শুক্রবার, ২৮ মে, ২০২১

ফিলিস্তিন ২০২১- পর্ব- 4



পর্ব- 4

বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিচার করলে দেখা যাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রাষ্ট্রগুলির কৌশলগত মিত্রের যে জায়গা দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টাতে পূর্বতন ভারত তৈরি করতে পেরেছিল, সেই জায়গা থেকে এক প্রকার বিতাড়িত হয়ে গেছে মোদীজির সুযোগ্য নেতৃত্ব গুণে। যথারীতি সেই শূন্যস্থানগুলো তুরস্ক এবং চিন ভাগাভাগি করে দ্রুত দখল করে নিয়েছে। মোদী সরকার কাশ্মীরকে জনবিচ্ছন্ন করতেই ব্যস্ত, বাংলাকে ৩টে খণ্ডে ভাগ করতেই বেশি মনোযোগী। পড়শি হিসাবে তার একমাত্র টার্গেট পাকিস্তান বর্ডার, কারন ভোটে জিততে একেই দরকার।
সৌদির সঙ্গে মোদীর অতিরিক্ত মাখামাখি সম্পর্কের ফলে ভারত এমনিতেই ইরানকে হারিয়েছে, তাই সস্তার অশোধিত পেট্রপন্য আর পায়না আমরা, এখন সৌদি জোটের সাথেও আমাদের সম্পর্ক তলানিতে। পেট্রোলিয়াম পণ্যের দামাদামি কারণেই সৌদি যুবরাজের সাথে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের বেশ কয়েকবার মনোমালিন্য সংবাদ শিরোনামে এসেছে ২০২১ সালে।
বছর চারেক আগে, সৌদির সাথে একটা সামরিক চুক্তি স্থাপন করেছিল মোদীর বিদেশমন্ত্রক। এর পরেই মোদীর একের পর এক মাস্টারস্ট্রেকের কারনে দেশের অর্থনীতির পাতাল প্রবেশ ঘটেছে। লকডাউন পীড়িত ভারতীয় অর্থনীতির মাজা ভাঙা দশাতে- সৌদির সাথে সামরিক সম্পর্ককে অনির্দিষ্ট কালের জন্য স্থগিত করে দিয়েছে ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক- আর এতেই নিরেটমুর্খ আয়াশপ্রিয় সৌদি যুবরাজ ক্ষেপে গেছে। সুতরাং, এই সম্পর্ক যে মোদীর রাজত্ব আর জোড়া লাগবেনা সেটা বলাই বাহুল্য। ফলত দর্শক ছাড়া মধ্যপ্রাচীয় রাজনীতিতে ভারতের কোনও ভূমিকা নেই, মোদীজির চরম অদুরদর্শীতার কারনে আজ আমরা অপাংক্তেয় হয়ে গেছি আন্তর্জাতিক পরিসরে।
ওদিকে সামান্য হামাসের সাথে লড়তে গিয়েই ইজরায়েল নাকানিচুবানি খেয়ে সাদা পতাকা দেখিয়ে এ যাত্রায় রক্ষা পেয়েছে; যে হামাসের না রয়েছে আধুনিক অস্ত্র না রয়েছে উন্নত প্রশিক্ষন প্রাপ্ত সেনাবহর। এই ইজরায়েল আসলে একটা ‘সাদা হাতি’ তা আর নতুনকরে বলার অপেক্ষা রাখেনা। এদিকে এই প্রথম তারা আমেরিকা বা ইউরোপ থেকে কোনও সাহায্য পেলনা তারা। কেন পেলনা? নেতৃত্বের সঙ্কটে ভোগা গোটা ইউরোপ প্রথমত করোনাতে কাবু, দ্বিতীয়ত তাদের অর্থনৈতিক মন্দা চলছে, ক্রমবর্ধমান বেকার সমস্যার দরুন নিজেদের দেশেই যথেষ্ট চাপে