনো বিধানসভা নেই। এভাবেই ভারতের পশ্চিম তীরের সবকটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে কার্যত একজন গুজরাটি RSS নেতার হাতে তুলে দেওয়া সম্পন্ন হয়।
অতঃপর দীর্ঘ ৬ মাসের প্রচেষ্টার দরুন লাক্ষাদ্বীপকে নরকে পরিণত করেছে মোদীর এই ঘনিষ্ঠ মিত্র।
প্রফুল্ল প্যাটেল, লাক্ষাদ্বীপে এমন কিছু জনবিরোধী আইন লাগু করেছে সাদা চোখে যার কোনো ব্যাখ্যা
পাওয়া যাবে না। পাতি বাংলায় ১ লাইনে বললে যা দাঁড়ায়- ৯৭% মুসলিম অধ্যুষিত এই
দ্বীপরাজ্যে কঠোর হিন্দুত্ববাদী আইন বলবৎ করেছে। যাতে মুসলমানগুলো উচ্ছেদ হয়ে যায়, আর সেই জমিতে সিলেক্টিভ গুজরাটি বেনিয়ারা হোটেল রিসর্ট
বানাতে পারে।
CPIM সাংসদ, করিমের চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে- ‘রিফর্ম ও ডেভলপমেন্ট’ এর নাম করে দ্বীপজ মানুষের
ঐতিহ্যবাহী যে সংস্কৃতি, তাকে ধ্বংস করতে
উদ্যত হয়েছে বিজেপি। এরই ধারাবাহিকতায় লাক্ষাদ্বীপের একমাত্র সাংসদ, NCP এর মহম্মদ ফয়জলও রাষ্ট্রপতিকে লেখা একটি চিঠিতে জানিয়েছেন-
প্রশাসক প্রফুল্ল প্যাটেলের এই নীতির বিরোধিতা করার জন্য ৩০০ সরকারি কর্মীকে
সাসপেন্ড তথা ছাঁটাই করা হয়েছে বিগত ৫ মাসে। এক কথায় নাগপুরের নির্দেশে চূড়ান্ত
স্বেচ্ছাচারিতা চালাচ্ছে পুঁজিপতিদের চৌকিদার বেচুবাবুদের দল।
কী আইন প্রণয়ন করেছে?
১) যেহেতু বিধানসভা নেই, তাই পঞ্চায়েতের হাতে- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, পশুপালন ও মৎস দপ্তর পরিচালনের ভার ছিল, সেগুলো কেড়ে নিয়ে নিয়ে প্রশাসকের এক্তিয়ারে কুক্ষিগত করেছে প্যাটেল। স্থানীয় মানুষের হাত থেকে সব ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে।
২) যাদের দুটোর বেশি সন্তান আছে কিম্বা যারা তৃতীয় বা ততোধিক সন্তান- তারা নির্বাচনে লড়তে পারবে না। এর দ্বারা ৯৮% স্থানীয় নেতা-নেত্রীকে রাজনীতির ময়দান থেকে বাতিল করে দেওয়া গেছে। অথচ দেশের ৩০৩ জন বিজেপি MP এর মধ্যে ৯৬ জনেরই ৩টে সন্তান আছে।
৩) ৯৭% মুসলমান অধ্যুষিত অঞ্চলে গোমাংস নিষিদ্ধ করেছে, কেউ গোমাংস সমেত ধরা পড়লে তার সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আইন এনেছে। মালায়লি সংস্কৃতিতে সর্বধর্ম নির্বিশেষে গোমাংস বৈধ।
৪) মদের উপরে এতদিন নানান রেস্ট্রিকশন ছিল দ্বীপরাজ্যটিতে, সেটা তুলে নিয়ে- মদ থেকে যাতে বেশি রাজস্ব আদায় হয় তার উপরে জোর প্রচুর বার খোলা হয়েছে, এবং মদ খেতে একপ্রকার বাধ্য করা হচ্ছে অবৈধভাবে স্থানীয় পুলিশকে ব্যবহার করে। প্রসঙ্গত মোদী তথা প্রফুল্ল প্যাটেলের নিজের রাজ্য গুজরাটে মদ নিষিদ্ধ।
৫) সকল সরকারি অফিস সহ স্কুল-কলেজে সমস্ত ধরনের ‘ননভেজ’ খাদ্য আইন করে বন্ধ করে দিয়েছে। একটা দ্বীপরাজ্যে যেখানে সি-ফুডই তাদের মুখ্য খাদ্য- তারা সেই মাছটুকুও খেতে পারবে না।
৬) ‘লাক্ষাদ্বীপ ডেভলপমেন্ট অথোরিটি রেগুলেশন অ্যাক্ট ২০২১ (LDAR)’ আইনের বলে দ্বীপের যে কোনো ব্যক্তিকে তার ভূমি থেকে উচ্ছেদ বা রিলোকেট করে দিতে পারবে সরকার, বিনা নোটিশে ও বিনা ক্ষতিপূরণে। এর জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মামলা পর্যন্ত করতে পারবে না।
