বুধবার, ১২ মে, ২০২১

CPIM পার্টির প্রচার পলিশিঃ পর্ব- ১



কী কী হতে পারত, যা হয়নি


গুরুদেবের গল্পে, কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করেছিল, সে জীবিত ছিল।
গত ১১ই মে রাত্রে পার্টির রাজ্য সম্পাদক ফেসবুকে একটা পোস্ট শেয়ার করে অনেকগুলো বিষয় প্রমাণ করলেন, বিধানসভায় শূন্য হবার পর।
প্রথমত, পর্যালোচনা করে পার্টির অফিশিয়াল বিবৃতি আসার আগেই, ওপেন ফোরামে আলোচনা করা যায়- যা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির স্টাইলের সাথে হুবহু মিলে যায়, বলে দেওয়া যায় ওটা ‘ছোট্ট ঘটনা’।
দ্বিতীয়ত- সমালোচনা বরদাস্ত হবে না, এটাও মমতা ব্যানার্জি স্টাইলে কপিপেস্ট।
তৃতীয়ত হারের জন্য কেবলমাত্র অজুহাত দায়ী - নেতৃত্ব নয়, ইত্যাদি ইত্যাদি। এই নিয়েই এই নিবন্ধ।
যেহেতু খোদ রাজ্য সম্পাদক সহ দিল্লী নিবাসী এক পলিটব্যুরো সদস্য একই লেখা শেয়ার করেছেন, তাহলে এটাকেই আমরা সাধারণ সমর্থকেরা ‘পার্টির প্রাথমিক পর্যালোচনা’বলে পার্টির বক্তব্য হিসাবে ধরে নিতেই পারি।
কতগুলো হিসাবে চোখ বুলিয়ে নিন, তারপর বাকি হিসাবগুলোর বিস্তারিত যাব পরবর্তী পর্বগুলোতে। এটা ফেসবুক, তাই পথম দফাতে শুধু ফেসবুকের হিসাব টুকু দিলাম, গুগুল, ইউটিউব, FM, হোর্ডিং, ইতিহাস, ভূগোল, স্ট্রাটেজি, বিজ্ঞান, AI, এ্যাপ্লিকেশন সহ প্রতিটি গল্পে ঢুকে- ভাঁড়ামিটা চিনিয়ে দেওয়ার চেষ্টাতে ত্রুটি থাকবেনা, ধৈর্য রাখুন। গল্পের গরুকে গাছ থেকে নামিয়ে গোয়ালের গোঁজে বাঁধার মন্ত্রও সমাজে রয়েছে।
দলের একজন পলিটব্যুরো সদস্যের তত্ত্বাবধানে CPIM Digital নামে শাখা সংগঠন কাজ করে রাজ্যে রাজ্যে। মূলত সিপিএম ৩টে রাজ্যে ক্ষমতায় ছিল বা আছে, কেরালা, ত্রিপুরা ও আমাদের পশ্চিমবঙ্গ। চলুন এই ফেসবুকে পার্টির নামে রাজ্যের পেজগুলোর দিকে একটু চোখ বুলিয়ে নিই।
বাংলা সিপিএম ফেসবুক পেজের লাইক ৩১৩ হাজার, আমাদের ৪২টা লোকসভা আসন।
কেরালা সিপিএম পেজ ৬০৮ হাজার লাইক, তাদের মাত্র ২০টা লোকসভা আসন।
কেরালার Digital এর কাজের হিসাবে আমাদের রাজ্য পেজের লাইক হওয়া উচিত ছিল ১২৭৬ হাজার, সে তুলনাতে মাত্র ২৪% কাজ হয়েছে। আচ্ছা ছেড়ে দিন, সেখানে না হয় পার্টি রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল। ত্রিপুরাতে তো বিরোধী দল আমাদের পার্টি। ত্রিপুরাতে মাত্র ২টো লোকসভা আসন, তাদের রাজ্য পেজে লাইক ১৯০ হাজার, ওই অনুপাতে আমাদের রাজ্য পেজের লাইক হওয়া উচিত ছিল ৩৯৯০ হাজার। ত্রিপুরার ডিজিটালের কর্মদক্ষতার তুলনাতে আমাদের রাজ্যের কর্মদক্ষতা মাত্র ৭.৮৪ শতাংশ।
আগামীতে ত্রিপুরাতে দল ক্ষমতাতে আসবে না তো বাংলাতে আসবে?
চলুন গণসংগঠনের দিকে তাকাই-
DYFI পশ্চিমবঙ্গ যেখানে মাত্র ৪২ হাজার লাইক, সেখানে DYFI কেরালার লাইক ২৫১ হাজার।
SFI কেরালা যেখানে ১৫২ হাজার লাইক, সেখানে SFI পশ্চিমবাংলা মাত্র ৬০ হাজার লাইক।
CITU কেরালা ৩১৬০০ লাইক যেখানে, সেখানে CITU পশ্চিমবঙ্গ মাত্র ২১ হাজার লাইক নিয়ে টিমটিম করছে। মহিলা সমিতি, কৃষকসভা সহ বাকিগুলোর পশ্চিমবঙ্গ পেজ ফেসবুকে আদৌ আছে কিনা জানি না, থাকলেও গোরস্থানের সলতের মতো টিমটিম করে বেঁচে আছে।
প্রশ্ন হচ্ছে, পলিটব্যুরো থেকে যা সিদ্ধান্ত হয় তা তো সকল রাজ্যের জন্যই প্রযোজ্য, রাজ্য সেটাকে রূপায়ন করে। তাহলে বাকি দুটো রাজ্যের তুলনাতে বাংলার এই দশা কেন? ৩টে রাজ্যেই তো CPIM Digital নামধারীরা কাজ করছে।
বাকি দুই রাজ্য এই ফেসবুক মাধ্যমে এত এগিয়ে যেতে পারলে আমাদের রাজ্যের ডিজিটাল রিংটাল হয়ে পড়ে আছে কেন? দুটো কারণ হতে পারে, এক- স্বজনপোষনের দ্বারা অপদার্থ অযোগ্য লোক বসিয়ে রেখেছে, দুই- পিকে অন্য দুটো রাজ্যে বিশ্বাসঘাতকদের নিয়োগ করতে সফল হয়নি- অথবা দুটোই। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সিপিএম ডিজিটাল সিপিএমের পক্ষে কতটা কাজ করেছে তথ্যে যেমন পরিষ্কার, অন্য দলের হয়ে কতটা কাজ করেছে সেটা ভোটের ফলে পরিষ্কার। মাননীয় রাজ্য সম্পাদক ও মাননীয় পলিটব্যুরো সদস্য শুনতে পাচ্ছেন? উটপাখির মতো বালিতে মুখ গুঁজে রইলে প্রতিপক্ষেরা অন্ধ হয়ে যায় না।
কতগুলো এলোমেলো গোঁজামিল দক্ষিণপন্থী বুর্জোয়া যুক্তিজাল বুনে নিজেদের আড়াল করতে চাওয়ার চেষ্টার ত্রুটি নেই। শুরুতেই ভারী ভারী তথ্য দিয়ে মানুষের ভাবনাকে ডাইভার্ট করে দেওয়ার অনবদ্য প্রয়াসও করা হয়েছে, যাতে কেউ প্রশ্ন না তোলার সুযোগ পায়। তৃণমূল যেমন মেলা-খেলা দিয়ে মাতিয়ে রেখে- আসল সমস্যা থেকে মানুষকে দূরে ও ভুলিয়ে রাখে, বিজেপি সেটাই করে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক বিভাজন ও গরু রাজনীতির নামে। এরা দুই দলই মানুষকে প্রশ্ন করতে দেয় না।
আধুনা এ রাজ্যের বাম রাজনীতিতেও নিজেদের গদি বাঁচাবার তাগিদে এলোমেলো অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রাসঙ্গিক যুক্তি সাজিয়ে- পার্টিকর্মী ও সমর্থকদের মূল সমস্যা ও আলোচনার জায়গা থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে ‘অর্থাভাব আর সন্ত্রাসের’ বাইনারি দেখিয়ে। সমস্ত রকমের ত্রুটি-বিচ্যুতি, সেটিং, বিশ্বাসঘাতকতা আর অপদার্থতা ভুলে- সমর্থক আর পার্টিকর্মীরা সারাক্ষণ মেতে থাকবে বাইনারির মধ্যে অজুহাত দিতে, টাকা নেই আর ওখানে সন্ত্রাস। অর্থাৎ ‘আমরা কেউ দায় নেব না’স্পষ্ট করে এই বার্তা দেওয়া, এবং পদও ছাড়ব না তাতে আজকের শূন্য আগামীতে মাইনাস হয়ে গেলে যাক, কুছ পরোয়া নেহি।
এই ধরনের কুযুক্তি যারা সাজায়, তারা মূলত অন্তঃপুরের বাসিন্দা, মাটির সাথে যোগ নাই। আগেকার দিনে রাজা বাদশাদের হারেম পাহারাতে ‘খোঁজা’ নামের একধরণের স্বাস্থ্যবান ক্লীব থাকত, যারা অন্তঃপুরবাসিনীদের সুরক্ষা দিত। এই খোঁজারা আদতে পুরুষের মতো দেখতে হলেও পুরুষত্বহীন নির্বীজ প্রজাতির- গ্রাম্য চলিত ভাষায় অনেকে হিজড়েও বলে এদের। শিশুবয়সেই এদের শুক্রাশয় কেটে বাদ দিয়ে দেওয়া হতো। আজকে রাজ্য পার্টির অন্তঃপুরবাসীরা ওই ধরনেরই মুষ্টিমেয় কিছু খোঁজা পুষে রেখেছে সোশ্যাল মিডিয়াতে, যাদের শুক্রাশয় কাটার সাথে সাথে মগজটাও বন্ধক রাখা হয়েছে। ভাবনা ও চেতনাতে নির্বীজ এই প্রোটোটাইপ নির্বোধ খোঁজারাই মূলত সোশ্যাল মিডিয়াতে ওই অন্তঃপুরবাসীদের পক্ষে সমানে লড়ে যায়- যুক্তিহীন বিপ্লবী যোদ্ধা সেজে।
হতাশ কর্মী সমর্থকেরা যখন হারের কারন বোঝার চেষ্টা চালাচ্ছে নিজের মত করে, একটা ধান্দাবাজ শ্রেনী তখন জোর করে ঘাড় ধরে চোখে আঙুল দিয়ে বলছে- একমাত্র ‘রেড ভলেন্টিয়ার’ এর উপরেই কনসেন্ট্রেশন করো, দেখছোনা আনন্দবাবুরা ২৪ঘন্টা দেখাচ্ছে। ভোট পরীক্ষা আমারাই দিয়েছিলাম, শূন্য পাওয়ার ব্যার্থতা দোষের স্ক্রুটিনি বিচার আমরাই বিচার করব, তোমরা কর্মী-সমর্থকেরা কলুর বলদ, খাটার সময় খাটবে, প্রশ্ন কিসের? সম্মেলন আসলে দেখে নেব, ইত্যাদি।
আজ সব বাঁধা উপেক্ষা করে রেড ভলেন্টিয়ার মানুষের সেবা করছে, এটাই সত্য; অথচ এই অজেয় ছাত্রযুবরা গত বছরেও রাস্তাতেই ছিল, লকডাউন, আম্পানের সময় বিবিধ জনকল্যাণমুখী কাজ করে ছিল। সে সকলেরও ছবি ভিডিও সব রয়েছে ফোনের গ্যালারিতে। তাহলে মাত্র ১ মাস আগে ভোটের সময় সেসকলের এমন মরিয়া প্রচার করতে কে মানা করেছিল? যেমনটা আজকে অল আউটে রেড ভলেন্টিয়ার নিয়ে প্রচার হচ্ছে!।
যারা মাটিতে দৌড়াচ্ছে, তারা রাস্তাতেই আছে মানুষের পাশে। কিন্তু রাস্তাহীন অন্তঃপুরবাসী উদ্দেশ্যই হচ্ছে- মাতিয়ে রাখো, যেন প্রশ্ন না তোলার সুযোগ না পায়। তার পরেও কেউ বেফাঁস বলে দিলে শৃঙখলার নামে ভয় দেখিয়ে মুখে সেলোটেপ মেরে দাও। যাতে অপদার্থতা, ব্যার্থতা ও অন্তর্ঘাত নিয়ে প্রশ্ন না উঠে।
আচ্ছা পার্টি কি কারও বাপের সম্পত্তি? উত্তরটা খুব সহজ, সকলের জন্য না হলেও কারও কারও জন্য তো বটেই। যারা নিজের রাজনৈতিক সাবালকত্বের বিষয়ে বিজ্ঞাপন দেন, বাপের পরিচয় ছাড়া তাদের নিজস্ব যোগ্যতা কী? বাপের ব্যাটা একসময় প্রশংসা অর্থে ব্যবহৃত হতো, এখন গালি হিসাবে চলে। স্বজনপোষণ যেখানে প্রকাশ্য সত্য, অন্তর্ঘাতের সন্দেহ সেখানেই শুরু।
আজ আমরা ৩৪ বছরের সুফল প্রচারণা করি গর্বের সাথে। তাহলে ‘আমরা ভোটের রাজনীতি করি না’ বলে যারা গর্ব অনুভব করি, তারা কি ভোটের রাজনীতি করে ক্ষমতায় থাকা ৩৪ বছরকে অস্বীকার করে? যেদিন থেকে পার্টির হাত থেকে রাজ্যের সংসদীয় ক্ষমতা খোয়া গেছে, সেদিন থেকেই সংগঠন রুগ্ন হতে শুরু হয়েছে। যত বড় সংগঠন, তত বেশি মানুষের পাশে থাকা। মূল লক্ষ্য তো রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে শোষনহীন সমাজে গরিব শ্রেণীবন্ধুকে সুরক্ষা দেওয়া- তা বিপ্লবের মাধ্যমে হোক বা সংসদীয় গণতন্ত্র মেনে ভোটের মাধ্যমে। সুতরাং, যারা সংসদীয় গণতন্ত্রে ভোটে হেরে ‘মানুষের পাশে আছি’ বলে ছেঁদো গল্প ফাঁদছে, তারা আসলে সত্য গোপন করার প্রচেষ্টায় পার্টির ও গরিবের সাথে গাদ্দারি করছে। মানুষ আমাদের পাশে রাখার যোগ্য মনে করেনি, এটাই গণতন্ত্রে প্রতিষ্ঠিত- কারণ ফল ঘোষণার ১০ দিন পর পর্যন্ত ভোটে নারকীয় সন্ত্রাস, বুথ দখল বা ইভিএমের কারচুপির নামে তেমন কোনো শব্দ নেই পর্যালোচনাতে।
তাহলে কি আমরা বিজেপি-তৃণমূলের চেয়েও অযোগ্য? না তা নয়। আমাদের নীতি অজেয় বিজ্ঞান- কিন্তু তার প্রয়োগ পদ্ধতিটা সেকেলে তাই অযোগ্য। এই কারণেই আমরা হেরে গেলাম, শূন্য হয়ে গেলাম বিধানসভাতে।
হাতের মোবাইলের এ্যপসগুলোও তো নির্দিষ্ট সময়ে আপডেট চায়। মোবাইলে নতুন কোনো নীতি আছে? সেই ফোনে কথা বলা, ক্যালকুলেটর, হ্যাণ্ডি কম্পিউটার, এলার্ম ঘড়ি, ক্যামেরা, টর্চ, বই লাইব্রেরি, এনসাইক্লপিডিয়া, গান শোনা মেশিন, সিনেমা দেখা মেশিন ইত্যাদি। মোবাইল একটা চলমান অত্যাধুনিক সিস্টেম মাত্র, মোবাইলে যে বিষয়গুলো আমরা করি বা দেখি সেটা সবই প্রায় পুরাতন নীতি, নতুন আঙ্গিকে। তাহলে রাজনৈতিক দলের নীতি অক্ষুণ্ণ রেখে সিস্টেমকে আপগ্রেড করব না কেন?
তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম বারের জন্য সংসদীয় গণতন্ত্রে সর্বোচ্চ সফলতা লাভ করেছিল ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটে। ঠিক এর ১ বছর আগে চিটফান্ডের টাকায় পুষ্ট Channel-10 নামের একটা প্রোপ্যাগান্ডা মেশিন বাজারে নামিয়ে দিয়েছিল তারা, যার লাভ পরের বছরই হাতেগরম পেয়ে যায় দল তৃণমূল, কাজ মিটতেই তার প্রয়োজন ফুরিয়েছে, আজ তার অস্তিত্বটুকুও নেই। আজকে যারা ‘বাজারি মিডিয়া আমাদের দেখায় না’ বলে মড়াকান্না কাঁদছে, তাদের কাছে প্রশ্ন- তারা তো নিজের পয়সাতে লাভের জন্য ব্যবসা করতে এসেছে, কেন আমাকে দেখাবে? যদ্দিন আমাকে দেখালে তাদের লাভ ছিল তদ্দিন ‘২৪ ঘন্টা’ আমাদের ২৪ ঘন্টাই দেখাত।
২০২১শে প্রচারে কথা তো ছিল আমরাই বিকল্প, যেখানে লেভির টাকায় দল চলে- সেখানে গত ১ যুগ ধরে বিকল্প নিজস্ব মিডিয়া তৈরি না করে পুঁজিবাদী বুর্জোয়া মিডিয়াতে বিজ্ঞাপন দিতে যাবার গল্প কেন? এটাই তো বুর্জোয়াতান্ত্রিক দক্ষিণপন্থী মানসিকতা। বামপন্থী রাজনীতি মানে সম্বৎসর মানুষের সাথে নিবিড় যোগাযোগ, তারা কেন পুঁজিবাদী রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে নিজেদের তুলনা করবে? বামেদের প্রচার কৌশল বামেদের মতো করে হবে, যা ইউনিক তথা স্বতন্ত্র, যা অন্যেরা চুরি করবে। পুঁজিবাদ যখন বিপদে পড়ে, তখন আজও সে দাস ক্যাপিটালের পাতাই উল্টায়।
শূন্য একটি পূর্ণসংখ্যা, যা ধনাত্মকও নয়, ঋণাত্মকও নয়। শূণ্যের সামনে অন্য কোনো সংখ্যা বসলে তবে তা মান পায়। শূন্যের সাথে যতকিছুই গুণ করুন, তার ফল শূন্যই হবে। কারণ শূন্যের কোনও মান নেই।
ভেবে দেখুন, যারা শূন্য নিয়ে ভীষণ গর্ব অনুভব করছেন- আপনাদের ন্যুনতম মান আছে কি? যদি আত্মবিশ্বাস থাকে- হ্যাঁ আমার মান আছে, তাহলে শূন্যের সামনে অন্য মৌলিক সংখ্যা হয়ে দাঁড়িয়ে যান, দেখবেন পার্টি, সংগঠন সব দাঁড়িয়ে গেছে। দৃষ্টিভঙ্গি বদলান, সমাজ বদলে যাবে। একমাত্র বামপন্থীরাই পারে সমাজ বদলাতে।
…ক্রমশ

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মাননীয়া মমতা ব্যানার্জী

আজ আমি অনেকক্ষণ ধরে ভাবলাম, যা বুঝলাম- আমি সত্যিকারের একজন মমতাপ্রেমী মানুষ, আপনার সবচেয়ে জাবড়া ফ্যানদের মধ্যের শীর্ষস্থানীয়। আমি চটি চাঁটা ...