রয়েছে সরকার গুলো। চিনের অগ্রাসনের ফলে আফ্রিকা ও এশিয়ার বাজারে তারা প্রায় হারিয়ে গেছে, দেশের উৎপাদন শিল্প ধুঁকছে। প্যারিসের রাস্তায় প্রায় ৪০০০ অমুসলিম মানুষ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মিছিল করেছে যা ভীষণভাবে আশ্চর্য করেছে ফরাসি সরকার সহ ইজরায়েল দরদী বিশ্বকে। স্বভাবতই নতুন করে অন্যের ঘরের অশান্তিতে কেউ যেচে পা বাড়ায়নি তথা সেই ক্ষমতাও ছিলনা।
বর্তমান মার্কিন রাজনীতিতে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, তাদের কংগ্রেস ও সেনেট সদস্যের ২৩% হিস্প্যানিক, আফ্রিকান, এশিয়ান, যা ২০ বছর আগে ছিল ৭% মত। গত দশক পর্যন্ত কংগ্রেস ও সেনেটে ইহুদি সদস্য ছিল ৩৫% এর কাছাকাছি, মার্কিন বুরোক্রেসিতে ৫০% এর বেশি শীর্ষপদে ইহুদিরাই থাকত। বর্তমান কংগ্রেস ও সেনেটে ইহুদি ৪%, বুরোক্রেসিতে মাত্র ১১%। ঠিক কী কারনে মার্কিনিদের প্রচলিত ইজরায়েল প্রীতিতে প্রকাশ্য ব্যাতিক্রম এসেছে সেটা উপরের পরিসংখ্যান থেকে সহজে অনুমেয়।
বাম ঘেঁষা প্রবীণ মার্কিন সেনেটর বার্ণি স্যান্ডার্স সহ অন্যান্য প্রগতিশীল সেনেটর ও কংগ্রেস সদস্যেরা মিলে- ২০১৬ সালে ওমাবা প্রশাসনের করা, ইজরায়েলকে বার্ষিক ৩৮০০ কোটি ডলার আর্থিক অনুদান প্রক্রিয়াটি চিরতরে বন্ধের জন্য প্রস্তাব উত্থাপন করেছে। পাশাপাশি বিগত ৫ বছরে এই বিপুল অনুদান ইজরায়েল কোন কোন খাতে খরচা করেছে তার পুর্নাঙ্গ হিসাব চেয়েছে ইজরায়েল ও মার্কিন প্রশাসনের কাছে। বস্তুত, নব্য প্রগতিশীল আইনপ্রণেতাদের চাপে একপ্রকার বাধ্য হয়ে জো বাইডেন গাজা পুনর্গঠন, ফিলিস্তিন জনগণের অধিকার ও দ্বি-রাষ্ট্র গঠনের গল্প ফেঁদেছে।
এদের কারনেই তীব্র ব্যাক্তি ইচ্ছাকে দমন করে ‘ঘোষিত জায়োনিষ্ট বাইডেন’ ইজরায়েলকে কোনো সহায়তা দিতে পারেনি। শুধু তাই নয়, সেনেটের চাপে মার্কিন বিদেশসচিব ‘এন্থনি ব্লিঙ্কন’কে তড়িঘড়ি জেরুজালেম পাঠিয়ে দিয়েছে। ২৫শে মে ৪ দিনের মধ্যপ্রাচ্য সফরে এসে হাজির হয়ে, প্রথম দিনেই জেরুজালেমে দাঁড়িয়ে নেতানিয়াহুকে পাশে রেখেই ঘোষণা দিয়েছে- ‘আমরা ফিলিস্তিনিদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে সূচনা করতে এসেছি’। মনে বিষ থাকলেও তা হজম করতে হচ্ছে মার্কিন প্রশাসনকে। সফরের বাকি ৩টে দিনের একদিন পশ্চিম তীরের ‘রামাল্লা’য় ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করবে, অন্য দু’দিন জর্ডন ও লেবানন সফর করবে। অর্থাৎ বর্তমান মার্কিন নীতি হলো- ভারসাম্য বজায় রেখে এই অস্ত্রবিরতিকে দীর্ঘমেয়াদী করাই একমাত্র লক্ষ্য। আগামীতে ইজরায়েল কিন্তু মার্কিন ছত্রছায়া থেকে বেড়িয়ে আসার চেষ্টাতে থাকবে। ইজরায়েল বিনা শর্তে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে, এটা যদি ফিলিস্তিনিদের পক্ষে বড় জয় হিসাবে দেখা হয়, তাহলে দীর্ঘ সাত দশকের ইতিহাসে ইজরায়েলের জন্য এটা চরম লজ্জাজনক ও অপমানকর পরাজয়।
ইজরায়েল এই অপমানের বদলা নেওয়া শুরু করেছে নিজ দেশের মধ্যে বাস করা সেমেটিকদের উপরে অকথ্য অত্যাচারের মাধ্যমে। শেষ ১ সপ্তাহে ১৬০০ এর কাছাকাছি অ-ইহুদি ইজরায়েলি জনগণকে মারধর করে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে ভরে দিয়েছে। প্রসঙ্গত ইজরায়েলের ৮০% অধিবাসী ইউরোপীয় খাজার বংশদ্ভুত হলেও ২০% সেমেটিক ফিলিস্তিনি জনগষ্ঠীরই- যারা গাজা বা ওয়েষ্টব্যাঙ্কের ফিলিস্থিত রাষ্ট্রে না গিয়ে ইজরায়েলেই রয়ে গেছে। ইজরায়েল এখন তাদেরও উচ্ছেদ করে ফিলিস্তিন মুক্ত ‘ইজরায়েল রাষ্ট্র’ গঠন করতে চায়। হামাসের মুখপাত্র জানিয়েছে- এটাও একধরণের যুদ্ধ ঘোষণা, আমরাও পরিস্থিতির উপরে নজর রাখছি, এমন অন্যায় অত্যাচার আমরা বসে বসে দেখবনা।
ইরানের মত একটা ছোট্ট ও সীমিত ক্ষমতাশালী দেশের উপর হাজার রকম ‘অবরোধ’ দিয়েও মার্কিনীরা আজ পর্যন্ত ইরানের ওপর কোন প্রকাশ্য হামলা করতে পারেনি, কারণ এরা যদি ইরানের ওপর হামলা করে- ইরানও সাথে সাথে মার্কিনিদের ব্যাথার ওপর হামলা করবে। এর ফলে ‘মৃত সাগর’ পেরিয়ে যে পরিমান রকেট গিয়ে আছড়ে পড়বে- তা আটকানোর ক্ষমতা আয়রন ডোম কেন, গোল্ডেন ডোম থাকলেও তার নেই। এই কারনেই পারতপক্ষে এরা ইরানকে ঘাঁটায় না, ওই হুমকি-ধামকি, কিছু গুপ্তহত্যা আর অবরোধের মাঝেই বীরত্ব সীমাবদ্ধ রাখতে বাধ্য হয়। উল্টে ইরান আফ্রিকাতে নিজেদের অবস্থান অনেকটা শক্ত করেছে চিকিৎসা কুটনীতি দিয়ে। কাতার, তুরস্ক ও রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক এতটাই ভাল করে ফেলেছে যে এখন চাইলেই আর আমেরিকা ইচ্ছামত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেনা। উল্টে গত সপ্তাহে ঘোষণা দিয়েছে তারা আর তাদের পরমাণু কার্যকলাপ সম্বন্ধে কোনো তথ্য দেবেনা বিশ্বকে, যদিনা আমেরিকা তাদের উপর থেকে অবরোধ তুলে নেয়। সুতরাং সব দিক থেকেই পরিস্থিতি জটিল আমেরিকার জন্য।
ইজরায়েল ও তাদের জায়নিষ্ট ছত্রাকেরা কিন্তু সহজে হার মানবেনা। হামাসকে বদনাম করতে ২৪শে মে তারিখে বেলারুশের একটা বিমানে মিথ্যা হুমকি চিঠি দেয় কেউ, বেলারুশ সরকার সেই বিমানকে মাঝ আকাশ থেকে নামিয়ে এক সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করে। এর ফলে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বেলারুশকে সাময়িক বরখাস্তও করা হয়েছে, অর্থাৎ সাজঘরে বড় মঞ্চের রিহার্সাল কিন্তু থেমে নেই।
সেই বাইডেনই এখন মার্কিন রাষ্ট্রপতি, যার প্রকাশ্য উদ্যোগে ২০১৬ সালে তুরস্কে এরদয়ানের বিরুদ্ধে ব্যর্থ অভ্যুত্থান ঘটানো হয়েছিল, আবারও সেই চেষ্টা করবেই- এমনকি সাময়িকভাবে তুরস্ক হাতছাড়া হলেও আশ্চর্যের কিছু নেই- কারন লুসার্ণ চুক্তি উত্তর তুরস্ককে থামাতে এটাই একমাত্র পন্থা। রাশিয়া এক্ষেত্রে তুরস্কের পাশে দাড়াবেনা, কারন তুরস্ক রাশিয়াকে অগ্রাহ্য করে ইউক্রেনের সাথে সামরিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছে যা রাশিয়ার জন্য এক বিশাল হুমকি।
আমেরিকা যদি ইহুদিদের সাহায্য না করে, সেক্ষেত্রে মার্কিন মুলুকেও আভ্যন্তরীণ অশান্তি বাঁধিয়ে দেবে ইজরায়েল, তারা এই একটা কাজেই পারদর্শী। সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র, কতদিন যুক্ত থাকবে সেটাই বড় প্রশ্ন। অন্যদিকে ব্রেক্সিট পরবর্তী ব্রিটেন কিন্তু নতুন করে আবার আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে পদার্পন করার ঘোষণা দিয়েছে, তারাও চাইবে বিশ্বজোড়া মার্কিন দাদাগিরি কিছুটা কমুক, যাতে জেরুজালেমে আবার তারা এন্ট্রি নিতে পারে অনায়াসে। সুতরাং আগামী বিশ্বের রাজনৈতিক ভরকেন্দ্রের পরিবর্তন যে অবশ্যম্ভাবী সেটা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
গৃহযুদ্ধে জর্জরিত মিশরে ব্রাদারহুড আবার সক্রিয় হচ্ছে, তাদেরকে ইথিওপিয়া ও সুদানের সাথে লড়িয়ে দিয়ে পারে পুরাতন খেলোয়ার MI-6। মোসাদ বাহিনী লেবাননের বৈরুতে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তাদেরকে এমনিতেই একঘরে করে দিয়েছে, এবারে MI-6 এর সাথে মিলে গুপ্তভাবে ক্ষতির চেষ্টার ত্রুটি রাখবেনা। MI-6 মানেই পুরাতন শোধ নেবার পালা। সৌদিও কয়েকখন্ডে ভেঙে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে মক্কাকে কেন্দ্র করে নতুন দেশ গঠন করতে পারে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। আফগানিস্তান, পাকিস্থান সহ ভারত, বাংলাদেশ ও মায়ানমারেও ব্রিটেন কিন্তু গুঁতিয়ে ঢুকে আসবেই। সব মিলিয়ে যেদিকে যা ই হোক, আগামী দশকগুলোতে জেরুজালেম কিন্তু সংবাদ শিরোনামে থাকবেই।