৭) ‘প্রিভেনশন অফ অ্যান্টিসোস্যাল অ্যাক্টিভিটিস (PASA)’ নামের একটা নতুন ‘গুণ্ডা আইন’ লাগু করেছে, যার দ্বারা সরকার যে কোনো ব্যক্তিকে জাস্ট হাপিস করে দিলেও, ব্যক্তিটির পরিবারকে ১ বছর পর্যন্ত জানাতে বাধ্য নয়- সেই ব্যক্তি কোথায় আছে বা তার অপরাধ কী? এই সময় সেই ব্যক্তি কোনো রকম আদালত তথা আইনি সুরক্ষা পাবে না।
অর্থাৎ, আপনি গোমাংস খেলেন কি না খেলেন, মদ খেলেন কি না খেলেন- আপনাকে এই ছুঁতোতে LDAR আইন দ্বারা আপনার সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করে দেবে। এবারে ভূমি থেকে উচ্ছেদ করে দেওয়ার দরুন আপনি যদি প্রতিবাদ করেন, কিম্বা শিক্ষা স্বাস্থ্য ইত্যাদি পরিষেবা সংক্রান্ত বিষয়ে যদি প্রতিবাদ আন্দোলন করেন- তাহলে আপনাকে PASA আইন দিয়ে জাস্ট গায়েব করে দেবে রাষ্ট্র। আপনি আইনি সহায়তাটুকুও পাবেন না, না আপনার পরিবার জানতে পারবে আপনি কোথায় আছেন!
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটিশ সরকার দমন পীড়নের মাধ্যমে সকল প্রকার গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কন্ঠরোধ এবং ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন দমনে ‘রাউলাট আইন (The Rowlatt Act of 1919)’ প্রণয়ন করেছিল, সেটারই বর্ষপূর্তি উদযাপন করছে তৎকালীন ব্রিটিশদের পা চাঁটাদের অবৈধ জারজেরা।
এটা কোনো রকেট সায়েন্স নয়, পাতি গোদা আইন। গোটা দেশে ‘হিন্দুত্ব আইন’ লাগু করার আগে ল্যাবরেটরিতে টেস্ট করার মতো লাক্ষাদ্বীপেই প্রয়োগশালা বানিয়েছে মোদী সরকার।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, প্যাটেল দায়িত্ব নিয়ে আসার ১ মাস পর পর্যন্ত লাক্ষাদ্বীপ ছিল করোনামুক্ত অঞ্চল, ২০২০ সালে সেখানে কোনো করোনা রোগী ছিল না। এর পরেই আইসোলেশন প্রথা তুলে দিয়ে বিচিত্র সব আইন প্রণয়ন করে প্যাটেল, পাশাপাশি গোমাংস ও মাছ বন্ধ করে দিতেই গরিব মানুষের সস্তার প্রোটিনের অভাব ঘটে, যথারীতি ২০২১ সালের জানুয়ারির শেষ নাগাদ দ্বীপের প্রথম করোনাক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়। গত কাল পর্যন্ত সেখনে ৬৬১১টি করোনা রোগী পাওয়া গেছে, যা মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশেরও বেশি, যার মধ্যে ২০৫০টি অ্যাক্টিভ। যেখানে করোনার প্রথম ওয়েভে ১ জনও মারা যায়নি, সেখানে দ্বিতীয় ওয়েভে ২৪ জন মারা গেছে। আক্ষরিক অর্থে সেখানে মহামারী চলছে বা প্যাটেলের নেতৃত্বে করোনার চাষ করা হচ্ছে বলে স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, যাতে দ্বীপটি দ্রুত জনশূন্য হয়ে পড়ে।
সোশ্যাল মিডিয়াতে সরকারের এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে যাতে কোনো আওয়াজ না উঠে, সেটাকে রোখার জন্য নতুন আইন এনেছে কেন্দ্রীয় সরকার। একমাত্র ‘ক্যু’ আর ‘হোয়াটস অ্যাপই’ সম্পূর্ণ মেনে নিয়েছে সেই আইন- অর্থাৎ আপনি হোয়াটস অ্যাপে যা লিখবেন, চাইলেই বিজেপির নেতারা দেখতে পাবে।
