শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫

নাস্তিক পণ্ডিতের ভ্রমণ

(১)

ভ্রমণের নেশা সর্বনাশা, আর সেই সুত্রেই দেশে বিদেশের নানান ধর্মস্থানে যাবার সৌভাগ্য হয়েছে, সেটা মসজিদ, মাজার, গুরদুয়ারা, বৌদ্ধ স্তুপা ও মনেষ্ট্রি, দেরাসর বা বসডি, চার্চ, সিনাগগ, এমনকি শাক্ত, পার্শি, আদিবাসী, বাহাই, বৈষ্ণব মঠ, টাও, কনফুসিয়ানিজম, শিন্তো, রাস্টাফি, জেন, হোয়া, কাও এর মত ছোট ছোট জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় উপাসনালয় সহ আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার অনেক ছোট ছোট স্বতন্ত্র নৃ-গোষ্ঠীর থান তথা উপাসনালয়েও যাবার সৌভাগ্য হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশী গেছি হিন্দু মন্দিরে।

আজকের গল্পটা ধর্মস্থান গননার নয়, না কোনো ভক্তি বা আস্থার। এটা পাতি জীবনের রোজনামচা আর ভ্রমণের গল্প।

বহু হিন্দু পূন্যার্থীর স্বপ্ন থাকে দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের সবকটা স্থান দর্শনের। আমি তথাকথিত ম্লেচ্ছ হয়েও ১০টা জ্যোতির্লিঙ্গ ঘুরে দেখেছি। কেদারনাথ, বৈদ্যনাথ, বিশ্বনাথ মন্দিরে তো বেশ কয়েকবার যাওয়া হয়েছে। এছাড়া অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীশৈলমে মল্লিকার্জুন, মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীতে মহাকালেশ্বর, মধ্যপ্রদেশের নর্মদা নদীর তীরে ওমকারেশ্বর, তামিলনাড়ুরামেশ্বরম, গুজরাটের সোমনাথে ১ বার করে গিয়েছিলাম। নাসিকের ত্রিম্বকেশ্বর আর ঔরঙ্গাবাদে গ্রীষ্ণেশ্বরে এই তো গত বছর ২০২৪ এর জুলাই মাসে- আমি আর সুব্রতদা মহারাষ্ট্র সফরে ঢুঁ মেরে এসেছি। বাকি রয়েছে কেবল পুণের ভীমাশঙ্কর, গুজরাটের দ্বারকানাগেশ্বর মন্দির। সেগুলোও কোনো দিন ঠিক পৌঁছে যাব ঘুড়তে ঘুড়তে।

আমি এমনিতেই নবদ্বীপের মানুষ, মঠ মন্দির আর কীর্তনের আবহাওয়াতেই বড় হয়ে উঠা। তার পরও গোটা ভারতজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কয়েকশো মন্দির সহ দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ গুলোর অধিকাংশেই উপস্থিত হয়েছিলাম নানান উদ্ভুত পরিস্থিতিতে। একবার লৌক্ষৌ ভ্রমণ করছিলাম ২০১৮ সালে আমি ও সুব্রত মন্ডল দাদা, উভয়েই স্বপরিবারে। লৌক্ষৌ জুড়ে বিরিয়ানি, তন্দুরি, ফিরনি আর গালৌটি কাবাব ধ্বংসের সাথে সাথে, গোটা বেনারস জুড়ে ২টো দিন পেঁড়া, কচুরি, লাড্ডু আর স্বাত্তিক আহারের ফাঁকে বৌদির কল্যাণে এলাকার বহু ঘাট ও মন্দিরের দর্শন আমার হয়ে গিয়েছিলো।

এদিকে সুব্রতদা কঠোর নাস্তিক ও পন্ডিত মানুষ, শুধু ভাবনাতে নয়- ব্যাক্তিজীবনের আচার বিচারেও তাই। তবে ধর্মবিশ্বাসীদের সাথে তার কোনো বিরোধ নেই, কাউকে মানাও করেননা। সুতরাং, তিনি কোনোভাবেই ভক্তির কারনে মন্দির মসজিদ চার্চে ঢুকতে নারাজ, বাইচান্স ঢুকলেও স্থাপত্য দেখতে বা তার সাথে জুড়ে থাকা ইতিহাসকে ছুঁতে, প্রণাম বা নমস্কারের ধার ধারেন না। ওদিকে বৌদিকে একা ছাড়াও যায়না ওই ভিড়ে, অগত্যা আমিই দোসর। আমি আস্তিক মানুষ, মুর্তি পুজাতে বিশ্বাস না থাকলেও ভুত-ভগবান- দৈববাণীতে আস্থার ঘাটতি নেই, তাই বিসমিল্লাহ্‌ বলে সর্বত্র ঢুকে যেতে পারি সহজে। বড়জোর মালাউন মুনাফেক ডাকে খিস্তি খাবো, তাও ফেসবুকে, ব্যাস। তাতে কী আর আমার ভিতরের ইসলাম বিশ্বাস বদলে যাবে! যাই হোক-

একটা মজার ঘটনা ঘটে লৌক্ষৌ থেকে বেনারস ফেরার পথে। কোলকাতা থেকে নিজেরা SUV গাড়ি নিয়ে গিয়েছিলাম, যাতে যেখানে খুশি দাঁড়াতে পারি, আর সময়ের যেন কোনো বাঁধন না থাকে। সুব্রতদা মির্জাপুর যাবে বলে শুরু থেকেই পণ করে বসে ছিলেন। এই মির্জাপুর শুধু ‘কাট্টা’ বন্দুক আর ওয়েব সিরিজের জন্য বিখ্যাত নয়, আমাদের সমগ্র দেশের যে ধ্রুবক সময় +5.30 GMT, সেটাও এই মির্জাপুরেরই। আদত ৮২°৩০' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এই মির্জাপুরের উপর দিয়েই গেছে। আমাদের মির্জাপুর যাত্রায় খুব স্বাভাবিকভাবেই মেয়েদের কোনো আগ্রহ ছিলোনা, সুতরাং সেই সুযোগে রত্না বৌদির ভক্তি জেগে উঠল প্রয়াগের ত্রিবেণী সঙ্গমে পুজো দেওয়ার।

যাবার সময় আমরা বিহারের সাসারামে শেরশাহ সুরির সমাধি দেখার প্ল্যান করেছিলাম। দিনের বেলায় যাবার সময় এই অঞ্চলে দেখেছিলাম বিপুল সংখ্যায় রাইস মিল তৈরি হচ্ছিলো প্রায় সার বেঁধে, পশ্চিমবাংলার চাল শিল্পের অস্তাচলে যাওয়ার উপন্যাস সেই আমলেই লেখা হয়েছিলো। সেদিন বিজয়া দশমী, মোড়ে মোড়ে রামলীলার মেলা চলছে, সর্বত্র জনস্রোত। তাছাড়া রাস্তা জুড়ে বিশাল বিশাল শোভাযাত্রা চলছে প্রতিমা নিয়ে, তাসা ঢাক ঢোল কাঁসি সহযোগে ডিজে বক্সে উৎকট ভোজপুরী গান আর গেরুয়া আবীরের ভিড়ে গাড়ি এগোনোই দায়। স্থানীয় মানুষের দশেরা পালনের রীতিনীতি দেখতে দেখতে, তাদের আলুর বোন্দা, চাটনি, আচার আর গজা জাতীয় মিষ্টি খেতে খেতে- দীর্ঘ সময় রাস্তার যানজটে আঁটকে তখন মাঝরাত ছুইঁছুঁই।

রাস্তার ধারে কোনো দিক নির্দেশনার বোর্ড নেই, গুগুল ম্যাপে নির্দেশিত রাস্তায় সারারাত শোভাযাত্রার মিছিল চলবে। সেই বিচিত্র পরিস্থিতিতে এক পুলিশ গাড়ি দেখতে পেয়ে তাদেরকে রাস্তা শুধাতে, অদ্ভুতভাবে তারা উৎসবের আনন্দ নিতে বললো। বারকয়েক শুধাতে তারা রাস্তার বাতলানোর বদলে যথারীতি দশেরার বখশিস চেয়ে বসলো। সুব্রতদা ট্যাঁরে গিয়ে সেটাকে পাত্তা না দেওয়াতে এক কনস্টেবল তাচ্ছিল্যের একটা রাস্তা দেখিয়ে দেওয়াতে বিপদের মূল সূত্রপাত। ভোরবেলা যখন ক্লান্ত বিধ্বস্ত শরীরে একটা হোটেলে গিয়ে পৌঁছালাম, তারা সব দেখে ও শুনে একই সাথে আতঙ্কিত ও হতবাক হয়ে গেলো।

আমরা যে অঞ্চলটাতে আঁটকা পড়ে সারারাত গোলগোল ঘুরে মরেছি, সেটা নাকি স্থানীয় বাহুবলী কুখ্যাত রাজা ভাইয়ার অঞ্চল। বিপদের গভীরতা অনুমান না করতে পারার দরুন আমরা ততটা ভয় না পেলেও, রিসেপশনের মেয়েটির মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেলো। চেক-ইন ফর্মালিটি পূরণ করতে করতে বললো- বাল বাল বাঁচ গ্যায়া আপলোগ। গাড়িতে ৩টে বাচ্চা, ৩ জন মহিলা, দুজন আনফিট ‘হাই ট্রাইগ্লিসারাইড’ পুরুষ- পুলিশের ভুলের মাশুল শুধুমাত্র সারারাত গোলকধাঁধার উপর দিয়েই সে যাত্রায় ফাঁড়া কেটেছিলো বরাতজোরে।

অজানা রাস্তা দিয়ে আনাড়ির মত গাড়ি চালিয়ে গাজিপুর, আজমগড়, সুলতানপুর রুটে লৌক্ষৌ পৌঁছেছিলাম, তাই ফেরার পথে বৌদির প্রয়াগ দর্শন পূর্ণ করতে এলাহাবাদ না যাওয়ার কোনো কারন ছিলনা। আমরা মুঘলসরাইতেও গিয়েছিলাম ‘দীনদয়াল পরোটা’ পাওয়া যায় কিনা খুঁজতে, সেই দিনই স্টেশনের বাইরের বোর্ডে ‘দীনদয়াল’ নাম লেখা হচ্ছিলো, কাকতালীয় ভাবে সেই কুৎসিত ঘটনার সাক্ষী হয়েছিলাম। শেষ অবধি শেরশাহ সুরির সমাধি দর্শনও আর সে যাত্রায় হয়ে উঠেনি।


(২)

যাই হোক, লৌক্ষৌ থেকে ফেরার পথে শেষ বিকালের দিকে আমরা এলাহাবাদে গঙ্গা যমুনার সঙ্গমে গিয়ে পৌঁছালাম, সুব্রতদা যথারীতি গাড়িতেই বসে ঘুমাবার তাল ফেঁদে রেখেছে। ওদিকে এ যাত্রায় বৌদিরও এক গোঁ, দাদাকে যেতেই হবে নতুবা বেণীদান সম্পাদন করা যাবেনা। ওনাদের এই ক্যাঁচালের ফাঁকে আমি ঘাটে গিয়ে একটা নৌকার সাথে দড়দাম করে প্রাথমিকভাবে বিষয়টা কিছুটা এগিয়ে রাখলাম। এখানে নৌকার মাঝি ও পুরুত ঠাকুরের কম্বো প্যাকেজ, সাথে যাবতীয় পুজো ও তর্পনের রেডিমেড আয়োজনের কোনো ত্রুটি নেই নৌকাতে। অবশেষে সুব্রতদাকে আসতে দেখলাম, গাই দোয়ানোর সময় এঁড়ে বাছুর গুলোকে যেমন টেনে হিঁচড়ে দূরের খুঁটিতে নিয়ে বাঁধা হয়, ওনাকে তেমনই জবরদস্তি করে পাড়ে এনে হাজির করানো হলো।

এসে আরেক ক্যাঁচাল, মাঝিকে সটান তার বলা রেটের অর্ধেক বলে মাঝির সাথে জানপ্রাণ লাগিয়ে দর কষাকষি করতে লেগে গেলো। বিষয়টা বৌদি তৎক্ষণাৎ ধরতে না পারলেও, আমি প্রমাদ গুনলাম- নির্ঘাৎ এটা সময় নষ্টের ফন্দি, কোনো মতে সন্ধ্যা হয়ে গেলেই কেল্লাফতে, আর যেতে হবেনা। কিন্তু উনি শেয়ানা হলেও ছোকরা পুরুত ঠাকুরটি সেয়ানার বাপ, তারা রোজ এমন ভক্তের দল দেখছে, সে বেশী কথা না বাড়িয়ে দুপক্ষের মাঝে মধ্যস্থতা করিয়ে প্রায় দাদার রেটেই রাজি হয়ে গেলো। নৌকায় চড়া ইস্তক সুব্রতদা পুরুত ঠাকুরের দিকে না তাকিয়ে মাঝির দিকে ফিরে বসে দূরে আলোআঁধারির বালুচর দেখছিলো, গোল বাঁধল সঙ্গমে পৌঁছে।

পুরুত ঠাকুরের নিদান, আচারের সাথে মন্ত্রোচ্চারণও করতে হবে, সুব্রতদার মেদিনীপুরিয়ান গোঁ- তিনি কিছুই করবেনা। অনেক বোঝালাম, মহামতি মার্ক্স বা কমরেড লেনিনের আত্মার জন্য অন্তত তর্পন করুন। ভারতে এসে কী এতো দিনে ওনাদের আত্মাও কী সনাতনী হয়ে যাননি! ওনাদেরকে আপনার পিতৃপুরুষ ভেবে নিয়েই নাহয় তাঁদের আত্মার উদ্দেশ্যে পিন্ডদান করুন। শুধু মন্ত্রের শুরুতে কমরেড আর শেষে ইনকিলাব জিন্দাবাদ জুড়ে নিলেই বিষয়টা ‘প্রতিক্রিয়াশীল’ দোষ মুক্ত হয়ে যাবে। নাহ, সমস্ত জোরাজুরি ভেস্তে যাওয়ার সাথে সাথে দিনের আলোও ক্রমশ ফুরিয়ে যাবার পথে, অগত্যা আমিই বৌদি সাথে সাথে মন্ত্রোচ্চারণের ভার কাঁধে তুলে নিলাম। নবদ্বীপের মাটির সন্তান আমি, ক্লাস সিক্স থেকে মাধ্যমিক অবধি সংস্কৃত পড়েছি ইস্কুলে, ও ভাষা জিভে আঁটকায়না, তাই মনে মনে সুভানাল্লা বলে শুরু করে দিলাম- যা আছে কপালে।

কালো তিল, যব, কুশ ঘাস, গঙ্গা জল এবং সাদা ফুল সহ তর্পণ মন্ত্র উচ্চারণ করে পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি ও তৃপ্তি কামনা করে সেই জলই নদীতে অর্পণ- এই ছিলো মূল বিষয়টা। পূর্বপুরুষদের আত্মার উদ্দেশ্যে পিণ্ডদান, পিতৃদোষ মুক্তি আশীর্বাদ চাওয়া, ও শুদ্ধাচারে আত্মাকে পবিত্র করে নিজের আধ্যাত্মিক উন্নতি করা। এই প্রক্রিয়া গুলো আমি এই দফায় শিখেছিলাম। পুরুত বেটা শুরুতে কম টাকায় রাজি হয়ে গেলেও, প্রতিবার নতুন আচারের মন্ত্র পড়ার সময় ফুল, বেলপাতা, নারকেল সব আলাদা আলাদা করে ১০ গুণ দামে বিক্রি করছিলো, বৌদি তখন ভক্তিতে চূড়, তিনি বিনা বাক্যব্যায়ে হ্যাঁ এ হ্যাঁ মিলিয়ে যাচ্ছিলেন। আমি এই সব তর্পনের সিস্টেম জানিনা, তাই এ যাত্রায় চুপ চেয়ে থাকা ছাড়া বিশেষ কিছু করার ছিলোনা। এর পর ব্রাহ্মণ ভোজন করানোর জন্য- ‘আপকো যো আচ্ছা লাগতা হ্যায় দিজিয়ে’ বলে যতক্ষণে তর্পনের অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করলেন, ততক্ষণে নৌকাতে একটা ব্যাটারির LED বাল্ব টিমটিম করে জ্বলে উঠেছে।  

এবারে শুরু হলো মূল খেলা। পুরুত ঠাকুর যত বলে এটাই তিনটে নদীর সঙ্গম স্থান, সুব্রতদার সেই গোঁ- খাঁটি বাংলাচ্চোরণের কিম্ভূত হিন্দিতে বলতে শুরু করলেন- গঙ্গা যমুনা তো দেখতা পায়া, সরস্বতী কিধোর গয়া? তুম ছাগল বলির মন্ত্র পড়া হ্যায়, সব জিনিসে বেশী বেশী দাম ধরা হ্যাঁয়, তুমারা নারকেল অনেক পুরানো, ঝুনো হ্যায়। ফুল বেলপাতা সব বাসি হ্যায়, সব নদী থেকে তুলে ডাবল ট্রিপিল বার ব্যবহার করতা হ্যায়- ইত্যাদি, লেগে সেই তর্ক। এরপর পুরুত ঠাকুরের এক্সট্রা যোগ করা অতিরিক্ত বাজেটের প্রায় ৮০% কেটে পেমেন্ট করে যতক্ষণে নৌকা থেকে নামলাম তৎক্ষণে রাত্রি নেমে গেছে প্রয়াগের তীরে।

ব্রাহ্মণ ভোজনের দরুণ- আপকা মর্জি সেগমেন্টে, সুব্রতদা ৫১ টাকা দিয়ে পুরুত ঠাকুরকেই অনেক আশির্বাদ দান করলেন- চলো আশির্বাদ কর দিয়া, ও ভি বিনা পয়সা মে। ফেরার পথে আধাঁরে চেয়ে দেখলাম, বেচারা পুরুত বিহ্বল হতবুদ্ধি হয়ে চেয়ে রয়েছে, জীবনে প্রথমবার হয়ত নিজেকে এমন মুরগি হতে দেখেলো।

 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তৃণমূলের প্ররোচনার ফাঁদে পা দেবেন না

⛔ সতর্কতামূলক পোষ্ট ⛔ আজ SIR এর ভোটারলিষ্ট বার হবার পর- জনরোষের দোহায় দিয়ে দিকে দিকে ‘সংগঠিত অশান্তি’ লাগাবার ‘ফুল প্ল্যান’ নিয়ে এগোচ্ছে শাা...