বর্তমান আপডেট হচ্ছে- ইজরায়েল গাজায় মোটেই সুবিধা করতে না পেরে আল-আকসা মসজিদ চত্বরে নিরস্ত্র মুসলমান মুসল্লিদের উপরে মসজিদে হামলা শুরু করেছে বা বজায় রেখেছে বলা যেতে পারে। গত ২৩শে মে রোববার, বিপুল অস্ত্রে সজ্জিত ইজরায়েল পুলিশ ৬ জনকে এরেষ্ট করে ও আরো কয়েকজনকে মারধর করে। পরদিন এক রাষ্ট্রীয় বিবৃতিতে তারা ঘোষণা দিয়েছে ৪৫ বছরের নিচে কোন মুসলমানকে আকসা মসজিদে নামাজ পড়ার অনুমতি দেবে না তথা টেম্পল মাউন্ট চত্বরে ঢোকারই অনুমতি দেবেনা- অর্থাৎ এলাকাটা ইজরায়েলের একার পৈতৃক সম্পত্তি। বিষয়টি মুসলিম ওয়াকফ বোর্ড মোটেই মানতে রাজি হয়নি সুতরাং অশান্তিতে শেষ হয়েও যে হবে না' তা বলাই বাহুল্য
ইসরাইলের অর্থমন্ত্রী ২৪শে মে এক সরকারি বিবৃতিতে নতুন ডায়লগ বাজি শুরু করেছে- হামাসের নেতাদের সবাইকে আমরা হত্যা করব ইত্যাদি ইত্যাদি। এর পাল্টা হিসেবে সোমবার জোহরের নামাজের পর গাজার রাজপথে হামাসের অন্তত ৩০০ সশস্ত্র সদস্য, অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রতীকী প্যারেড করে ইসরাইলকে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছে- তোমরা যদি আবার অগ্রাসন চালাও, আমরাও বসে থাকবনা।
এর ফাঁকে আসলে ইজরায়েলের মিথ্যাটা ধরা পরে গেছে এবং কার্যত ফিলিস্তিনিদের কাছে ভিক্ষা চাইছে বলেই মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত। গাজা পুনর্দখলের কথা না বলে ইজরায়েলী অর্থমন্ত্রী ‘ইস্রায়েল কার্টজ’- গাজা পূনর্বাসনের প্রস্তাব দিয়েছে, বিনিময় দেড়শোর অধিক ইসরাইলি সেনা যারা গাজায় নিখোঁজ হয়েছিল, রয়েছে তাদেরকে ফিরিয়ে দিতে হবে; অর্থাৎ একে একে ঝুলির বিড়াল বের হচ্ছে। বিপুল পরিমাণে ক্যাজুয়ালিটি যা ইসরাইলের তরফে ঢেকে রাখা হয়েছিল তা প্রকাশ্যে আসতে শুরু হয়েছে।
পৃথিবীর সবচেয়ে গোঁড়া জাতি ইহুদিবাদী ইজরায়ায়েল পার্মানেন্টলি গোল্ডেন টেম্পলের অধিকার ছেড়ে দেবেনা। যদিও অনেকেরই ভ্রান্ত ধারণা আছে- সোনালী গম্বুজের স্থাপত্যটাই বোধহয় ‘আল-আকসা’ মসজিদ, কিন্তু তা হয়। ইহুদিদের উপাসনাস্থল সোনালী গম্বুজের ৫০ ফুট দূরত্বে অপেক্ষাকৃত ছোট আর নিচু একটা রুপালী গম্বুজের স্থাপত্য রয়েছে, সেটাই মুসলমানেদের উপাসনাস্থল। তার পরেও এসব এলাকাতে তারা ইচ্ছাকৃত অশান্তি বাঁধিয়ে রাখে গোটা ‘টেম্পল মাউন্ট’ এলাকাটা কুক্ষিগত করার জন্য। টেম্পল মাউন্টের কী হবে তা আগামী বলবে, কিন্তু যা হবে তা বিশ্বের মানব জাতির পক্ষে যে খুব একটা সুখকর হবে না সেটা বলাই বাহুল্য। সুতরাং অদূর ভবিষ্যতে যদি আমরা আরও একটা বিশ্বযুদ্ধের সম্মুখীন হই তাতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...