এই প্রফুল্ল প্যাটের গুণের কীর্তির শেষ নেই। তার সাথেই অশান্তির দরুন IAS অফিসার কন্নন গোপীনাথন চাকরি থেকে স্বেচ্ছাবসর নিয়ে নেয়, তিনি দমন দিউ ও দাদরা নগর হাভেলির জেলাশাসক ছিলেন। ২০১৯ সালে দমনে ৯০টারও বেশি ঘর ভেঙে দেয় প্রশাসক প্রফুল্লের নির্দেশে, দুটো সরকারি স্কুলকে জেলে রুপান্তরিত করে সেই গৃহহীন মানুষগুলোকে দীর্ঘদিন জেলবন্দি করে দেয়।
এই বছরেরই ২২শে ফেব্রুয়ারী ‘দাদরা’র আত্মহননকারী ৭ বারের সাংসদ ‘মোহন দেলকরের’ ১৫ পাতার সুইসাইড নোটে প্রফুল্ল প্যাটেলের নাম বহুবার এলেও- রাষ্ট্রপতি কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। সেখানে ২৫ কোটি টাকা তোলা চেয়ে হুমকি দেওয়ারও কথা রয়েছে। প্রসঙ্গত- দাদরা নগর হাভেলির প্রশাসকও এই প্রফুল্ল প্যাটেল। দেলকর ২০২০ সালের জুন মাসে কংগ্রেসে যোগ দেয়, তারও আগে সে বিজেপির সদস্য ছিল, পরে নিজেই একটা দল খুলেছিল। কংগ্রেসে যোগ দেওয়া ইস্তক এই প্রফুল্ল প্যাটেল তাকে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য প্রেসার সৃষ্টি করতে থাকে, এ কথা একটা ফেসবুক লাইভে দেলকর নিজেই জানিয়েছিলেন। এমনকি সংসদেও এ কথা তুলেছিলেন। কোথাও সুরাহা না পেয়ে মুম্বইয়ের একটা হোটেলে বেচারা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়।
প্যাটেল খুব চতুরতার সাথে গোটা দ্বীপরাজ্য থেকে স্থানীয় মালায়লি ব্যবসায়ীদের বিতাড়িত করে সেখানে পেটোয়া গুজরাটি বেনিয়াদের বসিয়ে দিচ্ছে। নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে ভূ-প্রকৃতি ধ্বংস করে গুজরাটি রিয়েল এস্টেট চক্রকে অবৈধ নির্মাণের ছাড়পত্র দিয়ে লাক্ষাদ্বীপের বাস্তুতন্ত্রকে চরম ক্ষতির মুখে ফেলে দিয়েছে।
ব্রাহ্মণ্যবাদী RSS এর মূল অ্যাজেন্ডাই হলো মুসলমান ও দলিতকে শারিরীক ভাবে দুর্বল করে দাও, যাতে সে লড়তে না পারে। তার জন্য ধর্ম ও আইনের ফাঁসে বেঁধে দিয়ে সস্তার প্রোটিন সাপ্লাই বন্ধ করে দিতে পারলেই তাদের লক্ষ্য পূর্ণ হবে। এই কারণেই গোটা দেশ জুড়ে তাদের গোহত্যা ও গোমাংস বিরোধী যত কর্মকাণ্ড। এ নিয়ে পরবর্তীতে বিষদে লিখব, কিন্তু এটাই মূল উদ্দেশ্য। যা লাক্ষাদ্বীপের করোনা কাল চোখে আঙুল দিয়ে প্রমাণ করে দিল।
আজ লাক্ষাদ্বীপে হচ্ছে, কাল আপনার এখানে ঘটবে। তাই আজই প্রতিবাদে ফেটে পড়ুন, যেভাবে পারবেন।
সমস্ত “বিজেপি ও তাদের ন্যাচারাল অ্যালি” বিরোধী সচেতন মানুষ তথা বামপন্থী ও শুভবুদ্ধিসম্পন্ন নাগরিক সমাজের কাছে আবেদন- টুইটারে তথা সোশ্যাল মিডিয়াতে #SaveLakshadweep ট্রেন্ড করে বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক পরিচয় দিয়ে মোদী সরকারের মুখে জুতোর বাড়ি মেরে মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানের মৌলিক অধিকার ও গণতন্ত্রকে রক্ষা করুন।
এখনই করুন, নতুবা বড্ড দেরি
হয়ে যাবে। প্রফুল্ল প্যাটেলরা কিন্তু মরিয়া হয়ে উঠেছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন